Dhaka , Sunday, 8 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
টেকনাফে কোস্ট গার্ড ও র‍্যাবের যৌথ অভিযান: ৩২ জন মালয়েশিয়াগামী উদ্ধার লালমনিরহাটে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত: রাজনীতি ও নির্বাচনে নারীর সমান অংশীদারিত্বের আহ্বান রংপুরে র‍্যাবের জোড়া অভিযান: লালমনিরহাটসহ তিন জেলার ৫ মাদক কারবারি আটক লালমনিরহাটে জ্বালানি তেলের নিরাপত্তা ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় সভা কাঁঠালিয়ার তালগাছিয়া দরবার শরীফে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত পীরগঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সভা বাংলাদেশ–সুইজারল্যান্ড সম্পর্ক জোরদারে কাজ করার আশাবাদ: রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে :সড়ক ও সেতুমন্ত্রী সাড়ে পাঁচ মাসে কোরআনে হাফেজ ১০ বছরের জুবায়ের ​হরিপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত ইবতেদায়ী বৃত্তি পরীক্ষায় দারুল কুরআন নুরানী মাদ্রাসার উজ্জ্বল সাফল্য সাভারে ভেজাল তেল ও ডিটারজেন্ট কারখানা সিলগালা, ব্যবস্থাপক কারাদণ্ড ও জরিমানা। ডাক্তার দেখানোর ছদ্মবেশে ইয়াবা বিক্রি, নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার পূর্বাচল প্রেসক্লাবের আয়োজনে ইফতার ও দুস্থ্যদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মোটরসাইকেল যোগে ছিনতাইকালে স্থানীয়দের গণপিটুনিতে এক ছিনতাইকারী নিহত। দিনাজপুরের বিরল সীমান্তে বিজিবি–র‌্যাবের যৌথ অভিযানে ২৯৯ বোতল ভারতীয় স্কাফ সিরাপসহ আটক ২ কক্সবাজারের উন্নয়ন: সমস্যা-সম্ভাবনা ও করণীয় শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত চরভদ্রাসনে ইউপি চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলীর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল। মমতা’র উদ্যোগে প্রাণিসম্পদ উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ সমাজে অপরাধ দমন ও অপরাধী গ্রেফতারে সরকার সম্পূর্ণ জিরো টলারেন্স নীতি পালন করছে: মীর হেলাল চট্টগ্রামের বায়েজিদে মাদকের অঘোষিত সাম্রাজ্য, নিয়ন্ত্রণে দুই ভাই সাইফুল ও টুটুল যমুনা ইলেকট্রনিক্সের ‘ডাবল খুশি অফার–সিজন ৪’ শুরু, ঈদের আনন্দ দ্বিগুণ হবে বিএনপির সংসদ সদস্যদের দ্বিতীয় দিনের কর্মশালা চলছে পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন নিখোঁজের চারদিন পর কক্সবাজার সদর হাসপাতালে লিফটের ঘরে মিলল এক নারীর মৃতদেহ সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হতে চান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শামীমা আক্তার দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির ৩ সাংবাদিকের নামে মিথ্যা মামলা গ্যাস সংকটে ঘোড়াশাল-পলাশ সারকারখার উৎপাদন বন্ধ মিতালী বাজার এসএসসি ২০২০ ফাউন্ডেশনের মানবিক উদ্যোগ: ৫০টি সুবিধাবঞ্চিত পরিবার পেল রমজানের উপহার। রূপগঞ্জের মুরাপাড়ায় মাদকবিরোধী অভিযান, মাদক কারবারিদের কঠোর হুঁশিয়ারি কক্সবাজারের রামু থেকে জাল টাকার সরঞ্জামসহ ডিবির হাতে যশোরের এক যুবক আটক

এ বছর বোর চাষের খরচ প্রায় দ্বিগুন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 05:27:52 pm, Saturday, 4 February 2023
  • 215 বার পড়া হয়েছে

এ বছর বোর চাষের খরচ প্রায় দ্বিগুন

মোঃ রাকিবুল হাসান

শেরপুর প্রতিনিধি।।

 

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতি উপজেলায় প্রায় ১৪ হাজার হেক্টর জমিতে বোর চাষ হয়ে থাকে। এ বছর অরো বেশি জমিতে বোর চাষ করার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। কিন্তু কৃষকের আর্থিক সংকট ও বোর চাষের খরচ দ্বিগুন হওয়ায় মহা বিপাকে পরেছে অত্র এলাকার দরিদ্র ও প্রান্তিক চাষিরা। বিগত বছরে প্রতি একর জমি চাষ করতে খরচ হতো ২২ হাজার থেকে ২৭ হাজার টাকা। আর এ বছর প্রতি একর জমিতে বোর চাষ করতে ব্যায় হচ্ছে ৪২ হাজার থেকে ৪৫ হাজার টাকা। অর্থাৎ খরচ প্রতি একরে পূর্বের চেয়ে দ্বিগুন খরচ করতে হচ্ছে বোর চাষের জন্য। এতে কৃষকরা বোর চাষের খরচ ব্যায় ভার বহন করতে হিমসিম খাচ্ছে। দরিদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের চলতি বোর মৌসুমের বোর চাষাবাদ করার অর্থ যোগান দিতে নিজের কাছে টাকা না থাকায় চড়া সুদে ঋণ নিচ্ছে। উল্লেখ্য অনেক কৃষক ব্যাংক গুলি থেকে ঋণ গ্রহন করেছে কিন্তু ঋণ পরিশোধ না করায় নতুন করে ব্যাংকে ঋণ পাওয়ারও কোন সুযোগ নেই। তাই সল্প সুদের কৃষি ঋণ ব্যাংক থেকে পাওয়ার সুযোগ নেই। তাই এখন কৃষকের ঋণ গ্রহনের সুযোগ রয়েছে দাদন ব্যাবসায়ি ও সুদখোর মহাজনদের কাছে থেকে চড়া সুদে ঋণ নেওয়া। আর এই ঋণ নিয়ে কৃষকরা বোর চাষ করলে যে লাভ হবে তার ২গুন থেকে ৩গুন লাভ দিতে হবে দাদন ব্যাবসায়ি ও সুদখোর মহাজনদের। তাই কৃষকদের বাচাতে এবং বোর ফসল উৎপাদনের জন্য ব্যাংক ঋণের টাকা পুনঃ তফসিলের মাধ্যমে কৃষকদেরকে কৃষি ঋণ সহায়তা দিলে হয়তো কৃষকরা চড়া সুদের সুদখোর মহাজনদের খপ্পর থেকে বাচতে পারে। প্রকাশ থাকে যে অনেক কৃষক কৃষি ঋণ নিয়েছে সময় মতো পরিশোধ না করায় খেলাপি ঋণের আওতায় পরেছে। যে কারনে অনেক কৃষক খেলাপি ঋণের কারনে ব্যাংক ঋণ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে পরেছে। এই সমস্ত কৃষকও ব্যাংক ঋণ সহায়তা পাবে না। এছাড়াও অনেক কৃষক স্বল্প জমির মালিক আবার অনেকেই আছে বর্গা চাষি এই সমস্ত কৃষকরা ব্যাংকে ঋণ সুবিধা পচ্ছে না। অনেক কৃষকের জমি আছে কিন্তু জমির কাগজ পত্রের ঝামেলা থাকায় তারাও ব্যাংক ঋণের সুবিধা থেকে বঞ্চিত। ফলে অনেক কৃষক ব্যাংকের স্বল্প সুদের ঋণ সহায়তা পাচ্ছে না। বোর চাষ করতে হলে কৃষকদের উপায় এখন একটি চড়া সুদে সুদখোর মহাজনদের থেকে ঋণ নিয়ে বোর চাষ করা। উভয় সংকটে পরেছে চলতি মৌসুমের বোর চাষিরা। এক দিকে বোর চাষে খরচ বেড়ে হয়েছে দ্বিগুন আর হাতে টাকা না থাকায় ভেবে দিশকূল পাচ্ছে না বোর চাষিরা। তাই বোর উৎপাদন যাতে ব্যাহত না হয় এ জন্য কৃষকদের সুদখোর মহাজনদের খপ্পর থেকে বাচিয়ে চাষিদের উৎপাদনের সহায়তায় সহজ শর্তে বর্গা চাষি সল্প জমির প্রান্তিক চাষি ও খেলাপি ঋণ কৃষকদেরকে ঋণ সহায়তা দেওয়া জরুরি প্রয়োজন বলে বিজ্ঞমহল মনে করে। নচেৎ বোর উৎপাদনও হ্রাস পেতে পারে অথবা কৃষকরা সুদখোর মহাজনদের কাছে থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে মারাত্বক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। ঝিনাইগাতি উপজেলার অধিকাংশ লোক কৃষি ফসলের উপর নির্ভরশীল। তাই অত্র এলাকার লোকের আয়ের উৎস কৃষি ফসল। কৃষক বাচলে দেশ বাচবে। উৎপাদনের চাবি কাঠি দরিদ্র কৃষক ও প্রান্তিক চাষি। তাই অত্র ঝিনাইগাতি উপজেলার দরিদ্র কৃষক ও প্রান্তিক চাষি রক্ষা ও উৎপাদন ঠিক রাখতে হলে স্বল্প সুদে কৃষি ঋণ সহায়তার কোন বিকল্প নেই

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

টেকনাফে কোস্ট গার্ড ও র‍্যাবের যৌথ অভিযান: ৩২ জন মালয়েশিয়াগামী উদ্ধার

এ বছর বোর চাষের খরচ প্রায় দ্বিগুন

আপডেট সময় : 05:27:52 pm, Saturday, 4 February 2023

মোঃ রাকিবুল হাসান

শেরপুর প্রতিনিধি।।

 

শেরপুর জেলার ঝিনাইগাতি উপজেলায় প্রায় ১৪ হাজার হেক্টর জমিতে বোর চাষ হয়ে থাকে। এ বছর অরো বেশি জমিতে বোর চাষ করার সম্ভাবনা দেখা যাচ্ছে। কিন্তু কৃষকের আর্থিক সংকট ও বোর চাষের খরচ দ্বিগুন হওয়ায় মহা বিপাকে পরেছে অত্র এলাকার দরিদ্র ও প্রান্তিক চাষিরা। বিগত বছরে প্রতি একর জমি চাষ করতে খরচ হতো ২২ হাজার থেকে ২৭ হাজার টাকা। আর এ বছর প্রতি একর জমিতে বোর চাষ করতে ব্যায় হচ্ছে ৪২ হাজার থেকে ৪৫ হাজার টাকা। অর্থাৎ খরচ প্রতি একরে পূর্বের চেয়ে দ্বিগুন খরচ করতে হচ্ছে বোর চাষের জন্য। এতে কৃষকরা বোর চাষের খরচ ব্যায় ভার বহন করতে হিমসিম খাচ্ছে। দরিদ্র ও প্রান্তিক চাষিদের চলতি বোর মৌসুমের বোর চাষাবাদ করার অর্থ যোগান দিতে নিজের কাছে টাকা না থাকায় চড়া সুদে ঋণ নিচ্ছে। উল্লেখ্য অনেক কৃষক ব্যাংক গুলি থেকে ঋণ গ্রহন করেছে কিন্তু ঋণ পরিশোধ না করায় নতুন করে ব্যাংকে ঋণ পাওয়ারও কোন সুযোগ নেই। তাই সল্প সুদের কৃষি ঋণ ব্যাংক থেকে পাওয়ার সুযোগ নেই। তাই এখন কৃষকের ঋণ গ্রহনের সুযোগ রয়েছে দাদন ব্যাবসায়ি ও সুদখোর মহাজনদের কাছে থেকে চড়া সুদে ঋণ নেওয়া। আর এই ঋণ নিয়ে কৃষকরা বোর চাষ করলে যে লাভ হবে তার ২গুন থেকে ৩গুন লাভ দিতে হবে দাদন ব্যাবসায়ি ও সুদখোর মহাজনদের। তাই কৃষকদের বাচাতে এবং বোর ফসল উৎপাদনের জন্য ব্যাংক ঋণের টাকা পুনঃ তফসিলের মাধ্যমে কৃষকদেরকে কৃষি ঋণ সহায়তা দিলে হয়তো কৃষকরা চড়া সুদের সুদখোর মহাজনদের খপ্পর থেকে বাচতে পারে। প্রকাশ থাকে যে অনেক কৃষক কৃষি ঋণ নিয়েছে সময় মতো পরিশোধ না করায় খেলাপি ঋণের আওতায় পরেছে। যে কারনে অনেক কৃষক খেলাপি ঋণের কারনে ব্যাংক ঋণ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হয়ে পরেছে। এই সমস্ত কৃষকও ব্যাংক ঋণ সহায়তা পাবে না। এছাড়াও অনেক কৃষক স্বল্প জমির মালিক আবার অনেকেই আছে বর্গা চাষি এই সমস্ত কৃষকরা ব্যাংকে ঋণ সুবিধা পচ্ছে না। অনেক কৃষকের জমি আছে কিন্তু জমির কাগজ পত্রের ঝামেলা থাকায় তারাও ব্যাংক ঋণের সুবিধা থেকে বঞ্চিত। ফলে অনেক কৃষক ব্যাংকের স্বল্প সুদের ঋণ সহায়তা পাচ্ছে না। বোর চাষ করতে হলে কৃষকদের উপায় এখন একটি চড়া সুদে সুদখোর মহাজনদের থেকে ঋণ নিয়ে বোর চাষ করা। উভয় সংকটে পরেছে চলতি মৌসুমের বোর চাষিরা। এক দিকে বোর চাষে খরচ বেড়ে হয়েছে দ্বিগুন আর হাতে টাকা না থাকায় ভেবে দিশকূল পাচ্ছে না বোর চাষিরা। তাই বোর উৎপাদন যাতে ব্যাহত না হয় এ জন্য কৃষকদের সুদখোর মহাজনদের খপ্পর থেকে বাচিয়ে চাষিদের উৎপাদনের সহায়তায় সহজ শর্তে বর্গা চাষি সল্প জমির প্রান্তিক চাষি ও খেলাপি ঋণ কৃষকদেরকে ঋণ সহায়তা দেওয়া জরুরি প্রয়োজন বলে বিজ্ঞমহল মনে করে। নচেৎ বোর উৎপাদনও হ্রাস পেতে পারে অথবা কৃষকরা সুদখোর মহাজনদের কাছে থেকে চড়া সুদে ঋণ নিয়ে মারাত্বক ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হবে। ঝিনাইগাতি উপজেলার অধিকাংশ লোক কৃষি ফসলের উপর নির্ভরশীল। তাই অত্র এলাকার লোকের আয়ের উৎস কৃষি ফসল। কৃষক বাচলে দেশ বাচবে। উৎপাদনের চাবি কাঠি দরিদ্র কৃষক ও প্রান্তিক চাষি। তাই অত্র ঝিনাইগাতি উপজেলার দরিদ্র কৃষক ও প্রান্তিক চাষি রক্ষা ও উৎপাদন ঠিক রাখতে হলে স্বল্প সুদে কৃষি ঋণ সহায়তার কোন বিকল্প নেই