মো.ইমরান হোসেন
স্টাফ রিপোর্টার।।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গাজীপুরে ৫টি সংসদীয় আসনে ভোট কেন্দ্রের সংখ্যা ৯৩৫টি। এর মধ্যে ৫৯৫টি ভোটকেন্দ্রকেই ঝুকিপূর্ণ বা অতি গুরুত্বপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করেছে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।
গাজীপুর-১ -কালিয়াকৈর-বাসন, কোনাবাড়ি ও কাশিমপুর- আসন থেকে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক। তার সঙ্গে লড়ছেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ও সাবেক উপজেলা চেয়ারম্যান রেজাউল করিম রাসেল। এ আসনে ১২৮টি ভোট কেন্দ্রের মধ্যে অতি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে ৮২টি। ভোটার আছে ৬ লাখ ৯৫ হাজার ৮৬৪ জন। এই আসনের কালিয়াকৈর উপজেলার সফিপুর, চন্দ্রা পল্লীবিদ্যুৎ ও মৌচাক এলাকাসহ কয়েকটি কেন্দ্র অধিক ঝুঁকিপূর্ণ রয়েছে।
গাজীপুর-২ -সিটি করপোরেশনের ৩৬টি ওয়ার্ড- আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী জাহিদ আহসান রাসেল। তার সঙ্গে লড়ছেন মহানগর আওয়ামী লীগের সাবেক সহ সভাপতি কাজী আলিম উদ্দিন। এই আসনে ভোট কেন্দ্র ৪০০টি। এখানের টঙ্গী, আউচপাড়া, এরশাদনগরসহ বেশি কয়েকটি এলাকা নানা কারনে ভোটের সময়ে উত্তপ্ত পরিস্থিতি থাকে। যার কারণে এই আসনের ২৯৭টি কেন্দ্রকে অতি ঝুঁকিপূর্ণ এবং ১০৩টি কেন্দ্রকে কম ঝুঁকিপূর্ণ হিসেবে চিহ্নিত করা হয়েছে।
গাজীপুর-৩ -শ্রীপুর ও গাজীপুর সদরের আংশিক- আসনে আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী রোমানা আলী। তার সঙ্গে প্রতিদ্বন্দ্বিতায় রয়েছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী বর্তমানে সংসদ সদস্য ইকবাল হোসেন সবুজ। এ আসনে ভাওয়ালগড়, পিরুজালী ও মির্জাপুর ইউনিয়নসহ ১৮০টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। এর মধ্যে ৯০টি কেন্দ্রকেই ঝুকিপূর্ণ হিসাবে ঘোষণা করা হয়েছে।
গাজীপুর-৪ -কাপাসিয়া- আসনে নির্বাচন করছেন আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী সিমিন হোসেন রিমি। তার সঙ্গে লড়ছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী আলম আহমেদ। এই আসনে মোট ভোট কেন্দ্র সংখ্যা ১২২টি। এর মধ্যে অতি ঝুঁকিপূর্ণ কেন্দ্র রয়েছে ৭২টি, কম ঝুঁকিপূর্ণ ৫০টি কেন্দ্র রয়েছে।
গাজীপুর-৫ -কালীগঞ্জ, সিটির তিনটি ওয়ার্ড ও বাড়িয়া ইউনিয়ন-আওয়ামী লীগের দলীয় প্রার্থী মেহের আফরোজ চুমকি। এখানে স্বতন্ত্র হিসাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন গাজীপুর জেলা পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান আখতারউজ্জামান। আসনে ভোট কেন্দ্র সংখ্যা ১০৫টি। এর মধ্যে অধিক ঝুঁকিপূর্ণ ৫৪টি ও কম ঝুঁকিপূর্ণ ৫১টি।
গাজীপুরের পুলিশ সুপার এস এম কাজী সফিকুল আলম জানান, নির্বাচনের কেন্দ্রগুলোতে সার্বিক নিরাপত্তার জন্য প্রয়োজনীয় সংখ্যক পুলিশ ও আনসার সদস্য মোতায়েন থাকবে। নির্বাচনের সময় ভোট কেন্দ্রসমূহে মোবাইল টিম কাজ করবে। থাকবে নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট। সার্বিক নিরাপত্তায় আইনশৃংখলা বাহিনীর সদস্যরা সার্বক্ষণিক প্রস্তুত থাকবে।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ও জেলা প্রশাসক আবুল ফাতে মোহাম্মদ সফিকুল ইসলাম জানান, গাজীপুরে ৫টি আসনে ৯৩৫টি ভোট কেন্দ্র রয়েছে। সবগুলি কেন্দ্রকে আমরা গুরুত্ব দিচ্ছি। শান্তিপূর্ণভাবে নির্বাচন সম্পন্ন করতে যা করা প্রয়োজন, আমরা সবরকম প্রস্তুতি নিচ্ছি।

























