Dhaka , Wednesday, 15 July 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
নগরীর একসেস রোডে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় জড়িত ০৮ (আট) আসামী গ্রেফতার কক্সবাজারে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের স্টিকার লাগানো গাড়িতে ইয়াবা পাচার, আটক ৩ রূপগঞ্জে ৫০০ রোগীর মাঝে বিনামূল্যে চক্ষু ও ডায়াবেটিস সেবা রূপগঞ্জে যুবলীগ নেতার দখলে থাকা কৃষকের জমি উদ্ধার করে দিয়ে প্রশংসায় ভাসছেন ছাত্রদল নেতা বন্যার্ত মানুষের পাশে চট্টগ্রাম উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ সাতকানিয়া, লোহাগাড়া ও বাঁশখালীতে চউকের চাল বিতরন ‘ডায়নামাইটে হাত বাড়ালে ব্লাস্ট হবেই’ আর্জেন্টিনার ‘স্পেশাল’ অনুরোধ রাখল ফিফা আন্তর্জাতিক বাজারে বাড়ল তেলের দাম টানা দুই দফায় ভরিতে কত কমল স্বর্ণের দাম ফারাক্কার চেয়ে বড় মরণফাঁদ হচ্ছে নেতৃত্ব সংস্কারের গুরুত্ব অনুধাবনে ব্যর্থতা: নাসির উদ্দীন পাটোয়ারীর পোস্ট প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে বিপর্যস্ত ও লুণ্ঠিত শিক্ষাব্যবস্থাকে বিনির্মাণ করব: মাহ্দী আমিন চট্টগ্রামের আনোয়ারায় বন্যাকবলিত এলাকায় এ্যাব চট্টগ্রাম চ্যাপ্টারের ত্রাণ বিতরণ বন্যা পরবর্তী পুনর্বাসনে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করছে সরকার:- দূর্যোগ ব্যাবস্থাপনা ও ত্রান মন্ত্রী চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে ‘এক টাকায় শিক্ষা’র এক দশক পূর্তি উদযাপন নোয়াখালীর উন্নয়ন-সমৃদ্ধির রূপরেখা নির্ধারণে গোলটেবিল বৈঠক মৃত্যুর পর জানতে পারে মিজান বৃত্তি পেয়েছে বৃষ্টি হলেই ডুবে যায় গাজীপুর নগরী, মিলেনি জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান বাঁশখালীর বন্যাকবলিত অঞ্চলে এ্যাব চট্টগ্রাম চ্যাপ্টারের ত্রাণ বিতরণ চট্টগ্রামের বন্যাদুর্গত ১৫০০ পরিবারের পাশে রিজভী আহম্মেদ ও প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল; দ্রুত সুষম ত্রাণ ও পুনর্বাসনের নির্দেশ চট্টগ্রামে বন্যাদুর্গতদের মাঝে ত্রাণ বিতরণ করল চবি জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরাম রামগঞ্জের পশ্চিম শোশালিয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অভাবনীয় সাফল্য PUNAB National Award 2026: ‘Bangla Innovator’ পেল স্পেশাল রিকগনিশন অ্যাওয়ার্ড রেলওয়ের প্রকল্পের কাজ শেষ না হতেই বিলের টাকা ঠিকাদারের হাতে মধুপুরে নবযোগদানকৃত ইউএনওর পরিচিতি ও মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত বিস্কুট খাওয়ানোর প্রলোভনে রূপগঞ্জে ৮ বছরের শিশুকে ধর্ষণ চেষ্টার অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার কাউখালীতে প্রাকৃতিক দুর্যোগে ক্ষতিগ্রস্তদের ১ হাজার মানুষের মাঝে মাঝে চাল বিতরণ ক্যাজুয়াল লুক থেকে শাড়ি, মালদ্বীপে অন্য রূপে কেয়া পায়েল সেমিফাইনালের আগে সুখবর পেল ফ্রান্স নাগাল্যান্ডে আসাম রাইফেলসের গাড়িতে আইইডি বোমা হামলা, নিহত ১ সরকারের আর্থিক সংস্কার ও রাজনৈতিক দায়িত্বশীলতায় আইএমএফ সন্তুষ্ট: অর্থমন্ত্রী

লালমনিরহাটে একুশে ফেব্রুয়ারির রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে প্রটোকল লঙ্ঘনের অভিযোগ: জেলা প্রশাসকের অপেশাদার আচরণে জনমনে ক্ষোভ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 11:23:43 pm, Saturday, 21 February 2026
  • 118 বার পড়া হয়েছে

চঞ্চল,

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ২১ ফেব্রুয়ারি লালমনিরহাট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচি পালিত হলেও অনুষ্ঠান পরিচালনায় প্রটোকল ও শিষ্টাচার অনুসরণে চরম ব্যত্যয়ের অভিযোগ উঠেছে।

জাতীয় এই দিবসের যাবতীয় কর্মসূচি যথাযথ প্রটোকল ও রাষ্ট্রীয় নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালনার আইনি দায়িত্ব জেলা প্রশাসনের ওপর ন্যস্ত থাকলেও এবারের আয়োজনে মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু-এর পদমর্যাদা অনুযায়ী পৃথক পুষ্পস্তবকের ব্যবস্থা রাখা হয়নি বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলের দাবি, রাষ্ট্রীয় ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স অনুযায়ী একজন দায়িত্বরত মন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রটোকল ও সম্মান নিশ্চিত করা জেলা প্রশাসনের মৌলিক প্রশাসনিক কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল।

আইন ও প্রশাসনিক বিধি অনুযায়ী, সরকারি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীবর্গের অবস্থান, অগ্রাধিকার ও যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের বিষয়টি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হলেও লালমনিরহাটের এই অনুষ্ঠানে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি।

এ ধরনের স্পর্শকাতর ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে প্রটোকল অনুসরণে এমন বিচ্যুতিকে স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনিক চরম ত্রুটি, অবহেলা ও দায়িত্ব পালনে শৈথিল্য হিসেবে দেখছেন, যার দায়ভার ও জবাবদিহিতা সরাসরি জেলা প্রশাসনের ওপর বর্তায়।

প্রশাসনিক প্রচলিত নীতি অনুযায়ী জেলা প্রশাসক জেলার সর্বোচ্চ সমন্বয়কারী হিসেবে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির সার্বিক তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকেন এবং অধীনস্থ কোনো কর্মকর্তা বা কমিটির গাফিলতি হলেও চূড়ান্ত দায়ভার নেতৃত্বের ওপরই পড়ে।

এই ঘটনার পর এখন পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা বা দুঃখ প্রকাশ করা হয়নি, যা পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে তুলেছে। এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নাগরিক সমাজ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আলোচনার ঝড় উঠেছে।

জেলার সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, একজন জেলা প্রশাসকের এমন অপেশাদার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত আচরণ অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং এটি রাষ্ট্রীয় কাঠামোর শৃঙ্খলার পরিপন্থী। স্থানীয়রা এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে এ ধরনের অনিয়ম ভবিষ্যতে এড়াতে প্রশাসনের ভেতর সমন্বয় জোরদার এবং কঠোর পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নগরীর একসেস রোডে ইন্টারনেট সার্ভিস প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাঙচুর ও লুটপাটের ঘটনায় জড়িত ০৮ (আট) আসামী গ্রেফতার

লালমনিরহাটে একুশে ফেব্রুয়ারির রাষ্ট্রীয় কর্মসূচিতে প্রটোকল লঙ্ঘনের অভিযোগ: জেলা প্রশাসকের অপেশাদার আচরণে জনমনে ক্ষোভ

আপডেট সময় : 11:23:43 pm, Saturday, 21 February 2026

চঞ্চল,

মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস উপলক্ষে ২১ ফেব্রুয়ারি লালমনিরহাট কেন্দ্রীয় শহীদ মিনারে রাষ্ট্রীয় মর্যাদায় শ্রদ্ধা নিবেদন কর্মসূচি পালিত হলেও অনুষ্ঠান পরিচালনায় প্রটোকল ও শিষ্টাচার অনুসরণে চরম ব্যত্যয়ের অভিযোগ উঠেছে।

জাতীয় এই দিবসের যাবতীয় কর্মসূচি যথাযথ প্রটোকল ও রাষ্ট্রীয় নীতিমালা অনুযায়ী পরিচালনার আইনি দায়িত্ব জেলা প্রশাসনের ওপর ন্যস্ত থাকলেও এবারের আয়োজনে মাননীয় দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা ও ত্রাণ মন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু-এর পদমর্যাদা অনুযায়ী পৃথক পুষ্পস্তবকের ব্যবস্থা রাখা হয়নি বলে জানা গেছে।

সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন মহলের দাবি, রাষ্ট্রীয় ওয়ারেন্ট অব প্রিসিডেন্স অনুযায়ী একজন দায়িত্বরত মন্ত্রীর জন্য নির্ধারিত প্রটোকল ও সম্মান নিশ্চিত করা জেলা প্রশাসনের মৌলিক প্রশাসনিক কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত ছিল।

আইন ও প্রশাসনিক বিধি অনুযায়ী, সরকারি অনুষ্ঠানে আমন্ত্রিত গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের মন্ত্রীবর্গের অবস্থান, অগ্রাধিকার ও যথাযথ সম্মান প্রদর্শনের বিষয়টি সুনির্দিষ্ট নীতিমালা দ্বারা নিয়ন্ত্রিত হলেও লালমনিরহাটের এই অনুষ্ঠানে তার প্রতিফলন দেখা যায়নি।

এ ধরনের স্পর্শকাতর ও জাতীয় গুরুত্বপূর্ণ অনুষ্ঠানে প্রটোকল অনুসরণে এমন বিচ্যুতিকে স্থানীয় সচেতন মহল প্রশাসনিক চরম ত্রুটি, অবহেলা ও দায়িত্ব পালনে শৈথিল্য হিসেবে দেখছেন, যার দায়ভার ও জবাবদিহিতা সরাসরি জেলা প্রশাসনের ওপর বর্তায়।

প্রশাসনিক প্রচলিত নীতি অনুযায়ী জেলা প্রশাসক জেলার সর্বোচ্চ সমন্বয়কারী হিসেবে রাষ্ট্রীয় কর্মসূচির সার্বিক তত্ত্বাবধানের দায়িত্বে থাকেন এবং অধীনস্থ কোনো কর্মকর্তা বা কমিটির গাফিলতি হলেও চূড়ান্ত দায়ভার নেতৃত্বের ওপরই পড়ে।

এই ঘটনার পর এখন পর্যন্ত জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো আনুষ্ঠানিক ব্যাখ্যা বা দুঃখ প্রকাশ করা হয়নি, যা পরিস্থিতিকে আরও ঘোলাটে করে তুলেছে। এদিকে এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে স্থানীয় নাগরিক সমাজ ও সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে আলোচনার ঝড় উঠেছে।

জেলার সচেতন নাগরিকরা মনে করছেন, একজন জেলা প্রশাসকের এমন অপেশাদার ও শিষ্টাচারবহির্ভূত আচরণ অত্যন্ত নিন্দনীয় এবং এটি রাষ্ট্রীয় কাঠামোর শৃঙ্খলার পরিপন্থী। স্থানীয়রা এই ঘটনার সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে প্রকৃত কারণ উদ্ঘাটন এবং দায়ীদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণের জোর দাবি জানিয়েছেন।

বিশেষজ্ঞদের মতে, জাতীয় দিবসের অনুষ্ঠানে এ ধরনের অনিয়ম ভবিষ্যতে এড়াতে প্রশাসনের ভেতর সমন্বয় জোরদার এবং কঠোর পেশাদারিত্ব নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।