
শেখ জাবেদ আহমদ,
অদ্য ১৪/১১/২০২৫ খ্রিঃ ০০.৩০ঘটিকায় এসআই (নিঃ)সুব্রত চৌধুরী তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় সঙ্গীয় অফিসার ফোর্সসহ শাহপরান (রহঃ) থানাধীন ইকোপার্ক এলাকায় বিশেষ অভিযান পরিচালনা করে ফাহিম হত্যা মামলার এজাহারনামীয় ৪ নং আসামি সবুজ আহমদ রেহান (৩২), পিতা-মৃত আবুল কাশেম, মাতা-মাসুমা বেগম, সাং-যশপুর, থানা-জৈন্তাপুর, জেলা-সিলেট; বর্তমান সাং-রাজন মিয়ার ভাড়া বাসা, ২ নং রোড, গোপালটিলা, থানা-শাহপরান (রহঃ), জেলা-সিলেট‘কে গ্রেফতার করেন।
উল্লেখ্য যে, গত ১০/১১/২০২৫ খ্রিঃ শাহপরান (রহঃ) থানাধীন বালুচর ২ নং মসজিদ এলাকাস্থ কিংস ফুটসাল ইনডোর সংলগ্ন বস্তার গলি রাস্তার উপর পূর্ব শত্রুতার জের ধরে বাদী মোঃ হারুন রশিদের ছেলে মোঃ ফাহিম (২৩)কে ১ নং আসামির নির্দেশে ২–৭ নং আসামি সহ অজ্ঞাতনামা ৭/৮ জন সশস্ত্র অবস্থায় পথরোধ করে। আসামিরা হাতে থাকা ধারালো দা, রামদা, চাইনিজ কুড়াল, ডেগার, জিআই পাইপ ও লোহার রড দিয়ে ফাহিমকে কুপিয়ে এবং পিটিয়ে গুরুতর জখম করে।হামলার সময় গ্রেফতারকৃত ৪ নং আসামি সবুজ আহমদ রেহান ধারালো দা দিয়ে ফাহিমের বাম হাতের কব্জিতে মারাত্মক কাটা রক্তাক্ত জখম করে। জীবন রক্ষার্থে দৌড় দিলে ফাহিম ড্রেনে পড়ে যায়। ফাহিমকে। স্থানীয় লোকজন এগিয়ে এলে আসামিরা দ্রুত পালিয়ে যায়।
গুরুতর আহত অবস্থায় স্থানীয়দের সহায়তায় ফাহিমকে সিলেট এমএজি ওসমানী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক তাকে উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকার পঙ্গু হাসপাতালে রেফার করেন। ১১/১১/২০২৫ খ্রিঃ সকাল সাড়ে ৬টার দিকে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। পরবর্তীতে, ঢাকা হতে চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিকেলে কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে ১২/১১/২০২৫ খ্রিঃ সকাল ০৭:০০ ঘটিকায় কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। উক্ত ঘটনার বিষয়ে নিহত ফাহিমের পিতা মোঃ হারুন রশিদ অভিযোগ দায়ের করলে শাহপরান (রহঃ) থানার মামলা নং-২০ তারিখ,১৪/১১/২০২৫ খ্রিঃ, ধারা-৩০২/৩৪ পেনান কোড রুজু হয়। আসামীকে বিজ্ঞ আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।

























