Dhaka , Sunday, 30 August 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
কলমাকান্দায় ক্ষেতমজুর সমিতির প্রতিনিধি সভা,রেশন ও ন্যায্য মজুরির নিশ্চয়তা দাবি ধর্মের ঊর্ধ্বে মানবতা, অসহায় তিন হিন্দু পরিবারের রাস্তা সংস্কার করে দিলেন ওমর ফারুক মানবতার অনন্য দৃষ্টান্ত, অসহায় রনা রংদীর দায়িত্ব নিলেন ডেপুটি স্পিকার ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় গণতন্ত্র, ভোটের অধিকার ও সংবাদপত্রের স্বাধীনতা শীর্ষক আলোচনা সভা সাইফ আলী খানকে হত্যাচেষ্টার দায় স্বীকার এমবাপ্পের সামনে ইতিহাস গড়ার হাতছানি ডিজিটাল সার্ভে শেষ হলে ভূমি নিয়ে ব্যাপক জালিয়াতি চিরতরে বন্ধ হবে” :- ভূমি প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল পর্যটকদের নির্মল আনন্দ দিতে সাজবে পতেঙ্গা সৈকত: ডিসি জাহিদ পাইকগাছায় হতদরিদ্র নারীদের মাঝে ২৫টি সেলাই মেশিন বিতরণ ‘মানুষ মানুষের জন্য’ অসহায় বৃদ্ধার পাশে প্রেসক্লাব পাইকগাছা রূপগঞ্জে বর্ণাঢ্য আয়োজনে বিদায় সংবর্ধনা পেয়ে অবসরে গেলেন শিক্ষক আলোচিত ১ লাখ ৫০ হাজার পিস ইয়াবা মামলার আসামি দারিয়ারদিঘীর ফারুক গ্রেপ্তার আরএসএস প্রধানের অনুষ্ঠান ঘিরে নিউইয়র্কে তুমুল হট্টগোল ২৯ আগস্ট ২০২৬: ২২ ক্যারেট স্বর্ণের ভরি কত? ব্রাহ্মণবা‌ড়িয়ার ঘটনা নিয়ে হাসনাত আব্দুল্লাহর দুঃখপ্রকাশ ফরিদপুরে শ্রমজীবী মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠায় ইসলামী শ্রমনীতি বাস্তবায়নে জামায়াতে-ইসলামীর কর্মী সমাবেশ অনুষ্ঠিত। তানজিন তিশার বিরুদ্ধে অভিযোগের সত্যতা পায়নি পিবিআই, তদন্ত প্রতিবেদনে যা আছে নারায়ণগঞ্জে কৃতী শিক্ষার্থীদের সংবর্ধনা দিল ছাত্র মজলিস চর্মরোগ বাড়াতে পারে অনিয়ন্ত্রিত খাদ্যাভ্যাস, সুস্থ ত্বকের জন্য সুষম খাবারের পরামর্শ সিদ্ধিরগঞ্জে তেলের লরির ধাক্কায় মিষ্টির দোকান কর্মচারী নিহত সিদ্ধিরগঞ্জে নির্মাণ শ্রমিকের ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার রামুতে প্রবাসী বিএনপি নেতার বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি : স্বর্ণালঙ্কার ও নগদ টাকাসহ সৌদি রিয়াল লুট, “বিশ্বের মুসলিম জাতির গৌরব মর্যাদা পুনরুদ্ধারের মেধাভিত্তিক ধর্মচর্চার বিকল্প নেই- সৈয়্যদ মিনহাজুর রহমান দুর্গাপুরে ক্ষেতমজুর সমিতির কর্মীসভা: মেহনতি মানুষের লড়াই জোরদারের ডাক শ্রদ্ধা ও ভালোবাসায় দুর্গাপুরে জাতীয় কবি কাজী নজরুল ইসলামের মৃত্যুবার্ষিকী পালিত অধিকার আদায়ের দাবিতে কলমাকান্দায় শ্রমিক সমাবেশ অনুষ্ঠিত নিটারে নবীন শিক্ষার্থীদের ক্যারিয়ার ও নেটওয়ার্কিং নিয়ে ব্যতিক্রমী আয়োজন রায়পুরে ১০ দিনব্যাপী ভিডিপি মৌলিক প্রশিক্ষণের সমাপনী লাইসেন্সবিহীন ডায়াগনস্টিক সেন্টার সিলগালা, কলমাকান্দায় এক যুবকের কারাদণ্ড জুমার নামাজ পড়তে যাওয়ার পথে সড়ক দুর্ঘটনায় যুবকের মৃত্যু

কক্সবাজারে বাঁকখালী নদী পরিদর্শন করলেন দুই উপদেষ্টা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 05:43:45 pm, Thursday, 24 April 2025
  • 128 বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারে বাঁকখালী নদী পরিদর্শন করলেন দুই উপদেষ্টা

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার

দখল দূষণে মৃত প্রায় কক্সবাজারের বাঁকখালী নদী পরিদর্শনে গিয়ে বিষ্ময় প্রকাশ করেছেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং নৌপরিবহন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে বাঁকখালী নদীর কস্তুরাঘাটসহ বিভিন্ন অংশ সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং নৌপরিবহন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক সালাউদ্দিন, সদর উপজেলা নির্বাহি কর্মকতা নিলুফা ইয়াসমিন।

এসময় নৌপরিবহন উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ভালো হবে যারা দখল করেছেন তারা যদি নিজেরা সরে যান। তাহলে ক্ষতি হবেনা। যেখানে যেখানে আদালতের স্টে অর্ডার আছে সেগুলো ছাড়া বাকিগুলো দখল মুক্ত করবো। এখানে আর কোনো প্রশ্ন নাই। কক্সবাজার শহরের প্রধান নদী বাঁকখালীর জায়গা দখল ও প্যারাবন ধ্বংস করে গড়ে তোলা হয়েছে ১ হাজারের বেশি অবৈধ স্থাপনা। বেশ কয়েকবার জেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে কিছু স্থাপনা উচ্ছেদ করলেও ৫ আগস্টের পর তা আরো বাড়তে থাকে।

একসময় কক্সবাজারের প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত কস্তুরাঘাট এখন আবাসিক এলাকায় পরিণত হয়েছে। কক্সবাজারে নদী বন্দর করা যাচ্ছেনা দখলের কারণ উল্লেখ করে আরো বলেন, “স্থানীয় প্রশাসনকে বলা হয়েছে নদীর সীমানা নির্ধারণ করার পর উচ্ছেদ শুর হবে। নদী বন্দর যে করবো তার জন্য নদী লাগবে।

বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, উপদেষ্টা হওয়ার আগে বাঁকখালী নদীর জন্য পরিবেশকর্মী হিসেবে আসা হতো তখন থেকে এ নদীকে দখল মুক্ত করা কক্সবাজারবাসীর অনেক দিনের দাবী।

তিনি আরো বলেন, যেসব জায়গায় আদালতের স্থিতাবস্থা আছে সেগুলো আইনী ভাবে মোকাবেলা করা হবে। আশাকরি দ্রুতই উচ্ছেদ অভিযান শুরু করবে প্রশাসন। তবে কবে থেকে তা বলবোনা না, এতে করে দখলদাররা বার্তা পেয়ে যাবে।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের অবস্থা দেখতে গিয়েছেন উল্লেখ করে রেজওয়ানা হাসান জানান, ওখানে যেভাবে করে নির্মাণ কাজ চলছে, এটা যদি লাগাম টেনে না ধরা হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের সিবীচ কিন্তু ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সিবীচ হয়ে যাবে। এটা হতে দেয়া যাবেনা না।

সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান সোনাদিয়া দ্বীপ নিয়ে বলেন, এই দ্বীপ নিয়ে আগে কথা বলেছি এখন কাজ করছি। বিগত সরকার সোনাদিয়া দ্বীপকে পরিবেশ ও প্রতিবেশগত সংকটকে অস্বীকার করে বেজাকে দিয়ে দিয়েছিলো, এখন বেজা বলছে তাদের দরকার নাই। তাই ভূমি মন্ত্রণালয় আর দুই এক দিনের মধ্যে বনকে দিয়ে দেয়া হবে।
এই সরকারের সীমিত সময়ের মধ্যে কক্সবাজার নিয়ে এসমস্ত কাজ গুলোকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে বলেও জানান।

কক্সবাজারের প্রধান নদী বাঁকখালী। বাঁকখালী নদীর দুই পাশের প্রায় ১৮ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে শত শত স্থাপনা করেছে অবৈধ দখলদাররা। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় নদীর জমিতে নির্মাণ করেছে খুরুশকুল কস্তুরাঘাট ব্রীজ। নদীর পাড়ে গড়ে উঠেছে পেশকার পাড়া নামে বিশাল পাড়া।

নতুন করে নদী ভরাট করে তৈরি করা হচ্ছে কস্তুরাঘাট পয়েন্টে নতুন নতুন স্থাপনা। ৬ নম্বর ঘাট থেকে উত্তর নুনিয়াছড়া পর্যন্ত প্রায় ২৮টি অবৈধ জেটি রয়েছে বর্তমানে। সবকটিই অনুমোদনহীন। নদী থেকে বালু তুলে রাখার পাশাপাশি সিলেট থেকে পাথর ও বালু এনে বিক্রির জন্য মোট ৫টি সেল সেন্টার করা হয়েছে অবৈধভাবে। কয়েকটি তেলের বার্জও রয়েছে। এছাড়া রয়েছে বরফকল, কোল্ড স্টোরেজ, ফিশিং অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, ডকইয়ার্ড, মাছের আড়ত, শুঁটকির আড়তসহ শত শত বসতঘর।

২০২০ সালে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডাব্লিউটিএ) কর্তৃক প্রকাশিত তালিকায় নদী দখলদার হিসেবে জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ী, ১৩১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করা হয়। প্রায় ৬৯ কিলোমিটার দীর্ঘ বাঁকখালী নদীর একসময় প্রশস্ততা ছিল ৯৬ থেকে ১২০ মিটার পযন্ত। কিন্তু দখলের কারণে প্রশস্ততা কমে কক্সবাজার শহরের কোথাও ৫০ মিটার, কোথাও ৬০-৭০ মিটার হয়ে গেছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কলমাকান্দায় ক্ষেতমজুর সমিতির প্রতিনিধি সভা,রেশন ও ন্যায্য মজুরির নিশ্চয়তা দাবি

কক্সবাজারে বাঁকখালী নদী পরিদর্শন করলেন দুই উপদেষ্টা

আপডেট সময় : 05:43:45 pm, Thursday, 24 April 2025

স্টাফ রিপোর্টার, কক্সবাজার

দখল দূষণে মৃত প্রায় কক্সবাজারের বাঁকখালী নদী পরিদর্শনে গিয়ে বিষ্ময় প্রকাশ করেছেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং নৌপরিবহন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন।

বৃহস্পতিবার সকাল ১১টার দিকে বাঁকখালী নদীর কস্তুরাঘাটসহ বিভিন্ন অংশ সরেজমিন পর্যবেক্ষণ করেন বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান এবং নৌপরিবহন, শ্রম ও কর্মসংস্থান মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন, কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক সালাউদ্দিন, সদর উপজেলা নির্বাহি কর্মকতা নিলুফা ইয়াসমিন।

এসময় নৌপরিবহন উপদেষ্টা সাখাওয়াত হোসেন বলেন, ভালো হবে যারা দখল করেছেন তারা যদি নিজেরা সরে যান। তাহলে ক্ষতি হবেনা। যেখানে যেখানে আদালতের স্টে অর্ডার আছে সেগুলো ছাড়া বাকিগুলো দখল মুক্ত করবো। এখানে আর কোনো প্রশ্ন নাই। কক্সবাজার শহরের প্রধান নদী বাঁকখালীর জায়গা দখল ও প্যারাবন ধ্বংস করে গড়ে তোলা হয়েছে ১ হাজারের বেশি অবৈধ স্থাপনা। বেশ কয়েকবার জেলা প্রশাসন অভিযান চালিয়ে কিছু স্থাপনা উচ্ছেদ করলেও ৫ আগস্টের পর তা আরো বাড়তে থাকে।

একসময় কক্সবাজারের প্রধান বাণিজ্যকেন্দ্র হিসেবে পরিচিত কস্তুরাঘাট এখন আবাসিক এলাকায় পরিণত হয়েছে। কক্সবাজারে নদী বন্দর করা যাচ্ছেনা দখলের কারণ উল্লেখ করে আরো বলেন, “স্থানীয় প্রশাসনকে বলা হয়েছে নদীর সীমানা নির্ধারণ করার পর উচ্ছেদ শুর হবে। নদী বন্দর যে করবো তার জন্য নদী লাগবে।

বন, পরিবেশ ও জলবায়ু পরিবর্তন মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেন, উপদেষ্টা হওয়ার আগে বাঁকখালী নদীর জন্য পরিবেশকর্মী হিসেবে আসা হতো তখন থেকে এ নদীকে দখল মুক্ত করা কক্সবাজারবাসীর অনেক দিনের দাবী।

তিনি আরো বলেন, যেসব জায়গায় আদালতের স্থিতাবস্থা আছে সেগুলো আইনী ভাবে মোকাবেলা করা হবে। আশাকরি দ্রুতই উচ্ছেদ অভিযান শুরু করবে প্রশাসন। তবে কবে থেকে তা বলবোনা না, এতে করে দখলদাররা বার্তা পেয়ে যাবে।

কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতের অবস্থা দেখতে গিয়েছেন উল্লেখ করে রেজওয়ানা হাসান জানান, ওখানে যেভাবে করে নির্মাণ কাজ চলছে, এটা যদি লাগাম টেনে না ধরা হয়, তাহলে সাধারণ মানুষের সিবীচ কিন্তু ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের সিবীচ হয়ে যাবে। এটা হতে দেয়া যাবেনা না।

সৈয়দা রেজওয়ানা হাসান সোনাদিয়া দ্বীপ নিয়ে বলেন, এই দ্বীপ নিয়ে আগে কথা বলেছি এখন কাজ করছি। বিগত সরকার সোনাদিয়া দ্বীপকে পরিবেশ ও প্রতিবেশগত সংকটকে অস্বীকার করে বেজাকে দিয়ে দিয়েছিলো, এখন বেজা বলছে তাদের দরকার নাই। তাই ভূমি মন্ত্রণালয় আর দুই এক দিনের মধ্যে বনকে দিয়ে দেয়া হবে।
এই সরকারের সীমিত সময়ের মধ্যে কক্সবাজার নিয়ে এসমস্ত কাজ গুলোকে প্রাধান্য দেয়া হচ্ছে বলেও জানান।

কক্সবাজারের প্রধান নদী বাঁকখালী। বাঁকখালী নদীর দুই পাশের প্রায় ১৮ কিলোমিটার এলাকাজুড়ে শত শত স্থাপনা করেছে অবৈধ দখলদাররা। স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয় নদীর জমিতে নির্মাণ করেছে খুরুশকুল কস্তুরাঘাট ব্রীজ। নদীর পাড়ে গড়ে উঠেছে পেশকার পাড়া নামে বিশাল পাড়া।

নতুন করে নদী ভরাট করে তৈরি করা হচ্ছে কস্তুরাঘাট পয়েন্টে নতুন নতুন স্থাপনা। ৬ নম্বর ঘাট থেকে উত্তর নুনিয়াছড়া পর্যন্ত প্রায় ২৮টি অবৈধ জেটি রয়েছে বর্তমানে। সবকটিই অনুমোদনহীন। নদী থেকে বালু তুলে রাখার পাশাপাশি সিলেট থেকে পাথর ও বালু এনে বিক্রির জন্য মোট ৫টি সেল সেন্টার করা হয়েছে অবৈধভাবে। কয়েকটি তেলের বার্জও রয়েছে। এছাড়া রয়েছে বরফকল, কোল্ড স্টোরেজ, ফিশিং অফিস, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ, ডকইয়ার্ড, মাছের আড়ত, শুঁটকির আড়তসহ শত শত বসতঘর।

২০২০ সালে বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ-পরিবহন কর্তৃপক্ষ (বিআইডাব্লিউটিএ) কর্তৃক প্রকাশিত তালিকায় নদী দখলদার হিসেবে জনপ্রতিনিধি, রাজনৈতিক ব্যক্তিবর্গ, ব্যবসায়ী, ১৩১ ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানকে চিহ্নিত করা হয়। প্রায় ৬৯ কিলোমিটার দীর্ঘ বাঁকখালী নদীর একসময় প্রশস্ততা ছিল ৯৬ থেকে ১২০ মিটার পযন্ত। কিন্তু দখলের কারণে প্রশস্ততা কমে কক্সবাজার শহরের কোথাও ৫০ মিটার, কোথাও ৬০-৭০ মিটার হয়ে গেছে।