Dhaka , Saturday, 21 February 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
পাইকগাছায় নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিতv মাতৃভাষা দিবসের স্মারক ডাকটিকিট উন্মোচন: নতুন কর্মদিবসে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের তেজগাঁও কার্যালয়ে প্রথম কার্যক্রম মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবসে শহীদ মিনারে যুবদলের শ্রদ্ধাঞ্জলি ভাষা শহীদদের প্রতি হাকিমপুর নারী উদ্যোক্তা ফোরামের শ্রদ্ধাঞ্জলি  নোয়াখালীতে শহীদ মিনারে ফুল দিতে যাওয়ার পথে আ.লীগের ৬ নেতাকর্মি আটক রমজানে মানবতার দৃষ্টান্ত: ঝালকাঠিতে মাসব্যাপী ইফতার বিতরণ করছে ইয়াস সীমান্ত এলাকায় অভিযান: অবৈধ অনুপ্রবেশকালে ৬ জন আটক, জব্দ ২টি মোটরসাইকেল “আমি যেন না শুনি আমার নাম ভাঙিয়ে কেউ কিছু করছেন”: লালমনিরহাটে কঠোর হুঁশিয়ারি দিলেন দুর্যোগ ও ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু নোয়াখালীতে বিএনপির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত স্মার্ট উদ্যোক্তা ফোরামের শহীদ মিনারে শ্রদ্ধা নিবেদন মহান শহীদ দিবসে হিলি স্থলবন্দরে একদিন বন্ধ থাকবে আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম কিশোরগঞ্জে ফজরের নামাজ পড়িয়ে ফেরার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় ইমাম নিহত ফ্যাসিবাদের দোসররা চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়াচ্ছে :- চট্টগ্রাম প্রেস নেতৃবৃন্দ কোস্ট গার্ডের অভিযানে ৫ মানব পাচারকারী আটক,৫৫ জন নারী ও শিশুসহ ৫৫ উদ্ধার রূপগঞ্জে নবনির্বাচিত সংসদ সদস্য’র প্রথম প্রহরে ভাষা শহীদদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা অতিরিক্ত দামে ক্রয় করছেন বোতল গ্যাস রূপগঞ্জে গ্যাস সংকটে শিল্প কলকারখানায় উৎপাদন ব্যাহত, বন্ধের পথে সিএনজি পাম্প ঢাকা সিলেট মহাসড়কে বাসের হেল্পার সেজে অভিনব কায়দায় ছিনতাই ; ছুরিকাঘাতে গুরুতর আহত কুরিয়ার ম্যানেজার চবিতে ২১ শে ফেব্রুয়ারিতে সিন্ডিকেট আয়োজন, বিতর্কিত ও প্রশ্নবিদ্ধ নিয়োগসহ পদোন্নতি প্রক্রিয়া  তদন্ত রিপোর্টে নেই দালিলিক প্রমাণ, তবুও বরখাস্ত ও পদোন্নতি বঞ্চিত চবির সহকারী রেজিস্ট্রার সাহাব উদ্দিন ২১ ফেব্রুয়ারি ঘিরে পাঁচবিবিতে পতাকা বিক্রির ধুম নতুন সরকারে বেড়েছে চাহিদা ​সীমান্তের কুয়াশাভেদে বিজিবির অভিযান: ঠাকুরগাঁওয়ে ৬ যুবক আটক, জব্দ ২ মোটরসাইকেল নোয়াখালীতে তেলবাহী লরি চাপায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু, আহত-২ নেত্রকোণার দুর্গাপুরে শ্রী রামকৃষ্ণ দেবের ১৯১তম জন্মতিথি উদযাপন শ্রীপুরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতিসহ আটক ১৪ জাজিরায় এক্সপ্রেস সড়কে যাত্রী তুলতে দাঁড়ানো বাসে পেছন থেকে ধাক্কা, নিহত ১ আহত অন্তত ১৫ পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকট কাটিয়ে স্বস্তির হাওয়া চবির জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা সম্পত্তি ভাগাভাগি শেষে ৩০ ঘণ্টা পর কুড়িগ্রামের সেই বাবার লাশ দাফন একুশে বইমেলায় আসছে সাংবাদিক মোস্তফা খানের উপন্যাস ‘একটি কলমের দাম’ বরকল ইউনিয়ন প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি

তদন্ত রিপোর্টে নেই দালিলিক প্রমাণ, তবুও বরখাস্ত ও পদোন্নতি বঞ্চিত চবির সহকারী রেজিস্ট্রার সাহাব উদ্দিন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 11:58:14 am, Saturday, 21 February 2026
  • 22 বার পড়া হয়েছে
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি:
গত ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪ ইং তারিখে দ্য বাংলাদেশ মোমেন্টস সহ দৈনিক জনবাণী পত্রিকার ডিজিটাল ভার্সনে, “কোটি কোটি টাকার মালিক মশিবুর, সাহাব উদ্দিনের লাগামহীন দুর্নীতি” ও “বিশ্ববিদ্যালয় সহকারী রেজিস্ট্রার যখন কোটিপতি” শীর্ষক শিরোনামে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে অন্যজনের সাথে জড়িয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিত, দালিলিক প্রমাণ বিহীন সংবাদ প্রকাশিত হয়।
এই মর্মে মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন গত ২১ ডিসেম্বর ২০২৪ ইং তারিখে উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদলিপি দেন। প্রতিবাদলিপি অনুসারে সংবাদে উত্থাপিত, বিশ্ববিদ্যালয়ে আত্মীয়দের চাকরি দেয়া, আপন ছোট ভাইর বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি করা, উপাচার্য দপ্তরে দায়িত্ব পালন করার সময় ৩ লক্ষ টাকার সি সি ক্যামেরার বিল ১৬ লক্ষ টাকা করা, স্বাক্ষর জাল করে চাকরি দেয়া, ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি, ফার্সি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের নিয়োগ সংক্রান্ত ফোনালাপ ঘটনায় সম্পৃক্ততা, শাস্তি হিসেবে অন্যত্র বদলি, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী গাজী হাফিজুর রহমান লিকুর সাথে সখ্যতা সহ প্রকাশিত সংবাদে আনিত অভিযোগগুলো মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত তার যৌক্তিক উপস্থাপন তুলে ধরা হয়।
তবে উক্ত দালিলিক প্রমাণ বিহীন সংবাদের উপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ১৩ আগস্ট ২৫ ইং তারিখে তদন্ত কমিটি গঠন করে। সেখানে আরবি বিভাগের অধ্যাপক ডঃ মুহাম্মদ ফরিদুদ্দিন কে নিয়ে ১ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে, ২ সেপ্টেম্বর ২৫ ইং তারিখে তদন্ত কমিটির রিপোর্ট প্রকাশ করে। উল্লেখ্য, তদন্ত কমিটিতে কোনোরকম দালিলিক প্রমাণ ছাড়াই শুধুমাত্র সাংবাদপত্রের উপর ভিত্তি করে মোহাম্মদ সাহাবউদ্দিন কে পদাবনমন করে বদলি করার সুপারিশ করা হয়। তবে, মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিনের নামে বিগত সময়ে কোনো ধরনের তদন্ত কমিটি গঠন হয়নি এবং তিনি এর পূর্বে কোন প্রশাসনিক শাস্তির আত্মায় দন্ডপ্রাপ্তও হননি।
পরবর্তীতে ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটে কোনোরকম দালিলিক প্রমাণ ছাড়াই পূর্বের তদন্তের সিদ্ধান্তে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে দ্বিতীয় আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়, এবং এর মাঝে অমানবিকভাবে তার পদোন্নতি প্রক্রিয়া স্থগিত রাখা হয়। অথচ পূর্বের তদন্ত রিপোর্টে প্রতিবেদনের সাথে অনিয়ম ও দুর্নীতির কোনো সুনির্দিষ্ট দালিলিক প্রমাণ দিতে পারেনি তদন্ত কমিটি।
বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, নিয়মতান্ত্রিকভাবে তদন্ত চলাকালীন সময়ে পদোন্নতি প্রক্রিয়া চলমান থাকায় কোন বাধা নেই এবং ইতিপূর্বে এর একাধিক দৃষ্টান্তও বিশ্ববিদ্যালয়টিতে রয়েছে। যেমন- আলাওল হলের সৈয়দ হোসেন, হলের ২৫ হাজার টাকার চেক সংক্রান্ত বিষয়ে জালিয়াতির অভিযোগে তদন্ত চলাকালীন সময়েও উচ্চমান সহকারি থেকে সেকশন অফিসারে পদোন্নতি পান। কিন্তু মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিনের ক্ষেত্রে সহকারী রেজিস্ট্রার থেকে ডেপুটি রেজিস্ট্রার পদে পদোন্নতি প্রক্রিয়া স্থগিত করে রাখা হয় যা অত্যন্ত অমানবিক এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, যেখানে তদন্ত কমিটি এখনো প্রক্রিয়াধীন এবং তিনি দোষী সাব্যস্ত হননি।
ইতোমধ্যে, মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন গত ৩ নভেম্বর ২০২৫ ইং তারিখ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের বিরুদ্ধে এক লিখিত মন্তব্য পেশ করেছেন। তদন্তাধীন বিষয়ের উপর তিনি জবাবে জানান, “২৬/০৯/২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ৫৬৪ তম সভার ১৮ (খ) নং সিদ্ধান্ত মোতাবেক কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রমাণ ব্যাতিরেকে আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করে আমাকে সামাজিক ও মানসিকভাবে হেয় করা হয়েছে।”
২৪ এর ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিয়োগ ও পদোন্নতি সহ বিভিন্ন বিষয়ে দলীয়করণ ও স্বজন প্রীতি সহ নানান নীতিবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে বিতর্কিত। তবে ইতিপূর্বে
বিশ্ববিদ্যালয়টির নানান অসঙ্গতি, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট প্রমাণসহ তথ্যবহুল সংবাদ প্রকাশ করা হলেও সেই সকল ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন দৃষ্টিগোচর নয়। তবে মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিনের বিষয়টি এই ক্ষেত্রে অনেকটাই নজির বিহীন যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতারই ইঙ্গিত বহন করে।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, তদন্ত কমিটি দুই রকম হয়ে থাকে। একটি হলো ভাইস চ্যান্সেলর করে আরেকটা সিন্ডিকেট করে। ভিসি যেইটা করে সেইটিকে অনেকটা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির মত বলা হয়। ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি যদি দোষী সাব্যস্ত করে তখন দ্বিতীয় তদন্ত কমিটি হয়ে থাকে সিন্ডিকেটে। আর দ্বিতীয় তদন্ত কমিটির রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত হয়। তিনি আরও বলেন, আমার কথা হলো, একজনকে বা কয়েকজনকে ইনকয়ারি করতে দিলাম, তারা ইনকয়ারি করলো, ইনকোয়ারি করে কোন রেকমেন্ডেশন বা রিপোর্ট দিল, ওটাকে ইগনোর করে যাওয়া হলো ইনকোয়ারি কমিটিকে ইগনোর করা। এটি তাদের জন্য প্রেস্টিজ কনসার্ন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পাইকগাছায় নানা কর্মসূচির মধ্য দিয়ে মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালিতv

তদন্ত রিপোর্টে নেই দালিলিক প্রমাণ, তবুও বরখাস্ত ও পদোন্নতি বঞ্চিত চবির সহকারী রেজিস্ট্রার সাহাব উদ্দিন

আপডেট সময় : 11:58:14 am, Saturday, 21 February 2026
চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রতিনিধি:
গত ১৮ ডিসেম্বর ২০২৪ ইং তারিখে দ্য বাংলাদেশ মোমেন্টস সহ দৈনিক জনবাণী পত্রিকার ডিজিটাল ভার্সনে, “কোটি কোটি টাকার মালিক মশিবুর, সাহাব উদ্দিনের লাগামহীন দুর্নীতি” ও “বিশ্ববিদ্যালয় সহকারী রেজিস্ট্রার যখন কোটিপতি” শীর্ষক শিরোনামে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সহকারী রেজিস্ট্রার মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিনের বিরুদ্ধে অন্যজনের সাথে জড়িয়ে উদ্দেশ্য প্রণোদিত, দালিলিক প্রমাণ বিহীন সংবাদ প্রকাশিত হয়।
এই মর্মে মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন গত ২১ ডিসেম্বর ২০২৪ ইং তারিখে উদ্দেশ্য প্রণোদিত সংবাদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদলিপি দেন। প্রতিবাদলিপি অনুসারে সংবাদে উত্থাপিত, বিশ্ববিদ্যালয়ে আত্মীয়দের চাকরি দেয়া, আপন ছোট ভাইর বিশ্ববিদ্যালয়ে চাকরি করা, উপাচার্য দপ্তরে দায়িত্ব পালন করার সময় ৩ লক্ষ টাকার সি সি ক্যামেরার বিল ১৬ লক্ষ টাকা করা, স্বাক্ষর জাল করে চাকরি দেয়া, ভর্তি পরীক্ষায় জালিয়াতি, ফার্সি ভাষা ও সাহিত্য বিভাগের নিয়োগ সংক্রান্ত ফোনালাপ ঘটনায় সম্পৃক্ততা, শাস্তি হিসেবে অন্যত্র বদলি, সাবেক প্রধানমন্ত্রীর বিশেষ সহকারী গাজী হাফিজুর রহমান লিকুর সাথে সখ্যতা সহ প্রকাশিত সংবাদে আনিত অভিযোগগুলো মিথ্যা, বানোয়াট, ভিত্তিহীন এবং উদ্দেশ্য প্রণোদিত তার যৌক্তিক উপস্থাপন তুলে ধরা হয়।
তবে উক্ত দালিলিক প্রমাণ বিহীন সংবাদের উপর ভিত্তি করেই পরবর্তীতে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ১৩ আগস্ট ২৫ ইং তারিখে তদন্ত কমিটি গঠন করে। সেখানে আরবি বিভাগের অধ্যাপক ডঃ মুহাম্মদ ফরিদুদ্দিন কে নিয়ে ১ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠিত হয়। এরই পরিপ্রেক্ষিতে, ২ সেপ্টেম্বর ২৫ ইং তারিখে তদন্ত কমিটির রিপোর্ট প্রকাশ করে। উল্লেখ্য, তদন্ত কমিটিতে কোনোরকম দালিলিক প্রমাণ ছাড়াই শুধুমাত্র সাংবাদপত্রের উপর ভিত্তি করে মোহাম্মদ সাহাবউদ্দিন কে পদাবনমন করে বদলি করার সুপারিশ করা হয়। তবে, মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিনের নামে বিগত সময়ে কোনো ধরনের তদন্ত কমিটি গঠন হয়নি এবং তিনি এর পূর্বে কোন প্রশাসনিক শাস্তির আত্মায় দন্ডপ্রাপ্তও হননি।
পরবর্তীতে ২৬ সেপ্টেম্বর ২০২৫ ইং তারিখে অনুষ্ঠিত সিন্ডিকেটে কোনোরকম দালিলিক প্রমাণ ছাড়াই পূর্বের তদন্তের সিদ্ধান্তে তাকে সাময়িক বরখাস্ত করে দ্বিতীয় আরেকটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়, এবং এর মাঝে অমানবিকভাবে তার পদোন্নতি প্রক্রিয়া স্থগিত রাখা হয়। অথচ পূর্বের তদন্ত রিপোর্টে প্রতিবেদনের সাথে অনিয়ম ও দুর্নীতির কোনো সুনির্দিষ্ট দালিলিক প্রমাণ দিতে পারেনি তদন্ত কমিটি।
বিশ্ববিদ্যালয়টির প্রচলিত নিয়ম অনুযায়ী, নিয়মতান্ত্রিকভাবে তদন্ত চলাকালীন সময়ে পদোন্নতি প্রক্রিয়া চলমান থাকায় কোন বাধা নেই এবং ইতিপূর্বে এর একাধিক দৃষ্টান্তও বিশ্ববিদ্যালয়টিতে রয়েছে। যেমন- আলাওল হলের সৈয়দ হোসেন, হলের ২৫ হাজার টাকার চেক সংক্রান্ত বিষয়ে জালিয়াতির অভিযোগে তদন্ত চলাকালীন সময়েও উচ্চমান সহকারি থেকে সেকশন অফিসারে পদোন্নতি পান। কিন্তু মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিনের ক্ষেত্রে সহকারী রেজিস্ট্রার থেকে ডেপুটি রেজিস্ট্রার পদে পদোন্নতি প্রক্রিয়া স্থগিত করে রাখা হয় যা অত্যন্ত অমানবিক এবং উদ্দেশ্যপ্রণোদিত, যেখানে তদন্ত কমিটি এখনো প্রক্রিয়াধীন এবং তিনি দোষী সাব্যস্ত হননি।
ইতোমধ্যে, মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিন গত ৩ নভেম্বর ২০২৫ ইং তারিখ বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন বরাবর তার বিরুদ্ধে আনিত অভিযোগের বিরুদ্ধে এক লিখিত মন্তব্য পেশ করেছেন। তদন্তাধীন বিষয়ের উপর তিনি জবাবে জানান, “২৬/০৯/২০২৫ তারিখে অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের সিন্ডিকেটের ৫৬৪ তম সভার ১৮ (খ) নং সিদ্ধান্ত মোতাবেক কোন সুনির্দিষ্ট অভিযোগ ও প্রমাণ ব্যাতিরেকে আমাকে বিশ্ববিদ্যালয়ের চাকরি থেকে সাময়িক বরখাস্ত করে আমাকে সামাজিক ও মানসিকভাবে হেয় করা হয়েছে।”
২৪ এর ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানের পরবর্তী সময়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন নিয়োগ ও পদোন্নতি সহ বিভিন্ন বিষয়ে দলীয়করণ ও স্বজন প্রীতি সহ নানান নীতিবহির্ভূত কর্মকাণ্ডে বিতর্কিত। তবে ইতিপূর্বে
বিশ্ববিদ্যালয়টির নানান অসঙ্গতি, অনিয়ম ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে সুনির্দিষ্ট প্রমাণসহ তথ্যবহুল সংবাদ প্রকাশ করা হলেও সেই সকল ঘটনায় তদন্ত কমিটি গঠন দৃষ্টিগোচর নয়। তবে মোহাম্মদ সাহাব উদ্দিনের বিষয়টি এই ক্ষেত্রে অনেকটাই নজির বিহীন যা উদ্দেশ্যপ্রণোদিতারই ইঙ্গিত বহন করে।
এ বিষয়ে চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ের ভারপ্রাপ্ত রেজিস্ট্রার অধ্যাপক ড. মোহাম্মদ সাইফুল ইসলাম গণমাধ্যমকে জানান, তদন্ত কমিটি দুই রকম হয়ে থাকে। একটি হলো ভাইস চ্যান্সেলর করে আরেকটা সিন্ডিকেট করে। ভিসি যেইটা করে সেইটিকে অনেকটা ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটির মত বলা হয়। ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি যদি দোষী সাব্যস্ত করে তখন দ্বিতীয় তদন্ত কমিটি হয়ে থাকে সিন্ডিকেটে। আর দ্বিতীয় তদন্ত কমিটির রিপোর্টের উপর ভিত্তি করে সিদ্ধান্ত হয়। তিনি আরও বলেন, আমার কথা হলো, একজনকে বা কয়েকজনকে ইনকয়ারি করতে দিলাম, তারা ইনকয়ারি করলো, ইনকোয়ারি করে কোন রেকমেন্ডেশন বা রিপোর্ট দিল, ওটাকে ইগনোর করে যাওয়া হলো ইনকোয়ারি কমিটিকে ইগনোর করা। এটি তাদের জন্য প্রেস্টিজ কনসার্ন।