Dhaka , Monday, 7 September 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
হাতিয়ায় শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ অসুস্থ ১৬ শিক্ষার্থী, হাসপাতালে ১৩ র‍্যাব-সেনাবাহিনী পরিচয়ে প্রতারণা, স্কুল ছাত্রীকে ধর্ষণ, আটক পারভেজ নোয়াখালীতে মাদ্রাসার ছাত্রকে বলাৎকারের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরে মাদক সেবীর দেওয়া আগুনে , পুড়ল ১১ বসতঘর ও ৬ দোকান ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা কারাগারে হাজতির মৃত্যু হাতিয়াতে ফেরিঘাট থেকে ১৮০০ লিটার চোরাই ডিজেল জব্দ, গ্রেপ্তার ১ পিরোজপুরে মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা: বিশেষ পারফরম্যান্সে পুরস্কৃত কাউখালী ওসি আনোয়ার হোসেন ধর্মপাশায় পরিত্যক্ত কালিজানা ব্রিজ: ঝুঁকি নিয়ে পারাপার, দুর্ভোগে হাজারো মানুষ, ডেঙ্গু ঠেকাতে চট্টগ্রামে ২ হাজার মসজিদে একযোগে পরিচ্ছন্নতা অভিযান:- ডিসি জাহিদ সম্মিলিত ইসলামী ব্যাংক থেকে আমানতের টাকা ফেরত দেওয়া শুরু নাসীরকে এতদিন যারা তালি দিয়েছেন, এবার কি গালি দেবেন: আব্দুল কাদের সাড়ে ১১ হাজার ডাক্তার নিয়োগ দেবে সরকার: স্বাস্থ্যমন্ত্রী রূপগঞ্জে প্রতিপক্ষের হামলায় দুই শিক্ষার্থীসহ তিন জনকে কুপিয়ে জখম রূপগঞ্জে কিশোরী ধর্ষণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর কর্ম পরিষদ সদস্য হলেন কুলাউড়ার জাকির সিদ্দিকী জামাল পাইকগাছা-কয়রা-দাকোপের ১২৮ জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থী সংবর্ধিত শ্রীপুরে অবৈধভাবে মজুদকৃত ৩২৮ বস্তা সার জব্দ, মামলা দায়ের সমুদ্রের প্রেমে মগ্ন পূজা চেরী রেকর্ডের হাতছানি রাফিনিয়ার সামনে ভোলায় আল-ইহসান একাডেমিতে প্রাণবন্ত মা সমাবেশ ও বৃক্ষ বিতরণ বিভৎস নির্যাতনের পর দুই বোনের একজনকে মৃত্যুদণ্ড দিল ইরান দেশে কমল স্বর্ণের দাম, ভরি কত? ডেঙ্গু প্রতিরোধে পাইকগাছা পৌরসভার সপ্তাহব্যাপী মশক নিধন অভিযান পাইকগাছায় সরকারি জমি উদ্ধারে সাফল্য: প্রায় দেড় কোটি টাকা রাজস্ব আদায় লংমার্চ রাজপথের ষড়যন্ত্র, গণতন্ত্র বিনষ্টের চেষ্টা: রিজভী ১০০ গুণী শিক্ষক পাচ্ছেন লাখ টাকা পুরস্কার প্রথমবারেই চমক: দুর্গাপুরে মহিলা দলের কর্মী সমাবেশে অনুষ্ঠিত ​ডিজিটাল সম্পদ সুরক্ষায় সফল উদ্যোগ: নেপথ্যে তরুণ সাইবার বিশেষজ্ঞ মোঃ রাকিবুল হাসান লক্ষ্মীপুরে পানিতে ডুবে একই পরিবারের ৩ জনের মৃত্যু এলাকায় শোকের ছায়া লক্ষ্মীপুরে মাদক সেবীর দেওয়া আগুনে , পুড়ল ১১ বসতঘর ও ৬ দোকান

শরীয়তপুরে কাবিখা কাবিটা প্রকল্পে লুটপাট, প্রশ্ন করায় সাংবাদিককে হুমকি

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 06:48:48 pm, Thursday, 15 January 2026
  • 175 বার পড়া হয়েছে

মো: আব্দুর রহিম, শরীয়তপুর প্রতিনিধি:

শরীয়তপুরের ‎গ্রামীণ সড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারের কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) ও কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা) প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলায়। অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের কাজ আংশিক বা একেবারেই না করেই উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) পুরো বিল ছাড় করেছেন।

‎স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দাদের অভিযোগ, এসব প্রকল্পে প্রতি এক লাখ টাকার বরাদ্দে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা কমিশন হিসেবে কেটে রাখা হয়। ফলে বরাদ্দের বাকি অর্থ দিয়ে মানসম্মত কাজ করা সম্ভব হয় না। এ বিষয়ে প্রশ্ন করায় গণমাধ্যমকর্মীদের গালিগালাজ ও হুমকি দিয়েছেন ভেদরগঞ্জ উপজেলার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখার উপ-সহকারী প্রকৌশলী উজ্জল মন্ডল।

‎স্থানীয়দের অভিযোগ ও প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চলতি বছরে ভেদরগঞ্জ উপজেলার সব ইউনিয়নে গ্রামীণ সড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য সরকার কাবিখা প্রকল্পের আওতায় ৮৩ দশমিক ৫৩ টন গম এবং একই পরিমাণ চাল বরাদ্দ দেয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ৫৮ লাখ ৪৭ হাজার ১০০ টাকা। এছাড়া কাবিটা প্রকল্পের আওতায় বরাদ্দ দেওয়া হয় ১ কোটি ৪০ লাখ ৫১ হাজার ৩৯ টাকা। তবে এসব বরাদ্দের বিপরীতে বাস্তবে অনেক প্রকল্পে কাজ হয়নি বলেই অভিযোগ উঠেছে।

‎স্থানীয়দের দাবি, যেসব সড়কে সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের কথা বলা হচ্ছে, সেসব সড়কের আশপাশের বাসিন্দারাই জানেন না কখন বা কীভাবে কাজ হয়েছে। অথচ অফিসের কাগজপত্রে দেখানো হয়েছে কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং বিল উত্তোলনও করা হয়েছে।

‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইউপি সদস্য বলেন, প্রতি এক লাখ টাকার কাজে পিআইও, উপ-সহকারী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের ৩০ হাজার টাকা কমিশন দিতে হয়। বাকি ৭০ হাজার টাকায় কীভাবে কাজ করব? এর বেশি কিছু বললে বিপদে পড়তে পারি।

‎সরেজমিনে দেখা যায়, উত্তর তারাবুনিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে গায়েন বাড়ির মসজিদ থেকে উত্তরের দোকান পর্যন্ত মাটির রাস্তা নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণের জন্য প্রায় ২ লাখ ২৭ হাজার টাকার গম বরাদ্দ দেখানো হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস দাবি করছে, কাজ শেষ হওয়ায় বিল পরিশোধ করা হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত পাঁচ বছরেও ওই সড়কে এক কোদাল মাটিও কাটা হয়নি।

‎একই চিত্র দেখা গেছে দক্ষিণ তারাবুনিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আফা মোল্লা বাজার এলাকায়। ট্রলার ঘাট থেকে গিয়াস উদ্দিন প্রধানিয়ার বাড়ি পর্যন্ত সড়ক নির্মাণে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার গম বরাদ্দ থাকলেও স্থানীয়দের দাবি, এ বছর সেখানে কোনো কাজই হয়নি। মাত্র একদিন দু’জন শ্রমিক ঘাস পরিষ্কার করে চলে যান। এরপর আর কোনো কাজ হয়নি। অথচ কাগজে দেখানো হয়েছে সড়ক পুনর্নির্মাণ সম্পন্ন।

‎গায়েন বাড়ি এলাকার বাসিন্দা মানিক গায়েন বলেন, গত ৩-৪ বছরে এই রাস্তায় কোনো কাজ হয়নি। বর্ষাকালে আমাদের নৌকা দিয়ে চলাচল করতে হয়। রাস্তা হলে তো নৌকা বানাতে দিতাম না।

‎আফা মোল্লা বাজার এলাকার অটোরিকশাচালক আব্দুস সালাম বলেন, প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে চলি। যদি কাজ হতো, তাহলে নিশ্চয়ই দেখতাম। কাগজে অনেক কিছু হয়, বাস্তবে তার কোনো চিহ্ন নেই।

‎এ বিষয়ে জানতে মঙ্গলবার ভেদরগঞ্জ উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখায় গেলে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়নি। তবে উপ-সহকারী প্রকৌশলী উজ্জল মন্ডল বলেন, বিল দেওয়ার নিয়ম আছে বলেই বিল দেওয়া হয়েছে। কাজ না করে বিল দেওয়া হয়েছে—এমন প্রমাণ চাইলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। একপর্যায়ে তিনি হুমকি দিয়ে সাংবাদিকদের ছবি তুলে রাখেন এবং অফিস ত্যাগ করেন।

‎ভেদরগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হাসান আহমেদ মোবাইলে বলেন, আমি একসঙ্গে দুইটি উপজেলার দায়িত্বে থাকায় সব প্রকল্প সঠিকভাবে তদারকি করা সম্ভব হয়নি। যদি কেউ কাজ না করে বিল নিয়ে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজুল হক বলেন, অভিযোগের বিষয়গুলো আমি শুনেছি। যারা কাজ না করে বিল তুলেছে, তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

হাতিয়ায় শ্রেণিকক্ষে হঠাৎ অসুস্থ ১৬ শিক্ষার্থী, হাসপাতালে ১৩

শরীয়তপুরে কাবিখা কাবিটা প্রকল্পে লুটপাট, প্রশ্ন করায় সাংবাদিককে হুমকি

আপডেট সময় : 06:48:48 pm, Thursday, 15 January 2026

মো: আব্দুর রহিম, শরীয়তপুর প্রতিনিধি:

শরীয়তপুরের ‎গ্রামীণ সড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে সরকারের কাজের বিনিময়ে খাদ্য (কাবিখা) ও কাজের বিনিময়ে টাকা (কাবিটা) প্রকল্পে ব্যাপক অনিয়ম ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে শরীয়তপুরের ভেদরগঞ্জ উপজেলায়। অভিযোগ রয়েছে, প্রকল্পের কাজ আংশিক বা একেবারেই না করেই উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা (পিআইও) পুরো বিল ছাড় করেছেন।

‎স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও বাসিন্দাদের অভিযোগ, এসব প্রকল্পে প্রতি এক লাখ টাকার বরাদ্দে ২০ থেকে ৩০ হাজার টাকা কমিশন হিসেবে কেটে রাখা হয়। ফলে বরাদ্দের বাকি অর্থ দিয়ে মানসম্মত কাজ করা সম্ভব হয় না। এ বিষয়ে প্রশ্ন করায় গণমাধ্যমকর্মীদের গালিগালাজ ও হুমকি দিয়েছেন ভেদরগঞ্জ উপজেলার দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখার উপ-সহকারী প্রকৌশলী উজ্জল মন্ডল।

‎স্থানীয়দের অভিযোগ ও প্রকল্প সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, চলতি বছরে ভেদরগঞ্জ উপজেলার সব ইউনিয়নে গ্রামীণ সড়ক ও অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য সরকার কাবিখা প্রকল্পের আওতায় ৮৩ দশমিক ৫৩ টন গম এবং একই পরিমাণ চাল বরাদ্দ দেয়, যার বাজারমূল্য প্রায় ৫৮ লাখ ৪৭ হাজার ১০০ টাকা। এছাড়া কাবিটা প্রকল্পের আওতায় বরাদ্দ দেওয়া হয় ১ কোটি ৪০ লাখ ৫১ হাজার ৩৯ টাকা। তবে এসব বরাদ্দের বিপরীতে বাস্তবে অনেক প্রকল্পে কাজ হয়নি বলেই অভিযোগ উঠেছে।

‎স্থানীয়দের দাবি, যেসব সড়কে সংস্কার বা পুনর্নির্মাণের কথা বলা হচ্ছে, সেসব সড়কের আশপাশের বাসিন্দারাই জানেন না কখন বা কীভাবে কাজ হয়েছে। অথচ অফিসের কাগজপত্রে দেখানো হয়েছে কাজ সম্পন্ন হয়েছে এবং বিল উত্তোলনও করা হয়েছে।

‎নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক ইউপি সদস্য বলেন, প্রতি এক লাখ টাকার কাজে পিআইও, উপ-সহকারী কর্মকর্তা ও সংশ্লিষ্টদের ৩০ হাজার টাকা কমিশন দিতে হয়। বাকি ৭০ হাজার টাকায় কীভাবে কাজ করব? এর বেশি কিছু বললে বিপদে পড়তে পারি।

‎সরেজমিনে দেখা যায়, উত্তর তারাবুনিয়া ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ডে গায়েন বাড়ির মসজিদ থেকে উত্তরের দোকান পর্যন্ত মাটির রাস্তা নির্মাণ ও পুনর্নির্মাণের জন্য প্রায় ২ লাখ ২৭ হাজার টাকার গম বরাদ্দ দেখানো হয়েছে। উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন অফিস দাবি করছে, কাজ শেষ হওয়ায় বিল পরিশোধ করা হয়েছে। কিন্তু স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, গত পাঁচ বছরেও ওই সড়কে এক কোদাল মাটিও কাটা হয়নি।

‎একই চিত্র দেখা গেছে দক্ষিণ তারাবুনিয়া ইউনিয়নের ৩ নম্বর ওয়ার্ডের আফা মোল্লা বাজার এলাকায়। ট্রলার ঘাট থেকে গিয়াস উদ্দিন প্রধানিয়ার বাড়ি পর্যন্ত সড়ক নির্মাণে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার টাকার গম বরাদ্দ থাকলেও স্থানীয়দের দাবি, এ বছর সেখানে কোনো কাজই হয়নি। মাত্র একদিন দু’জন শ্রমিক ঘাস পরিষ্কার করে চলে যান। এরপর আর কোনো কাজ হয়নি। অথচ কাগজে দেখানো হয়েছে সড়ক পুনর্নির্মাণ সম্পন্ন।

‎গায়েন বাড়ি এলাকার বাসিন্দা মানিক গায়েন বলেন, গত ৩-৪ বছরে এই রাস্তায় কোনো কাজ হয়নি। বর্ষাকালে আমাদের নৌকা দিয়ে চলাচল করতে হয়। রাস্তা হলে তো নৌকা বানাতে দিতাম না।

‎আফা মোল্লা বাজার এলাকার অটোরিকশাচালক আব্দুস সালাম বলেন, প্রতিদিন এই রাস্তা দিয়ে চলি। যদি কাজ হতো, তাহলে নিশ্চয়ই দেখতাম। কাগজে অনেক কিছু হয়, বাস্তবে তার কোনো চিহ্ন নেই।

‎এ বিষয়ে জানতে মঙ্গলবার ভেদরগঞ্জ উপজেলা দুর্যোগ ব্যবস্থাপনা শাখায় গেলে প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তাকে পাওয়া যায়নি। তবে উপ-সহকারী প্রকৌশলী উজ্জল মন্ডল বলেন, বিল দেওয়ার নিয়ম আছে বলেই বিল দেওয়া হয়েছে। কাজ না করে বিল দেওয়া হয়েছে—এমন প্রমাণ চাইলে তিনি ক্ষিপ্ত হয়ে ওঠেন এবং সাংবাদিকদের সঙ্গে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেন। একপর্যায়ে তিনি হুমকি দিয়ে সাংবাদিকদের ছবি তুলে রাখেন এবং অফিস ত্যাগ করেন।

‎ভেদরগঞ্জের ভারপ্রাপ্ত প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা হাসান আহমেদ মোবাইলে বলেন, আমি একসঙ্গে দুইটি উপজেলার দায়িত্বে থাকায় সব প্রকল্প সঠিকভাবে তদারকি করা সম্ভব হয়নি। যদি কেউ কাজ না করে বিল নিয়ে থাকে, তাহলে তার বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

‎এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাফিজুল হক বলেন, অভিযোগের বিষয়গুলো আমি শুনেছি। যারা কাজ না করে বিল তুলেছে, তাদের বিরুদ্ধে অবশ্যই ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।