Dhaka , Saturday, 4 July 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
পেট ভেদ করে বেরিয়ে গিয়েছিল গুলি, মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এবার ‘জুলাই জাতীয় বিশেষ সম্মাননা’ পেলেন ওমর ফারুক সাগর দোহাজারী–কক্সবাজার রেলপথ: দীর্ঘ পথচলার এক মাইলফলক, বাস্তবায়নের শেষ পর্বে সুবক্তগিনের ভূমিকা প্রশংসনীয় ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের চট্টগ্রাম ও হাটহাজারীতে মানবিক সহায়তা প্রদান জাতীয় প্রেস ক্লাব ও চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের যৌথ সভা, প্রেস ক্লাব ফেডারেশন গঠনে ঐকমত্য বাংলাদেশি প্রকৌশলীদের মেধা ও দেশীয় প্রযুক্তিতে তৈরি হয়েছে ভূমি মন্ত্রণালয়ের ডিজিটাল সেবা ও সফটওয়্যার:- ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রী চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব ও কোস্টগার্ড পূর্ব জোনের প্রীতি ফুটবল ম্যাচ যুবসমাজের অবক্ষয় ও মূল্যবোধের সংকট: ধর্ম, মানবতা ও বাংলাদেশের ভবিষ্যৎ   ৩ সন্তানকে রেখে ইমামের সঙ্গে পালালেন প্রবাসীর স্ত্রী শারীরিক প্রতিবন্ধকতা, দারিদ্র্য আর জীবনের নানামুখী প্রতিকূলতা নোয়াখালীতে বাস চাপায় শিশুর মৃত্যু দুর্গাপুরের জোর করে কেটে ফেললো চলাচলের রাস্তা, চরম দুর্ভোগে জনসাধারণ পাবনায় বাসের ধাক্কায় মোটরসাইকেল আরোহী স্কুল ছাত্র নিহত চায়ের আড্ডায় যাওয়ার পথে মোবাইল মেকানিকের মৃত্যু ১৭ বছর পর আনুশকার রেকর্ডে ইতি টানলেন সামান্থা কেপ ভার্দের বিপক্ষে আর্জেন্টিনার একাদশে থাকছেন যারা প্রাথমিকে ৩৬ হাজার প্রধান শিক্ষক পদে পদোন্নতি নিয়ে সুখবর দিলেন শিক্ষামন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর সভাপতিত্বে মন্ত্রিসভার বৈঠক কাউখালীতে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ৭ জন।। পূর্বের প্রাকৃতিক পরিবেশ ফিরিয়ে আনার লক্ষ্যেই অপসারণ করা হচ্ছে ভায়াডাক্টের নীচের মাটি-:রেলমন্ত্রী। রূপগঞ্জে বিশ্বকাপ দেখতে যুবকদের প্রজেক্টর দিলেন কাউন্সিলর প্রার্থী নোয়াখালীতে ৫৮ বোতল বিদেশি মদসহ কারবারি গ্রেপ্তার চট্টগ্রামের মুরাদপুরে দিনদুপুরে যুবককে গুলি করে হত্যা হোটেল সোনারগাঁওয়ে নগর জনস্বাস্থ্য প্রকল্পের অভিজ্ঞতা বিনিময় কর্মশালায় বক্তারা কাউখালীতে বাড়ছে ডেঙ্গু রোগী, স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি ৭ জন রূপগঞ্জে সাংগঠনিক আলোচনায় বিএনপি নেতাদের ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান আষাঢ়ের বৃষ্টিতে পাইকগাছায় ছাতা মেরামতের ধুম পাইকগাছায় সরকারি কর্মকর্তাদের সঙ্গে এমপির মতবিনিময় সভা পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে এমপি আবুল কালাম আজাদ মধুপুরে তৃতীয় শ্রেনীর ছাত্রীকে ধর্ষণচেষ্টা, অভিযুক্তের শাস্তির দাবিতে মানববন্ধন রূপগঞ্জে বেদে পল্লীর ১৮০ পরিবারের মাঝে ৩০ কেজি করে চাল বিতরণ

কালিয়াকৈরে ঐতিহ্যবাহী ১৬২ তম পাগল নাথের মেলা অনুষ্ঠিত।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 12:16:38 pm, Thursday, 24 October 2024
  • 126 বার পড়া হয়েছে
উৎপল রক্ষিত
 
গাজীপুর প্রতিনিধি।।
   
  
গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলা গোলয়া গ্রামে ঐতিহ্যবাহী  ১৬২ তম পাগল নাথের মেলা  সম্প্রীতির বন্ধন।  শত শত মানুষের আগমনে পাগল নাথের মেলা হয়ে উঠেছে উৎসবমুখর। আজ থেকে দেড়শত বছর আগে চিকিৎসা ব্যবস্হা উন্নত ছিল না। 
কার্তিক মাস থেকে শুরু করে শীতের দিনে বিভিন্ন রোগে  মানুষ মারা যেত বেশি। তাই এ গ্রামের মানুষ বিশ্বাস করতো বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি পেতে পাগল নাথের মেলা শুরু করে।
প্রতি বছর কার্তিক মাসে ১ তারিখ থেকে  ৭তারিখ  পর্যন্ত  দিন  গোলয়া  গ্রামের মানুষ নিরামিষ খেয়ে প্রতিরাতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নাম কীর্তন করে। সপ্তম দিন  সারাদিন কীর্তন  ও পাগল নাথ গান গাওয়া হয়।  মেলায় আগত সকল মানুষের মধ্যে প্রসাদ বিতরন করা হয়। 
ডক্টর চিও রঞ্জন রায় জানান- এক সময় গোলয়া গ্রামের  প্রধান উৎসব ছিল পাগল নাথের মেলা। এ মেলায় ছোট কাল থেকে দেখে আসছি সম্প্রীতির এক অপূর্ব বন্ধন।  পূর্ব পুরুষের ঐতিহ্য আমরা আজও রক্ষা করে চলছি।  গ্রামে এখন দুর্গাপূজা, অষ্টপ্রহর, স্বরসতী পূজা সহ বিভিন্ন উৎসব পালন করা হয়। আধুনিকতার ছোঁয়া এ গ্রামেও লেগেছে। পূর্ব পুরুষদের বিশ্বাস কে ধরে রেখে আজও আমরা  প্রতি বছর পাগল নাথে উৎসব পালন করে আসছি। 
গোলয়া গ্রামের সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ  ভাবে পালন করা হয় পাগল নাথের মেলা। বোয়ালী-শ্রীপুর- রঘুনাথপুর- সিকদার চালা-বেড়া চালা- শিমুলচালা-সোনাতলা- তালতলী- বাঁশতলী-গাছবাড়ী সহ  আশে পাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষ এ মেলায় আসে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীরা মেলায় এসে সনাতন ধর্মী মানুষ সাথে মতবিনিময় করেন। 
শিক্ষক বিদ্যা সাগর  রায় জানান- পাগল নাথ আমাকে অনেক বিপদ থেকে রক্ষা করেছে। তাই তো আমি ও আমার পরিবার পাগল নাথের ভক্ত।
শিক্ষক খুশীমোহন রায় জানান-গোলয়া গ্রামের মানুষ ৭ দিন নিয়মতান্ত্রিক  ভাবে নিরামিষ খেয়ে থাকে ।পাগল নাথ আমাদের সকল দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে। তাই আমাদের মনের গভীরে বিশ্বাসে পাগল নাথ আছে।
কালের বিবর্তনে সাথে পরিবর্তন হয়েছে অনেক কিছু। আধুনিক যুগে ওয়ানটাইম প্লেট- সহ বিভিন্ন প্লেট বের হয়েছে। তারপরও কলাপাতায় প্রসাদ  বিতরণ করে ঐতিহ্য রক্ষা করা হয়েছে।
দেড়শত বছর আগে মেলার দিন রাতে নাটক- যাএা অনুষ্ঠিত হতো। সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবর্তন হয়ে গেছে। এখন আর নাটক যাএা গান অনুষ্ঠিত হয় না। তবে পাগল নাথের অন্যান্য অনুষ্ঠান যথাযথ ভাবে পালন করা হয়। গোলয়া গ্রামে বিরাজ করছে আনন্দমুখর পরিবেশ।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পেট ভেদ করে বেরিয়ে গিয়েছিল গুলি, মৃত্যুর দুয়ার থেকে ফিরে এবার ‘জুলাই জাতীয় বিশেষ সম্মাননা’ পেলেন ওমর ফারুক সাগর

কালিয়াকৈরে ঐতিহ্যবাহী ১৬২ তম পাগল নাথের মেলা অনুষ্ঠিত।।

আপডেট সময় : 12:16:38 pm, Thursday, 24 October 2024
উৎপল রক্ষিত
 
গাজীপুর প্রতিনিধি।।
   
  
গাজীপুর জেলার কালিয়াকৈর উপজেলা গোলয়া গ্রামে ঐতিহ্যবাহী  ১৬২ তম পাগল নাথের মেলা  সম্প্রীতির বন্ধন।  শত শত মানুষের আগমনে পাগল নাথের মেলা হয়ে উঠেছে উৎসবমুখর। আজ থেকে দেড়শত বছর আগে চিকিৎসা ব্যবস্হা উন্নত ছিল না। 
কার্তিক মাস থেকে শুরু করে শীতের দিনে বিভিন্ন রোগে  মানুষ মারা যেত বেশি। তাই এ গ্রামের মানুষ বিশ্বাস করতো বিভিন্ন রোগ থেকে মুক্তি পেতে পাগল নাথের মেলা শুরু করে।
প্রতি বছর কার্তিক মাসে ১ তারিখ থেকে  ৭তারিখ  পর্যন্ত  দিন  গোলয়া  গ্রামের মানুষ নিরামিষ খেয়ে প্রতিরাতে বাড়ি বাড়ি গিয়ে নাম কীর্তন করে। সপ্তম দিন  সারাদিন কীর্তন  ও পাগল নাথ গান গাওয়া হয়।  মেলায় আগত সকল মানুষের মধ্যে প্রসাদ বিতরন করা হয়। 
ডক্টর চিও রঞ্জন রায় জানান- এক সময় গোলয়া গ্রামের  প্রধান উৎসব ছিল পাগল নাথের মেলা। এ মেলায় ছোট কাল থেকে দেখে আসছি সম্প্রীতির এক অপূর্ব বন্ধন।  পূর্ব পুরুষের ঐতিহ্য আমরা আজও রক্ষা করে চলছি।  গ্রামে এখন দুর্গাপূজা, অষ্টপ্রহর, স্বরসতী পূজা সহ বিভিন্ন উৎসব পালন করা হয়। আধুনিকতার ছোঁয়া এ গ্রামেও লেগেছে। পূর্ব পুরুষদের বিশ্বাস কে ধরে রেখে আজও আমরা  প্রতি বছর পাগল নাথে উৎসব পালন করে আসছি। 
গোলয়া গ্রামের সবচেয়ে জাঁকজমকপূর্ণ  ভাবে পালন করা হয় পাগল নাথের মেলা। বোয়ালী-শ্রীপুর- রঘুনাথপুর- সিকদার চালা-বেড়া চালা- শিমুলচালা-সোনাতলা- তালতলী- বাঁশতলী-গাছবাড়ী সহ  আশে পাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষ এ মেলায় আসে। বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতা কর্মীরা মেলায় এসে সনাতন ধর্মী মানুষ সাথে মতবিনিময় করেন। 
শিক্ষক বিদ্যা সাগর  রায় জানান- পাগল নাথ আমাকে অনেক বিপদ থেকে রক্ষা করেছে। তাই তো আমি ও আমার পরিবার পাগল নাথের ভক্ত।
শিক্ষক খুশীমোহন রায় জানান-গোলয়া গ্রামের মানুষ ৭ দিন নিয়মতান্ত্রিক  ভাবে নিরামিষ খেয়ে থাকে ।পাগল নাথ আমাদের সকল দুর্যোগ থেকে রক্ষা করে। তাই আমাদের মনের গভীরে বিশ্বাসে পাগল নাথ আছে।
কালের বিবর্তনে সাথে পরিবর্তন হয়েছে অনেক কিছু। আধুনিক যুগে ওয়ানটাইম প্লেট- সহ বিভিন্ন প্লেট বের হয়েছে। তারপরও কলাপাতায় প্রসাদ  বিতরণ করে ঐতিহ্য রক্ষা করা হয়েছে।
দেড়শত বছর আগে মেলার দিন রাতে নাটক- যাএা অনুষ্ঠিত হতো। সময়ের পরিবর্তনের সাথে সাথে পরিবর্তন হয়ে গেছে। এখন আর নাটক যাএা গান অনুষ্ঠিত হয় না। তবে পাগল নাথের অন্যান্য অনুষ্ঠান যথাযথ ভাবে পালন করা হয়। গোলয়া গ্রামে বিরাজ করছে আনন্দমুখর পরিবেশ।