Dhaka , Saturday, 5 April 2025
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
কয়েলের আগুনে পুড়ে ছাই হল চারজন দিনমজুরের ঘরবাড়ি, ক্ষয়ক্ষতির দাবি ২২ লাখ। তুচ্ছ ঘটনায় ছাদে ডেকে নিয়ে বন্ধুকে ছুরিকাঘাত। শরীয়তপুরে চাঁদাবাজির এক ভিন্ন কৌশলে নিঃস্ব আলেকজান বিবি। বেতাগী  কাউনিয়া এমদাদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের১- পুনর্মিলনী-২০২৫ ।  সাভারে বিরুলিয়া হত্যার উদ্দেশ্যে সাংবাদিক মাইনুল ইসলামের উপর মাদক ব্যবসায়ী অতর্কিত হামলা। রায়পুরা  মেঘনা নদীর তীরে মনোরম পরিবেশে ঈদের আনন্দ  জমে উঠেছে। সাতকানিয়ায় দীর্ঘদিন পর প্রকাশ্যে জামায়াতের ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত।  সরাইলে সমাজ কর্মিরা হাসি ফোটালো আতিকের মুখে। নোয়াখালীতে জমজ ২ দুই বোনকে ধর্ষণ। কুড়িগ্রামের ভূরুঙ্গামারীতে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর ঈদ পুনর্মিলনী অনুষ্ঠিত হয়েছে।  লোহাগাড়া উপজেলার চুনতিতে একই স্থানে সড়ক দুর্ঘটনায় তিনদিনে প্রাণ গেল ১৫ জনের! ঈদের ছুটিতে  কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে  পর্যটকের ঢল…  ছাত্রদলের নেতাকর্মিদের বিরুদ্ধে বিনোদন কেন্দ্রে হামলার অভিযোগ, পুলিশসহ আহত ৭  ।  নোয়াখালীতে বিএনপি নেতাকে কোপালেন যুবলীগ-ছাত্রলীগ নেতকর্মি। পদ্মাসেতু নাওডোবা এলাকায় ৩ মোটরসাইক মুখোমুখি সংঘর্ষে – ৪ জন নিহত, আহত – ২  ।  কক্সবাজারের রামুতে গরু পাচারকে কেন্দ্র করে গুলিবিদ্ধ হয়ে একজন নিহত : অস্ত্র উদ্ধার। মেহেরপুরে ঈদের পূর্বেই আরেকটি ঈদের আনন্দ!  টাঙ্গাইলে সৌদির সাথে মিল রেখে ৪০ পরিবারের ঈদ উদযাপন। রায়পুরা উপজেলার নিলক্ষা আবুল হাসেম উচ্চ বিদ্যালয়ের ২০১৩ সালের এস,এস,সি শিক্ষার্থীদের উদ্যেগে মিলন মেলা ও ইফতারের আয়োজন করেছে উক্ত স্কুলের সাবেক শিক্ষার্থীরা। জাজিরায় পাঞ্জেরীর প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীতে ৪০ জন রক্তদাতাকে সম্মাননা। নেত্রকোণার কলমাকান্দায় শহীদ পরিবারের মাঝে ব্যারিস্টার কায়সার কামালের ঈদ উপহার। দেশবাসীর শান্তি ও কল্যাণ কামনায় গাওকান্দিয়া  ইউনিয়ন ছাত্রদলের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত। শেখ হাসিনার সুরে কথা বলছে অন্তর্বর্তী সরকার- আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী ঈদের জামাতের জন্য প্রস্তুত নগরীর জমিয়তুল ফালাহ ময়দান- চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন সুবিধাবঞ্চিতদের পাশে দাঁড়ানো সমাজের নৈতিক দায়িত্ব- চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন ফরিদপুরের নগরকান্দায় আগুনে ঘর পুড়ে ৩০ লাখ টাকার ক্ষতি, খোলা আকাশের নিচে পরিবার রেড ক্রিসেন্ট এর সৌজন্যে নগরীর তিনহাজার সুবিধাবঞ্চিত শিশু পেল ঈদের উপহার সিদ্ধিরগঞ্জে তরুন দলের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ভাড়াটিয়ার দোকানে তালা, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসকের বিরুদ্ধে মামলা গ্রীসে নবগঠিত শরীয়তপুর সমাজ কল্যাণ সমিতির কার্যকরী পরিষদের পরিচিত সভা

১১ এপ্রিল পর্যন্ত মালিকদের কারখানা বন্ধের অনুরোধ রুবানা হকের

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 04:43:05 pm, Saturday, 4 April 2020
  • 398 বার পড়া হয়েছে
  • দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত কারখানা বন্ধ রাখার জন্য মালিকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ড. রুবানা হক।
  • শনিবার (৪ এপ্রিল) রাতে এক অডিও বার্তায় তিনি এ অনুরোধ জানান। খানিক আগেই রুবানা হক এক বার্তায় বলেছিলেন, কাজের অর্ডার থাকলে পোশাক কারখানা খোলা রাখতে পারবেন মালিকরা। তবে এ ক্ষেত্রে অবশ্যই শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে।

    করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকার প্রথমে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে। এ ঘোষণার সঙ্গে পোশাক কারখানাগুলোও ছুটি দেয়া হয়। কিন্তু সরকার সাধারণ ছুটি বাড়িয়ে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত করলেও এবার কারখানা বন্ধের সময়সীমা বাড়ানোর কোনো ঘোষণা আসেনি। তাই ৫ এপ্রিল (রোববার) থেকে কারখানাগুলো খুলবে, এমন নির্দেশনায় ঢাকা অভিমুখে স্রোত নামে মানুষের।

    সংক্রমণ রোধে সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের বিভিন্ন পর্যায় কাজ করলেও এভাবে শ্রমিকদের ঢাকামুখী স্রোত সমালোচনার সৃষ্টি করে।

    এর মধ্যে দেয়া বার্তায় বিজিএমইএ সভাপতি ‘সার্বিক পরিস্থিতি’ বিবেচনা করে আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত কারখানা বন্ধ রাখার জন্য মালিকদের প্রতি অনুরোধ জানান।

    তার আগের বার্তায় তিনি বলেন, করোনা মহামারির এ সময়ে শিল্প প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার বিষয়ে কলকারখানা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরে থেকে একটি নির্দেশনা দিয়েছে, সেখানে স্পষ্ট লেখা আছে যেসব রফতানিমুখী শিল্পে আন্তর্জাতিক ক্রয়াদেশ আছে এবং যারা করোনার সরঞ্জামাদি, মাস্ক চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জামসহ (পিপিই) করোনা প্রতিরোধী সামগ্রী তৈরি করছে এমন কারখানাগুলো তাদের শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করে খোলা রাখতে পরবে। তাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব কিভাবে শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা দেব। দ্বিতীয় হচ্ছে মার্চ মাসের বেতন নিয়ে কোনো অনীহা থাকা যাবে না। মার্চ মাসের বেতন শ্রমিকরা পাবেনই এটা নিশ্চিত করতে চাই।

    তিনি বলেন, এ সময়ে শ্রমিক কোনো কারণে যদি কারখানায় উপস্থিত না থাকেন তাহলে মানবিক বিবেচনায় তার চাকরিটি হারাবেন না। এটি আমাদের বিজিএমইএ’র প্রত্যেকটি সদস্যের কাছে অনুরোধ করবো। আমি আশা করি পোশাক মালিকরা এটি শুনবেন।

    এর আগে গত ২৬ মার্চ এক বার্তায় বিজিএমইএ’র সভাপতি ড. রুবানা হক বলেছিলেন, করোনার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সরকার ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে। এ সময় জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বিবেচনায় তৈরি পোশাক কারখানাগুলোও বন্ধ রাখতে মালিকদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে বিজিএম

ট্যাগ :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রূপগঞ্জে বস্ত্র ও পাটমন্ত্রীর নির্দেশে নির্মিত চার সড়কের উদ্বোধন।।

পেকুয়ায় বেড়িবাঁধ ভেঙে লোকালয়ে প্লাবিত,২ শত পরিবার পানিবন্দী।।

কয়েলের আগুনে পুড়ে ছাই হল চারজন দিনমজুরের ঘরবাড়ি, ক্ষয়ক্ষতির দাবি ২২ লাখ।

১১ এপ্রিল পর্যন্ত মালিকদের কারখানা বন্ধের অনুরোধ রুবানা হকের

আপডেট সময় : 04:43:05 pm, Saturday, 4 April 2020
  • দেশের সার্বিক পরিস্থিতি বিবেচনা করে আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত কারখানা বন্ধ রাখার জন্য মালিকদের প্রতি অনুরোধ জানিয়েছেন বাংলাদেশ তৈরি পোশাক প্রস্তুত ও রফতানিকারক সমিতির (বিজিএমইএ) সভাপতি ড. রুবানা হক।
  • শনিবার (৪ এপ্রিল) রাতে এক অডিও বার্তায় তিনি এ অনুরোধ জানান। খানিক আগেই রুবানা হক এক বার্তায় বলেছিলেন, কাজের অর্ডার থাকলে পোশাক কারখানা খোলা রাখতে পারবেন মালিকরা। তবে এ ক্ষেত্রে অবশ্যই শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করতে হবে।

    করোনাভাইরাসের সংক্রমণ রোধে সরকার প্রথমে ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সাধারণ ছুটি ঘোষণা করে। এ ঘোষণার সঙ্গে পোশাক কারখানাগুলোও ছুটি দেয়া হয়। কিন্তু সরকার সাধারণ ছুটি বাড়িয়ে ১১ এপ্রিল পর্যন্ত করলেও এবার কারখানা বন্ধের সময়সীমা বাড়ানোর কোনো ঘোষণা আসেনি। তাই ৫ এপ্রিল (রোববার) থেকে কারখানাগুলো খুলবে, এমন নির্দেশনায় ঢাকা অভিমুখে স্রোত নামে মানুষের।

    সংক্রমণ রোধে সামাজিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য সরকারের বিভিন্ন পর্যায় কাজ করলেও এভাবে শ্রমিকদের ঢাকামুখী স্রোত সমালোচনার সৃষ্টি করে।

    এর মধ্যে দেয়া বার্তায় বিজিএমইএ সভাপতি ‘সার্বিক পরিস্থিতি’ বিবেচনা করে আগামী ১১ এপ্রিল পর্যন্ত কারখানা বন্ধ রাখার জন্য মালিকদের প্রতি অনুরোধ জানান।

    তার আগের বার্তায় তিনি বলেন, করোনা মহামারির এ সময়ে শিল্প প্রতিষ্ঠান খোলা রাখার বিষয়ে কলকারখানা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন অধিদফতরে থেকে একটি নির্দেশনা দিয়েছে, সেখানে স্পষ্ট লেখা আছে যেসব রফতানিমুখী শিল্পে আন্তর্জাতিক ক্রয়াদেশ আছে এবং যারা করোনার সরঞ্জামাদি, মাস্ক চিকিৎসকদের ব্যক্তিগত সুরক্ষা সরঞ্জামসহ (পিপিই) করোনা প্রতিরোধী সামগ্রী তৈরি করছে এমন কারখানাগুলো তাদের শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করে খোলা রাখতে পরবে। তাই আমাদের প্রধান দায়িত্ব কিভাবে শ্রমিকদের স্বাস্থ্য নিরাপত্তা দেব। দ্বিতীয় হচ্ছে মার্চ মাসের বেতন নিয়ে কোনো অনীহা থাকা যাবে না। মার্চ মাসের বেতন শ্রমিকরা পাবেনই এটা নিশ্চিত করতে চাই।

    তিনি বলেন, এ সময়ে শ্রমিক কোনো কারণে যদি কারখানায় উপস্থিত না থাকেন তাহলে মানবিক বিবেচনায় তার চাকরিটি হারাবেন না। এটি আমাদের বিজিএমইএ’র প্রত্যেকটি সদস্যের কাছে অনুরোধ করবো। আমি আশা করি পোশাক মালিকরা এটি শুনবেন।

    এর আগে গত ২৬ মার্চ এক বার্তায় বিজিএমইএ’র সভাপতি ড. রুবানা হক বলেছিলেন, করোনার প্রাদুর্ভাব ঠেকাতে সরকার ২৬ মার্চ থেকে ৪ এপ্রিল পর্যন্ত সরকারি-বেসরকারি সব প্রতিষ্ঠান বন্ধ ঘোষণা করেছে। এ সময় জনস্বাস্থ্যের ঝুঁকি বিবেচনায় তৈরি পোশাক কারখানাগুলোও বন্ধ রাখতে মালিকদের প্রতি আহ্বান জানাচ্ছে বিজিএম