Dhaka , Monday, 27 July 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
বহিরাগত নয়, নোবিপ্রবির শিক্ষককেই ট্রেজারার চান শিক্ষার্থীরা চট্টগ্রামে ০৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস ২০২৬’ উদযাপনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত হরমুজে তেলের ট্যাংকারে ভয়াবহ বিস্ফোরণ সৌদিতে ১৫ হাজার অভিবাসী গ্রেফতার র‍্যাব-৯ এর অভিযানে সিলেটের দক্ষিণ সুরমা থেকে ২৯০ পিস ইয়াবা ট্যাবলেট ও ১.৫৫ কেজি গাঁজাসহ ০৩ জন মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার নরসিংদী শিক্ষার মানোন্নয়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে বিএসটিআইয়ের অভিযানে তিন প্রতিষ্ঠানকে ১০ লাখ টাকা জরিমানা দূষণমুক্ত ও পরিচ্ছন্ন নারায়ণগঞ্জ গড়ার প্রত্যয়ে বর্ণাঢ্য র‍্যালি সিদ্ধিরগঞ্জে গৃহবধূর রহস্যজনক মৃত্যু ১৯ বছরেই বহুমাত্রিক সাফল্যের গল্প: কথাসাহিত্যিক, কনটেন্ট স্ট্র্যাটেজিস্ট ও উদ্যোক্তা মেহেদি হাসান রাসেল ইমরান হাশমির সঙ্গে কাজ করতে চান তাসনুভা তিশা, কিন্তু কেন? সাবেক রাষ্ট্রপতি লন্ডনে শেখ হাসিনার সঙ্গে কথা বলেছেন, এমন তথ্য নেই: স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী মাদারীপুর ডাল গবেষণা কেন্দ্রে দুর্নীতির অভিযোগ পরিদর্শন করলেন এমপি জাহান্দার আলী মিয়া প্রধানমন্ত্রীর উদ্বোধনে শুরু সেনাসদর নির্বাচনী পর্ষদ-২০২৬ চন্দনাইশে ১৫০০ ক্ষতিগ্রস্থ পরিবারকে খাদ্য সামগ্রী দিলেন মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন নারায়ণগঞ্জে পরিচ্ছন্নতা অভিযান ও ডেঙ্গু সচেতনতামূলক র‍্যালি নগরীর খুলশীতে অভিযানে শীর্ষ সন্ত্রাসীর ছুরিকাঘাতে ২ এসআই গুরুতর আহত এআই ব্যবহারে ব্যক্তিগত সুরক্ষা, যা জানা জরুরি রামগঞ্জে ৫ বছরের শিশু যৌন নির্যাতনের শিকার ৭০ বছরের বৃদ্ধ আটক জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্তদের পাশে চউকের সহায়তা অব্যাহত মেসির সেই বিতর্কিত মুহূর্তের নেপথ্য কাহিনী ফাঁস ১ দিনে ১৩৫ টন বর্জ্য সরিয়ে রেকর্ড গড়লেন ডিসি জাহিদ পিআইজির প্রশিক্ষণে এমপি আবু সুফিয়ান জাতীয় সংসদে সমন্বিত সড়ক নিরাপত্তা আইন প্রণয়নে প্রস্তাব তোলার প্রতিশ্রুতি সরকারি উদ্যোগের পাশাপাশি নাগরিক সচেতনতাই পরিচ্ছন্ন নগর গড়ার মূল শক্তি: চসিক মেয়র নিপীড়ক নয়, জনগণের পুলিশ হতে চাই :- সিএমপি কমিশনার শিক্ষামন্ত্রীর পদত্যাগেও থামছে না আন্দোলন, আরও তিন দাবি ককরোচ জনতা পার্টির মাদারীপুরে ডায়াবেটিক হাসপাতালের উদ্বোধন রামুর খুনিয়াপালংয়ে গর্তে পড়ে ৪ বছরের শিশুর মৃত্যু কক্সবাজারে র‌্যাবের পৃথক অভিযানে ৩৪ হাজার ইয়াবা উদ্ধার, আটক ২ রায়পুরে পরকীয়ার নাটক সাজিয়ে ফেসবুকে অপপ্রচারের অভিযোগ, ৩য় পক্ষের বিরুদ্ধে সংবাদ সম্মেলন

বোয়ালমারীতে খোলামেলা পরিবেশে কাঠ পুড়িয়ে তৈরি হচ্ছে কয়লা,ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য-পরিবেশ।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 11:58:08 am, Sunday, 24 November 2024
  • 179 বার পড়া হয়েছে

বোয়ালমারীতে খোলামেলা পরিবেশে কাঠ পুড়িয়ে তৈরি হচ্ছে কয়লা,ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য-পরিবেশ।।

মামুন মিঞা 

সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার ফরিদপুর।।
  

চারদিকে গাঢ় সবুজ প্রকৃতি- খোলামেলা মাঠ- এর মধ্যে ফসলি জমি ঘেঁষে তৈরি করা খোলামেলা চারপাশ,নেই চিমনি, অর্ধগোলাকার বড় বড় ১৭ টি  চুল্লি থেকে বের হচ্ছে “কালো ধোঁয়া । এই ধোঁয়া থেকে পাওয়া যাচ্ছে অসহনীয় দুর্গন্ধ। চুলার পাশে পোড়ানোর অপেক্ষায় স্তূপ করে রাখা কয়েক হাজার-হাজার মণ কাঠ। সম্প্রতি ফরিদপুরের বোয়ালমারী  উপজেলার শেখর ইউনিয়নের দরি সহস্রাইল  গ্রামে গিয়ে এ দৃশ্য দেখা গেছে।

বোয়ালমারী দরি সহস্রাইল  অবৈধ চুল্লিতে অবাধে কাঠ পুড়িয়ে তৈরি করা হচ্ছে কয়লা।

বিভিন্ন বনজ ও ফলদ গাছ কেটে এসব চুল্লিতে কয়লা তৈরির জন্য কাঠ সরবরাহ করা হচ্ছে। এসব চুল্লি থেকে নির্গত ধোঁয়ায় ঝুঁকির মুখে পড়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য। একইসঙ্গে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য। এ অবস্থায় অবৈধ এসব চুল্লি উচ্ছেদের দাবি স্থানীয়দের।

সংশ্লিষ্টদের দাবি-প্রশাসনের দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে দীর্ঘদিন যাবত  এ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে । অথচ এসব কয়লা কারখানা পরিচালনায় প্রশাসনের কোনো অনুমোদন নেই।

জনবসতি এলাকায় জমি নষ্ট করে এসব কারখানা স্থাপন করায়-পাশ থাকা উর্বর জমিতে ফসল উৎপাদনে ব্যহত হচ্ছে।অনেক প্রতিকূল পরিবেশে ফসল উৎপাদন করতে হয় কৃষকদের।

স্থানীয়রা জানানঃ-যখন কয়লা তৈরি শুরু হয়,চিমনি না-থাকার কারণে এবং চারপাশে খোলামেলা হওয়ায় কারখানার সৃষ্টি ধোঁয়ায় চারপাশে অন্ধকার হয়ে যায়।দম নেওয়ার মতো কোনো অবস্থা থাকে না।বিশেষ করে শিশু বাচ্চা ও যাদের শ্বাসকষ্ট অর্থাৎ হাঁপানি রোগ রয়েছে,তাদের কষ্টের সীমা থাকে না।

এছাড়াও কারখানা কেন্দ্রীক এলাকার মানুষ শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে।
মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য। কিন্তু কারখানা কর্তৃপক্ষ  প্রভাবশালী হওয়ায়  ভয়ে তারা কিছু বলতে পারে না। বিভিন্ন সময়ে পত্র-পত্রিকায় খবর প্রকাশও হয়েছে। অনেকে সরেজমিনে দর্শনও করেছে। কিন্তু কোনো প্রতিকার পায়নি এলাকাবাসী।

তারপরও এলাকাবাসী চায় প্রশাসন এসব চুল্লি উচ্ছেদের উদ্যোগ নিলে এলাকায় বসবাসরত সাধারন মানুষের জন্য স্বস্তির ব্যবস্থা হবে বলে জানায় একজন শিক্ষক ।

স্থানীয় আরও এক ব্যক্তি বলেন- চুল্লি মালিকরা কারও কথার তোয়াক্কা করে না। রাস্তার পাশে কয়লা তৈরির কারখানা স্থাপন করে সারাদিন খোলা জায়গায় কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করছেন।
বিভিন্ন গাছপালার মড়ক দেখা দিয়েছে এবং গাছের ফল-মুকুল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। 

স্থানীয় এক শিক্ষার্থী বলেন- হাজার হাজার টন কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। তারা না ভাবছে পরিবেশের কথা, না জনস্বাস্থ্যের কথা।

একই গ্রামের আরও এক ব্যক্তি বলেন- এসব চুল্লিতে অবাধে কাঠ পোড়ানো হচ্ছে। কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির ব্যবসা এর আগে আর কোথাও দেখেননি ।  তাই এটা বৈধ নাকি অবৈধ, তাঁরা জানেন না। এতে পরিবেশের ও মানুষের অনেক ক্ষতি হচ্ছে।

কারখানা দেখভালের দায়িত্বে থাকা মিলন বলেন,কারখানাটি খুলনা এলাকার সানাল নামে এক ব্যক্তির,কিন্তু জায়গার মালিক আমি।আমি জায়গা ভাড়া দিয়েছি।

উপজেলা বন কর্মকর্তা-দ্বীন মোহাম্মদ ইসলাম বলেন,আমি সরেজমিনে গিয়ে দেখেছি।এটা সম্পূর্ণভাবে অবৈধ,বিষয়টি নির্বাহী কর্মকর্তা বোয়ালমারীকে জানিয়েছি।

এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর ফরিদপুর  উপপরিচাকে বারবার ফোন দিয়েও পাওয়া যায়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা -ইউএনও-বোয়ালমারী বলেন-আমাকে বন কর্মকর্তা বোয়ালমারী- আমাকে জানিয়েছেন।আমি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে। 

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বহিরাগত নয়, নোবিপ্রবির শিক্ষককেই ট্রেজারার চান শিক্ষার্থীরা

বোয়ালমারীতে খোলামেলা পরিবেশে কাঠ পুড়িয়ে তৈরি হচ্ছে কয়লা,ঝুঁকিতে জনস্বাস্থ্য-পরিবেশ।।

আপডেট সময় : 11:58:08 am, Sunday, 24 November 2024

মামুন মিঞা 

সিনিয়র স্টাফ রিপোর্টার ফরিদপুর।।
  

চারদিকে গাঢ় সবুজ প্রকৃতি- খোলামেলা মাঠ- এর মধ্যে ফসলি জমি ঘেঁষে তৈরি করা খোলামেলা চারপাশ,নেই চিমনি, অর্ধগোলাকার বড় বড় ১৭ টি  চুল্লি থেকে বের হচ্ছে “কালো ধোঁয়া । এই ধোঁয়া থেকে পাওয়া যাচ্ছে অসহনীয় দুর্গন্ধ। চুলার পাশে পোড়ানোর অপেক্ষায় স্তূপ করে রাখা কয়েক হাজার-হাজার মণ কাঠ। সম্প্রতি ফরিদপুরের বোয়ালমারী  উপজেলার শেখর ইউনিয়নের দরি সহস্রাইল  গ্রামে গিয়ে এ দৃশ্য দেখা গেছে।

বোয়ালমারী দরি সহস্রাইল  অবৈধ চুল্লিতে অবাধে কাঠ পুড়িয়ে তৈরি করা হচ্ছে কয়লা।

বিভিন্ন বনজ ও ফলদ গাছ কেটে এসব চুল্লিতে কয়লা তৈরির জন্য কাঠ সরবরাহ করা হচ্ছে। এসব চুল্লি থেকে নির্গত ধোঁয়ায় ঝুঁকির মুখে পড়েছে স্থানীয় বাসিন্দাদের স্বাস্থ্য। একইসঙ্গে মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য। এ অবস্থায় অবৈধ এসব চুল্লি উচ্ছেদের দাবি স্থানীয়দের।

সংশ্লিষ্টদের দাবি-প্রশাসনের দুর্বলতাকে কাজে লাগিয়ে দীর্ঘদিন যাবত  এ ব্যবসা পরিচালনা করে আসছে । অথচ এসব কয়লা কারখানা পরিচালনায় প্রশাসনের কোনো অনুমোদন নেই।

জনবসতি এলাকায় জমি নষ্ট করে এসব কারখানা স্থাপন করায়-পাশ থাকা উর্বর জমিতে ফসল উৎপাদনে ব্যহত হচ্ছে।অনেক প্রতিকূল পরিবেশে ফসল উৎপাদন করতে হয় কৃষকদের।

স্থানীয়রা জানানঃ-যখন কয়লা তৈরি শুরু হয়,চিমনি না-থাকার কারণে এবং চারপাশে খোলামেলা হওয়ায় কারখানার সৃষ্টি ধোঁয়ায় চারপাশে অন্ধকার হয়ে যায়।দম নেওয়ার মতো কোনো অবস্থা থাকে না।বিশেষ করে শিশু বাচ্চা ও যাদের শ্বাসকষ্ট অর্থাৎ হাঁপানি রোগ রয়েছে,তাদের কষ্টের সীমা থাকে না।

এছাড়াও কারখানা কেন্দ্রীক এলাকার মানুষ শ্বাসকষ্টসহ নানা রোগ-ব্যাধিতে আক্রান্ত হচ্ছে।
মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে পরিবেশ ও জীববৈচিত্র্য। কিন্তু কারখানা কর্তৃপক্ষ  প্রভাবশালী হওয়ায়  ভয়ে তারা কিছু বলতে পারে না। বিভিন্ন সময়ে পত্র-পত্রিকায় খবর প্রকাশও হয়েছে। অনেকে সরেজমিনে দর্শনও করেছে। কিন্তু কোনো প্রতিকার পায়নি এলাকাবাসী।

তারপরও এলাকাবাসী চায় প্রশাসন এসব চুল্লি উচ্ছেদের উদ্যোগ নিলে এলাকায় বসবাসরত সাধারন মানুষের জন্য স্বস্তির ব্যবস্থা হবে বলে জানায় একজন শিক্ষক ।

স্থানীয় আরও এক ব্যক্তি বলেন- চুল্লি মালিকরা কারও কথার তোয়াক্কা করে না। রাস্তার পাশে কয়লা তৈরির কারখানা স্থাপন করে সারাদিন খোলা জায়গায় কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করছেন।
বিভিন্ন গাছপালার মড়ক দেখা দিয়েছে এবং গাছের ফল-মুকুল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। 

স্থানীয় এক শিক্ষার্থী বলেন- হাজার হাজার টন কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরি করে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নিচ্ছে অসাধু ব্যবসায়ীরা। তারা না ভাবছে পরিবেশের কথা, না জনস্বাস্থ্যের কথা।

একই গ্রামের আরও এক ব্যক্তি বলেন- এসব চুল্লিতে অবাধে কাঠ পোড়ানো হচ্ছে। কাঠ পুড়িয়ে কয়লা তৈরির ব্যবসা এর আগে আর কোথাও দেখেননি ।  তাই এটা বৈধ নাকি অবৈধ, তাঁরা জানেন না। এতে পরিবেশের ও মানুষের অনেক ক্ষতি হচ্ছে।

কারখানা দেখভালের দায়িত্বে থাকা মিলন বলেন,কারখানাটি খুলনা এলাকার সানাল নামে এক ব্যক্তির,কিন্তু জায়গার মালিক আমি।আমি জায়গা ভাড়া দিয়েছি।

উপজেলা বন কর্মকর্তা-দ্বীন মোহাম্মদ ইসলাম বলেন,আমি সরেজমিনে গিয়ে দেখেছি।এটা সম্পূর্ণভাবে অবৈধ,বিষয়টি নির্বাহী কর্মকর্তা বোয়ালমারীকে জানিয়েছি।

এ বিষয়ে পরিবেশ অধিদপ্তর ফরিদপুর  উপপরিচাকে বারবার ফোন দিয়েও পাওয়া যায়নি।

উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা -ইউএনও-বোয়ালমারী বলেন-আমাকে বন কর্মকর্তা বোয়ালমারী- আমাকে জানিয়েছেন।আমি তদন্ত সাপেক্ষে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়া হবে।