Dhaka , Thursday, 23 July 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
সাত বছর পরকীয়া, বিয়ের মাস পেরোতেই সেই স্ত্রীকে তালাক দিলেন রেলের ডিজির পিএস। মালয়েশিয়ায় নির্মাণাধীন ভবন থেকে পড়ে রামগঞ্জের এক রেমিটেন্স যোদ্ধার মৃত্যু মধুপুর পৌরবাসীর দুর্ভোগ কমাতে নিরলস ভাবে কাজ করছেন মেয়র প্রার্থী খন্দকার মোতালিব সোনারগাঁয়ে জলাবদ্ধতা নিরসনে পাইপলাইন ও কালভার্ট নির্মাণের দাবিতে মানববন্ধন কুতুবপুরে ভ্রাম্যমান আদালতের অভিযান: তিন ফার্মেসিকে ৩৮ হাজার টাকা জরিমানা ১৮ জনের সমস্যা শুনে ডিসি ‘র তাৎক্ষণিক নির্দেশনা; অসহায়দের আর্থিক সহায়তা, ২১ পরিবার পেল ত্রাণ ৫০ লাখ টাকা জলে, এক মাসেই ধসে গেল রাস্তা, অবরুদ্ধ ৫ গ্রামের মানুষ শিবচরে বজ্রপাতে এক কৃষকের মৃত্যু চাঁদাবাজদের গ্রেপ্তারের দাবিতে আড়াইহাজারে ব্যবসায়ীদের বিক্ষোভ ও মানববন্ধন পাইকগাছায় ওয়ার্ল্ড ভিশনের উন্নয়ন পরিকল্পনা বিষয়ক সভা রাঙামাটিতে বন্যাদুর্গত বাক-শ্রবণ প্রতিবন্ধী পরিবারের মাঝে জেলা পরিষদের খাদ্যশস্য বিতরণ নান্দাইলে ডাচ্-বাংলা এজেন্ট ব্যাংকের গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত গাজীপুর মহানগর মহিলা বিভাগের রক্তাক্ত জুলাইয়ের চেতনা ধারণে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত শহীদ হৃদয় তরুয়াকে স্মরণে চাকসু এজিএস তৌফিকের উদ্যোগে চবিতে ফুটসাল টুর্নামেন্ট বেতাগীতে সাধারণ মানুষের আস্থা অর্জন, প্রশংসায় ভাসছেন ইউএনও সাদ্দাম হোসেন মোটরসাইকেলে ইয়াবা পাচার, গ্রেপ্তার ২ দুর্যোগে বিচ্ছিন্ন পরিবার পুনর্মিলনে ফেনীতে রেড ক্রিসেন্টের প্রশিক্ষণ ঝালকাঠি পৌরসভায় নির্মাণ হচ্ছে আধুনিক বাস টার্মিনাল, মাল্টিপারপাস মার্কেট ও সিটি পার্ক, বরাদ্দ প্রায় ৩৮ কোটি টাকা রায়পুরে অস্বাস্থ্যকর ও ভেজাল শিশু খাদ্যে সয়লাব, ঝুঁকিতে কোমলমতি শিশুরা। নরসিংদীতে অনিয়মের দায়ে দুইটি হাসপাতালকে জরিমানা নারায়ণগঞ্জে জুলাই শহিদ স্মৃতিস্তম্ভে অগ্নিসংযোগের প্রতিবাদে স্মারকলিপি নতুনধারা বাংলাদেশের সংবাদ সম্মেলনে নেতাকর্মীদের নিরাপত্তার দাবি রূপগঞ্জ উপজেলা স্বেচ্ছাসেবী ঐক্য পরিষদের উদ্যোগে চট্টগ্রামের বাঁশখালীর বন্যার্তদের মাঝে চিকিৎসাপত্র, ওষুধ ও খাবার বিতরণ ‎​হরিপুরে ৭২৪তম স্কাউটিং বিষয়ক ওরিয়েন্টেশন কোর্স অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় শিক্ষককে লাঞ্ছিতের ঘটনায়- মুচলেকায় মুক্তি অভিযুক্ত রামগঞ্জ পৌরসভায় ৫৫ কোটি ৫৮ লাখ টাকার বাজেট ঘোষণা চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতাল ব্যবস্থাপনা কমিটির সভাপতি হলেন আবু সুফিয়ান এমপি প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নির্দেশনায় বৃক্ষরোপণের মাধ্যমে সবুজ বাংলাদেশ গড়তে হবে:- সালাউদ্দীন আলী পাইকগাছায় স্বাস্থ্য সহকারীদের মাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত: ওয়ার্ল্ড ভিশনের ছাতা বিতরণ পাইকগাছার অবৈধ বাঁধ-নেট-পাটা উচ্ছেদ: স্বাভাবিক হলো পানি প্রবাহ

আবারও সিলেটে বন্যায় চোখ রাঙাচ্ছে- তলিয়ে যাচ্ছে শত শত গ্রাম।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 12:45:55 pm, Thursday, 22 August 2024
  • 144 বার পড়া হয়েছে

আবারও সিলেটে বন্যায় চোখ রাঙাচ্ছে- তলিয়ে যাচ্ছে শত শত গ্রাম।।

আবুল কাশেম রুমন- সিলেট।।

 

গত কয়েক দিনের ভারি বৃষ্টিপাত ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাসিদে সিলেটে বন্যায় আবারও নতুন করে চোখ রাঙাচ্ছে। প্রতিদিন বন্যার পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে শত শত গ্রাম। বাড়ছে সিলেটে বিভাগের সব কয়েকটি নদ-নদীর পানি। প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল।
সিলেটে বৃস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত শেষ ২৪ ঘন্টায় ৬৩ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। আগের ২৪ ঘন্টার তুলনায় বৃষ্টি কমলেও বাড়ছে সিলেটের বিভিন্ন পয়েন্টের নদ-নদীর পানি। এর মধ্যে কুশিয়ারা নদীর তিন পয়েন্টে পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে।

এর মধ্যে কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্ট- অমলশিদ ও শেরপুর পয়েন্টে পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। তবে অন্য কোনো নদ-নদীর পয়েন্টে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বিপদসীমা অতিক্রম না করলেও বিপদসীমার কাছাকাছি রয়েছে। কুশিয়ারা নদীর  ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে বিপদসীমার ১০ দশমিক ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। নদীর ওই পয়েন্টে বিপদসীমা ৯ দশমিক ৪৫ সেন্টিমিটার।
কুশিয়ারা নদীর অমলশিদ পয়েন্টে বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় পানি বিপদসীমার ১৫ দশমিক ৪৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। নদীর ওই পয়েন্টে পানির বিপদসীমা ১৫ দশমিক ৪০ সেন্টিমিটার। কুশিয়ারা নদীর শেরপুর পয়েন্টে বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় বিপদসীমার ৮ দশমিক ৫৮ ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। নদীর ওই পয়েন্টে বিপদসীমা ৮ দশমিক ৫৫ সেন্টিমিটার। সে সব পয়েন্টে আর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এছাড়া বিপদসীমার কাছাকাছি রয়েছে কুশিয়ারা নদীর শেওলা, সুরমা নদীর সিলেট ও কানাইঘাট পয়েন্ট। বৃষ্টি না কমলে আজকের মধ্যে এসব পয়েন্ট বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিলেট কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ বলেন, সিলেটে বৃষ্টিপাত কমে এলেও বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। সিলেটের বৃষ্টিপাতের ওপর এই অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি নির্ভর করে না। মূলত ভারত সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় পাহাড়ি ঢলের ফলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তিনি বলেন, চলতি সময়ে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হলেও ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ কম হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর শুক্রবার পর্যন্ত সিলেটসহ দেশের কয়েকটি অঞ্চলে হালকা  থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি ইতিমধ্যে  দেশের মধ্যাঞ্চল ও আশপাশ এলাকায় অবস্থান করছে।
সিলেট আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপসহকারী আবহাওয়াবিদ অমর চন্দ্র তালুকদার বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে এসেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী ২৪ ঘণ্টায় ৮৮ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হলে অতি ভারী বৃষ্টিপাত ধরা হয়। আবার ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হলে ভারী বৃষ্টিপাত ধরা হয়।
 মৌলভীবাজার তলিয়ে গেছে শতাধিক গ্রাম-
টানা বৃষ্টিপাত ও ভারত থেকে আসা ঢলে মৌলভীবাজার জেলার ৫টি নদ-নদীর পানি বিপদসামীর ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কুশিয়ারা নদী, মনু, ধলাই ও জুড়ী নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে। এতে জেলা সদর, রাজনগর, কুলাউড়া, কমলগঞ্জ ও কুলাউড়া, জুড়ী এবং বড়লেখা উপজেলায় শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে হাজার-হাজার ঘরবাড়ি। কয়েক দিনের টানা বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল এবং উজান থেকে নেমে আসা পানিতে জেলার সবকটি নদ-নদীতে পানি বাড়ছে বলে জানিয়েছে মৌলভীবাজারের পাউবো। সংশ্লিষ্টরা জানান, টানা বর্ষণে মনু ও ধলাই নদীর অন্তত পাঁচটি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

  
মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, জেলার মনু নদী -রেলওয়ে ব্রিজ- বিপদসীমার ১০৫ সেন্টিমিটার চাঁদনীঘাট এলাকায় ৭০ সেন্টিমিটার- ধলাই নদীতে ৮  সেন্টিমিটার ও জুড়ী নদীতে বিপদসীমার ১৭৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কুশিয়ারা নদীর পানিও বিপদসীমা স্পর্শ করেছে। বন্যা কবলিত মানুষরা বলছেন- স্থানীয় জন প্রতিনিধি ও প্রশাসন মাঠে না থাকায় বিগত বন্যার মতো তারা সহযোগিতা পাচ্ছেন না। অনেক নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে পারছেন না। মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন  বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জাবেদ ইকবাল বলেন- ধলাই নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে আটটি স্থান দিয়ে বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। মনু নদীরও বাঁধও ভেঙে গেছে। ভারতের ত্রিপুরায় বৃষ্টি হওয়াতে নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। বৃষ্টি কমে গেলে পানি নেমে যাবে। এছাড়া যে সব স্থানে বাঁধ ভেঙেছে সেগুলোতে কাজ চলছে বলে তিনি জানান। এদিকে সিলেট বিভাগ জুড়ে সময় যথ গড়াচ্ছে তাতে বন্যার পানি বাড়তেছে তীব্র গতিতে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সাত বছর পরকীয়া, বিয়ের মাস পেরোতেই সেই স্ত্রীকে তালাক দিলেন রেলের ডিজির পিএস।

আবারও সিলেটে বন্যায় চোখ রাঙাচ্ছে- তলিয়ে যাচ্ছে শত শত গ্রাম।।

আপডেট সময় : 12:45:55 pm, Thursday, 22 August 2024

আবুল কাশেম রুমন- সিলেট।।

 

গত কয়েক দিনের ভারি বৃষ্টিপাত ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা পাসিদে সিলেটে বন্যায় আবারও নতুন করে চোখ রাঙাচ্ছে। প্রতিদিন বন্যার পানিতে তলিয়ে যাচ্ছে শত শত গ্রাম। বাড়ছে সিলেটে বিভাগের সব কয়েকটি নদ-নদীর পানি। প্লাবিত হচ্ছে নিম্নাঞ্চল।
সিলেটে বৃস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টা পর্যন্ত শেষ ২৪ ঘন্টায় ৬৩ দশমিক ৪ মিলিমিটার বৃষ্টি হয়েছে। আগের ২৪ ঘন্টার তুলনায় বৃষ্টি কমলেও বাড়ছে সিলেটের বিভিন্ন পয়েন্টের নদ-নদীর পানি। এর মধ্যে কুশিয়ারা নদীর তিন পয়েন্টে পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে।

এর মধ্যে কুশিয়ারা নদীর ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্ট- অমলশিদ ও শেরপুর পয়েন্টে পানি বিপদসীমা অতিক্রম করেছে। তবে অন্য কোনো নদ-নদীর পয়েন্টে বুধবার সন্ধ্যা পর্যন্ত বিপদসীমা অতিক্রম না করলেও বিপদসীমার কাছাকাছি রয়েছে। কুশিয়ারা নদীর  ফেঞ্চুগঞ্জ পয়েন্টে বিপদসীমার ১০ দশমিক ১০ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। নদীর ওই পয়েন্টে বিপদসীমা ৯ দশমিক ৪৫ সেন্টিমিটার।
কুশিয়ারা নদীর অমলশিদ পয়েন্টে বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় পানি বিপদসীমার ১৫ দশমিক ৪৬ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। নদীর ওই পয়েন্টে পানির বিপদসীমা ১৫ দশমিক ৪০ সেন্টিমিটার। কুশিয়ারা নদীর শেরপুর পয়েন্টে বুধবার সন্ধ্যা ৬টায় বিপদসীমার ৮ দশমিক ৫৮ ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছিল। নদীর ওই পয়েন্টে বিপদসীমা ৮ দশমিক ৫৫ সেন্টিমিটার। সে সব পয়েন্টে আর পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
এছাড়া বিপদসীমার কাছাকাছি রয়েছে কুশিয়ারা নদীর শেওলা, সুরমা নদীর সিলেট ও কানাইঘাট পয়েন্ট। বৃষ্টি না কমলে আজকের মধ্যে এসব পয়েন্ট বিপদসীমা অতিক্রম করতে পারে বলে আশঙ্কা করা হচ্ছে।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের সিলেট কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী দীপক রঞ্জন দাশ বলেন, সিলেটে বৃষ্টিপাত কমে এলেও বন্যা পরিস্থিতি নিয়ে এখনই কিছু বলা যাচ্ছে না। সিলেটের বৃষ্টিপাতের ওপর এই অঞ্চলের বন্যা পরিস্থিতি নির্ভর করে না। মূলত ভারত সীমান্তবর্তী এলাকা হওয়ায় পাহাড়ি ঢলের ফলে বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। তিনি বলেন, চলতি সময়ে বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টি হলেও ক্ষয়-ক্ষতির পরিমাণ কম হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
এদিকে আবহাওয়া অধিদপ্তর শুক্রবার পর্যন্ত সিলেটসহ দেশের কয়েকটি অঞ্চলে হালকা  থেকে ভারী বৃষ্টিপাতের পূর্বাভাস দিয়েছে। বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট লঘুচাপটি ইতিমধ্যে  দেশের মধ্যাঞ্চল ও আশপাশ এলাকায় অবস্থান করছে।
সিলেট আবহাওয়া অধিদপ্তরের উপসহকারী আবহাওয়াবিদ অমর চন্দ্র তালুকদার বলেন, মঙ্গলবার সন্ধ্যার পর থেকে বৃষ্টিপাতের পরিমাণ কমে এসেছে। আবহাওয়া অধিদপ্তরের হিসাব অনুযায়ী ২৪ ঘণ্টায় ৮৮ মিলিমিটারের বেশি বৃষ্টিপাত হলে অতি ভারী বৃষ্টিপাত ধরা হয়। আবার ২৪ ঘণ্টায় ৪৪ থেকে ৮৮ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হলে ভারী বৃষ্টিপাত ধরা হয়।
 মৌলভীবাজার তলিয়ে গেছে শতাধিক গ্রাম-
টানা বৃষ্টিপাত ও ভারত থেকে আসা ঢলে মৌলভীবাজার জেলার ৫টি নদ-নদীর পানি বিপদসামীর ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কুশিয়ারা নদী, মনু, ধলাই ও জুড়ী নদীর পানি বিপদসীমার ওপর দিয়ে বইছে। এতে জেলা সদর, রাজনগর, কুলাউড়া, কমলগঞ্জ ও কুলাউড়া, জুড়ী এবং বড়লেখা উপজেলায় শতাধিক গ্রাম প্লাবিত হয়েছে। তলিয়ে গেছে হাজার-হাজার ঘরবাড়ি। কয়েক দিনের টানা বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল এবং উজান থেকে নেমে আসা পানিতে জেলার সবকটি নদ-নদীতে পানি বাড়ছে বলে জানিয়েছে মৌলভীবাজারের পাউবো। সংশ্লিষ্টরা জানান, টানা বর্ষণে মনু ও ধলাই নদীর অন্তত পাঁচটি স্থানে ভাঙন দেখা দিয়েছে।

  
মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন বোর্ডের তথ্য অনুযায়ী, জেলার মনু নদী -রেলওয়ে ব্রিজ- বিপদসীমার ১০৫ সেন্টিমিটার চাঁদনীঘাট এলাকায় ৭০ সেন্টিমিটার- ধলাই নদীতে ৮  সেন্টিমিটার ও জুড়ী নদীতে বিপদসীমার ১৭৪ সেন্টিমিটার ওপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। কুশিয়ারা নদীর পানিও বিপদসীমা স্পর্শ করেছে। বন্যা কবলিত মানুষরা বলছেন- স্থানীয় জন প্রতিনিধি ও প্রশাসন মাঠে না থাকায় বিগত বন্যার মতো তারা সহযোগিতা পাচ্ছেন না। অনেক নিরাপদ আশ্রয়ে যেতে পারছেন না। মৌলভীবাজার পানি উন্নয়ন  বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী জাবেদ ইকবাল বলেন- ধলাই নদীর পানি বৃদ্ধি পেয়ে আটটি স্থান দিয়ে বাঁধে ভাঙন দেখা দিয়েছে। মনু নদীরও বাঁধও ভেঙে গেছে। ভারতের ত্রিপুরায় বৃষ্টি হওয়াতে নদ-নদীতে পানি বৃদ্ধি পেয়েছে। বৃষ্টি কমে গেলে পানি নেমে যাবে। এছাড়া যে সব স্থানে বাঁধ ভেঙেছে সেগুলোতে কাজ চলছে বলে তিনি জানান। এদিকে সিলেট বিভাগ জুড়ে সময় যথ গড়াচ্ছে তাতে বন্যার পানি বাড়তেছে তীব্র গতিতে।