
রোগী লাল মিয়া কাজী (৫০) শুক্রবার রাতে বুকের ব্যথা নিয়ে সদর হাসপাতালে ভর্তি হন। চিকিৎসকেরা প্রাথমিক চিকিৎসার পর উন্নত চিকিৎসার জন্য তাকে ঢাকায় নেওয়ার পরামর্শ দেন, কিন্তু স্বজনরা তাকে হাসপাতালেই রাখেন। পরে রাত সাড়ে ১২টার দিকে তার মৃত্যু হয়।
এরপরই পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায়। রোগীর মৃত্যুর জন্য চিকিৎসা সেবাকে দায়ী করে স্বজনরা হাসপাতালের জরুরি বিভাগে ভাঙচুর চালায় এবং কর্তব্যরত চিকিৎসক নাসির ইসলামসহ সাতজনের ওপর হামলা করে।
হামলায় আহতদের মধ্যে চিকিৎসক নাসির ইসলামের অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে এয়ার অ্যাম্বুলেন্সে ঢাকায় পাঠানো হয়। অন্য আহতদের মধ্যে হাসপাতালের কর্মচারী ও আনসার সদস্যরা আছেন।
পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং দুইজনকে আটক করে। বাকি জড়িতদের শনাক্ত ও গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ বিষয়টি স্বাস্থ্য অধিদপ্তর ও মন্ত্রণালয়কে জানিয়েছে এবং আইনি ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
মূল বিষয়টি হলো—এটি চিকিৎসা ব্যবস্থার সীমাবদ্ধতা, রোগীর মৃত্যু পরবর্তী উত্তেজনা এবং হাসপাতালের নিরাপত্তা ব্যবস্থার দুর্বলতা একসাথে মিলিয়ে তৈরি হওয়া একটি সহিংস ঘটনা।
























