Dhaka , Friday, 27 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
জেলা গণঅধিকার পরিষদ উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন। মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস-২০২৬ উপলক্ষে মুক্তিযুদ্ধে আত্মদানকারী সকল বীর শহীদের প্রতি জেলা পুলিশের শ্রদ্ধা ও পুস্পস্তবক অর্পণ গণহত্যা দিবসে মোংলা উপজেলা প্রশাসনের পুষ্পস্তবক অর্পণ  চট্টগ্রাম-কক্সবাজার মহাসড়কে অটোরিকশায় প্রাইভেট কারের ধাক্কায়, ২ জন নিহত সাভারে জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করে রাষ্ট্রপতি ও প্রধানমন্ত্রী জাতির শ্রেষ্ঠ সন্তানদের প্রতি শ্রদ্ধা জানান। পাইকগাছায় যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত হাতীবান্ধায় পুলিশের হাতকড়া নিয়ে চম্পট: ১২ ঘণ্টার রুদ্ধশ্বাস অভিযানে জঙ্গল থেকে ফের ধরা চুরির আসামি দাওয়াত পাননি বীর প্রতীক আজিজুল হক: সাংস্কৃতিক কর্মীদের তীব্র ক্ষোভ ফতুল্লায় সড়ক দুর্ঘটনায় নারী গুরুতর আহত স্বাধীনতা দিবসে নারায়ণগঞ্জে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারকে সংবর্ধনা মহান স্বাধীনতা দিবসে চট্টগ্রামে বীর শহীদদের প্রতি প্রতিমন্ত্রী মীর হেলালের শ্রদ্ধা নিবেদন মধুপুরে ২৬মার্চ মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালিত রাউজানের কদলপুর এলাকা হতে পরিত্যাক্ত অবস্থায় ০১টি দেশীয় তৈরী রিভলবার ও ০২ রাউন্ড তাজা ১২ বোরের কার্তুজ উদ্ধার করেছে র‌্যাব-৭, চট্টগ্রাম দীর্ঘ এক যুগ আগের তিন হত্যা মামলায় পাটগ্রাম পৌর জামায়াত আমীর গ্রেপ্তার: পাঠানো হলো কারাগারে মির্জাপুরে অগ্নিকান্ডে দুই পরিবারের বসতঘর মালামাল পুড়ে ছাই: ০৫ বান্ডেল ঢেউটিন বিতরণ রূপগঞ্জে যথাযথ মর্যাদায় মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস উদযাপিত মৌলভীবাজারে ২৬ মার্চে শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা নিবেদন তারেক রহমানের নেতৃত্বে স্বনির্ভর বাংলাদেশ গড়ে উঠবে: মেয়র ডা. শাহাদাত সৌদিতে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের জন্য জরুরি সতর্কবার্ত। মুক্তিযুদ্ধের স্মৃতিবিজড়িত ঐতিহাসিক স্থান সংরক্ষণে উদ্যোগ নেওয়া হবে:- ডা. শাহাদাত হোসেন মধুপুরে যানজট নিরসনে রাস্তায় কাজ করছে ছাত্র দলের নেতৃবৃন্দ বাড়িতে গিয়ে জানলেন তিনি ২ সন্তানের জননী প্রেমিকের আত্মহত্যা পাইকগাছায় গণহত্যা দিবসে আলোচনা সভা ও শ্রদ্ধাঞ্জলি চমক হোটেলে মল ঢেলে তাণ্ডব ও ভাঙচুর: ২৪ ঘণ্টার মধ্যে বিচার না পেলে লালমনিরহাটে হোটেল ধর্মঘট নোয়াখালীতে শর্ট সার্কিটের আগুনে পুড়ল ২৪ দোকান কোম্পানীগঞ্জে আগুনে পুড়ল ৪ দোকান ইউনিয়নেই মিলবে প্রাথমিক চিকিৎসা, কমবে ভোগান্তি: ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার বর্জ্যের অব্যবস্থাপনায় বাড়ছে স্বাস্থ্যঝুঁকি: ড. জিয়াউদ্দিন হায়দার নরসিংদীর ঘোড়াশাল তাপবিদ্যুৎ কেন্দ্রে নয় মাস পর বিদ্যুৎ উৎপাদন শুরু ফতুল্লায় টিনসেট বাড়িতে অগ্নিকাণ্ড, ৬ লাখ টাকার ক্ষতি

সৈয়দপুরে রেললাইনের ওপর শীতের পোশাক কিনতে ভিড় – অসর্তকতায় যেতে পারে জীবন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 12:06:04 am, Saturday, 4 December 2021
  • 275 বার পড়া হয়েছে

অসর্তকতায় যেতে পারে জীবন

আমিরুল হক, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি ।।

উত্তরের জেলা নীলফামারীর সৈয়দপুরে শীতের তীব্রতা বেড়েই চলেছে। শীতবস্ত্রের অভাবে মানুষের মাঝে দেখা দিয়েছে দুর্ভোগ। মধ্যবৃত্ত ও নি¤œ বৃত্তরা পুরাতন কাপড়ের দোকানে ভীড় জমিয়েছে। শীতের উষ্ণতা থেকে রক্ষা পেতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রেল লাইনের পাড়ে জমে উঠেছে পুরাতন কাপড়ের দোকান। ফলে অসর্তকতায যেতে জীবন। অভিযোগ আছে, একটি মহলের সহযোগিতায় এভাবে রেললাইনের ওপর বসে পুরাতন কাপড়ের বাজার। এ জন্য ব্যবসায়ীদের দৈনিক ভিত্তিতে দিতে হয় বাড়তি টাকা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বাণিজ্যে সমৃদ্ধ শহর সৈয়দপুরে রাস্তা-ঘাট, বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর, আধুনিক রেলস্টেশন, দেশের বৃহত্তর রেলকারখানাকে আধুনিকায়ন করাসহ বেশ অনেক খাতে উন্নয়ন ঘটেছে। এখানে সৈয়দপুর প্লাজা ও চৌধুরী টাওয়ার নামে দু’টি বহুতল মার্কেট নির্মাণ করা হয়েছে। এ মার্কেটগুলোতে পরিকল্পিতভাবে দোকান গড়ে উঠেনি। ফলে জমছেনা ব্যবসা। এছাড়া স্বল্প পুঁজির ব্যবসায়ীরা অধিক ভাড়ায় দোকান নিতে পারছেন না। ফলে বেঁচে থাকার জন্য ঝুঁকি নিয়েই তারা রেললাইন ঘেঁষে গড়ে তোলা দোকানে ব্যবসা করতে বাধ্য হচ্ছেন। এসব দোকান একাধিকবার ভেঙে দেওয়ার উদ্যোগ নেয় রেল কর্তৃপক্ষ। কিছু দোকান ভেঙেও দেওয়া হয়। কিন্তু স্বল্প সময়ের মধ্যে তা আবারও গড়ে ওঠে।

 


শহরের ১ ও ২ নম্বর রেলক্রসিংয়ে বসে এসব দোকান। শীত আসলে গোটা রেললাইনই দখল হয়ে যায়। প্রায় হাফ কিঃমি পর্যন্ত রেললাইনের কোন চিহৃই চোখে পড়ে না। ট্রেনের হুইসেল শুনে তাড়াহুড়া করে ব্যবসায়ীরা তাদের পসরা নিয়ে সরে পড়েন, ট্রেন চলে গেলে আবার তারা রেললাইনের ওপর চলে আসেন। একইভাবে সরে যান ক্রেতারাও। এ ছাড়া রেললাইনের দু’পাশ দখল করে নির্মাণ করা হয়েছে দোকানপাটসহ পাকা স্থাপনা। এ পথে প্রতিদিন আন্তঃনগরসহ ১০টি ট্রেন চলাচল করে এবং মাঝেমধ্যে ঘটে দুর্ঘটনা।
শহরের বাশঁবাড়ী এলাকা থেকে শীত বস্ত্র কিনতে আসা কামরুল হাসান বলেন, শীত শুরু হয়েছে। করোনাভাইরাস এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। তাই শরীরে ঠান্ডা লাগানো যাবে না। শীতের শুরুতেই গরম কাপড় কিনতে আসছি। ৫শ’ টাকায় ৩টি শীতের কাপড় কিনেছি।
রফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যবসায়ী জানান, গরীব মানুষ, তাই পেটের দায়ে ঝঁকি নিয়ে রেললাইনে ওপর ব্যবসা করছি। ঠেঙ্গামারা এনজিও থেকে ২৫ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে শীতের কাপড় বিক্রি করছেন। তার মতো অধিকাংশ ব্যবসায়ী এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করছেন। তিনি বলেন, আমাদের তো আর ব্যাংক ঋণ দেবে না, তাই এনজিও থেকে বেশি সুদে টাকা নিয়েছি। শীত বেশিদিন থাকলে ব্যবসা ভালো হবে, ঋণের টাকা পরিশোধ করে খেয়ে-দেয়ে ২০/২৫ হাজার টাকা আয় করতে পারব।
এ অঞ্চলের রেললাইনের উভয় পাশের ভূ-সম্পদ বিভাগের দায়িত্বরত কর্মকর্তা সুলতান মৃধা বলেন, রেললাইনের ওপর গরম কাপড়ের দোকানপাট ও লাইন ঘেঁষে গড়ে ওঠা অবকাঠামোর জন্য ট্রেন চলাচলে ঝুঁকি থাকে। বারবার ওই সব দোকান উচ্ছেদের করা হয়। কিন্তু আবারও একই অবস্থা হয়। তবে আবারও অবৈধ দোকানসহ স্থাপনা উচ্ছেদের উদ্যোগ নেওয়া হবে।

 

ট্যাগ :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জেলা গণঅধিকার পরিষদ উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস পালন।

সৈয়দপুরে রেললাইনের ওপর শীতের পোশাক কিনতে ভিড় – অসর্তকতায় যেতে পারে জীবন

আপডেট সময় : 12:06:04 am, Saturday, 4 December 2021

আমিরুল হক, নীলফামারী জেলা প্রতিনিধি ।।

উত্তরের জেলা নীলফামারীর সৈয়দপুরে শীতের তীব্রতা বেড়েই চলেছে। শীতবস্ত্রের অভাবে মানুষের মাঝে দেখা দিয়েছে দুর্ভোগ। মধ্যবৃত্ত ও নি¤œ বৃত্তরা পুরাতন কাপড়ের দোকানে ভীড় জমিয়েছে। শীতের উষ্ণতা থেকে রক্ষা পেতে জীবনের ঝুঁকি নিয়ে রেল লাইনের পাড়ে জমে উঠেছে পুরাতন কাপড়ের দোকান। ফলে অসর্তকতায যেতে জীবন। অভিযোগ আছে, একটি মহলের সহযোগিতায় এভাবে রেললাইনের ওপর বসে পুরাতন কাপড়ের বাজার। এ জন্য ব্যবসায়ীদের দৈনিক ভিত্তিতে দিতে হয় বাড়তি টাকা।
সরেজমিনে দেখা গেছে, বাণিজ্যে সমৃদ্ধ শহর সৈয়দপুরে রাস্তা-ঘাট, বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানের বিমানবন্দর, আধুনিক রেলস্টেশন, দেশের বৃহত্তর রেলকারখানাকে আধুনিকায়ন করাসহ বেশ অনেক খাতে উন্নয়ন ঘটেছে। এখানে সৈয়দপুর প্লাজা ও চৌধুরী টাওয়ার নামে দু’টি বহুতল মার্কেট নির্মাণ করা হয়েছে। এ মার্কেটগুলোতে পরিকল্পিতভাবে দোকান গড়ে উঠেনি। ফলে জমছেনা ব্যবসা। এছাড়া স্বল্প পুঁজির ব্যবসায়ীরা অধিক ভাড়ায় দোকান নিতে পারছেন না। ফলে বেঁচে থাকার জন্য ঝুঁকি নিয়েই তারা রেললাইন ঘেঁষে গড়ে তোলা দোকানে ব্যবসা করতে বাধ্য হচ্ছেন। এসব দোকান একাধিকবার ভেঙে দেওয়ার উদ্যোগ নেয় রেল কর্তৃপক্ষ। কিছু দোকান ভেঙেও দেওয়া হয়। কিন্তু স্বল্প সময়ের মধ্যে তা আবারও গড়ে ওঠে।

 


শহরের ১ ও ২ নম্বর রেলক্রসিংয়ে বসে এসব দোকান। শীত আসলে গোটা রেললাইনই দখল হয়ে যায়। প্রায় হাফ কিঃমি পর্যন্ত রেললাইনের কোন চিহৃই চোখে পড়ে না। ট্রেনের হুইসেল শুনে তাড়াহুড়া করে ব্যবসায়ীরা তাদের পসরা নিয়ে সরে পড়েন, ট্রেন চলে গেলে আবার তারা রেললাইনের ওপর চলে আসেন। একইভাবে সরে যান ক্রেতারাও। এ ছাড়া রেললাইনের দু’পাশ দখল করে নির্মাণ করা হয়েছে দোকানপাটসহ পাকা স্থাপনা। এ পথে প্রতিদিন আন্তঃনগরসহ ১০টি ট্রেন চলাচল করে এবং মাঝেমধ্যে ঘটে দুর্ঘটনা।
শহরের বাশঁবাড়ী এলাকা থেকে শীত বস্ত্র কিনতে আসা কামরুল হাসান বলেন, শীত শুরু হয়েছে। করোনাভাইরাস এখনও পুরোপুরি শেষ হয়নি। তাই শরীরে ঠান্ডা লাগানো যাবে না। শীতের শুরুতেই গরম কাপড় কিনতে আসছি। ৫শ’ টাকায় ৩টি শীতের কাপড় কিনেছি।
রফিকুল ইসলাম নামে এক ব্যবসায়ী জানান, গরীব মানুষ, তাই পেটের দায়ে ঝঁকি নিয়ে রেললাইনে ওপর ব্যবসা করছি। ঠেঙ্গামারা এনজিও থেকে ২৫ হাজার টাকা ঋণ নিয়ে শীতের কাপড় বিক্রি করছেন। তার মতো অধিকাংশ ব্যবসায়ী এনজিও থেকে ঋণ নিয়ে ব্যবসা করছেন। তিনি বলেন, আমাদের তো আর ব্যাংক ঋণ দেবে না, তাই এনজিও থেকে বেশি সুদে টাকা নিয়েছি। শীত বেশিদিন থাকলে ব্যবসা ভালো হবে, ঋণের টাকা পরিশোধ করে খেয়ে-দেয়ে ২০/২৫ হাজার টাকা আয় করতে পারব।
এ অঞ্চলের রেললাইনের উভয় পাশের ভূ-সম্পদ বিভাগের দায়িত্বরত কর্মকর্তা সুলতান মৃধা বলেন, রেললাইনের ওপর গরম কাপড়ের দোকানপাট ও লাইন ঘেঁষে গড়ে ওঠা অবকাঠামোর জন্য ট্রেন চলাচলে ঝুঁকি থাকে। বারবার ওই সব দোকান উচ্ছেদের করা হয়। কিন্তু আবারও একই অবস্থা হয়। তবে আবারও অবৈধ দোকানসহ স্থাপনা উচ্ছেদের উদ্যোগ নেওয়া হবে।