Dhaka , Thursday, 22 January 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
চট্টগ্রাম-৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী আবু সুফিয়ানের নির্বাচনী প্রচারণার উদ্বোধনকালে মীর নাছির। নির্বাচন ও গণভোট উপলক্ষে ঝালকাঠিতে সাংবাদিকদের প্রশিক্ষণ দিল পিআইবি রাজাপুরে ৬০ জেলের মাঝে বকনা বাছুর বিতরণ লালমনিরহাটে সমাজসেবিকা হাবিবা খাতুনের ১৪তম মৃত্যুবার্ষিকী পালিত জাতির প্রত্যাশিত অবাধ, সুষ্ঠু ও শান্তিপূর্ণ নির্বাচন অনুষ্ঠানে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী সর্বাত্মক সহযোগিতা প্রদান করবে:- সেনাবাহিনী প্রধান চট্টগ্রাম প্রেসক্লাবে মতবিনিময় সভায় ইইউ প্রতিনিধিদল নেত্রকোণার দুর্গাপুরে ধানের শীষের প্রার্থী ব্যারিস্টার কায়সার কামালের পক্ষে প্রচারণা শুরু নেত্রকোণার দুর্গাপুরে শিক্ষার্থীদের মাঝে শিক্ষাবৃত্তি বিতরণ পাইকগাছায় ওয়াবদা কেটে অবৈধ লবণ পানি উত্তোলনের প্রতিবাদে মানববন্ধন পাইকগাছা সরকারি বালিকা বিদ্যালয়ে বার্ষিক ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতা অনুষ্ঠিত বাণিজ্যে ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা বহুমুখীকরণে জোর দিচ্ছে সরকার ও বিশ্বব্যাংক বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন ০১ টি বিদেশি পিস্তল, ০১ টি ম্যাগাজিন, ০৩ রাউন্ড গুলিসহ একজন সক্রিয় সদস্য গ্রেফতার ‎নারায়ণগঞ্জ-১ আসনে ইসলামী আন্দোলনের প্রার্থী ইমদাদুল্লাহ হাশেমীর নির্বাচনী প্রচারণা শুরু বিড়ি খাওয়া বক্তব্য দেওয়াতে জামাতের ২ কোটি ভোট বাড়ছে: ড. ফয়জুল হক  গাজীপুরে ভাওয়াল রাজ প্রতিষ্ঠিত শ্মশান মঠ মন্দিরে মহা নামযজ্ঞ ও অষ্টকালীন লীলা কীর্তন অনুষ্ঠিত অপহৃত কলেজছাত্রী উদ্ধার: র‍্যাবের জালে লালমনিরহাটের মূল হোতা নাঈম রামুতে কাজের প্রলোভন দেখিয়ে দুই রোহিঙ্গা অপহরণ, একজন আটক সীমান্ত থেকে দেশজুড়ে ছড়িয়ে পড়েছে মাদক, ফরিদের মাদক সাম্রাজ্যে আতঙ্কিত বালুখালীবাসী বেগমগঞ্জে মফিজ উল্যা মেমোরিয়াল একাডেমির বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত লক্ষ্মীপুরে পুলিশের সাঁড়াশি অভিযান: দেশীয় অস্ত্রসহ ৬ ডাকাত গ্রেপ্তার। শক্তিশালী গণমাধ্যম ছাড়া সুশাসন সম্ভব নয়, রামগঞ্জে হাত পাখা প্রতীকের প্রার্থী জাকির হোসেন জাতীয় সাংবাদিক সংস্থা ঈদগাঁও উপজেলার পূর্ণাঙ্গ কমিটি অনুমোদন নারায়ণগঞ্জের পাচঁটি নির্বাচন আসনে ৪৭ জন কে চূড়ান্ত প্রার্থী ঘোষণা। ধানের শীষের জন্য অনেক সাথী আত্মাহুতি দিয়েছেন, পঙ্গুত্ব বরণ করেছেন: প্রতীক পেয়ে আবেগাপ্লুত অধ্যক্ষ আসাদুল হাবিব দুলু পাইকগাছায় জেলা সিভিল সার্জনের আকস্মিক পরিদর্শন পাইকগাছায় গুড়িয়ে দেওয়া হলো অবৈধ ইটভাটা ও কয়লার চুল্লি নির্বাচনকালীন সাংবাদিকতা নিয়ে কক্সবাজারে পিআইবির দুই দিনের প্রশিক্ষণ শুরু বায়েজিদে পুলিশের ড্রাইভার পরিচয়ে ভয়ভীতি দেখিয়ে চাঁদাবাজি করে রাতারাতি কোটিপতি টুকু কারাগারে বিএনপি কর্মির মৃত্যু, গ্রেপ্তারের পর নির্যাতনের অভিযোগ বালিজুরী রেঞ্জে মানুষ–হাতি দ্বন্দ্ব নিরসনে জনসচেতনতামূলক সভা

বাণিজ্যে ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা বহুমুখীকরণে জোর দিচ্ছে সরকার ও বিশ্বব্যাংক বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 06:44:37 pm, Thursday, 22 January 2026
  • 3 বার পড়া হয়েছে

মোঃ আবু কাওছার মিঠু, রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:

বাংলাদেশের রপ্তানি খাতকে কেবল তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভরশীল না রেখে আরও বৈচিত্র্যময় ও প্রতিযোগিতামূলক করতে কাজ করছে সরকার। ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এক্সপোর্ট কমপিটিটিভনেস ফর জবস প্রকল্পের মাধ্যমে বড় ধরনের সংস্কার ও বিনিয়োগ শুরু হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই প্রকল্পের একটি নির্বাহী সারাংশ থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকাল ৩টায় পূর্বাচলস্থ বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে এই সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন ইপিবি-র ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান,সিনিয়র বেসরকারি খাত বিশেষজ্ঞ বিশ্বব্যাংক হোসনে ফেরদৌস সুমি,প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ এবং চেয়ারম্যান রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট ডঃএম. এ. রাজ্জাক,সিনিয়র অর্থনৈতিক উপদেষ্টা, ইউএনডিপি বাংলাদেশ বমি ওয়াইস প্যারে,চেয়ারম্যান পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ ডঃ এম মাসরুর রিয়াজ,বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রকল্প পরিচালক অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি)
মো: আব্দুর রহিম খান।

প্রধান অতিথি বলেন,বর্তমানে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। এই একক নির্ভরতা দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করছে। ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হলে নন-পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধি অন্তত ২.৫ গুণ বাড়ানো প্রয়োজন। এই লক্ষ্য পূরণে চামড়া, জুতা, প্লাস্টিক এবং হালকা প্রকৌশল খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে চারটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তারা উন্নত যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সুযোগ, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং পণ্য প্রোটোটাইপিংয়ের সুবিধা পাবেন। এছাড়া প্লাস্টিক খাতের উন্নয়নে ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ প্লাস্টিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে, যা প্রতি বছর ১,০০০ দক্ষ টেকনিশিয়ান তৈরি করবে। রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে ‘এক্সপোর্ট রেডিনেস ফান্ড’ এর মাধ্যমে ১১০টিরও বেশি কারখানাকে সরাসরি আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে মানসম্মত পণ্য উৎপাদন এবং পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে, যা সরাসরি ৫,০০০ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। শুধু পোশাক খাতের ওপর নির্ভর করে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। ভবিষ্যতে আইসিটি ওষুধ শিল্প এবং কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং পণ্যের গুণগত মানোন্নয়নই হবে আগামী দিনে বাংলাদেশের শিল্প প্রকল্পটি কেবল একটি সাময়িক প্রকল্প নয়, বরং এটি বাংলাদেশের শিল্পায়নের পরবর্তী ধাপের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।

সেমিনারে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও অংশীজনরা অংশ নেন। উদ্যোক্তাদের প্রত্যাশা, এই প্রকল্পের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সরকার রপ্তানি বৃদ্ধিতে আরও সহজ শর্তে ঋণ এবং নীতিগত সহায়তা প্রদান করবে, যাতে বিশ্ববাজারে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডের অবস্থান আরও সুসংহত হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম-৯ আসনে বিএনপির প্রার্থী আবু সুফিয়ানের নির্বাচনী প্রচারণার উদ্বোধনকালে মীর নাছির।

বাণিজ্যে ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা বহুমুখীকরণে জোর দিচ্ছে সরকার ও বিশ্বব্যাংক বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন

আপডেট সময় : 06:44:37 pm, Thursday, 22 January 2026

মোঃ আবু কাওছার মিঠু, রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:

বাংলাদেশের রপ্তানি খাতকে কেবল তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভরশীল না রেখে আরও বৈচিত্র্যময় ও প্রতিযোগিতামূলক করতে কাজ করছে সরকার। ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এক্সপোর্ট কমপিটিটিভনেস ফর জবস প্রকল্পের মাধ্যমে বড় ধরনের সংস্কার ও বিনিয়োগ শুরু হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই প্রকল্পের একটি নির্বাহী সারাংশ থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকাল ৩টায় পূর্বাচলস্থ বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে এই সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন ইপিবি-র ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান,সিনিয়র বেসরকারি খাত বিশেষজ্ঞ বিশ্বব্যাংক হোসনে ফেরদৌস সুমি,প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ এবং চেয়ারম্যান রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট ডঃএম. এ. রাজ্জাক,সিনিয়র অর্থনৈতিক উপদেষ্টা, ইউএনডিপি বাংলাদেশ বমি ওয়াইস প্যারে,চেয়ারম্যান পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ ডঃ এম মাসরুর রিয়াজ,বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রকল্প পরিচালক অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি)
মো: আব্দুর রহিম খান।

প্রধান অতিথি বলেন,বর্তমানে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। এই একক নির্ভরতা দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করছে। ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হলে নন-পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধি অন্তত ২.৫ গুণ বাড়ানো প্রয়োজন। এই লক্ষ্য পূরণে চামড়া, জুতা, প্লাস্টিক এবং হালকা প্রকৌশল খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে চারটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তারা উন্নত যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সুযোগ, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং পণ্য প্রোটোটাইপিংয়ের সুবিধা পাবেন। এছাড়া প্লাস্টিক খাতের উন্নয়নে ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ প্লাস্টিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে, যা প্রতি বছর ১,০০০ দক্ষ টেকনিশিয়ান তৈরি করবে। রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে ‘এক্সপোর্ট রেডিনেস ফান্ড’ এর মাধ্যমে ১১০টিরও বেশি কারখানাকে সরাসরি আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে মানসম্মত পণ্য উৎপাদন এবং পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে, যা সরাসরি ৫,০০০ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। শুধু পোশাক খাতের ওপর নির্ভর করে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। ভবিষ্যতে আইসিটি ওষুধ শিল্প এবং কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং পণ্যের গুণগত মানোন্নয়নই হবে আগামী দিনে বাংলাদেশের শিল্প প্রকল্পটি কেবল একটি সাময়িক প্রকল্প নয়, বরং এটি বাংলাদেশের শিল্পায়নের পরবর্তী ধাপের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।

সেমিনারে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও অংশীজনরা অংশ নেন। উদ্যোক্তাদের প্রত্যাশা, এই প্রকল্পের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সরকার রপ্তানি বৃদ্ধিতে আরও সহজ শর্তে ঋণ এবং নীতিগত সহায়তা প্রদান করবে, যাতে বিশ্ববাজারে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডের অবস্থান আরও সুসংহত হয়।