Dhaka , Monday, 16 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ‘বিভ্রান্তিকর’ দাবি অভিনের নোয়াখালীতে ২০০জন হাফেজকে সংবর্ধনা দেন ইসলামী ছাত্রশিবির   মধুপুরে শহিদ ওসমান হাদি স্মরণে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। মধুপুরে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস-২০২৬ উদযাপন রায়পুরে বাস কাউন্টার ও সিএনজিতে বিশেষ অভিযান: ৪০০০ টাকা জরিমানা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে জয়পুরহাট জেলা স্টুডেন্ট’স এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন, ইফতার মাহফিল ও মাহমুদ স্মৃতি অলিম্পিয়াডের পুরস্কার বিতরণ পাইকারি ও খুচরা বাজারের মূল্য তারতম্য অনুসন্ধানে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি করা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী চসিকের পরিচ্ছন্ন কর্মীদের জন্য ১ কোটি ৬৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী নাগেশ্বরী সীমান্তে বিজিবির তৎপরতা: পাচারকারীর ফেলে যাওয়া ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার সিআইডি সদস্যদের জন্য আধুনিক ডিউটি ভেস্ট, যুক্ত হলো কিউআর কোড যাচাইকরণ রূপগঞ্জে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তিন পুলিশ প্রত্যাহার ॥ আবারো বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার মাদক সিন্ডিকেট, টিকিটবিহীন যাত্রী আর পুলিশের নীরবতা—কিশোরগঞ্জ স্টেশনের ভয়াবহ চিত্র কালিয়াকৈরে ঈদ উপলক্ষে বিনামূল্যে ডি.জি.এফ চাল বিতরণ, তালিকা সংশোধন নিয়ে নানা প্রশ্ন নারায়ণগঞ্জে শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে জেলা প্রশাসনের সাথে বৈঠক মধুপুরে পূর্বশত্রুতার জের ধরে মারপিট-ভাঙচুর, আহত ১ জ্বালানি রেশনিং তুলে নিল সরকার, স্বাভাবিক বিক্রি শুরু নরসিংদী ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত ‎লক্ষ্মীপুরে পানির অভাবে ফেটে চৌচির বোরো ধানের খেত উন্নয়ন ও জনসেবায় সরব ত্রাণমন্ত্রী: বড়বাড়িতে সড়ক উদ্বোধন ও কুড়িগ্রামে বিশ্বের সর্ববৃহৎ কড়াইয়ের সূচনা এপেক্স ক্লাব অব রামুর উদ্যােগে এতিমদের নিয়ে ইফতার মাহফিল সম্পন্ন নগরীর বিভিন্ন মার্কেটে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন সিএমপি কমিশনার বোয়ালখালী’র আহলা করলডেঙ্গা ও আমুছিয়া ইউনিয়নের হকখালী খালের পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স ফোরাম (সিআরএফ)’র দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত শনিবারের অঙ্গীকার, বাসা-বাড়ি রাখি পরিষ্কার” স্লোগানে চসিকের পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান উদ্বোধন মধুপুরে বাংলাদেশ প্রাইভেট ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক ও ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল হরিপুরে অনলাইন প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল পাইকগাছায় তেল মজুদ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, মোবাইল কোর্টে জরিমানা রূপগঞ্জে দোয়া ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন ঝালকাঠিতে নৌ কর্মকর্তা’র প্রাইভেটকার খাদে পড়ে দেড় বছরের শিশু নিহত

কক্সবাজারে মিত্যা মামলার শিকার সাংবাদিক পরিবার, মামলার আসামি হলেন ৭৬ বছর বয়সী বৃদ্ধ

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 11:45:44 am, Wednesday, 29 January 2025
  • 97 বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারে মিত্যা মামলার শিকার সাংবাদিক পরিবার, মামলার আসামি হলেন ৭৬ বছর বয়সী বৃদ্ধ

শওকত আলম, কক্সবাজার

৭৬ বছর বয়সী হারুন তাহের গত ১৯ জানুয়ারি দুপুরে মসজিদ থেকে নামাজ শেষ করে বেরিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। দৌড়াতে দৌড়াতে এক যুবক সামনে। এসে জানালেন- আপনার বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। শুনে আকাশ ভেঙে পড়ার মতো হলেও নিয়তি হিসেবে মেনে নিলেন নীরবে। তিনি জানালেন-বয়সে লবন মাঠ দখল করার মতো জঘন্য কাজ করবো কী করে?

তাছাড়া যে ঘটনার মামলায় আমাকে আসামি করা হয়েছে সে ঘটনার সময় আমি ঘটনাস্থল থেকে আনুমানিক ১২ কিলোমিটার দূরে কালারমারছড়ার মাইজ পাড়া জামে মসজিদের আঙিনায় অবস্থান করছিলাম, যা আমার কল লিস্ট লোকেশন পর্যালোচনা করলে সত্যতা পাওয়া যাবে।

গত ১৮ নভেম্বর একই ঘটনায় কক্সবাজারের পেকুয়া মৌজার লম্বা ঘোনা উজান-টিয়া করিদিয়ায় লবণমাঠে সংগঠিত একই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুটি মামলায় আসামি করা হয় মহেশখালী কালারমার ছড়া ইউনিয়নের ইউনুছখালীর একই পরিবারের দুইজন ব্যবসায়ীককে। একজন ৭৬ বছর বয়সী অসুস্থ বৃদ্ধ ও অন্যজন তার পুত্র ব্যবসায়িক মোস্তাফা কামাল। গত ১৯ জানুয়ারি কক্সবাজারের শেকুয়া খানায় রুজু হওয়া ওয়াজ উদ্দীন মাহমুদ নামে এক বাদীর একটি মামলায় ভাদের আসামি করা হয়। যার মামলা নম্বর-১০।

হারুন তাহেরের বড় ছেলে এবং উপজেলা শ্রমিকদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ফ্যাসিস্ট হাসিনার শাসনামলে নানারকম মামলা হামল্য ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন ব্যবসায়ী মোস্তাফা কামাল। তার ব্যক্তিগত ব্যবহারের মুঠোফোনের কল লিস্ট ও লোকেশন পর্যালোচনা করে দেখা যায় ঘটনার সময় তাঁরও অবস্থান ছিল কালারমার ছড়ার ইউনুছখালী বাজারস্থ মোস্তফা কামালের ব্যবসায়ীক কার্যালয়ে।

একই ঘটনায় পরদিন ২০ জানুয়ারি আরও একটি মামলা দায়ের করেন জসীম উদ্দীন সরকার নামে আরেক ব্যক্তি। যার মামলা নম্বর-১১। ওই মামলায়ও তাদের আসামি করা হয়। ভিন্ন তারিখে দুইটি মামলা হলেও ঘটনার সময় দেড় ঘন্টার ব্যবধান যেটি একই এলাকা বলে উল্লেখ করা হয়। প্রথম মামলায় ঘটনার সময় হিসেবে উল্লেখ করা ৮ জানুয়ারি দুপুর ২ টা আর ২য় মামলা ১৮ জানুয়ারি দুপুর সাড়ে ৩টা। মামলায় পিতা ও পুত্রকে আসামি করার বিষয়টি পূর্ব শত্রুতা ও পরিকল্পিত ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক হয়রানি বলে মনে করছেন। পরিবার। ইতোমধ্যে এর সুষ্ঠু তদন্ত চেয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে জেলা পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসক, ডিআইজি ও আইজিপি বরাবর লিখিত আবেদন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

মিথ্যা ভাবে মামলার আসামি নির্যাতিত বিএনপি নেতা মোস্তাফা কামাল জানান-মহেশখালীর আবুল হোসেন নামে এক ব্যক্তি হতে আমি ব্যবসা সূত্রে ২ লাখ টাকা পাওনা আছি, আমাকে একটি ব‍্যাংক চেকও দেন তিনি। কিন্তু ব্যাংকের একাউন্টে কোনো টাকা ছিলো না এবং সরাসরিও আমার পাওনা টাকা পরিশোধ করেননি, এ নিয়ে আমি আবুল হোসেনের কাছে উকিল নোটিশ পাঠাই এরপর থেকে তিনি আমি ও আমার পরিবারের উপর ক্ষেপে আছেন। পাওনা টাকা। চাইলে তিনি আমাকে বিভিন্ন হামলা ও মামলার হুমকি দিয়ে আসছিলেন। আর পেকুয়া থানায় দায়ের হওয়া মামলার বাদীদের সাথে মহেশখালীর এই আবুল হোসেনের আত্মীয়তা রয়েছে, ফলে প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে আবুল হোসেন জসীম উদ্দীন ও ওয়াজ উদ্দীনকে দিয়ে তিনি ও তার পিতাকে মিথ্যে মামলায় জড়িয়ে দিয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ-পুলিশ রাজনৈতিক প্রভাবের কাছে নতিস্বীকার করে বা কোন ইন্ধন বা চাপের কারণে এ ধরনের মামলায় নিরীহ ব্যক্তিদের আসামি করা খুবই দুঃখজনক। এই ঘটনা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মামলায় আসামি হওয়া নিরীহ ব্যক্তিদের অব্যহতি দেওয়ার দাবি জানান তারা। মামলার বিষয়ে বাদি ওয়াজেদ উদ্দিন জানান, আমি জমির মালিক, আমরা আমাদের প্রজেক্ট চাষ করতে চাইলে আমাদের উপর হামলা করা হয়েছে। হামলার ঘটনায় আমর মামলা করেছি। তবে তিনি হারুন তাহের ও মোস্তাফা কামাল নামে এই দুই ব্যক্তিকে চিনে না বলেও জানান। কিভাবে তাদের নাম মামলায় আসলো সে বিষয়ে মামলার এই বাদি কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি। তবে আরেকটি মামলার বাদী জসিম উদ্দিন সরকারকে ফোন দিলে সাংবাদিকের পরিচয় জেনে কল কেটে দেন। এ বিষয়ে পেকুয়া থানার ওসি সিরাজুল মোস্তাফা জানান, আসলে মামলার এজাহার আসার পর কে অপরাধী বা কে নিরপরাধ তা দেখার সময় থাকে না, দ্রুত মামলা না নিলেও আমরা বিতর্কিত হয়ে পড়ি। যদি নিরাপরাধ ব্যক্তির ভুল নাম চলে আসে তা তদন্ত সাপেক্ষে

বাদ দেওয়া হবে। মামলার চূড়ান্ত তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাওকে হয়রানী বা গ্রেফতার করা হবে না বলেও জানান তিনি। বাংলাদেশ মানবাধিকার ফোরামের কক্সবাজার জেলা সভাপতি ও সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী সেজান এহেসান জানান, এভাবে নির্দোষ ব্যক্তিদের মামলায় আনা মানে সেই মামলাটি হাল্কা হয়ে যাওয়া। পুলিশের তদন্তকারী কর্মকর্তা সে বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করে নিরপরাধ ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে দ্রুত আদালতে চার্জশিট প্ররণ করা উচিত।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার রহমত উল্লাহ জানান, জেলায় দায়িত্বে যতদিন আছি আমার শতভাগ প্রচেষ্টা থাকবে কোন মামলায় নিরপরাধ কাওকে অযথা হয়রানি করা হবে না। তিনি ইতোমধ্যে বিষয়টি জানার পরে সংশ্লিষ্ট থানায় এ নিয়ে গুরুত্বের সাথে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে বলে জানান।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ‘বিভ্রান্তিকর’ দাবি অভিনের

কক্সবাজারে মিত্যা মামলার শিকার সাংবাদিক পরিবার, মামলার আসামি হলেন ৭৬ বছর বয়সী বৃদ্ধ

আপডেট সময় : 11:45:44 am, Wednesday, 29 January 2025

শওকত আলম, কক্সবাজার

৭৬ বছর বয়সী হারুন তাহের গত ১৯ জানুয়ারি দুপুরে মসজিদ থেকে নামাজ শেষ করে বেরিয়ে বাড়ি ফিরছিলেন। দৌড়াতে দৌড়াতে এক যুবক সামনে। এসে জানালেন- আপনার বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। শুনে আকাশ ভেঙে পড়ার মতো হলেও নিয়তি হিসেবে মেনে নিলেন নীরবে। তিনি জানালেন-বয়সে লবন মাঠ দখল করার মতো জঘন্য কাজ করবো কী করে?

তাছাড়া যে ঘটনার মামলায় আমাকে আসামি করা হয়েছে সে ঘটনার সময় আমি ঘটনাস্থল থেকে আনুমানিক ১২ কিলোমিটার দূরে কালারমারছড়ার মাইজ পাড়া জামে মসজিদের আঙিনায় অবস্থান করছিলাম, যা আমার কল লিস্ট লোকেশন পর্যালোচনা করলে সত্যতা পাওয়া যাবে।

গত ১৮ নভেম্বর একই ঘটনায় কক্সবাজারের পেকুয়া মৌজার লম্বা ঘোনা উজান-টিয়া করিদিয়ায় লবণমাঠে সংগঠিত একই ঘটনাকে কেন্দ্র করে দুটি মামলায় আসামি করা হয় মহেশখালী কালারমার ছড়া ইউনিয়নের ইউনুছখালীর একই পরিবারের দুইজন ব্যবসায়ীককে। একজন ৭৬ বছর বয়সী অসুস্থ বৃদ্ধ ও অন্যজন তার পুত্র ব্যবসায়িক মোস্তাফা কামাল। গত ১৯ জানুয়ারি কক্সবাজারের শেকুয়া খানায় রুজু হওয়া ওয়াজ উদ্দীন মাহমুদ নামে এক বাদীর একটি মামলায় ভাদের আসামি করা হয়। যার মামলা নম্বর-১০।

হারুন তাহেরের বড় ছেলে এবং উপজেলা শ্রমিকদলের সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ফ্যাসিস্ট হাসিনার শাসনামলে নানারকম মামলা হামল্য ও নির্যাতনের শিকার হয়েছিলেন ব্যবসায়ী মোস্তাফা কামাল। তার ব্যক্তিগত ব্যবহারের মুঠোফোনের কল লিস্ট ও লোকেশন পর্যালোচনা করে দেখা যায় ঘটনার সময় তাঁরও অবস্থান ছিল কালারমার ছড়ার ইউনুছখালী বাজারস্থ মোস্তফা কামালের ব্যবসায়ীক কার্যালয়ে।

একই ঘটনায় পরদিন ২০ জানুয়ারি আরও একটি মামলা দায়ের করেন জসীম উদ্দীন সরকার নামে আরেক ব্যক্তি। যার মামলা নম্বর-১১। ওই মামলায়ও তাদের আসামি করা হয়। ভিন্ন তারিখে দুইটি মামলা হলেও ঘটনার সময় দেড় ঘন্টার ব্যবধান যেটি একই এলাকা বলে উল্লেখ করা হয়। প্রথম মামলায় ঘটনার সময় হিসেবে উল্লেখ করা ৮ জানুয়ারি দুপুর ২ টা আর ২য় মামলা ১৮ জানুয়ারি দুপুর সাড়ে ৩টা। মামলায় পিতা ও পুত্রকে আসামি করার বিষয়টি পূর্ব শত্রুতা ও পরিকল্পিত ব্যবসায়িক ও রাজনৈতিক হয়রানি বলে মনে করছেন। পরিবার। ইতোমধ্যে এর সুষ্ঠু তদন্ত চেয়ে ভুক্তভোগী পরিবারের পক্ষ থেকে জেলা পুলিশ সুপার, জেলা প্রশাসক, ডিআইজি ও আইজিপি বরাবর লিখিত আবেদন করা হয়েছে বলে জানা গেছে।

মিথ্যা ভাবে মামলার আসামি নির্যাতিত বিএনপি নেতা মোস্তাফা কামাল জানান-মহেশখালীর আবুল হোসেন নামে এক ব্যক্তি হতে আমি ব্যবসা সূত্রে ২ লাখ টাকা পাওনা আছি, আমাকে একটি ব‍্যাংক চেকও দেন তিনি। কিন্তু ব্যাংকের একাউন্টে কোনো টাকা ছিলো না এবং সরাসরিও আমার পাওনা টাকা পরিশোধ করেননি, এ নিয়ে আমি আবুল হোসেনের কাছে উকিল নোটিশ পাঠাই এরপর থেকে তিনি আমি ও আমার পরিবারের উপর ক্ষেপে আছেন। পাওনা টাকা। চাইলে তিনি আমাকে বিভিন্ন হামলা ও মামলার হুমকি দিয়ে আসছিলেন। আর পেকুয়া থানায় দায়ের হওয়া মামলার বাদীদের সাথে মহেশখালীর এই আবুল হোসেনের আত্মীয়তা রয়েছে, ফলে প্রতিশোধ পরায়ন হয়ে আবুল হোসেন জসীম উদ্দীন ও ওয়াজ উদ্দীনকে দিয়ে তিনি ও তার পিতাকে মিথ্যে মামলায় জড়িয়ে দিয়েছেন। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ-পুলিশ রাজনৈতিক প্রভাবের কাছে নতিস্বীকার করে বা কোন ইন্ধন বা চাপের কারণে এ ধরনের মামলায় নিরীহ ব্যক্তিদের আসামি করা খুবই দুঃখজনক। এই ঘটনা সুষ্ঠু তদন্তের মাধ্যমে মামলায় আসামি হওয়া নিরীহ ব্যক্তিদের অব্যহতি দেওয়ার দাবি জানান তারা। মামলার বিষয়ে বাদি ওয়াজেদ উদ্দিন জানান, আমি জমির মালিক, আমরা আমাদের প্রজেক্ট চাষ করতে চাইলে আমাদের উপর হামলা করা হয়েছে। হামলার ঘটনায় আমর মামলা করেছি। তবে তিনি হারুন তাহের ও মোস্তাফা কামাল নামে এই দুই ব্যক্তিকে চিনে না বলেও জানান। কিভাবে তাদের নাম মামলায় আসলো সে বিষয়ে মামলার এই বাদি কোনো সদুত্তর দিতে পারেনি। তবে আরেকটি মামলার বাদী জসিম উদ্দিন সরকারকে ফোন দিলে সাংবাদিকের পরিচয় জেনে কল কেটে দেন। এ বিষয়ে পেকুয়া থানার ওসি সিরাজুল মোস্তাফা জানান, আসলে মামলার এজাহার আসার পর কে অপরাধী বা কে নিরপরাধ তা দেখার সময় থাকে না, দ্রুত মামলা না নিলেও আমরা বিতর্কিত হয়ে পড়ি। যদি নিরাপরাধ ব্যক্তির ভুল নাম চলে আসে তা তদন্ত সাপেক্ষে

বাদ দেওয়া হবে। মামলার চূড়ান্ত তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত কাওকে হয়রানী বা গ্রেফতার করা হবে না বলেও জানান তিনি। বাংলাদেশ মানবাধিকার ফোরামের কক্সবাজার জেলা সভাপতি ও সুপ্রীম কোর্টের আইনজীবী সেজান এহেসান জানান, এভাবে নির্দোষ ব্যক্তিদের মামলায় আনা মানে সেই মামলাটি হাল্কা হয়ে যাওয়া। পুলিশের তদন্তকারী কর্মকর্তা সে বিষয়ে সুষ্ঠু তদন্ত করে নিরপরাধ ব্যক্তিদের বাদ দিয়ে দ্রুত আদালতে চার্জশিট প্ররণ করা উচিত।

কক্সবাজারের পুলিশ সুপার রহমত উল্লাহ জানান, জেলায় দায়িত্বে যতদিন আছি আমার শতভাগ প্রচেষ্টা থাকবে কোন মামলায় নিরপরাধ কাওকে অযথা হয়রানি করা হবে না। তিনি ইতোমধ্যে বিষয়টি জানার পরে সংশ্লিষ্ট থানায় এ নিয়ে গুরুত্বের সাথে ব্যবস্থা নিতে বলা হয়েছে বলে জানান।