Dhaka , Tuesday, 8 September 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
হাতিয়ায় শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ অসুস্থ ১৬ শিক্ষার্থী, হাসপাতালে ১৩ র‍্যাব-সেনাবাহিনী পরিচয়ে প্রতারণা, স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ, আটক পারভেজ নোয়াখালীতে মাদ্রাসার ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে মাদক সেবীর দেওয়া আগুনে , পুড়ল ১১ বসতঘর ও ৬ দোকান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে হাজতির মৃত্যু হাতিয়াতে ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১ পিরোজপুরে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা: বিশেষ পারফরম্যান্সে পুরস্কৃত কাউখালী ওসি আনোয়ার হোসেন ধর্মপাশায় পরিত্যক্ত কালিজানা ব্রিজ: ঝুঁকি নিয়ে পারাপার, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ, ডেঙ্গু ঠেকাতে চট্টগ্রামে ২ হাজার মসজিদে একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান:- ডিসি জাহিদ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে আমানতের টাকা ফেরত দেওয়া শুরু নাসীরকে এতদিন যারা তালি দিয়েছেন, এবার কি গালি দেবেন: আব্দুল কাদের সাড়ে ১১ হাজার ডাক্তার নিয়োগ দেবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রূপগঞ্জে প্রতিপক্ষের হামলায় দুই শিক্ষার্থীসহ তিন জনকে কুপিয়ে জখম রূপগঞ্জে কিশোরী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্ম পরিষদ সদস্য হলেন কুলাউড়ার জাকির সিদ্দিকী জামাল পাইকগাছা-কয়রা-দাকোপের ১২৮ জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী সংবর্ধিত শ্রীপুরে অবৈধভাবে মজুদকৃত ৩২৮ বস্তা সার জব্দ, মামলা দায়ের সমুদ্রের প্রেমে মগ্ন পূজা চেরী রেকর্ডের হাতছানি রাফিনিয়ার সামনে ভোলায় আল-ইহসান একাডেমিতে প্রাণবন্ত মা সমাবেশ ও বৃক্ষ বিতরণ বিভৎস নির্যাতনের পর দুই বোনের একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিল ইরান দেশে কমল স্বর্ণের দাম, ভরি কত? ডেঙ্গু প্রতিরোধে পাইকগাছা পৌরসভার সপ্তাহব্যাপী মশক নিধন অভিযান পাইকগাছায় সরকারি জমি উদ্ধারে সাফল্য: প্রায় দেড় কোটি টাকা রাজস্ব আদায় লংমার্চ রাজপথের ষড়যন্ত্র, গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা: রিজভী ১০০ গুণী শিক্ষক পাচ্ছেন লাখ টাকা পুরস্কার প্রথমবারেই চমক: দুর্গাপুরে মহিলা দলের কর্মী সমাবেশে অনুষ্ঠিত ​ডিজিটাল সম্পদ সুরক্ষায় সফল উদ্যোগ: নেপথ্যে তরুণ সাইবার বিশেষজ্ঞ মোঃ রাকিবুল হাসান লক্ষ্মীপুরে পানিতে ডুবে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু এলাকায় শোকের ছায়া লক্ষ্মীপুরে মাদক সেবীর দেওয়া আগুনে , পুড়ল ১১ বসতঘর ও ৬ দোকান

বাণিজ্যে ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা বহুমুখীকরণে জোর দিচ্ছে সরকার ও বিশ্বব্যাংক বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 06:44:37 pm, Thursday, 22 January 2026
  • 86 বার পড়া হয়েছে

মোঃ আবু কাওছার মিঠু, রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:

বাংলাদেশের রপ্তানি খাতকে কেবল তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভরশীল না রেখে আরও বৈচিত্র্যময় ও প্রতিযোগিতামূলক করতে কাজ করছে সরকার। ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এক্সপোর্ট কমপিটিটিভনেস ফর জবস প্রকল্পের মাধ্যমে বড় ধরনের সংস্কার ও বিনিয়োগ শুরু হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই প্রকল্পের একটি নির্বাহী সারাংশ থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকাল ৩টায় পূর্বাচলস্থ বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে এই সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন ইপিবি-র ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান,সিনিয়র বেসরকারি খাত বিশেষজ্ঞ বিশ্বব্যাংক হোসনে ফেরদৌস সুমি,প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ এবং চেয়ারম্যান রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট ডঃএম. এ. রাজ্জাক,সিনিয়র অর্থনৈতিক উপদেষ্টা, ইউএনডিপি বাংলাদেশ বমি ওয়াইস প্যারে,চেয়ারম্যান পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ ডঃ এম মাসরুর রিয়াজ,বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রকল্প পরিচালক অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি)
মো: আব্দুর রহিম খান।

প্রধান অতিথি বলেন,বর্তমানে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। এই একক নির্ভরতা দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করছে। ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হলে নন-পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধি অন্তত ২.৫ গুণ বাড়ানো প্রয়োজন। এই লক্ষ্য পূরণে চামড়া, জুতা, প্লাস্টিক এবং হালকা প্রকৌশল খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে চারটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তারা উন্নত যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সুযোগ, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং পণ্য প্রোটোটাইপিংয়ের সুবিধা পাবেন। এছাড়া প্লাস্টিক খাতের উন্নয়নে ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ প্লাস্টিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে, যা প্রতি বছর ১,০০০ দক্ষ টেকনিশিয়ান তৈরি করবে। রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে ‘এক্সপোর্ট রেডিনেস ফান্ড’ এর মাধ্যমে ১১০টিরও বেশি কারখানাকে সরাসরি আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে মানসম্মত পণ্য উৎপাদন এবং পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে, যা সরাসরি ৫,০০০ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। শুধু পোশাক খাতের ওপর নির্ভর করে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। ভবিষ্যতে আইসিটি ওষুধ শিল্প এবং কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং পণ্যের গুণগত মানোন্নয়নই হবে আগামী দিনে বাংলাদেশের শিল্প প্রকল্পটি কেবল একটি সাময়িক প্রকল্প নয়, বরং এটি বাংলাদেশের শিল্পায়নের পরবর্তী ধাপের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।

সেমিনারে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও অংশীজনরা অংশ নেন। উদ্যোক্তাদের প্রত্যাশা, এই প্রকল্পের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সরকার রপ্তানি বৃদ্ধিতে আরও সহজ শর্তে ঋণ এবং নীতিগত সহায়তা প্রদান করবে, যাতে বিশ্ববাজারে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডের অবস্থান আরও সুসংহত হয়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

হাতিয়ায় শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ অসুস্থ ১৬ শিক্ষার্থী, হাসপাতালে ১৩

বাণিজ্যে ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন ডলার রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা বহুমুখীকরণে জোর দিচ্ছে সরকার ও বিশ্বব্যাংক বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন

আপডেট সময় : 06:44:37 pm, Thursday, 22 January 2026

মোঃ আবু কাওছার মিঠু, রূপগঞ্জ নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি:

বাংলাদেশের রপ্তানি খাতকে কেবল তৈরি পোশাক শিল্পের ওপর নির্ভরশীল না রেখে আরও বৈচিত্র্যময় ও প্রতিযোগিতামূলক করতে কাজ করছে সরকার। ২০৩০ সালের মধ্যে ১০০ বিলিয়ন মার্কিন ডলারের রপ্তানি লক্ষ্যমাত্রা অর্জনে এক্সপোর্ট কমপিটিটিভনেস ফর জবস প্রকল্পের মাধ্যমে বড় ধরনের সংস্কার ও বিনিয়োগ শুরু হয়েছে। বাণিজ্য মন্ত্রণালয় ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে পরিচালিত এই প্রকল্পের একটি নির্বাহী সারাংশ থেকে এসব তথ্য জানা গেছে। বৃহস্পতিবার (২২ জানুয়ারি) বিকাল ৩টায় পূর্বাচলস্থ বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী প্রদর্শনী কেন্দ্রে এই সেমিনারটি অনুষ্ঠিত হয়েছে। রপ্তানি উন্নয়ন ব্যুরো (ইপিবি) আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন ইপিবি-র ভাইস চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী মোহাম্মদ হাসান আরিফ এতে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের বাণিজ্য উপদেষ্টা শেখ বশিরউদ্দীন।

বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব মাহবুবুর রহমান,সিনিয়র বেসরকারি খাত বিশেষজ্ঞ বিশ্বব্যাংক হোসনে ফেরদৌস সুমি,প্রখ্যাত অর্থনীতিবিদ এবং চেয়ারম্যান রিসার্চ অ্যান্ড পলিসি ইন্টিগ্রেশন ফর ডেভেলপমেন্ট ডঃএম. এ. রাজ্জাক,সিনিয়র অর্থনৈতিক উপদেষ্টা, ইউএনডিপি বাংলাদেশ বমি ওয়াইস প্যারে,চেয়ারম্যান পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ ডঃ এম মাসরুর রিয়াজ,বাণিজ্য মন্ত্রণালয় প্রকল্প পরিচালক অতিরিক্ত সচিব (রপ্তানি)
মো: আব্দুর রহিম খান।

প্রধান অতিথি বলেন,বর্তমানে বাংলাদেশের মোট রপ্তানি আয়ের ৮০ শতাংশের বেশি আসে তৈরি পোশাক খাত থেকে। এই একক নির্ভরতা দীর্ঘমেয়াদী অর্থনৈতিক ঝুঁকি তৈরি করছে। ২০৩০ সালের লক্ষ্যমাত্রা পূরণ করতে হলে নন-পোশাক খাতের প্রবৃদ্ধি অন্তত ২.৫ গুণ বাড়ানো প্রয়োজন। এই লক্ষ্য পূরণে চামড়া, জুতা, প্লাস্টিক এবং হালকা প্রকৌশল খাতকে অগ্রাধিকার দেওয়া হচ্ছে।

প্রকল্পের আওতায় সারা দেশে চারটি অত্যাধুনিক প্রযুক্তি কেন্দ্র স্থাপন করা হচ্ছে। এসব কেন্দ্রে সরকারি ও বেসরকারি অংশীদারিত্বের ভিত্তিতে ক্ষুদ্র ও মাঝারি শিল্প উদ্যোক্তারা উন্নত যন্ত্রপাতি ব্যবহারের সুযোগ, কারিগরি প্রশিক্ষণ এবং পণ্য প্রোটোটাইপিংয়ের সুবিধা পাবেন। এছাড়া প্লাস্টিক খাতের উন্নয়নে ‘বাংলাদেশ ইনস্টিটিউট অফ প্লাস্টিক ইঞ্জিনিয়ারিং অ্যান্ড টেকনোলজি ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে, যা প্রতি বছর ১,০০০ দক্ষ টেকনিশিয়ান তৈরি করবে। রপ্তানি সক্ষমতা বাড়াতে ‘এক্সপোর্ট রেডিনেস ফান্ড’ এর মাধ্যমে ১১০টিরও বেশি কারখানাকে সরাসরি আর্থিক সহায়তা দেওয়া হয়েছে। এর ফলে মানসম্মত পণ্য উৎপাদন এবং পরিবেশগত কমপ্লায়েন্স নিশ্চিত করা সম্ভব হয়েছে, যা সরাসরি ৫,০০০ মানুষের কর্মসংস্থান সৃষ্টি করেছে। শুধু পোশাক খাতের ওপর নির্ভর করে কাঙ্ক্ষিত উন্নয়ন সম্ভব নয়। ভবিষ্যতে আইসিটি ওষুধ শিল্প এবং কৃষি প্রক্রিয়াজাতকরণ খাতের সম্ভাবনাকে কাজে লাগাতে হবে। বিদেশি বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং পণ্যের গুণগত মানোন্নয়নই হবে আগামী দিনে বাংলাদেশের শিল্প প্রকল্পটি কেবল একটি সাময়িক প্রকল্প নয়, বরং এটি বাংলাদেশের শিল্পায়নের পরবর্তী ধাপের জন্য একটি শক্তিশালী ভিত্তি হিসেবে কাজ করছে।

সেমিনারে সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন খাতের ব্যবসায়ী প্রতিনিধি ও অংশীজনরা অংশ নেন। উদ্যোক্তাদের প্রত্যাশা, এই প্রকল্পের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে সরকার রপ্তানি বৃদ্ধিতে আরও সহজ শর্তে ঋণ এবং নীতিগত সহায়তা প্রদান করবে, যাতে বিশ্ববাজারে ‘মেইড ইন বাংলাদেশ’ ব্র্যান্ডের অবস্থান আরও সুসংহত হয়।