Dhaka , Wednesday, 27 May 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
জনদুর্ভোগে এগিয়ে এলেন ছাত্রদল নেতা নাছির, নিজ টাকায় সড়ক মেরামত রামগঞ্জের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের ছবি ব্যবহার করে ফেসবুকে অপপ্রচার থানায় জিডি জঙ্গল সলিমপুরে ‘ইয়াসিন-ফারুক সাম্রাজ্য’! পাহাড়ের গুহায় অস্ত্র কারখানা, প্রশাসনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতির অভিযোগ আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে সীমান্তে কঠোর অবস্থানে ১৫ বিজিবি: ফুলবাড়ীতে মাদক স্পটে অভিযানে ৬০ বোতল ইস্কাপ সিরাপ জব্দ ‘হাটগুলোতে স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে’: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ঈদের জামাতের জন্য প্রস্তুত জমিয়তুল ফালাহ ময়দান: চসিক মেয়র ঈদের ছুটিতে একসঙ্গে ফিরছিলেন বাড়ি, এবার পাশাপাশি কবরে শায়িত তারা কালশী বস্তিতে ভয়াবহ আগুন: একদিন আগেও ছিল ঘর, আজ ফ্লাইওভারের নিচেই তাদের ঠিকানা সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় হবে ঈদুল আজহার জামাত রায়পুরায় দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা নোয়াখালীতে নসিমন উল্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু মির্জাপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবকের মৃত্যু হাজরাপুর ইউনিয়নে তরুণদের আস্থার প্রতীক চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সাইমুম সিরাজ শোয়ার আগে যে কাজটি করতে ভোলেন না ক্যাটরিনা ইউরো জেতানো অধিনায়ককে ছাড়াই স্পেনের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা আঘাত বা ক্ষত যখন ক্যানসারে রূপ নেয়, যেসব লক্ষণ অবহেলা করা যাবে না গাছের তাল পাড়তে নিষেধ করায় প্রতিবেশীর বর্বরোচিত হামলা, বৃদ্ধ গুরুতর আহত ৬ ঘন্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য চসিকের, নগরজুড়ে তদারকিতে থাকবেন মেয়র ডা. শাহাদাত রূপগঞ্জে ফল ব্যবসায়ী হত্যার বিচারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল পাইকগাছায় অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন; আইনগত ব্যবস্থার দাবি রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে অপপ্রচারের প্রতিবাদে রূপগঞ্জে যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলন নদীর তীরে হাঁটতে গিয়ে পেলেন ২০ কেজির কোরাল মাছ পাইকগাছায় কোরবানির পশু জবাই ও চামড়া সংরক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ঢাকা-৫ এর জলাবদ্ধতা নিরসনে এমপি কামাল হোসেন এর দ্রুত হস্তক্ষেপ চায় এলাকাবাসী আধুনিকতার চাপে অস্তিত্ব সংকটে কামার শিল্প আমি মোদির বড় ভক্ত: ট্রাম্প জাতীয় ঈদগাহে প্রধান জামাত সকাল সাড়ে ৭টায়: ডিএসসিসি প্রশাসক বিজেপির বিরুদ্ধে লড়াই জোরদার করতে ইন্ডিয়া জোটের বৈঠক ডাকলেন মমতা প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে এডিবি প্রেসিডেন্টের সৌজন্য সাক্ষাৎ ঈদযাত্রায় ঝুঁকি এড়াতে যে পরামর্শ দিলেন শায়খ আহমাদুল্লাহ

ইবির বাজেটের ৭৮ শতাংশই বরাদ্দ বেতন-ভাতা ও পেনশনে।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 11:56:17 am, Thursday, 4 July 2024
  • 119 বার পড়া হয়েছে

ইবির বাজেটের ৭৮ শতাংশই বরাদ্দ বেতন-ভাতা ও পেনশনে।।

ইবি প্রতিনিধি।।
  
  
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের -ইবি- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ১৮২ কোটি ৭৭ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে। যা গত অর্থবছরে বরাদ্দকৃত বাজেটের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে ২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। বাজেটে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও পেনশন বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪২ কোটি ৬৩ লাখ ৫ হাজার টাকা- যা মোট বাজেটের ৭৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। অন্যদিকে বরাবরের মতোই উপেক্ষা করা হয়েছে গবেষণা ও উদ্ভাবন খাতকে। এতে বরাদ্দ রয়েছে ২ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। যা মূল বাজেটের ১.৫২ শতাংশ।
অর্থ ও হিসাব শাখা সূত্রে জানা গেছে- অনুমোদিত বাজেটের মধ্যে ১৭৩ কোটি ৫ লাখ টাকা দেবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন -ইউজিসি-। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব খাত থেকে আসবে ৯ কোটি ৭২ লাখ। বাজেটে শিক্ষক- কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও বিশেষ সুবিধা বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে ১২১ কোটি ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। যা মোট বাজেটের ৬৬ দশমিক ২২ শতাংশ। আর পেনশন বাবদ ২১ কোটি ৩২ লাখ ২৯ হাজার টাকা। যা মোট বাজেটের ১১ দশমিক ৬৭ শতাংশ। এছাড়া অবসর ভাতাভোগীদের জন্য বিশেষ সুবিধা বাবদ ২৭ লাখ ৭১ হাজার টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে। যা মোট বাজেটের শূন্য দশমিক ১৫ শতাংশ। সবমিলিয়ে বাজেটের ৭৮.০৪ শতাংশ ব্যয় হবে শিক্ষক- কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ- পেনশন ও বিশেষ সুবিধা প্রদানে।
অন্যদিকে বাজেটে গুরুত্ব পায়নি গবেষণা-উদ্ভাবন ও শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট খাতগুলো। গবেষণা ও উদ্ভাবন খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের ১ দশমিক ৫২ শতাংশ। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সহায়তায় ৩৫ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের ০.১৯ শতাংশ। এছাড়া ছাত্রকল্যাণ তহবিল বাবদ কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি।
এছাড়া বাজেটে পণ্য ও সেবা -সাধারণ ও মেরামত- ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের ১৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ। যন্ত্রপাতি অনুদান খাতে ১ কোটি ৪৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। যা মোট বাজেটের শূন্য দশমিক ৮১ শতাংশ। যানবাহন বাবদ ৫২ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের শূন্য দশমিক ২৮ শতাংশ। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অনুদান বাবদ ৩৭ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের শূন্য দশমিক ২ শতাংশ। অন্যান্য মূলধন অনুদান বাবদ বরাদ্দ রয়েছে ৫০ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের শূন্য দশমিক ২৭ শতাংশ।
এদিকে এবারের বাজেটেও শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট খাতগুলো বরাবরের মতো অবহেলিত বলে মনে করছেন বাজেট বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। গবেষণা খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ আগের তুলনায় কিছুটা বাড়লেও তা পর্যাপ্ত নয় বলে মনে করেন তারা।
শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বলছেন- বাজেটের সিংহভাগই ব্যয় হবে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-বাতা ও পেনশন বাবদ। অন্যদিকে বাজেটে শিক্ষার্র্থী সংশ্লিষ্ট খাতে যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ তা দিয়ে শিক্ষার্থীদের চাহিদা কোনোভাবেই পূরণ সম্ভব নয়।
অর্থ ও হিসাব শাখার পরিচালক জাকির হোসেন বলেন, চাহিদা দেওয়ার সময় আমরা মূল বাজেটের প্রায় ১০ থেকে ২৫ শতাংশ গবেষণা ও শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট খাতগুলোতে দিয়ে থাকি। কিন্তু ইউজিসি না দিলে তো আমাদের কিছু করার নেই। ইউজিসি বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ আয় বাড়াতে বলেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ আয় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ফি থেকেই আসে। সেটাতো আর চাইলেই প্রশাসন বাড়াতে পারে না।
অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল মুঈদ বলেন- বাজেট প্রণয়ণ একটি গতানুগতিক কাজ। বিশ্ববিদ্যালয় কিভাবে চলবে তার খরচের একটা আর্থিক হিসাবমাত্র। আর সেটা অনুমোদন করে ইউজিসি। একটি রাষ্ট্রের বাজেটের মধ্যে যেমন বিভিন্ন উদ্ভাবনী দিক থাকে এটা সেরকম না। এখানে প্রশাসনের ক্রিয়েটিভ কিছু করার নেই। চাইলেই তারা একটা কিছু করতে পারবে না। গবেষণা খাতে চাইলেই তো আর সরকার দিয়ে দিবে না। তবে গবেষণা ও শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট খাতগুলোতে বরাদ্দ আরও বাড়ানো উচিৎ। চাহিদা দেওয়ার সময় অবশ্যই আরও বাড়িয়ে দেওয়া উচিত। দেওয়া না দেওয়া সরকারের বিষয়।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জনদুর্ভোগে এগিয়ে এলেন ছাত্রদল নেতা নাছির, নিজ টাকায় সড়ক মেরামত

ইবির বাজেটের ৭৮ শতাংশই বরাদ্দ বেতন-ভাতা ও পেনশনে।।

আপডেট সময় : 11:56:17 am, Thursday, 4 July 2024
ইবি প্রতিনিধি।।
  
  
ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়ের -ইবি- ২০২৪-২৫ অর্থবছরের জন্য ১৮২ কোটি ৭৭ লাখ টাকার বাজেট অনুমোদন করা হয়েছে। যা গত অর্থবছরে বরাদ্দকৃত বাজেটের তুলনায় বৃদ্ধি পেয়েছে ২ কোটি ৩৯ লাখ টাকা। বাজেটে শিক্ষক-কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও পেনশন বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে ১৪২ কোটি ৬৩ লাখ ৫ হাজার টাকা- যা মোট বাজেটের ৭৮ দশমিক ০৪ শতাংশ। অন্যদিকে বরাবরের মতোই উপেক্ষা করা হয়েছে গবেষণা ও উদ্ভাবন খাতকে। এতে বরাদ্দ রয়েছে ২ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। যা মূল বাজেটের ১.৫২ শতাংশ।
অর্থ ও হিসাব শাখা সূত্রে জানা গেছে- অনুমোদিত বাজেটের মধ্যে ১৭৩ কোটি ৫ লাখ টাকা দেবে বিশ্ববিদ্যালয় মঞ্জুরি কমিশন -ইউজিসি-। বিশ্ববিদ্যালয়ের নিজস্ব খাত থেকে আসবে ৯ কোটি ৭২ লাখ। বাজেটে শিক্ষক- কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা ও বিশেষ সুবিধা বাবদ ব্যয় ধরা হয়েছে ১২১ কোটি ৩ লাখ ৫০ হাজার টাকা। যা মোট বাজেটের ৬৬ দশমিক ২২ শতাংশ। আর পেনশন বাবদ ২১ কোটি ৩২ লাখ ২৯ হাজার টাকা। যা মোট বাজেটের ১১ দশমিক ৬৭ শতাংশ। এছাড়া অবসর ভাতাভোগীদের জন্য বিশেষ সুবিধা বাবদ ২৭ লাখ ৭১ হাজার টাকা বরাদ্দ ধরা হয়েছে। যা মোট বাজেটের শূন্য দশমিক ১৫ শতাংশ। সবমিলিয়ে বাজেটের ৭৮.০৪ শতাংশ ব্যয় হবে শিক্ষক- কর্মকর্তা ও কর্মচারীদের বেতন-ভাতা পরিশোধ- পেনশন ও বিশেষ সুবিধা প্রদানে।
অন্যদিকে বাজেটে গুরুত্ব পায়নি গবেষণা-উদ্ভাবন ও শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট খাতগুলো। গবেষণা ও উদ্ভাবন খাতে বরাদ্দ ধরা হয়েছে ২ কোটি ৭৭ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের ১ দশমিক ৫২ শতাংশ। প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা সহায়তায় ৩৫ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের ০.১৯ শতাংশ। এছাড়া ছাত্রকল্যাণ তহবিল বাবদ কোনো বরাদ্দ রাখা হয়নি।
এছাড়া বাজেটে পণ্য ও সেবা -সাধারণ ও মেরামত- ব্যয় ধরা হয়েছে ৩৩ কোটি ৮৭ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের ১৮ দশমিক ৫৩ শতাংশ। যন্ত্রপাতি অনুদান খাতে ১ কোটি ৪৭ লাখ ৫০ হাজার টাকা। যা মোট বাজেটের শূন্য দশমিক ৮১ শতাংশ। যানবাহন বাবদ ৫২ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের শূন্য দশমিক ২৮ শতাংশ। তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি অনুদান বাবদ ৩৭ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের শূন্য দশমিক ২ শতাংশ। অন্যান্য মূলধন অনুদান বাবদ বরাদ্দ রয়েছে ৫০ লাখ টাকা। যা মোট বাজেটের শূন্য দশমিক ২৭ শতাংশ।
এদিকে এবারের বাজেটেও শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট খাতগুলো বরাবরের মতো অবহেলিত বলে মনে করছেন বাজেট বিশেষজ্ঞ ও শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা। গবেষণা খাতে বরাদ্দকৃত অর্থ আগের তুলনায় কিছুটা বাড়লেও তা পর্যাপ্ত নয় বলে মনে করেন তারা।
শিক্ষক-শিক্ষার্থীরা বলছেন- বাজেটের সিংহভাগই ব্যয় হবে কর্মকর্তা-কর্মচারীদের বেতন-বাতা ও পেনশন বাবদ। অন্যদিকে বাজেটে শিক্ষার্র্থী সংশ্লিষ্ট খাতে যে পরিমাণ অর্থ বরাদ্দ তা দিয়ে শিক্ষার্থীদের চাহিদা কোনোভাবেই পূরণ সম্ভব নয়।
অর্থ ও হিসাব শাখার পরিচালক জাকির হোসেন বলেন, চাহিদা দেওয়ার সময় আমরা মূল বাজেটের প্রায় ১০ থেকে ২৫ শতাংশ গবেষণা ও শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট খাতগুলোতে দিয়ে থাকি। কিন্তু ইউজিসি না দিলে তো আমাদের কিছু করার নেই। ইউজিসি বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ আয় বাড়াতে বলেছে। বিশ্ববিদ্যালয়ের অভ্যন্তরীণ আয় শিক্ষার্থীদের বিভিন্ন ফি থেকেই আসে। সেটাতো আর চাইলেই প্রশাসন বাড়াতে পারে না।
অর্থনীতি বিভাগের অধ্যাপক আব্দুল মুঈদ বলেন- বাজেট প্রণয়ণ একটি গতানুগতিক কাজ। বিশ্ববিদ্যালয় কিভাবে চলবে তার খরচের একটা আর্থিক হিসাবমাত্র। আর সেটা অনুমোদন করে ইউজিসি। একটি রাষ্ট্রের বাজেটের মধ্যে যেমন বিভিন্ন উদ্ভাবনী দিক থাকে এটা সেরকম না। এখানে প্রশাসনের ক্রিয়েটিভ কিছু করার নেই। চাইলেই তারা একটা কিছু করতে পারবে না। গবেষণা খাতে চাইলেই তো আর সরকার দিয়ে দিবে না। তবে গবেষণা ও শিক্ষার্থী সংশ্লিষ্ট খাতগুলোতে বরাদ্দ আরও বাড়ানো উচিৎ। চাহিদা দেওয়ার সময় অবশ্যই আরও বাড়িয়ে দেওয়া উচিত। দেওয়া না দেওয়া সরকারের বিষয়।