
নুর মোহাম্মদ, কক্সবাজার:
কক্সবাজারের রামুর কাউয়ারখোপ ইউনিয়নের উখিয়ারঘোনা গোদামকটা এলাকায় কাজের প্রলোভন দেখিয়ে দুই রোহিঙ্গা যুবককে অপহরণ করে নৃশংস নির্যাতনের অভিযোগ উঠেছে।
মুক্তিপণের দাবিতে তাদের গহীন পাহাড়ে আটকে রেখে ছুরি দিয়ে আঘাত করে গুরুতর জখম করা হয়। তবে স্থানীয়দের তৎপরতায় আহত অবস্থায় অপহৃত দুই যুবক উদ্ধার হন এবং ঘটনাস্থল থেকে এক অপহরণকারীকে আটক করে পুলিশের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।
স্থানীয় সূত্র জানায়, সংঘবদ্ধ একটি চক্র ভালো কাজের আশ্বাস দিয়ে দুই যুবককে উখিয়ারঘোনায় ডেকে নেয়। পরে পাহাড়ি এলাকায় নিয়ে জিম্মি করে স্বজনদের কাছে বড় অঙ্কের মুক্তিপণ দাবি করা হয়। সময়মতো টাকা না পাওয়ায় অপহরণকারীরা তাদের হাত-পা বেঁধে নির্মমভাবে নির্যাতন চালায়।
পাহাড় থেকে ভেসে আসা চিৎকার ও সন্দেহজনক তৎপরতা টের পেয়ে এলাকাবাসী তল্লাশিতে নামেন। এ সময় মূল অভিযুক্ত জিয়াউর রহমান ও বাপ্পীসহ কয়েকজন পালিয়ে গেলেও ধাওয়া করে রিয়াজুর রহমান (গোদামকটা) নামের এক সদস্যকে হাতেনাতে ধরে ফেলে জনতা।
খবর পেয়ে কাউয়ারখোপ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান সামসুল আলম ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি শান্ত করেন। পরে দুপুর সাড়ে ১টার দিকে রামু থানা পুলিশের একটি দল পৌঁছে আটক রিয়াজুর রহমানকে হেফাজতে নেয়। পুলিশ আহতদের চিকিৎসার ব্যবস্থা করেছে এবং পলাতক আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান অব্যাহত রয়েছে।

























