
তৌহিদ বেলাল
ব্যুরো চিফ কক্সবাজার।।
১০২০ জন যাত্রী নিয়ে কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ হুইসেল বাজিয়ে রওয়ানা দিয়েছে ঢাকার পথে। শুক্রবার -১ ডিসেম্বর-কক্সবাজার-ঢাকা রুটে বাণিজ্যিকভাবে আনুষ্ঠানিক যাত্রা শুরু করলো এই ট্রেন।
ঢাকা-কক্সবাজার-ঢাকা রেলপথে যাত্রীবাহী প্রথম ট্রেন ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস শুক্রবার দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে প্রথমবারের মতো কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশন থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছাড়ে। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কক্সবাজারের স্টেশন মাস্টার গোলাম রাব্বানী।
তিনি জানান এক হাজার ২০ জন যাত্রী নিয়ে ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস ট্রেনটি দুপুর ১২টা ৩০ মিনিটে কক্সবাজার স্টেশন থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যায়।
ইতিহাসের স্বাক্ষী হওয়া ট্রেনযাত্রী কক্সবাজার পৌরসভার সাবেক মেয়র সরওয়ার কামাল বলেন কক্সবাজার-ঢাকাগামী বাণিজ্যিক রেলপথে ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’র প্রথম যাত্রী হতে পেরে আমি অত্যন্ত খুশি।যাত্রী চাহিদার প্রেক্ষিতে এই রুটে ট্রেনের সংখ্যা আরও বাড়ানোর দাবি জানান তিনি।
‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস যাত্রী বহন করে ইতিহাসের প্রথমবারের মতো কক্সবাজার আইকনিক রেলস্টেশন ছাড়ার মধ্যে দিয়ে কক্সবাজার জেলাসহ বৃহত্তর দক্ষিণ চট্টগ্রামবাসীর দীর্ঘ ১৩০ বছরের স্বপ্ন বাস্তবে রূপ নিলো। ট্রেন চলাচল ঘিরে কক্সবাজারের স্থানীয়দের মধ্যে আনন্দ ও উৎসবের আমেজ বিরাজ করে।
রেলওয়ে সূত্র জানা গেছে, কক্সবাজার থেকে ঢাকা যেতে ট্রেনটির সময় লাগবে ৮ ঘন্টা ১০ মিনিট। যাত্রী নিয়ে ট্রেনটি আজ রাত সাড়ে ১০টার দিকে পূণরায় রাজধানীর কমলাপুর রেলস্টেশন থেকে কক্সবাজারের উদ্দেশে ছাড়বে।
কক্সবাজার রেলস্টেশনের স্টেশন মাস্টার মো. ফরহাদ বিন জাফর আগের দিন বৃহস্পতিবার জানান উদ্বোধনী ট্রেনে ২৩টি বগি থাকবে।
গত ২৩ নভেম্বর উদ্বোধনী ট্রেনের টিকেট অনলাইনে বিক্রি শুরুর দিনের প্রথম আড়াই ঘণ্টায় বিক্রি হয়ে যায়।
রেলপথ মন্ত্রণালয় সূত্রে জানা গেছে নতুন এ রেলপথে চলাচলকারী ট্রেনটির নামকরণের জন্য মন্ত্রণালয় থেকে ছয়টি নাম প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার কাছে পাঠানো হয়। সেই ছয়টি নাম থেকে প্রধানমন্ত্রী ট্রেনটির নাম ‘কক্সবাজার এক্সপ্রেস’ চুড়ান্ত করেন।
চট্টগ্রামের দোহাজারি থেকে কক্সবাজার পর্যন্ত রেলপথ স্থাপন প্রকল্পের কাজ শুরু হয় ২০১৮ সালের জুনে। প্রকল্প বাস্তবায়নে ব্যয় হয় প্রায় ১৮ হাজার ৩৪ কোটি টাকা। গত ১১ নভেম্বর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা কক্সবাজারে এসে এই রেলপথের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করেন।
























