Dhaka , Wednesday, 1 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
১৪টি এতিমখানায় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করলো আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশন ঝালকাঠিতে ফেসবুক লাইভে দুই শিশুপুত্রকে নিয়ে পিতার বিষপান বিতর্কিত বক্তব্যে ক্ষোভ: হাতিয়াতে এমপি হান্নান মাসউদের বিরুদ্ধে ঝাড়ু মিছিল ঝালকাঠিতে জেলের জালে ধরা পড়ল দানবাকৃতির ‘খটক মাছ’, বিক্রি আড়াই লাখ টাকায় ঝালকাঠিতে দোকান পোড়ানোর মামলা করে বিপাকে বাদী, মামলা তুলে নিতে আসামীদের হুমকি  নোয়াখালীতে স্ত্রী হত্যায় স্বামীর যাবজ্জীবন এলজিইডি প্রকৌশলীকে মারধর ও অফিসে ভাঙচুরের অভিযোগে চবি ছাত্রদল নেতা হৃদয়ের বিরুদ্ধে কেন্দ্রীয় ব্যবস্থা গ্রহণ  হাটহাজারীতে চাকসু নেতার ওপর অতর্কিত হামলা, চমেকে চিকিৎসাধীন  লেংটার মেলায় মাজারের টাকা ভাগাভাগি নিয়ে দ্বন্দ্বে দুই গ্রুপের মারামারি; মাজারের খাদেমকে কুপিয়ে জখম ফতুল্লায় পরিত্যক্ত অবস্থায় বিদেশি পিস্তল ও গুলি উদ্ধার স্বার্থবিরোধী বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে নারায়ণগঞ্জে সিপিবির মানববন্ধন আগামী জুলাইয়ে শহীদ আনাস হলের নির্মাণাধীন ব্লক চালু, আবাসিকতার আগাম বিজ্ঞপ্তি রামুতে গভীর রাতে অভিযান চালিয়ে এস্কেভেটর ও ড্রাম ট্রাক জব্দ রূপগঞ্জে ঢাকা সিলেট মহাসড়কে ফুটপাত দখলমুক্তে আবারও যৌথ উচ্ছেদ অভিযান, আটক- ১১ লক্ষ্মীপুরে জ্বালানি সংকটে সেচ দিতে না পেরে দিশেহারা কৃষক রূপগঞ্জে উচ্ছেদ অভিযানে ঢাকা-সিলেট মহাসড়ক দখলমুক্ত, আটজ-১১ রূপগঞ্জে দুবাই প্রবাসীকে কুপিয়ে হত্যা, বন্ধুর হাত পায়ের রক কর্তন রূপগঞ্জে ছেলে ও ছেলের বউয়ের অত্যাচারের প্রতিবাদে মানববন্ধন রূপগঞ্জে যুবকের মরদেহ উদ্ধার লক্ষ্মীপুরে ইয়াবা-মদ ও পিস্তলসহ দুইজন গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুরর ছাত্রদল নেতার ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার মির্জাপুরে আইন শৃঙ্খলা কমিটি ও উপজেলা পরিষদের মাসিক সভা অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় অবৈধ তেল মজুদে জরিমানা, ৪০০ লিটার জব্দ পাইকগাছায় সরকারি জমিতে অবৈধ স্থাপনা উচ্ছেদ লালমনিরহাট জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক এ কে এম মমিনুল হক: প্রজ্ঞাপন জারি বুড়িমারীতে খাবারের সাথে বিষক্রিয়া: একই পরিবারের ৯ জনকে অচেতন করে সর্বস্ব লুট লালমনিরহাট জেলা পরিষদের প্রশাসক হিসেবে এ কে এম মমিনুল হকের নিয়োগ; সবার দোয়া চাইলেন ছেলে জারিফ রংপুরে পাওনা টাকা চাওয়ায় নারীকে হত্যা: র‍্যাবের জালে প্রধান দুই আসামি গাজীপুর জেলা পরিষদের নতুন প্রশাসক ব্যারিষ্টার চৌধুরী ইশরাক আহমদ সিদ্দিকী জঙ্গল সলিমপুরের প্রায় দেড় লাখ মানুষ জিম্মিদশা থেকে মুক্ত :- চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক

সিলেটের গোলাপগঞ্জে ৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় আওয়ামীলীগ নেত্রী লাকি সহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে নিহতের পরিববার।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 12:25:01 pm, Monday, 26 August 2024
  • 170 বার পড়া হয়েছে

সিলেটের গোলাপগঞ্জে ৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় আওয়ামীলীগ নেত্রী লাকি সহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে নিহতের পরিববার।।

সিলেট প্রতিনিধি।।

 

৪ আগস্ট- রোববার সিলেটের গোলাপগঞ্জে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশ, ছাত্রলীগ ও ছাত্র ছাত্রী আম জনতার ত্রিমুখী সংঘর্ষে ৬ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় মামলা প্রস্তুতির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নিহতের ৬ পরিবার। নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে নিজ নিজ পরিবার থেকে বিজ্ঞ আইনজীবিদের মাধ্যমে অভিযোক্তদের বিরুদ্ধে এজহার লেখা শেষ হয়েছে। ওই দিনের ঘটনায় উস্কানিদাতা সিলেট মহানগর যুব মহিলা লীগের সাংগঠনিক সম্পাদিকা  লাকি আক্তার ওরফে লাকি আহমেদ প্রধান আসামী করা হচ্ছে। দ্বিতীয় আসামী করা হচ্ছে সিলেট মেন্দিভাগ গ্রুপের ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল আলিম রানা ও  গোলাপগঞ্জে শীর্ষ আরও কয়েক জন ছাত্রলীগ ও আওয়ামীলীগ নেতাদের নাম উঠেছে। ওই মামলা গুলো আদালতে না থানায় করবেন এটি নিশ্চিত করতে রাজী নয় নিহতের পরিবার- তবে আগামী সপ্তাহে যে কোন এক দিন হবে বলে নিশ্চিত করেন অনেকে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহতরা হলেন- উপজেলার বারকোট গ্রামের মৃত মকবুল আলীর ছেলে তাজ উদ্দিন -৪০- ঘোষগাঁও ফুলবাড়ি গ্রামের গৌছ উদ্দিন -৩৫- শিলঘাট গ্রামের কয়ছর আহমদেও ছেলে সানি আহমদ -২২- দক্ষিণ রায়গড় গ্রামের মৃত সুরই মিয়ার ছেলে হাসান আহমদ -২০- দত্তরাইল বাসাবাড়ি এলাকার আলাই মিয়ার  ছেলে মিনহাজ আহমদ -২৩- ও একই উপজেলার নিশ্চিন্ত গ্রামের মৃত তৈয়ব আলীর ছেলে নাজমুল ইসলাম।
বৈষম্য বিরোধী শান্তিপূর্ণ ছাত্র আন্দোলনে হঠাৎ ছাত্রলীগ হামলা করে রণক্ষেত্রে পরিস্থিতি হয়ে উঠে ছিলো ঢাকা দক্ষিণ এলাকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জানায় লাকি আক্তার ওরফে লাকি আহমেদ সিলেটের চিত্র নামে একটি ফেসবুক পেইজ থেকে বার-বার ছাত্রলীগ মাটে নেই বলে উস্কানি দিতে থাকেন- কখনও সিলেটে শহরের পরিস্থিতি কথাও বলতে থাকেন ছাত্রলীগদের নিয়ে, এর কিছুক্ষণ পর সিলেট মেন্দিভাগ গ্রুপের ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল আলিম রানা স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায় এবং গুলি চুড়তে থাকে প্রকাশ্যে ছাত্রদের উপর। ছাত্রলীগ নেতাদের আধিপত্য বিস্তার ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে পুলিশ ও বিজিবি তাদের সাথে যোগ  দেয়। ওই সময় ঘটনাস্থলে নিশ্চিন্ত  গ্রামের মৃত তৈয়ব আলীর ছেলে নাজমুল ইসলাম নিহত হন।

সুত্রে জানা যায়- লাকি আহমেদ সিলেট মহানগর যুব মহিলা লীগের সাংগঠনিক সম্পাদিকা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সব সময় বিরোধীতা করতেন। শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগের পর ক্ষমতা যখন বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের দখলে চলে আসে- তখনই সেই লাকি আহমেদ ও ছাত্রলীগ নেতা রানা নিজের অপকর্ম ঢাকতে সাংবাদিক হিসেবে নিজে জাহির করে বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের পক্ষে কথা বলতে থাকেন এবং নিজেরদের  ফেসবুক পেইজ  থেকে গুণগান গাইতে থাকেন। সরকার পতনের পালের হাওয়ার পরিবর্তনে দেখে, ঘটনার দিন রাতেই ফেসবুক পেইজ  থেকে লাইভটি ডিলেট কওে দেন। তাহলে এখন নিহত পরিবারের প্রশ্ন ওই ৬টি প্রাণ কাদের গুলিতে আহত হয়েছেন এ প্রশ্ন ঘুর পাক খাচ্ছে সচেতন মহলের নিকট। পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার সংবাদ চার দিকে চাউর হলে স্থানীয়রা পুলিশও বিজিবিকে ধাওয়া করে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি করেছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়।
এদিকে ওই দিন সকাল থেকে সমগ্র গোলাপগঞ্জ উপজেলায় ছাত্র আন্দোলনে বিজিবির গাড়ি ও পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর- পুলিশের মোটরসাইকেল আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়। পুলিশ উপজেলার ঢাকা দক্ষিণ বাজার, বারকোট এলাকায় হাসপাতাল সংলগ্ন ও গোলাপগঞ্জ উপজেলা সদরে রবার বুলেট ও গুলি ছুড়লে প্রায় ২ শতাধীক শিক্ষার্থী- পথচারী- ব্যবসায়ী ও শ্রমিক আহত হয়েছেন। পুলিশের সাথে সরাসরি ছাত্রলীগ নেতা রানা গ্রুপের নেতাকর্মীরা ও স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতারা গুলি ছুঁড়তে দেখেন বলে স্থানীয়রা জানান। ওই সময় গুলিবৃদ্ধ আহতদের উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের সকলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এদিকে তাজ উদ্দিন পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ায় এলাকাবাসী তার লাশ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল কওে গোলাপগঞ্জ থানা ঘেরাও করেন।

এই সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে উপজেলা হাসপাতালের সম্মুখে স্থানীয় জনতা লাঠিসোঁটা নিয়ে উপজেলার সিলেট-  গোলাপগঞ্জ-ঢাকা দক্ষিণ সড়ক অবরোধ করে পুলিশ ও বিজিবিকে ধাওয়া করলে পুলিশ গুলিবর্ষণ করে। এতে ব্যবসায়ী তাজ উদ্দিন সহ নাজমুল এ দুই জন নিহত হন। আহত হন অনেকেই। এতে করে সমগ্র উপজেলা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিলো সে সময়। শিক্ষার্থীদের সাথে স্থানীয় সাধারণ মানুষ মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে আন্দোলনে যুক্ত হন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

১৪টি এতিমখানায় খাদ্যসামগ্রী বিতরণ করলো আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশন

সিলেটের গোলাপগঞ্জে ৬ জনের মৃত্যুর ঘটনায় আওয়ামীলীগ নেত্রী লাকি সহ ১৭ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছে নিহতের পরিববার।।

আপডেট সময় : 12:25:01 pm, Monday, 26 August 2024

সিলেট প্রতিনিধি।।

 

৪ আগস্ট- রোববার সিলেটের গোলাপগঞ্জে বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশ, ছাত্রলীগ ও ছাত্র ছাত্রী আম জনতার ত্রিমুখী সংঘর্ষে ৬ জন নিহত হওয়ার ঘটনায় মামলা প্রস্তুতির সিদ্ধান্ত নিয়েছেন নিহতের ৬ পরিবার। নিহতের পারিবারিক সূত্রে জানা গেছে, ইতোমধ্যে নিজ নিজ পরিবার থেকে বিজ্ঞ আইনজীবিদের মাধ্যমে অভিযোক্তদের বিরুদ্ধে এজহার লেখা শেষ হয়েছে। ওই দিনের ঘটনায় উস্কানিদাতা সিলেট মহানগর যুব মহিলা লীগের সাংগঠনিক সম্পাদিকা  লাকি আক্তার ওরফে লাকি আহমেদ প্রধান আসামী করা হচ্ছে। দ্বিতীয় আসামী করা হচ্ছে সিলেট মেন্দিভাগ গ্রুপের ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল আলিম রানা ও  গোলাপগঞ্জে শীর্ষ আরও কয়েক জন ছাত্রলীগ ও আওয়ামীলীগ নেতাদের নাম উঠেছে। ওই মামলা গুলো আদালতে না থানায় করবেন এটি নিশ্চিত করতে রাজী নয় নিহতের পরিবার- তবে আগামী সপ্তাহে যে কোন এক দিন হবে বলে নিশ্চিত করেন অনেকে। বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনে পুলিশের গুলিতে নিহতরা হলেন- উপজেলার বারকোট গ্রামের মৃত মকবুল আলীর ছেলে তাজ উদ্দিন -৪০- ঘোষগাঁও ফুলবাড়ি গ্রামের গৌছ উদ্দিন -৩৫- শিলঘাট গ্রামের কয়ছর আহমদেও ছেলে সানি আহমদ -২২- দক্ষিণ রায়গড় গ্রামের মৃত সুরই মিয়ার ছেলে হাসান আহমদ -২০- দত্তরাইল বাসাবাড়ি এলাকার আলাই মিয়ার  ছেলে মিনহাজ আহমদ -২৩- ও একই উপজেলার নিশ্চিন্ত গ্রামের মৃত তৈয়ব আলীর ছেলে নাজমুল ইসলাম।
বৈষম্য বিরোধী শান্তিপূর্ণ ছাত্র আন্দোলনে হঠাৎ ছাত্রলীগ হামলা করে রণক্ষেত্রে পরিস্থিতি হয়ে উঠে ছিলো ঢাকা দক্ষিণ এলাকা। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বৈষম্য বিরোধী ছাত্র জানায় লাকি আক্তার ওরফে লাকি আহমেদ সিলেটের চিত্র নামে একটি ফেসবুক পেইজ থেকে বার-বার ছাত্রলীগ মাটে নেই বলে উস্কানি দিতে থাকেন- কখনও সিলেটে শহরের পরিস্থিতি কথাও বলতে থাকেন ছাত্রলীগদের নিয়ে, এর কিছুক্ষণ পর সিলেট মেন্দিভাগ গ্রুপের ছাত্রলীগ নেতা আব্দুল আলিম রানা স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের নিয়ে অতর্কিত হামলা চালায় এবং গুলি চুড়তে থাকে প্রকাশ্যে ছাত্রদের উপর। ছাত্রলীগ নেতাদের আধিপত্য বিস্তার ও পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রনে পুলিশ ও বিজিবি তাদের সাথে যোগ  দেয়। ওই সময় ঘটনাস্থলে নিশ্চিন্ত  গ্রামের মৃত তৈয়ব আলীর ছেলে নাজমুল ইসলাম নিহত হন।

সুত্রে জানা যায়- লাকি আহমেদ সিলেট মহানগর যুব মহিলা লীগের সাংগঠনিক সম্পাদিকা বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে সব সময় বিরোধীতা করতেন। শেখ হাসিনা দেশ ত্যাগের পর ক্ষমতা যখন বৈষম্যবিরোধী ছাত্রদের দখলে চলে আসে- তখনই সেই লাকি আহমেদ ও ছাত্রলীগ নেতা রানা নিজের অপকর্ম ঢাকতে সাংবাদিক হিসেবে নিজে জাহির করে বৈষম্য বিরোধী ছাত্রদের পক্ষে কথা বলতে থাকেন এবং নিজেরদের  ফেসবুক পেইজ  থেকে গুণগান গাইতে থাকেন। সরকার পতনের পালের হাওয়ার পরিবর্তনে দেখে, ঘটনার দিন রাতেই ফেসবুক পেইজ  থেকে লাইভটি ডিলেট কওে দেন। তাহলে এখন নিহত পরিবারের প্রশ্ন ওই ৬টি প্রাণ কাদের গুলিতে আহত হয়েছেন এ প্রশ্ন ঘুর পাক খাচ্ছে সচেতন মহলের নিকট। পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ার সংবাদ চার দিকে চাউর হলে স্থানীয়রা পুলিশও বিজিবিকে ধাওয়া করে এবং উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে হামলা চালিয়ে ব্যাপক ভাঙচুর করে কয়েক লাখ টাকার ক্ষতি করেছেন বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়।
এদিকে ওই দিন সকাল থেকে সমগ্র গোলাপগঞ্জ উপজেলায় ছাত্র আন্দোলনে বিজিবির গাড়ি ও পুলিশের গাড়ি ভাঙচুর- পুলিশের মোটরসাইকেল আগুন দিয়ে পুড়িয়ে দেয়া হয়। পুলিশ উপজেলার ঢাকা দক্ষিণ বাজার, বারকোট এলাকায় হাসপাতাল সংলগ্ন ও গোলাপগঞ্জ উপজেলা সদরে রবার বুলেট ও গুলি ছুড়লে প্রায় ২ শতাধীক শিক্ষার্থী- পথচারী- ব্যবসায়ী ও শ্রমিক আহত হয়েছেন। পুলিশের সাথে সরাসরি ছাত্রলীগ নেতা রানা গ্রুপের নেতাকর্মীরা ও স্থানীয় ছাত্রলীগ নেতারা গুলি ছুঁড়তে দেখেন বলে স্থানীয়রা জানান। ওই সময় গুলিবৃদ্ধ আহতদের উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাদের সকলকে উন্নত চিকিৎসার জন্য সিলেট ওসমানী মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করেন। এদিকে তাজ উদ্দিন পুলিশের গুলিতে নিহত হওয়ায় এলাকাবাসী তার লাশ নিয়ে বিক্ষোভ মিছিল কওে গোলাপগঞ্জ থানা ঘেরাও করেন।

এই সংবাদ ছড়িয়ে পড়লে উপজেলা হাসপাতালের সম্মুখে স্থানীয় জনতা লাঠিসোঁটা নিয়ে উপজেলার সিলেট-  গোলাপগঞ্জ-ঢাকা দক্ষিণ সড়ক অবরোধ করে পুলিশ ও বিজিবিকে ধাওয়া করলে পুলিশ গুলিবর্ষণ করে। এতে ব্যবসায়ী তাজ উদ্দিন সহ নাজমুল এ দুই জন নিহত হন। আহত হন অনেকেই। এতে করে সমগ্র উপজেলা রণক্ষেত্রে পরিণত হয়েছিলো সে সময়। শিক্ষার্থীদের সাথে স্থানীয় সাধারণ মানুষ মসজিদের মাইকে ঘোষণা দিয়ে আন্দোলনে যুক্ত হন।