Dhaka , Tuesday, 10 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
রূপগঞ্জে মুক্তিপণের জন্য সাংবাদিককে অপহরণ, ৫ ঘণ্টা পর উদ্ধার সাভারে ঈদকে ঘিরে র‌্যাবের বিশেষ অভিযান: হাতে-নাতে ৪ ছিনতাইকারী গ্রেফতার চট্টগ্রাম-১৪ আসনের ব্যালট সংরক্ষণে হাইকোর্টের নির্দেশ গভীর রাতে মন্ত্রীর কুকুরছানা উদ্ধার অভিযান জোড়া শালিক আর স্মৃতির ভায়োলিন নারী-পুরুষ সমঅধিকারেই টেকসই উন্নয়ন জয়পুরহাটে স্ট্রবেরি চাষে কৃষকের বিঘায় লাভ আড়াই লাখ ৩৭৮ বছরের মল্লিকপুর জামে মসজিদ সংরক্ষণের অভাবে হারাচ্ছে মোগল ঐতিহ্য আশুগঞ্জ পাওয়ার স্টেশন কোম্পানিতে চাকরি ইন্টারনেট নীতিমালা নিয়ে চলছে বৈশ্বিক আলোচনা উপবৃত্তির টাকা বিতরণে বড় পদক্ষেপ সরকারের দুই সাংবাদিকের উপর হামলার ঘটনায় ডিআরইউ’র নিন্দা শেষ দশকে যেসব ইবাদতে মনোযোগ বাড়াতে বললেন সৌদির গ্র্যান্ড মুফতি আলোচনায় প্রধানমন্ত্রীর নতুন ধারার সিদ্ধান্ত পর্তুগালে প্রবাসী বাংলাদেশির মৃত্যু ইফতারে ফলের সালাদ তৈরির রেসিপি বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়ের নতুন ভিসি এফ এম সিদ্দিকী আইনি শর্তে কানাডায় টিকটক চলবে ঈদে মুক্তি নিয়ে অনিশ্চয়তায় অপু বিশ্বাসের ‘দুর্বার’ ২৪ বছর বয়সে পাকিস্তান ক্রিকেটকে বিদায় জানালেন শাহজাইব ভাট্টি এশিয়ার শেয়ার বাজারে উত্থান সোনার দাম ৩২৬৬ টাকা বেড়ে ভরি ২ লাখ ৬৮ হাজার বিকল্প উৎস থেকে জ্বালানি সরবরাহে দ্রুত উদ্যোগ নিতে সরকারের প্রতি আহ্বান ডিজিটাল পেমেন্টে কেনাকাটার অভিজ্ঞতা বদলাতে পারে ভিসা:মা‌র্কিন রাষ্ট্রদূত বেতাগীর বুড়ামজুমদার ইউ’পি নির্বাচনে আলোচনায় ১২ সম্ভাব্য প্রার্থী রামগঞ্জে বিএনপি ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত যেকোনো সংকট নিরসনে সকলকে ঐক্যবদ্ধ হয়ে কাজ করতে হবে: আজাদ রামুর দুইজন মাদককারবারী ইয়াবাসহ গ্রেফতার নোয়াখালীতে অবসরপ্রাপ্ত ১৪ শিক্ষককে বিদায় সংবর্ধনা নোয়াখালীতে খাল পড়ে ছিল অজ্ঞাত যুবকের বস্তাবন্দী গলাকাটা লাশ

৩৭৮ বছরের মল্লিকপুর জামে মসজিদ সংরক্ষণের অভাবে হারাচ্ছে মোগল ঐতিহ্য

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 12:22:59 pm, Tuesday, 10 March 2026
  • 4 বার পড়া হয়েছে

নিউজ ডেস্ক,

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার প্রাচীন মল্লিকপুর জামে মসজিদ অবহেলা ও সংস্কারের অভাবে ধীরে ধীরে হারাচ্ছে তার ঐতিহাসিক জৌলুস। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, মোগল আমলে নির্মিত এই নিদর্শন ভবিষ্যতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

মসজিদটি নলছিটি পৌর শহরের নলছিটি-বরিশাল মহাসড়কের পাশে, কেন্দ্রীয় গোরস্থানের সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত। ধারণা করা হয়, এটি মোগল সম্রাট শাহজাহানের পুত্র শাহজাদা শাহ সুজা এর উদ্যোগে ১৬৪৮ সালে নির্মিত হয়েছিল। বর্তমানে মসজিদটির বয়স প্রায় ৩৭৮ বছর।

মসজিদটি এক গম্বুজ বিশিষ্ট, প্রায় ৩০ ফুট লম্বা ও ১৭ ফুট চওড়া, ৩২ ইঞ্চি পুরু দেয়াল চুন-সুড়কি দিয়ে তৈরি। এটি স্থানীয়ভাবে মোগল স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন হিসেবে পরিচিত। মসজিদটির বর্তমান ইমাম মুফতি ইব্রাহিম গাজী জানান, মূল কক্ষে প্রায় ১৫–২০ জন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন, তবে তিন পাশে বারান্দা নির্মাণের ফলে এখন প্রায় শতাধিক মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারেন।

স্থানীয়রা জানান, নদী ভাঙনের কারণে সুজাবাদ কেল্লার অনেক অংশ বিলীন হয়ে গেলেও এই মসজিদটি এখনো এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্মারক। মুসল্লি তাজুল ইসলাম নান্না মোল্লা বলেন, “যথাযথ সংরক্ষণ না হলে এই প্রাচীন নিদর্শন ধ্বংসের পথে চলে যেতে পারে।”

প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সাবেক আঞ্চলিক পরিচালক মোহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, মল্লিকপুর মসজিদ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে তালিকাভুক্ত নয়। তবে প্রাথমিক অনুসন্ধান সম্পন্ন হয়েছে এবং পূর্ণাঙ্গ জরিপ করলে এর প্রকৃত ঐতিহাসিক গুরুত্ব নির্ধারণ সম্ভব হবে। যদি প্রমাণিত হয় যে এটি মোগল আমলের নিদর্শন, দপ্তর সংরক্ষণ ও সংস্কারের উদ্যোগ নেবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

৩৭৮ বছরের মল্লিকপুর জামে মসজিদ সংরক্ষণের অভাবে হারাচ্ছে মোগল ঐতিহ্য

আপডেট সময় : 12:22:59 pm, Tuesday, 10 March 2026

নিউজ ডেস্ক,

ঝালকাঠির নলছিটি উপজেলার প্রাচীন মল্লিকপুর জামে মসজিদ অবহেলা ও সংস্কারের অভাবে ধীরে ধীরে হারাচ্ছে তার ঐতিহাসিক জৌলুস। স্থানীয়রা আশঙ্কা করছেন, মোগল আমলে নির্মিত এই নিদর্শন ভবিষ্যতে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে।

মসজিদটি নলছিটি পৌর শহরের নলছিটি-বরিশাল মহাসড়কের পাশে, কেন্দ্রীয় গোরস্থানের সংলগ্ন এলাকায় অবস্থিত। ধারণা করা হয়, এটি মোগল সম্রাট শাহজাহানের পুত্র শাহজাদা শাহ সুজা এর উদ্যোগে ১৬৪৮ সালে নির্মিত হয়েছিল। বর্তমানে মসজিদটির বয়স প্রায় ৩৭৮ বছর।

মসজিদটি এক গম্বুজ বিশিষ্ট, প্রায় ৩০ ফুট লম্বা ও ১৭ ফুট চওড়া, ৩২ ইঞ্চি পুরু দেয়াল চুন-সুড়কি দিয়ে তৈরি। এটি স্থানীয়ভাবে মোগল স্থাপত্যের অনন্য নিদর্শন হিসেবে পরিচিত। মসজিদটির বর্তমান ইমাম মুফতি ইব্রাহিম গাজী জানান, মূল কক্ষে প্রায় ১৫–২০ জন মুসল্লি নামাজ আদায় করতে পারেন, তবে তিন পাশে বারান্দা নির্মাণের ফলে এখন প্রায় শতাধিক মুসল্লি একসঙ্গে নামাজ আদায় করতে পারেন।

স্থানীয়রা জানান, নদী ভাঙনের কারণে সুজাবাদ কেল্লার অনেক অংশ বিলীন হয়ে গেলেও এই মসজিদটি এখনো এলাকার ইতিহাস ও ঐতিহ্যের স্মারক। মুসল্লি তাজুল ইসলাম নান্না মোল্লা বলেন, “যথাযথ সংরক্ষণ না হলে এই প্রাচীন নিদর্শন ধ্বংসের পথে চলে যেতে পারে।”

প্রত্নতত্ত্ব অধিদপ্তরের সাবেক আঞ্চলিক পরিচালক মোহিদুল ইসলাম জানিয়েছেন, মল্লিকপুর মসজিদ এখনও আনুষ্ঠানিকভাবে তালিকাভুক্ত নয়। তবে প্রাথমিক অনুসন্ধান সম্পন্ন হয়েছে এবং পূর্ণাঙ্গ জরিপ করলে এর প্রকৃত ঐতিহাসিক গুরুত্ব নির্ধারণ সম্ভব হবে। যদি প্রমাণিত হয় যে এটি মোগল আমলের নিদর্শন, দপ্তর সংরক্ষণ ও সংস্কারের উদ্যোগ নেবে।