Dhaka , Wednesday, 28 January 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
রংপুর মেডিকেল মোড়ে বাসে তল্লাশি: ২৯ কেজি গাঁজাসহ সুপারভাইজার ও হেলপার গ্রেফতার সাংবাদিকদের কণ্ঠরোধের অপচেষ্টা রুখে দাঁড়াল সাংবাদিক সমাজ ষড়যন্ত্রমূলক মামলার প্রতিবাদে কক্সবাজারে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ সভা গণতন্ত্র কে শক্তিশালী ও স্বাধীনতা রক্ষায় ভোটকেন্দ্রে যাবেন:- ইঞ্জিনিয়ার জমির উদ্দিন নাহিদ চট্টগ্রাম প্রেসক্লাব র‍্যাফেল ড্র বিজয়ীদের মাঝে পুরস্কার বিতরণ চবিতে অনুমোদন ছাড়া কলার শিক্ষার্থীরা থাকছেন বিজ্ঞান অনুষদের হলের সিটে হরিপুরে অবৈধভাবে মাটি কাটার দায়ে ভেকু জব্দ, জরিমানা ১০ হাজার টাকা দক্ষিণ বুড়িশ্চর ৯ নম্বর ওয়ার্ডে চট্টগ্রাম – ৫, হাটহাজারী- বায়েজিদ আসনের প্রার্থী ব্যারিস্টার মীর হেলালের সমর্থনে গণসংযোগ পাইকগাছায় হুইলচেয়ার ও সেলাই মেশিন বিতরণ দুর্নীতি রাষ্ট্রীয় প্রতিষ্ঠানকে ভেতর থেকে ক্ষয় করে: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা জাহাঙ্গীর আলম মহেশখালীতে গণভোট ও ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে ভোটগ্রহণকারী কর্মকর্তাদের ব্রিফিং অনুষ্ঠিত আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা নিন্মমানের খাবার বিক্রির অভিযোগ ॥ ভিড় ও দাম বেশি রামুতে যাত্রীবাহী পুরবী বাসে তল্লাশি চালিয়ে ৯ কেজি গাঁজাসহ আটক ২ ঝালকাঠি-১ আসনে দাঁড়িপাল্লার জয়জয়কার হবে ১১ দলীয় জোটের: ড. ফয়জুল হক জাতীয়তাবাদের নামে ঋণ খেলাপি-বিদেশী নাগরিকদের লাল কার্ড দেখানো হবে : আসিফ মাহমুদ নিজ জমিতে বিদ্যুৎ খুঁটি থাকায় ঝুঁকি ও ক্ষতির মুখে একাধিক পরিবার ভোটের সততা নষ্ট হওয়ার বিষয়ে ছাড় দেওয়া হবেনা: নোয়াখালীতে ইসি সানাউল্লাহ গরম তেলে খালি হাতে পেঁয়াজু তৈরি প্রতি পিস বিক্রি মাত্র ১ টাকায় যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজায় আশ ফাউন্ডেশনের জরুরি খাদ্য সহায়তা রাজশাহীতে ৫ জুয়াড়ি ও মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার  কাঁঠালিয়ায় বিড়ি চাওয়াকে কেন্দ্র করে বিএনপি অফিস ভাঙচুর, আহত ১ আমেরিকাও চায় জামায়াতের নেতৃত্বে সরকার গঠন: জামায়াত প্রার্থী ডাঃ সুলতান আহম্মেদ  এফটিপিতে ২৬ জানুয়ারি তারিখে ফুটেজ দেওয়া আছে। ৩০ জানুয়ারি নোয়াখালী আসছে জামায়াতে আমীর কারাগারে বন্দিদের নিরাপত্তার পাশাপাশি মানবাধিকার নিশ্চিত করতে হবে- স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা প্রকৌশলী সংগঠন( এ্যাব ) চট্টগ্রামের উদ্যোগে ধানের শীষের প্রচারনা রামুর দক্ষিণ মিঠাছড়িতে টমটম চালককে নৃশংসভাবে হত্যা, টমটম ছিনতাইয়ের অভিযোগ। ঝালকাঠি-১ আসনে নির্বাচনী মাঠে ব্যস্ত ব্যারিস্টার মঈন ফিরোজী অন্য একটি গোষ্ঠী ষড়যন্ত্র করছে, যাতে নির্বাচন বাধাগ্রস্ত হয়: তারেক রহমান কোম্পানীগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে সাবেক যুবদল নেতার মৃত্যু নেত্রকোণা ১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থীর পক্ষে দুর্গাপুরে আইনজীবীদের সক্রিয় প্রচারণা কালিয়াকৈরে আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত

কাদের মির্জা সাবেক ইউএনও ও পুলিশ কর্মকর্তাসহ ১১২জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার আবেদন।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 10:18:07 am, Thursday, 26 September 2024
  • 172 বার পড়া হয়েছে

কাদের মির্জা সাবেক ইউএনও ও পুলিশ কর্মকর্তাসহ ১১২জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার আবেদন।।

নোয়াখালী প্রতিনিধি।।

 

    
১০ বছর আগে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জামায়াতের ৪ নেতাকর্মিকে হত্যার ঘটনায় বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা ও সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা -ইউএনও- মো.নুরুজ্জামান সহ ১১২ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে আদালতে।

এছাড়া মামলার আবেদনে কোম্পানীগঞ্জ থানার সাবেক পরিদর্শক -তদন্ত- মো.শফিকুল ইসলাম, সাবেক উপপরিদর্শক -এসআই- সুধীর রঞ্জন বড়ুয়া- এসআই- আবুল কালাম আজাদ- শিশির কুমার বিশ্বাস,উক্যসিং মারমার নামও উল্লেখ করা হয়েছে।  

বৃহস্পতিবার -২৬ সেপ্টেম্বর- জামায়াত কর্মি ও নিহত সাইফুল ইসলামের বড় ভাই মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো.ইকবাল হোসেনর আদালতে এই মামলার আবেদন করেন। মামলার আবেদনে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে ১০০-১৫০জনকে।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেন কোর্ট ইন্সপেক্টর শাহ আলম। তিনি বলেন, নোয়াখালীর ২নং আমলি আদালতের বিচারক অভিযোগটি আমলে নিয়ে এ ঘটনায় পূর্বের কোনো মামলা আছে কিনা তা আদালতকে অবহিত করতে বলেছেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে -ওসি-। একই সাথে মামলা  না হয়ে থাকলে নিয়মিত মামলা হিসেবে -এফআইআর- রেকর্ড করতে নির্দেশ দিয়েছেন।  

মামলার আবেদনের বিবরণে জানা যায়- মামলার বাদী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার জামায়াত ইসলামীর একজন কর্মি। ২০১৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর শনিবার জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা কাদের মোল্লার অবৈধ ফাঁসি কার্যকর করার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বসুরহাট বাজারে বিক্ষোভ মিছিল ঘোষণা করে। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ জামায়ত ইসলাম এক শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিল আয়োজন করে। কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ করার জন্য ২৫০০-৩০০০ হাজার লোক কেজি স্কুলে সমবেত হয়। ওই সময় মামলার বাদী ও তার ভাই সাইফুল ইসলাম মিছিলে অংশ গ্রহণ করার জন্য কেজি স্কুলে যান। তখন উপজেলা জামায়াত নেতাদের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিলটি কেজি স্কুলের পূর্ব দিকে অগ্রসর হলে অভিযোগে বর্ণিত আসামি ও অজ্ঞাত ১০০-১৫০জন মিছিলে অতক্রিত ভাবে আগ্নেয়াস্ত্র, দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। হামলাকারীদের মধ্যে স্থানীয়,যুবলীগ,ছাত্রলীগ কর্মিরা ছিল। হামলাকারীদের মধ্যে অনেকে হেলমেট পরে অস্ত্রেসস্ত্রে সজ্জিত ছিল। কাদের মির্জা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজনুর রহমান বাদল ও সিরাজপুর ইউনিয়ন পরিষ চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন মিকন নিজে এবং তাদের নির্দেশে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আজম পাশা চৌধুরী রুমেল ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নিজাম উদ্দিন মুন্নাসহ ৫০জন আসামি মিছিলে এলোপাতাড়ি গুলি করতে থাকে। এরপর লাঠি সোঠা দিয়ে মিছিলের লোকজনের ওপর আঘাত করতে থাকে। কাদের মির্জার গুলিতে মামলার বাদীর ভাই সাইফুল ইসলামের বুকের বাম পাশে গুলিবিদ্ধ হয় এবং মিকনের ছোঁড়া গুলি পেট ছিদ্র হয়ে বের হয়ে যায়।  

মামলায় আরও বলা হয়েছে, তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.নুরুজ্জামানের নির্দেশে পরিদর্শ -তদন্ত- সাইফুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে এসআই শিশির কুমার বিশ্বাস জামায়াত কর্মি মশিউর রহমান সজিবের উপর গুলি করে। এসআই ঊক্যসিং মারমা সজিবের বুকের নিচে গুলি করে।        

নোয়াখালী জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা ইসহাক খন্দকার বলেন- ২০১৩ সালে কোম্পানীগঞ্জে জামায়াতের মোট ৭জন নেতাকর্মি মারা যায়।  ওই সময় ৩জনের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ।  ওই ঘটনায় উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। ৪জনের মরদেহ ময়না তদন্ত হয়নি এবং মামলা হয়নি। বর্তমানে স্বৈরাচার সরকারের পতনের পর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই নিহতের স্বজনেরা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রংপুর মেডিকেল মোড়ে বাসে তল্লাশি: ২৯ কেজি গাঁজাসহ সুপারভাইজার ও হেলপার গ্রেফতার

কাদের মির্জা সাবেক ইউএনও ও পুলিশ কর্মকর্তাসহ ১১২জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার আবেদন।।

আপডেট সময় : 10:18:07 am, Thursday, 26 September 2024

নোয়াখালী প্রতিনিধি।।

 

    
১০ বছর আগে নোয়াখালীর কোম্পানীগঞ্জে জামায়াতের ৪ নেতাকর্মিকে হত্যার ঘটনায় বসুরহাট পৌরসভার সাবেক মেয়র আব্দুল কাদের মির্জা ও সাবেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা -ইউএনও- মো.নুরুজ্জামান সহ ১১২ জনের বিরুদ্ধে মামলার আবেদন করা হয়েছে আদালতে।

এছাড়া মামলার আবেদনে কোম্পানীগঞ্জ থানার সাবেক পরিদর্শক -তদন্ত- মো.শফিকুল ইসলাম, সাবেক উপপরিদর্শক -এসআই- সুধীর রঞ্জন বড়ুয়া- এসআই- আবুল কালাম আজাদ- শিশির কুমার বিশ্বাস,উক্যসিং মারমার নামও উল্লেখ করা হয়েছে।  

বৃহস্পতিবার -২৬ সেপ্টেম্বর- জামায়াত কর্মি ও নিহত সাইফুল ইসলামের বড় ভাই মোহাম্মদ আমিরুল ইসলাম বাদী হয়ে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট মো.ইকবাল হোসেনর আদালতে এই মামলার আবেদন করেন। মামলার আবেদনে অজ্ঞাত আসামি করা হয়েছে ১০০-১৫০জনকে।

এসব তথ্য নিশ্চিত করেন কোর্ট ইন্সপেক্টর শাহ আলম। তিনি বলেন, নোয়াখালীর ২নং আমলি আদালতের বিচারক অভিযোগটি আমলে নিয়ে এ ঘটনায় পূর্বের কোনো মামলা আছে কিনা তা আদালতকে অবহিত করতে বলেছেন কোম্পানীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তাকে -ওসি-। একই সাথে মামলা  না হয়ে থাকলে নিয়মিত মামলা হিসেবে -এফআইআর- রেকর্ড করতে নির্দেশ দিয়েছেন।  

মামলার আবেদনের বিবরণে জানা যায়- মামলার বাদী কোম্পানীগঞ্জ উপজেলার জামায়াত ইসলামীর একজন কর্মি। ২০১৩ সালের ১৪ ডিসেম্বর শনিবার জামায়াতের কেন্দ্রীয় নেতা কাদের মোল্লার অবৈধ ফাঁসি কার্যকর করার প্রতিবাদে কেন্দ্রীয় কর্মসূচির অংশ হিসেবে বসুরহাট বাজারে বিক্ষোভ মিছিল ঘোষণা করে। বিকেল সাড়ে ৪টার দিকে কোম্পানীগঞ্জ জামায়ত ইসলাম এক শান্তিপূর্ণ বিক্ষোভ মিছিল আয়োজন করে। কর্মসূচিতে অংশ গ্রহণ করার জন্য ২৫০০-৩০০০ হাজার লোক কেজি স্কুলে সমবেত হয়। ওই সময় মামলার বাদী ও তার ভাই সাইফুল ইসলাম মিছিলে অংশ গ্রহণ করার জন্য কেজি স্কুলে যান। তখন উপজেলা জামায়াত নেতাদের নেতৃত্বে বিক্ষোভ মিছিলটি কেজি স্কুলের পূর্ব দিকে অগ্রসর হলে অভিযোগে বর্ণিত আসামি ও অজ্ঞাত ১০০-১৫০জন মিছিলে অতক্রিত ভাবে আগ্নেয়াস্ত্র, দেশীয় অস্ত্র দিয়ে হামলা চালায়। হামলাকারীদের মধ্যে স্থানীয়,যুবলীগ,ছাত্রলীগ কর্মিরা ছিল। হামলাকারীদের মধ্যে অনেকে হেলমেট পরে অস্ত্রেসস্ত্রে সজ্জিত ছিল। কাদের মির্জা, উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক মিজনুর রহমান বাদল ও সিরাজপুর ইউনিয়ন পরিষ চেয়ারম্যান নাজিম উদ্দিন মিকন নিজে এবং তাদের নির্দেশে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি আজম পাশা চৌধুরী রুমেল ও উপজেলা ছাত্রলীগের সাবেক সভাপতি নিজাম উদ্দিন মুন্নাসহ ৫০জন আসামি মিছিলে এলোপাতাড়ি গুলি করতে থাকে। এরপর লাঠি সোঠা দিয়ে মিছিলের লোকজনের ওপর আঘাত করতে থাকে। কাদের মির্জার গুলিতে মামলার বাদীর ভাই সাইফুল ইসলামের বুকের বাম পাশে গুলিবিদ্ধ হয় এবং মিকনের ছোঁড়া গুলি পেট ছিদ্র হয়ে বের হয়ে যায়।  

মামলায় আরও বলা হয়েছে, তৎকালীন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো.নুরুজ্জামানের নির্দেশে পরিদর্শ -তদন্ত- সাইফুল ইসলামের তত্ত্বাবধানে এসআই শিশির কুমার বিশ্বাস জামায়াত কর্মি মশিউর রহমান সজিবের উপর গুলি করে। এসআই ঊক্যসিং মারমা সজিবের বুকের নিচে গুলি করে।        

নোয়াখালী জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা ইসহাক খন্দকার বলেন- ২০১৩ সালে কোম্পানীগঞ্জে জামায়াতের মোট ৭জন নেতাকর্মি মারা যায়।  ওই সময় ৩জনের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করে পুলিশ।  ওই ঘটনায় উল্টো আমাদের বিরুদ্ধে মামলা করা হয়। ৪জনের মরদেহ ময়না তদন্ত হয়নি এবং মামলা হয়নি। বর্তমানে স্বৈরাচার সরকারের পতনের পর নৃশংস হত্যাকাণ্ডের বিচার চাই নিহতের স্বজনেরা।