Dhaka , Monday, 9 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
নোয়াখালীতে অবসরপ্রাপ্ত ১৪ শিক্ষককে বিদায় সংবর্ধনা নোয়াখালীতে খাল পড়ে ছিল অজ্ঞাত যুবকের বস্তাবন্দী গলাকাটা লাশ ড্রপ টেস্ট করে বিএনপি ও অঙ্গ সংগঠনের নেতৃত্বে আসতে হবে-  এমপি জামাল ঝালকাঠিতে আগুনে পুড়ে যাওয়া ব্যবসায়ীদের পাশে এমপি ইলেন ভুট্টো পীরগঞ্জে ঢাকাইয়াপট্টি মার্কেটে কাপড় ও কসমেটিকস দাম নিয়ে চলছে অনিয়ম পার্বত্য অঞ্চলের উন্নয়নে সমন্বয় ও স্বচ্ছতা নিশ্চিত করতে হবে:- পার্বত্য চট্টগ্রাম বিষয়ক মন্ত্রী দীপেন দেওয়ান পাইকগাছা পৌরসভার উদ্যোগে দুস্থ পরিবারকে আর্থিক সহায়তা প্রদান পাইকগাছা পৌর এলাকার ড্রেন পরিষ্কার ও মশক নিধন অভিযান জোরদার ঈদ সামনে রেখে রাজধানীর বিপণীবিতানগুলোতে উপচে পড়া ভিড় গ্যাস সিলিন্ডারবাহী ট্রাকে পুলিশের হানা: লালমনিরহাটে গাঁজাসহ আটক ২ শেরপুরে ১০ কেজি গাঁজা সহ পিক আপ আটক ঝালকাঠিতে হাদির পরিবারের সংবাদ সম্মেলন: শুধু শুটার নয়, পুরো চক্রের বিচার দাবি কোম্পানীগঞ্জে শিক্ষক দম্পতির বাড়িতে দুর্ধর্ষ ডাকাতি, নগদ টাকাসহ ৯ ভরি স্বর্ণালঙ্কার লুট  চাটখিলে কিশোর অটোচালক হত্যা: র‍্যাবের জালে ৩ ঘাতক দুই যুগের সন্ত্রাসী অভয়ারণ্যে ঢুকেছে যৌথ বাহিনী, আলীনগর কেন্দ্র করে অপরাধ সাম্রাজ্যের বিরুদ্ধে কঠোর অভিযান কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট সীমান্তে ১৫ বিজিবি’র সাফল্য: মাদকসহ আটক ১, বিপুল ইয়াবা জব্দ আড়াইহাজারে পরিত্যক্ত ব্যাগ থেকে ২টি পাইপগান উদ্ধার পাইকগাছায় আদর্শ লাইব্রেরি ও আদর্শ ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে দোয়া ও ইফতার মাহফিল নারায়ণগঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী দিবসে মানববন্ধন ত্বকী হত্যার বিচার দাবিতে নারায়ণগঞ্জে মোমবাতি প্রজ্বলন শ্রীপুরে মাদকসহ পৃথক তিন মামলায় গ্রেফতার ৩ লালমনিরহাটে বিরল বন্যপ্রাণী উদ্ধার: ডিবির জালে ৩টি তক্ষক লালমনিরহাটে নাটকীয় মোড়: জামিন পেয়ে আদালত চত্বর ছাড়ার আগেই ডিবির জালে ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী লক্ষ্মীপুরে ঈদের বাজার করতে এসে দেওয়াল ধ্বসে যুবকের মৃত্যু মধুপুরে এক সেবনকারীকে ১ বছরের কারাদণ্ড মধুপুরে চাঞ্চল্যকর অটো চুরির মামলার রহস্য উদঘাটন চোর গ্রেফতার পাইকগাছায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত সাংবাদিকদের সম্মানে ছাত্রশিবিরের ইফতার ও মতবিনিময় সভা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কাজ বন্ধে ড্রেনেজ আটকে রূপগঞ্জের স্কুলে ময়লা পানির সয়লাব, মানববন্ধন জলাবদ্ধতা কমাতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে:- মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

মেহেরপুরে গম ক্ষেতের পরিচর্যায় কৃষক 

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 04:57:51 pm, Tuesday, 11 February 2025
  • 142 বার পড়া হয়েছে

মেহেরপুরে গম ক্ষেতের পরিচর্যায় কৃষক 

স্টাফ রিপোর্টার, মেহেরপুর
  
মেহেরপুরের বিভিন্ন এলাকার মাঠে মাঠে এখন নজরে পড়ছে গম ক্ষেতে সেচ, সার আর ছত্রাকনাশক ও কীটনাশক দেওয়ার দৃশ্য। যদিও আগাম গম বপন করেছেন এমন কৃষকরা ইতিমধ্যেই সার ও সেচের কাজ কাজ সম্পন্ন করেছেন। গত দু’বছরে গম চাষে রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হওয়ায় বৃদ্ধি পেয়েছে গম চাষ। যদিও ইতিপূর্বে গম চাষে কৃষকদের গুনতে হয়েছে লোকসান। তবে লাভ-লোকসান যেটাই হোক না কেনো বাপ-দাদার পেশা ধরে রেখে অনেকেই গম চাষ অব্যাহত রেখেছেন। চাষীদের লাভ-লোকসান দেখলে হয়না, আবাদ করতেই হয় বলে জানান, গাংনী উপজেলার হিন্দা গ্রামের কৃষক হাসান বশীর।
তবে সার সংকটের কারণে পর্যাপ্ত পরিমাণে গম ক্ষেতে সারের ব্যবস্থা না করতে পারায় ফলন বিপর্যয়ের শঙ্কাতেও রয়েছে বলে জানান, করমদী গ্রামের বাবর আলী ও নাসিরুদ্দিনসহ কয়েকজন কৃষক।
করমদী গ্রামের অপর একজন কৃষক শফিকুল ইসলাম জানান, লাভজনক হওয়ায় ও কৃষি বিভাগের উদাসীনতায় এলাকায় চামাক চাষের প্রবণতা বেশি। তবুও খাদ্যের চাহিদা পূরণে গম চাষ করছেন। বিঘা প্রতি জমিতে ১২-১৮ মণ ফলন হয়ে থাকে।  
গোপালনগর গ্রামের রেন্টু জানান, ১০ বিঘা জমিতে গম চাষ করেছি। রোগবালাই দমনে আগেভাগেই ছত্রাকনাশক স্প্রের কাজ করা হচ্ছে। 
শওড়াবাড়ী গ্রামের জামাত আলী জানান, ৪ বিঘা জমিতে গম চাষ হয়েছে। রোগবালাই না থাকায় ফলন ভালো হবে বলে আশা করছেন। 
সহড়াতলা গ্রামের আজাদ মাষ্টার জানান, রোগবালাই তেমন একটা না থাকলেও কিছু গম লালচে আকার ধারণ করেছে।
মাইলমারী গ্রামের চঞ্চল জানান, কৃষি বিভাগ থেকে ২০ কেজি বীজ এবং আরও ১৫ কেজি ক্রয় করে বপন করেছেন। ইতিমধ্যেই ২ টা সেচ সম্পন্ন হয়েছে। শেষ অবধি দেড় বিঘা জমিতে ১২ হাজার টাকা খরচ হতে পারে। 
একই গ্রামের জাহাঙ্গীর ও খোকন জানান, গমের আবাদ খুব ভালো হয়েছে। শুরুতে সার সংকটের কারণে পর্যাপ্ত পরিমাণে দেওয়া হয়নি তারপরও ভালো ফলনের আশা।
সদর উপজেলার শ্যামপুর কলোনিপাড়ার আব্দুল করিম জানান, গত কয়েকবছরে হালচাষ, সেচ, সার, কীটনাশকসহ মজুরের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকরা আশানুরূপ লাভবান না হলেও দাম ভালো হওয়ায় লেগে রয়েছেন গম চাষে। তবে সার সংকটে শুধু গমই নয় অন্যান্য ফসলের ফলন নিয়েও হতাশায় নিমজ্জিত। 
গত কয়েকদিনে জেলার এমন আরও কয়েকটি গ্রামের কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কার্তিক মাসের শেষ ও অগ্রহায়ণ মাসে গম বপন করে চৈত্র মাসে কাটা মাড়াই করতে হয়। গম চাষ লাভজনক এবং ৪ মাস পরেই তা কাটামাড়াই করে ভালো দাম পাওয়া যায়। 
   
মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলার সদর, গাংনী ও মুজিবনগর উপজেলায় গম চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ হাজার ৩০ হেক্টর জমিতে। আবহাওয়া অনূকূলে থাকায় কৃষকেরা তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলন ও মূল্য পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নোয়াখালীতে অবসরপ্রাপ্ত ১৪ শিক্ষককে বিদায় সংবর্ধনা

মেহেরপুরে গম ক্ষেতের পরিচর্যায় কৃষক 

আপডেট সময় : 04:57:51 pm, Tuesday, 11 February 2025
স্টাফ রিপোর্টার, মেহেরপুর
  
মেহেরপুরের বিভিন্ন এলাকার মাঠে মাঠে এখন নজরে পড়ছে গম ক্ষেতে সেচ, সার আর ছত্রাকনাশক ও কীটনাশক দেওয়ার দৃশ্য। যদিও আগাম গম বপন করেছেন এমন কৃষকরা ইতিমধ্যেই সার ও সেচের কাজ কাজ সম্পন্ন করেছেন। গত দু’বছরে গম চাষে রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হওয়ায় বৃদ্ধি পেয়েছে গম চাষ। যদিও ইতিপূর্বে গম চাষে কৃষকদের গুনতে হয়েছে লোকসান। তবে লাভ-লোকসান যেটাই হোক না কেনো বাপ-দাদার পেশা ধরে রেখে অনেকেই গম চাষ অব্যাহত রেখেছেন। চাষীদের লাভ-লোকসান দেখলে হয়না, আবাদ করতেই হয় বলে জানান, গাংনী উপজেলার হিন্দা গ্রামের কৃষক হাসান বশীর।
তবে সার সংকটের কারণে পর্যাপ্ত পরিমাণে গম ক্ষেতে সারের ব্যবস্থা না করতে পারায় ফলন বিপর্যয়ের শঙ্কাতেও রয়েছে বলে জানান, করমদী গ্রামের বাবর আলী ও নাসিরুদ্দিনসহ কয়েকজন কৃষক।
করমদী গ্রামের অপর একজন কৃষক শফিকুল ইসলাম জানান, লাভজনক হওয়ায় ও কৃষি বিভাগের উদাসীনতায় এলাকায় চামাক চাষের প্রবণতা বেশি। তবুও খাদ্যের চাহিদা পূরণে গম চাষ করছেন। বিঘা প্রতি জমিতে ১২-১৮ মণ ফলন হয়ে থাকে।  
গোপালনগর গ্রামের রেন্টু জানান, ১০ বিঘা জমিতে গম চাষ করেছি। রোগবালাই দমনে আগেভাগেই ছত্রাকনাশক স্প্রের কাজ করা হচ্ছে। 
শওড়াবাড়ী গ্রামের জামাত আলী জানান, ৪ বিঘা জমিতে গম চাষ হয়েছে। রোগবালাই না থাকায় ফলন ভালো হবে বলে আশা করছেন। 
সহড়াতলা গ্রামের আজাদ মাষ্টার জানান, রোগবালাই তেমন একটা না থাকলেও কিছু গম লালচে আকার ধারণ করেছে।
মাইলমারী গ্রামের চঞ্চল জানান, কৃষি বিভাগ থেকে ২০ কেজি বীজ এবং আরও ১৫ কেজি ক্রয় করে বপন করেছেন। ইতিমধ্যেই ২ টা সেচ সম্পন্ন হয়েছে। শেষ অবধি দেড় বিঘা জমিতে ১২ হাজার টাকা খরচ হতে পারে। 
একই গ্রামের জাহাঙ্গীর ও খোকন জানান, গমের আবাদ খুব ভালো হয়েছে। শুরুতে সার সংকটের কারণে পর্যাপ্ত পরিমাণে দেওয়া হয়নি তারপরও ভালো ফলনের আশা।
সদর উপজেলার শ্যামপুর কলোনিপাড়ার আব্দুল করিম জানান, গত কয়েকবছরে হালচাষ, সেচ, সার, কীটনাশকসহ মজুরের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকরা আশানুরূপ লাভবান না হলেও দাম ভালো হওয়ায় লেগে রয়েছেন গম চাষে। তবে সার সংকটে শুধু গমই নয় অন্যান্য ফসলের ফলন নিয়েও হতাশায় নিমজ্জিত। 
গত কয়েকদিনে জেলার এমন আরও কয়েকটি গ্রামের কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কার্তিক মাসের শেষ ও অগ্রহায়ণ মাসে গম বপন করে চৈত্র মাসে কাটা মাড়াই করতে হয়। গম চাষ লাভজনক এবং ৪ মাস পরেই তা কাটামাড়াই করে ভালো দাম পাওয়া যায়। 
   
মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলার সদর, গাংনী ও মুজিবনগর উপজেলায় গম চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ হাজার ৩০ হেক্টর জমিতে। আবহাওয়া অনূকূলে থাকায় কৃষকেরা তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলন ও মূল্য পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।