Dhaka , Monday, 24 August 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
রূপগঞ্জে সেলাই মেশিন ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করলেন এমপি মোস্তাফিজুর রহমান বিয়া দিপু রূপগঞ্জে মহাসড়কের পাশে ময়লা-আবর্জনা ফেলা বন্ধ ও ময়লার ভাগার অপসারণের দাবিতে সড়ক অবরোধ ও বিক্ষোভ কাউখালীতে পল্লী সঞ্চয় ব্যাংকের উদ্যোগে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ মীরগঞ্জে অবৈধ সার মজুত, খুচরা ব্যবসায়ীকে ১০ হাজার টাকা জরিমানা কুড়িগ্রামে আইন-শৃঙ্খলা বিষয়ক উঠান বৈঠক ও বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত পাহাড়ে ‘রেইনবো নেশন’ বাস্তবায়নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করার আহ্বান ভূমি ও পার্বত্য প্রতিমন্ত্রীর রূপগঞ্জে যুবতীকে সাতদিন আটকে রেখে গণধর্ষণ, গ্রেফতার ৩ বাগদান সারলেন অভিনেতা, কাকে মন দিলেন বড় সুখবর পেল বাংলাদেশ বিশ্ব ব্যাংকের বিকল্প নির্বাহী পরিচালক হিসেবে নিয়োগ পেয়েছেন লক্ষ্মীপুরের কৃতি সন্তান আব্দুর রহমান খাঁন পাইকগাছায় বিদ্যালয়ের শ্রেণিকক্ষে চলন্ত ফ্যান খুলে পড়ে ছাত্রী আহত শিপইয়ার্ডে ‘শূন্য প্রাণহানি’ নিশ্চিতের তাগিদ চট্টগ্রাম’র ডিসির সরকারের অনুমোদন ছাড়াই অবৈধভাবে চট্টগ্রামে রিফাইনারি নির্মাণ করছে সুপার পেট্রোকেমিক্যাল রাহুলের সভায় ১০ কোটি রুপি খরচের অভিযোগ বিজেপির মধুপুরে প্রিমিয়ার সিমেন্ট প্রীতি ফুটবল ম্যাচ অনুষ্ঠিত ড. মঈন খান মন্ত্রী হয়ে মানুষের ভালোবাসায় সিক্ত হলেন শ্রীপুরে চরমহেশপুর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের নতুন অ্যাডহক কমিটির সভাপতিকে বরণ ও পরিচিতি সভা অনুষ্ঠিত বিশ্বব্যাংকের ‘বিকল্প নির্বাহী পরিচালক’ আবদুর রহমান খান পবিত্র ওমরাহ পালন করলেন আসিফ মাহমুদ প্রধানমন্ত্রীর দেওয়া রূপরেখা ও নীতিমালা অনুযায়ী কাজ এগিয়ে নেব: ধর্ম প্রতিমন্ত্রী চবির আলাওল হলে শহিদ স্মৃতি ফুটবল টুর্নামেন্টের ফাইনাল ও পুরস্কার বিতরণ ঘাস কাটতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে কৃষকের মৃত্যু র‍্যাব-৯ এর অভিযানে সিলেটের বিশ্বনাথে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণের ঘটনায় একমাত্র আসামি ‘রবিউল ইসলাম’ গ্রেফতার কোম্পানীগঞ্জে যুবদল নেতাকে চেয়ারম্যান পদে দলীয় মনোনয়নের দাবিতে সমাবেশ মাদকমুক্ত সরাইল গড়ার প্রত্যয়ে রাজপথে সরাইল থানাপুলিশের মাদকবিরোধী র‍্যালি মাদকমুক্ত সমাজ গড়তে চট্টগ্রামে সুধী সমাবেশ ও র‍্যালি অনুষ্ঠিত শেখ হাসিনা ‘টেররিস্ট’, দেড় হাজার মানুষ হত্যার পর ভারতে পালিয়েছেন: পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী জাতীয় স্মৃতিসৌধে নবনির্বাচিত রাষ্ট্রপতির শ্রদ্ধা নিবেদন কারিনার অন্তঃসত্ত্বা হওয়ার গুঞ্জন, মুখ খুললেন সাইফের বোন এক দিনে ১৮ উইকেট পতনের কারণ জানালেন স্টার্ক

সুপারির রাজ্য লক্ষ্মীপুরে ফলন কম হলেও দামে সন্তুষ্ট  কৃষকরা।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 01:09:30 pm, Wednesday, 4 December 2024
  • 193 বার পড়া হয়েছে

সুপারির রাজ্য লক্ষ্মীপুরে ফলন কম হলেও দামে সন্তুষ্ট  কৃষকরা।।

মোঃ মাসুদ রানা মনি
লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি।।
লক্ষ্মীপুরের লক্ষী হলো এ জেলার সুপারি। তবে এ বছর সুপারীর ফলন কিছুটা কম হয়েছে, কিন্তু দাম বেশী হওয়ায় সন্তুষ্ট এ অঞ্চলের কৃষক। জানা গেছে এ বছর প্রায় ৭০০ কোটি টাকার সুপারী বিক্রি করা হয়েছে।
সুপারি লক্ষ্মীপুরের একটি অর্থকরী ফসল। জেলার প্রায় প্রতিটি বাড়িতে রয়েছে সুপারি গাছ। মৌসুমে সুপারি বিক্রি করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন জেলার অনেকে।
এছাড়া মৌসুমী এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন জেলার অনেক মানুষ। প্রায় সারাদেশেই চাহিদা রয়েছে লক্ষ্মীপুরের সুপারির। লক্ষ্মীপুরের মাটি এবং আবহাওয়া সুপারি চাষের জন্য উপযোগী। তাই প্রতিটি স্থানেই দেখা মেলে গাছটির। গেল বছর জেলাতে সুপারির বাম্পার ফলন হলেও চলতি মৌসুমে ফলন নেমে গেছে অর্ধেকে। ফলন কম হওয়ায় বাজারে দাম কিছুটা বেড়েছে। বিক্রেতা এবং ব্যবসায়ীদের কথা বলে জানা গেছে-গত বছরের এ সময়ে প্রতি পোন -৮০পিস- সুপারি বিক্রি হয়েছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা। চলতি বছর বিক্রি হচ্ছে ১৫০-১৭০ টাকা দামে।
সুপারির বাগান মালিকরা জানায়- সুপারী গাছ অল্প পরিমাণ জমিতে বেড়ে উঠে। রাস্তার পাশে- বাড়ির আঙ্গিনায়- ঝোপ-ঝাড়ে- ফসলি খেতের কাছে- পুকুর বা খাল পাড়সহ আনাচে-কানাচে লাগানো হয় গাছটি। জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি সুপারি বাগান রয়েছে রায়পুর উপজেলাতে। এছাড়া লক্ষ্মীপুরের দক্ষিণ অঞ্চলের তুলনায় উত্তর এবং পশ্চিম অঞ্চলে সুপারির আবাদ বেশি হচ্ছে।
জানা গেছে- লক্ষ্মীপুর উত্তর তেমুহনী- জকসিন-মান্দারী-বটতলী- হাজিরপড়া- চন্দ্রগঞ্জ- ভবানীগঞ্জ, রায়পুরের হায়দরগঞ্জ- বাসাবাড়ি- মোল্লারহাটসহ জেলা এবং উপজেলার সবগুলো বাজারেই বসে সুপারি ক্রয়-বিক্রয়ের হাট। এছাড়া প্রায় প্রত্যেক গ্রামগঞ্জের আনাচে-কানাচে এবং রাস্তার মোড়ে খুচরা ব্যবসায়ীরা গেরস্তো থেকে সুপারি ক্রয় করে বাজারগুলোতে এনে পাইকারী দামে বিক্রি করে।
লক্ষ্মীপুরে সুপারি গননা হয় পোন এবং ক্রাউনে। ৮০টি সুপারিতে এক পোন এবং ১৬ পোনকে এক ক্রাউন ধরা হয়।
লক্ষ্মীপুর উত্তর তেমুহনী সুপারীর হাটে গিয়ে দেখা যায়- আকার ভেদে পাকা প্রতি পোন সুপারি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৭৯ টাকা পর্যন্ত। আর কাঁচা সুপারির পোন বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। তবে প্রতি হাটে বাজার মূল্য উঠানামা করে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
আল আমিন নামে ব্যক্তি বলেন- ৫ পোন সুপারি বিক্রি করেছি ৮০০ টাকায়। এ টাকা দিয়ে বাজার সদাই করবো।
আবুল কালাম নামে এক বাগান মালিক বলেন- এবার গাছে সুপার খুবই কম। কিন্তু গত দুই বছর ভাল ফলন হয়েছে- কিন্তু দাম কম ছিল। এবার ফলন কম হওয়ায় দাম বেশি।
কয়েকজন সুপারি বাগান মালিক ও গেরস্তোর সঙ্গে কথা বলেন জানা গেছে- সুপারি লাভজনক ফসল হওয়ায় প্রত্যেকে পতিত জমিতে সুপারির চারা বা বীজ রোপণ করেন তারা। মৌসুমে ভালো মানের সুপারিগুলো বীজ হিসেবে সংরক্ষণ করে তা মাটিতে পুতে রাখেন। বর্ষা মৌসুমে খালি জমিতে বা বাড়ির আঙ্গিনায় চারা গাছ রোপন করেন। তেমন কোনো পরিচর্যা ছাড়াই প্রাকৃতিক পরিবেশে গাছ বড় হতে থাকে। ৫-৭ বছরের মধ্যেই গাছে ফল আসতে শুরু হয়। একবার ফল দেওয়া শুরু করলে প্রতিটি গাছ ২৫-৩০ বছর পর্যন্ত ফলন দিতে থাকে। তবে গাছের বয়স যত বেশি হবে, ফলনের পরিমাণ তত কমতে থাকবে। প্রাপ্ত বয়স্ক একটি গাছে মৌসুমে ৪-৫ পোন সুপারি ধরে।
তারা আরও জানান- দিন দিন সুপারির বাগানের পরিধি কমতে শুরু করেছে। বাগান উজাড় করে ঘর-বাড়ি নির্মাণের ফলে সুপারির উৎপাদন কমে যাচ্ছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক সোহেল মো. শামসুদ্দীন ফিরোজ বলেন- লক্ষ্মীপুরে এবার ৭ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে সুপারির আবাদ হয়েছে। উৎপাদন হয়েছে ৪০ হাজার মেট্রিক টন সুপারি। যার বাজারমূল্য ৭০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। এবার ফলন কম হলেও এবার সুপারির দাম বেশি। তাই চাষিদের পোষাচ্ছে। একেক বাগান মালিক মৌসুমে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকার সুপারি বিক্রি করতে পারে। এটা চাষিদের জন্য অর্থের বড় একটা সংস্থান।
সুপারীর ফলন বাড়াতে এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সুপারি বাগান মালিকদের ভাল মানের চারা রোপণ এবং দূরত্ব বজায় রেখে চারা লাগানোর পরামর্শ দেন এ কৃষি কর্মকর্তা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে সেলাই মেশিন ও শিক্ষা উপকরণ বিতরণ করলেন এমপি মোস্তাফিজুর রহমান বিয়া দিপু

সুপারির রাজ্য লক্ষ্মীপুরে ফলন কম হলেও দামে সন্তুষ্ট  কৃষকরা।।

আপডেট সময় : 01:09:30 pm, Wednesday, 4 December 2024
মোঃ মাসুদ রানা মনি
লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি।।
লক্ষ্মীপুরের লক্ষী হলো এ জেলার সুপারি। তবে এ বছর সুপারীর ফলন কিছুটা কম হয়েছে, কিন্তু দাম বেশী হওয়ায় সন্তুষ্ট এ অঞ্চলের কৃষক। জানা গেছে এ বছর প্রায় ৭০০ কোটি টাকার সুপারী বিক্রি করা হয়েছে।
সুপারি লক্ষ্মীপুরের একটি অর্থকরী ফসল। জেলার প্রায় প্রতিটি বাড়িতে রয়েছে সুপারি গাছ। মৌসুমে সুপারি বিক্রি করে অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হচ্ছেন জেলার অনেকে।
এছাড়া মৌসুমী এ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত রয়েছেন জেলার অনেক মানুষ। প্রায় সারাদেশেই চাহিদা রয়েছে লক্ষ্মীপুরের সুপারির। লক্ষ্মীপুরের মাটি এবং আবহাওয়া সুপারি চাষের জন্য উপযোগী। তাই প্রতিটি স্থানেই দেখা মেলে গাছটির। গেল বছর জেলাতে সুপারির বাম্পার ফলন হলেও চলতি মৌসুমে ফলন নেমে গেছে অর্ধেকে। ফলন কম হওয়ায় বাজারে দাম কিছুটা বেড়েছে। বিক্রেতা এবং ব্যবসায়ীদের কথা বলে জানা গেছে-গত বছরের এ সময়ে প্রতি পোন -৮০পিস- সুপারি বিক্রি হয়েছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা। চলতি বছর বিক্রি হচ্ছে ১৫০-১৭০ টাকা দামে।
সুপারির বাগান মালিকরা জানায়- সুপারী গাছ অল্প পরিমাণ জমিতে বেড়ে উঠে। রাস্তার পাশে- বাড়ির আঙ্গিনায়- ঝোপ-ঝাড়ে- ফসলি খেতের কাছে- পুকুর বা খাল পাড়সহ আনাচে-কানাচে লাগানো হয় গাছটি। জেলার মধ্যে সবচেয়ে বেশি সুপারি বাগান রয়েছে রায়পুর উপজেলাতে। এছাড়া লক্ষ্মীপুরের দক্ষিণ অঞ্চলের তুলনায় উত্তর এবং পশ্চিম অঞ্চলে সুপারির আবাদ বেশি হচ্ছে।
জানা গেছে- লক্ষ্মীপুর উত্তর তেমুহনী- জকসিন-মান্দারী-বটতলী- হাজিরপড়া- চন্দ্রগঞ্জ- ভবানীগঞ্জ, রায়পুরের হায়দরগঞ্জ- বাসাবাড়ি- মোল্লারহাটসহ জেলা এবং উপজেলার সবগুলো বাজারেই বসে সুপারি ক্রয়-বিক্রয়ের হাট। এছাড়া প্রায় প্রত্যেক গ্রামগঞ্জের আনাচে-কানাচে এবং রাস্তার মোড়ে খুচরা ব্যবসায়ীরা গেরস্তো থেকে সুপারি ক্রয় করে বাজারগুলোতে এনে পাইকারী দামে বিক্রি করে।
লক্ষ্মীপুরে সুপারি গননা হয় পোন এবং ক্রাউনে। ৮০টি সুপারিতে এক পোন এবং ১৬ পোনকে এক ক্রাউন ধরা হয়।
লক্ষ্মীপুর উত্তর তেমুহনী সুপারীর হাটে গিয়ে দেখা যায়- আকার ভেদে পাকা প্রতি পোন সুপারি বিক্রি হচ্ছে ১৫০ থেকে ১৭৯ টাকা পর্যন্ত। আর কাঁচা সুপারির পোন বিক্রি হচ্ছে ৭০ থেকে ৮০ টাকায়। তবে প্রতি হাটে বাজার মূল্য উঠানামা করে বলে জানান ব্যবসায়ীরা।
আল আমিন নামে ব্যক্তি বলেন- ৫ পোন সুপারি বিক্রি করেছি ৮০০ টাকায়। এ টাকা দিয়ে বাজার সদাই করবো।
আবুল কালাম নামে এক বাগান মালিক বলেন- এবার গাছে সুপার খুবই কম। কিন্তু গত দুই বছর ভাল ফলন হয়েছে- কিন্তু দাম কম ছিল। এবার ফলন কম হওয়ায় দাম বেশি।
কয়েকজন সুপারি বাগান মালিক ও গেরস্তোর সঙ্গে কথা বলেন জানা গেছে- সুপারি লাভজনক ফসল হওয়ায় প্রত্যেকে পতিত জমিতে সুপারির চারা বা বীজ রোপণ করেন তারা। মৌসুমে ভালো মানের সুপারিগুলো বীজ হিসেবে সংরক্ষণ করে তা মাটিতে পুতে রাখেন। বর্ষা মৌসুমে খালি জমিতে বা বাড়ির আঙ্গিনায় চারা গাছ রোপন করেন। তেমন কোনো পরিচর্যা ছাড়াই প্রাকৃতিক পরিবেশে গাছ বড় হতে থাকে। ৫-৭ বছরের মধ্যেই গাছে ফল আসতে শুরু হয়। একবার ফল দেওয়া শুরু করলে প্রতিটি গাছ ২৫-৩০ বছর পর্যন্ত ফলন দিতে থাকে। তবে গাছের বয়স যত বেশি হবে, ফলনের পরিমাণ তত কমতে থাকবে। প্রাপ্ত বয়স্ক একটি গাছে মৌসুমে ৪-৫ পোন সুপারি ধরে।
তারা আরও জানান- দিন দিন সুপারির বাগানের পরিধি কমতে শুরু করেছে। বাগান উজাড় করে ঘর-বাড়ি নির্মাণের ফলে সুপারির উৎপাদন কমে যাচ্ছে।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের উপপরিচালক সোহেল মো. শামসুদ্দীন ফিরোজ বলেন- লক্ষ্মীপুরে এবার ৭ হাজার ২০০ হেক্টর জমিতে সুপারির আবাদ হয়েছে। উৎপাদন হয়েছে ৪০ হাজার মেট্রিক টন সুপারি। যার বাজারমূল্য ৭০০ কোটি টাকা ছাড়িয়ে যাবে। এবার ফলন কম হলেও এবার সুপারির দাম বেশি। তাই চাষিদের পোষাচ্ছে। একেক বাগান মালিক মৌসুমে ৪ থেকে ৫ লাখ টাকার সুপারি বিক্রি করতে পারে। এটা চাষিদের জন্য অর্থের বড় একটা সংস্থান।
সুপারীর ফলন বাড়াতে এবং বন্যায় ক্ষতিগ্রস্ত সুপারি বাগান মালিকদের ভাল মানের চারা রোপণ এবং দূরত্ব বজায় রেখে চারা লাগানোর পরামর্শ দেন এ কৃষি কর্মকর্তা।