Dhaka , Thursday, 4 June 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগরে পথসভায় জনসাধারণের সাথে মতবিনিময় করলেন পুলিশ সুপার রামুর নবাগত ইউএনও জিল্লুর রহমানের সঙ্গে রামু প্রেস ক্লাব নেতৃবৃন্দের সৌজন্য সাক্ষাৎ পাইকগাছায় ৫ দিনব্যাপী রেড ক্রিসেন্ট সোসাইটির ‘হিট অ্যাকশন ডে’ কর্মসূচির উদ্বোধন ​ব্র্যাক মাইক্রোফাইন্যান্স (দাবি+) কর্তৃক মুরগির বাচ্চা বিতরণ ও প্রশিক্ষণ সম্পন্ন রূপগঞ্জে কলেজ ছাত্রীকে অপহরণ প্রতিবেশীর হা’ম’লা’য় নবজাতক যমজ শিশুর মৃ’ত্যু’র অ’ভি’যো’গ, বিচার দাবিতে রায়পুরে মানববন্ধন অবশেষে রূপগঞ্জে দুই মহাসড়কের বিষফোঁড়া ময়লার ভাগাড় অপসারণ মানুষকে হয়রানি না করে সর্বোচ্চ সেবা দিতে হবে :- জহিরুল ইসলাম, এমপি আধুনিক প্রযুক্তির মাধ্যমে দ্রুত ও নির্ভুল রোগ নির্ণয় সম্ভব : মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বীরশ্রেষ্ঠ মতিউর রহমানের স্মৃতিতে নির্মিত “বাংলার ঈগল” ১৪ জুন কক্সবাজার যাবেন প্রধানমন্ত্রী : পানি সম্পদ মন্ত্রী আত্রাই নদীতে গোসলে নেমে দুই ভাইয়ের মৃত্যু সীতাকুণ্ডে সরকারি সড়কের দুই পাশের গাছ কাটার অভিযোগ, তদন্তের দাবি হাদি হত্যার বিচার দাবিতে মাঠে নামছে ইনকিলাব মঞ্চ, নতুন কর্মসূচি ঘোষণা হামে মৃত্যুর মিছিল যেন থামছেই না, দেশে মৃত্যু ছাড়াল ৬০০ মুক্তিযুদ্ধ-মুক্তিযোদ্ধাদের অসম্মানের চেষ্টা করলে আরেকটি গণঅভ্যুত্থান হবে: নোয়াখালীতে প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হাতিয়াতে পুকুরে ডুবে শিশুর মৃত্যু নোয়াখালীতে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে তরুণের মৃত্যু নোয়াখালীতে বর্গাচাষীর ঘরে হামলা-ভাঙচুর ও অগ্নিসংযোগের অভিযোগ, গর্ভবতী নারীসহ আহত ৬ বেতাগীর কাউনিয়ায় হামে আক্রান্তে এক শিশুর মৃত্যু  নোয়াখালীতে চার বাস কাউন্টারকে জরিমানা রূপগঞ্জে প্রবাসী হত্যা মামলার আসামীদের গ্রেফতারের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ সড়ক দুর্ঘটনায় রামু ফতেখাঁরকুল মন্ডলপাড়ার যুবক মারুফের মৃত্যু, এলাকায় শোকের ছায়া ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচনে আউশনারা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান পদে প্রার্থী হতে চাচ্ছেন এম. রতন হায়দার শহীদ জিয়ার মৃত্যুবার্ষিকীতে ড্যাব- চট্টগ্রাম’র দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত শহীদ জিয়ার নেতৃত্ব জাতিকে মুক্তির পথ দেখিয়েছিল:- ডা. শাহাদাত হোসেন পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রীর পদত্যাগপত্র গ্রহন করে গেজেট প্রকাশ পাইকগাছায় পারিবারিক জমি নিয়ে বিরোধ; থানায় অভিযোগ চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের বিবৃতি সীতাকুণ্ডে সংঘর্ষের জেরে মহাসড়ক অবরোধের চেষ্টা, পুলিশ সুপারের হস্তক্ষেপে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে

কালিয়াকৈরে ঐতিহ্যবাহী ১৬২ তম পাগল নাথের মেলা অনুষ্ঠিত।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 12:16:38 pm, Thursday, 24 October 2024
  • 122 বার পড়া হয়েছে
উৎপল রক্ষিত
 
গাজীপুর প্রতিনিধি।।
   
  
গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলা গোলয়া গ্রামে ঐতিহ্যবাহী  ১৬২ তম পাগল নাথের মেলা  সম্প্রীতির বন্ধন।  শত শত মানুষের আগমনে পাগল নাথের মেলা হয়ে উঠেছে উৎসবমুখর। আজ থেকে দেড়শত বছর আগে চিকিৎসা ব্যবস্হা উন্নত ছিল না। 
কার্তিক মাস থেকে শুরু করে শীতের দিনে বিভিন্ন রোগে  মানুষ মারা যেত বেশি। তাই এ গ্রামের মানুষ বিশ্বাস করতো বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি পেতে পাগল নাথের মেলা শুরু করে।
প্রতি বছর কার্তিক মাসে ১ তারিখ থেকে  ৭তারিখ  পর্যন্ত  দিন  গোলয়া  গ্রামের মানুষ নিরামিষ খেয়ে প্রতিরাতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নাম কীর্তন করে। সপ্তম দিন  সারাদিন কীর্তন  ও পাগল নাথ গান গাওয়া হয়।  মেলায় আগত সকল মানুষের মধ্যে প্রসাদ বিতরন করা হয়। 
ডক্টর চিও রঞ্জন রায় জানান- এক সময় গোলয়া গ্রামের  প্রধান উৎসব ছিল পাগল নাথের মেলা। এ মেলায় ছোট কাল থেকে দেখে আসছি সম্প্রীতির এক অপূর্ব বন্ধন।  পূর্ব পুরুষের ঐতিহ্য আমরা আজও রক্ষা করে চলছি।  গ্রামে এখন দুর্গাপূজা, অষ্টপ্রহর, স্বরসতী পূজা সহ বিভিন্ন উৎসব পালন করা হয়। আধুনিকতার ছোঁয়া এ গ্রামেও লেগেছে। পূর্ব পুরুষদের বিশ্বাস কে ধরে রেখে আজও আমরা  প্রতি বছর পাগল নাথে উৎসব পালন করে আসছি। 
গোলয়া গ্রামের সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ  ভাবে পালন করা হয় পাগল নাথের মেলা। বোয়ালী-শ্রীপুর- রঘুনাথপুর- সিকদার চালা-বেড়া চালা- শিমুলচালা-সোনাতলা- তালতলী- বাঁশতলী-গাছবাড়ী সহ  আশে পাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষ এ মেলায় আসে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীরা মেলায় এসে সনাতন ধর্মী মানুষ সাথে মতবিনিময় করেন। 
শিক্ষক বিদ্যা সাগর  রায় জানান- পাগল নাথ আমাকে অনেক বিপদ থেকে রক্ষা করেছে। তাই তো আমি ও আমার পরিবার পাগল নাথের ভক্ত।
শিক্ষক খুশীমোহন রায় জানান-গোলয়া গ্রামের মানুষ ৭ দিন নিয়মতান্ত্রিক  ভাবে নিরামিষ খেয়ে থাকে ।পাগল নাথ আমাদের সকল দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে। তাই আমাদের মনের গভীরে বিশ্বাসে পাগল নাথ আছে।
কালের বিবর্তনে সাথে পরিবর্তন হয়েছে অনেক কিছু। আধুনিক যুগে ওয়ানটাইম প্লেট- সহ বিভিন্ন প্লেট বের হয়েছে। তারপরও কলাপাতায় প্রসাদ  বিতরণ করে ঐতিহ্য রক্ষা করা হয়েছে।
দেড়শত বছর আগে মেলার দিন রাতে নাটক- যাএা অনুষ্ঠিত হতো। সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবর্তন হয়ে গেছে। এখন আর নাটক যাএা গান অনুষ্ঠিত হয় না। তবে পাগল নাথের অন্যান্য অনুষ্ঠান যথাযথ ভাবে পালন করা হয়। গোলয়া গ্রামে বিরাজ করছে আনন্দমুখর পরিবেশ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জঙ্গল সলিমপুরের আলীনগরে পথসভায় জনসাধারণের সাথে মতবিনিময় করলেন পুলিশ সুপার

কালিয়াকৈরে ঐতিহ্যবাহী ১৬২ তম পাগল নাথের মেলা অনুষ্ঠিত।।

আপডেট সময় : 12:16:38 pm, Thursday, 24 October 2024
উৎপল রক্ষিত
 
গাজীপুর প্রতিনিধি।।
   
  
গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলা গোলয়া গ্রামে ঐতিহ্যবাহী  ১৬২ তম পাগল নাথের মেলা  সম্প্রীতির বন্ধন।  শত শত মানুষের আগমনে পাগল নাথের মেলা হয়ে উঠেছে উৎসবমুখর। আজ থেকে দেড়শত বছর আগে চিকিৎসা ব্যবস্হা উন্নত ছিল না। 
কার্তিক মাস থেকে শুরু করে শীতের দিনে বিভিন্ন রোগে  মানুষ মারা যেত বেশি। তাই এ গ্রামের মানুষ বিশ্বাস করতো বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি পেতে পাগল নাথের মেলা শুরু করে।
প্রতি বছর কার্তিক মাসে ১ তারিখ থেকে  ৭তারিখ  পর্যন্ত  দিন  গোলয়া  গ্রামের মানুষ নিরামিষ খেয়ে প্রতিরাতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নাম কীর্তন করে। সপ্তম দিন  সারাদিন কীর্তন  ও পাগল নাথ গান গাওয়া হয়।  মেলায় আগত সকল মানুষের মধ্যে প্রসাদ বিতরন করা হয়। 
ডক্টর চিও রঞ্জন রায় জানান- এক সময় গোলয়া গ্রামের  প্রধান উৎসব ছিল পাগল নাথের মেলা। এ মেলায় ছোট কাল থেকে দেখে আসছি সম্প্রীতির এক অপূর্ব বন্ধন।  পূর্ব পুরুষের ঐতিহ্য আমরা আজও রক্ষা করে চলছি।  গ্রামে এখন দুর্গাপূজা, অষ্টপ্রহর, স্বরসতী পূজা সহ বিভিন্ন উৎসব পালন করা হয়। আধুনিকতার ছোঁয়া এ গ্রামেও লেগেছে। পূর্ব পুরুষদের বিশ্বাস কে ধরে রেখে আজও আমরা  প্রতি বছর পাগল নাথে উৎসব পালন করে আসছি। 
গোলয়া গ্রামের সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ  ভাবে পালন করা হয় পাগল নাথের মেলা। বোয়ালী-শ্রীপুর- রঘুনাথপুর- সিকদার চালা-বেড়া চালা- শিমুলচালা-সোনাতলা- তালতলী- বাঁশতলী-গাছবাড়ী সহ  আশে পাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষ এ মেলায় আসে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীরা মেলায় এসে সনাতন ধর্মী মানুষ সাথে মতবিনিময় করেন। 
শিক্ষক বিদ্যা সাগর  রায় জানান- পাগল নাথ আমাকে অনেক বিপদ থেকে রক্ষা করেছে। তাই তো আমি ও আমার পরিবার পাগল নাথের ভক্ত।
শিক্ষক খুশীমোহন রায় জানান-গোলয়া গ্রামের মানুষ ৭ দিন নিয়মতান্ত্রিক  ভাবে নিরামিষ খেয়ে থাকে ।পাগল নাথ আমাদের সকল দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে। তাই আমাদের মনের গভীরে বিশ্বাসে পাগল নাথ আছে।
কালের বিবর্তনে সাথে পরিবর্তন হয়েছে অনেক কিছু। আধুনিক যুগে ওয়ানটাইম প্লেট- সহ বিভিন্ন প্লেট বের হয়েছে। তারপরও কলাপাতায় প্রসাদ  বিতরণ করে ঐতিহ্য রক্ষা করা হয়েছে।
দেড়শত বছর আগে মেলার দিন রাতে নাটক- যাএা অনুষ্ঠিত হতো। সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবর্তন হয়ে গেছে। এখন আর নাটক যাএা গান অনুষ্ঠিত হয় না। তবে পাগল নাথের অন্যান্য অনুষ্ঠান যথাযথ ভাবে পালন করা হয়। গোলয়া গ্রামে বিরাজ করছে আনন্দমুখর পরিবেশ।