
ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম:
বুধবার চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সুপার মোহাম্মাদ নাজির আহমেদ খাঁন জঙ্গল সলিমপুর ও আলিপুর এলাকা পরিদর্শন করেন।
পরিদর্শনকালে তিনি উক্ত এলাকায় স্থাপিত পুলিশ ক্যাম্পসমূহ পরিদর্শন করেন এবং দায়িত্বে নিয়োজিত পুলিশ সদস্যদের সাথে সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি, নিরাপত্তা ব্যবস্থা এবং চলমান পুলিশি কার্যক্রম সম্পর্কে বিস্তারিত আলোচনা করেন। এসময় তিনি দায়িত্বপ্রাপ্ত পুলিশ সদস্যদের পেশাদারিত্বের সাথে দায়িত্ব পালনের জন্য প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা প্রদান করেন।
পরিদর্শনের অংশ হিসেবে পুলিশ সুপার স্থানীয় জনগণের সাথে মতবিনিময় করেন এবং তাদের বিভিন্ন সমস্যা, সুবিধা-অসুবিধা ও এলাকার সার্বিক আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সম্পর্কে খোঁজখবর নেন।
স্থানীয় জনগণ তাদের মতামত ব্যক্ত করেন এবং এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশের চলমান তৎপরতার প্রশংসা করেন।
এসময় পুলিশ সুপার বলেন যে, জঙ্গল সলিমপুর এলাকায় কোনো ধরনের সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ড বা অপরাধমূলক কার্যক্রম বরদাশত করা হবে না। আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখা এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চট্টগ্রাম জেলা পুলিশ সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করে যাচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
তিনি আরও বলেন, জঙ্গল সলিমপুর ও আলিপুর এলাকার স্থানীয় জনগণকে আইনসম্মত সকল কার্যক্রমে পুলিশ সর্বাত্মক সহযোগিতা করবে। এলাকায় সরকারি উন্নয়নমূলক প্রকল্প বাস্তবায়নে পুলিশ প্রয়োজনীয় সহায়তা প্রদান করবে এবং জনগণের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে বাংলাদেশ পুলিশ সবসময় তাদের পাশে থাকবে।
এছাড়া কোনো মহল বা চক্রান্তকারী গোষ্ঠীর অপপ্রচার বা বিভ্রান্তিকর বক্তব্যে কেউ যেন বিভ্রান্ত না হন সে বিষয়ে তিনি সবাইকে সচেতন থাকার আহ্বান জানান।
পুলিশ সুপার আরও উল্লেখ করেন যে, জঙ্গল সলিমপুর ও আলিপুর এলাকায় শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখা, অপরাধ দমন এবং সাধারণ মানুষের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে পুলিশ নিয়মিত টহল, গোয়েন্দা তৎপরতা ও বিশেষ অভিযান পরিচালনা করছে।
পাশাপাশি স্থানীয় জনগণের সাথে সমন্বয় বৃদ্ধি করে একটি নিরাপদ ও স্থিতিশীল পরিবেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে পুলিশ কাজ করে যাচ্ছে। এলাকার যেকোনো অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড বা সন্দেহজনক কার্যকলাপ সম্পর্কে দ্রুত পুলিশকে অবহিত করার জন্য তিনি স্থানীয় জনগণের প্রতি আহ্বান জানান।
অপরদিকে স্থানীয় সাধারণ জনগণ পুলিশ সুপারের এ পরিদর্শনকে স্বাগত জানান এবং বলেন যে, পুলিশ ক্যাম্প স্থাপন ও পুলিশের নিয়মিত টহল কার্যক্রমের ফলে এলাকায় আগের তুলনায় আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতির উল্লেখযোগ্য উন্নতি হয়েছে।
তারা এলাকার শান্তি-শৃঙ্খলা বজায় রাখতে পুলিশের এ ধরনের কার্যক্রম অব্যাহত রাখার প্রত্যাশা ব্যক্ত করেন এবং আইন-শৃঙ্খলা রক্ষায় পুলিশকে সর্বাত্মক সহযোগিতা করার আশ্বাস প্রদান করেন।
























