Dhaka , Saturday, 28 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
ভাড়া ১৫০ টাকা বেশি নেয়ায় জরিমানা ৫০ হাজার টাকা     কুড়িগ্রাম ভুরুঙ্গামারীতে ইয়াবা সহ মাদক কারবারি গ্রেফতার সাংবাদিকদের কল্যাণে নতুন নতুন উদ্যোগের পরিকল্পনা করছে সরকার:- বাছির জামাল খুলেই বন্ধ হিলি স্থলবন্দর কাস্টমস কর্মকর্তার মৃত্যুতে থমকে আমদানি-রপ্তানি শ্রীপুরে অবৈধভাবে মজুদ রাখা জ্বালানি তেল জব্দ, বিক্রিত অর্থ সরকারি কোষাগারে জমা বিদেশ গমন উপলক্ষে ছাত্রনেতা রিয়াদ ইসলামকে সংবর্ধনা আড়াইহাজারে এলাকাবাসীর উদ্যোগে মাদকবিরোধী বিক্ষোভ সমাবেশ নারায়ণগঞ্জে গলায় ফাঁস দিয়ে নিরাপত্তাকর্মীর আত্মহত্যা ইবি শিক্ষক ড. সাইফুল ইসলামের শিক্ষা ও গবেষণায় গৌরবময় ৩৫ বছর লালমনিরহাটকে ‘আলোকিত জেলা’ গড়তে সম্মিলিত প্রচেষ্টার বিকল্প নেই: ত্রাণমন্ত্রী দুলু কলা গাছের সঙ্গে এ কেমন শত্রুতা! মোংলায় বিনামূল্যে চক্ষু চিকিৎসা ও ছানি অপারেশন কার্যক্রম একই পরিবারের ৪জনের মৃত্যু…..সড়কে নিভে গেল মাদরাসা শিক্ষকের সুখের সংসার সৌদিতে স্ট্রোক করে বাংলাদেশির মৃত্যু   গাকৃবিতে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন তুরাগ তীরে পুণ্যস্নানের মহামিলন সরাইলে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা দিবস পালিত যথাযোগ্য মর্যাদায় চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের উদ্যোগে মহান স্বাধীনতা দিবস উদযাপন মুক্তিযুদ্ধের প্রেরণাকে ধারণ করে বৈষম্যহীন, শোষণমুক্ত, বাংলাদেশ গড়ে তুলতে সরকার প্রতিশ্রুতিবদ্ধ: বিভাগীয় কমিশনার স্বাধীনতা দিবসে বিপ্লব উদ্যানে পুষ্পস্তবক অর্পণকালে ডা. শাহাদাত হোসেন শহিদ জিয়ার ঘোষণা ও নেতৃত্বেই বাঙালি জাতি মুক্তির লড়াই শুরু করেছিল: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল শহীদ জামালের কন্যার বিয়েতে ও ঢাবিতে উত্তীর্ণ জপেল চাকমাকে শুভেচ্ছা উপহার দিলেন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান রূপগঞ্জে ভূমিদস্যু আন্ডা রফিক এলাকায় ফেরায় কায়েতপাড়ায় আতঙ্ক রূপগঞ্জে মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবসে মুক্তিযোদ্ধাদের সংবর্ধনা রূপগঞ্জ পূর্বাচলে ভয়াবহ নৃশংসতা: একাধিক প্লটে ঘোড়া জবাই, উদ্ধার হাড়ের স্তুপ পাওনা টাকা না দেয়ায় ৯ মাসের শিশু অপহরন ; বিকাশে লেনাদেনার সময় গণধোলাই রূপগঞ্জে ঘোড়ার মাংস গরুর মাংস বলে বিক্রি, জীবিত ১১ টি জবাই করার ৯টি ঘোড়া উদ্ধার নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে মহান স্বাধীনতা দিবস ও ঈদ পুনর্মিলনী উদযাপন নরসিংদীর পলাশে যথাযোগ্য মর্যাদায় স্বাধীনতা দিবস উদযাপন মধুপুরে ভূয়া পুলিশ অফিসার আটক

সুন্দরগঞ্জে ভারি বর্ষনে তিস্তার নিচু এলাকা প্লাবিত।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 12:09:46 pm, Saturday, 5 October 2024
  • 208 বার পড়া হয়েছে

সুন্দরগঞ্জে ভারি বর্ষনে তিস্তার নিচু এলাকা প্লাবিত।।

হযরত বেল্লাল
সুন্দরগঞ্জ -গাইবান্ধা- প্রতিনিধি।।
   
    
টানা ভারি বর্ষন এবং উজান থেকে আসা ঢলে বাড়ছে তিস্তার পানি ডুবছে নিচু এলাকা। পাশাপাশি ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে বিভিন্ন চরে। পৌর সভার রামডাকুয়া এলাকা অবস্থিত কেন্দ্রীয় শ্বশানঘাটে পানি উঠেছে। ঠেকানা যাচ্ছে না অব্যাহত ভাঙন। নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়ছে। পানি বাড়ায় চরের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। নৌকা ছাড়া এক চর হতে অন্য চরে যাওয়া আসা করা সম্ভব হচ্ছে না। 
         
সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর- বেলকা- হরিপুর- চন্ডিপুর- শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদী। ভারি বর্ষন ও উজানের ঢলে তিস্তার শাখা নদীর আশপাশ ডুবে যায় পানিতে। সেই সাথে শুরু হয় নদী ভাঙন। চলতে থাকে বছর ব্যাপী। নদী পাড়ের মানুষের দাবি, স্বাধীনতা পরবর্তী দীর্ঘ দিনেও স্থায়ীভাবে নদী ভাঙন রোধ- ড্রেজিং- নদী খনন- ও সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহন করেনি সরকার। যার কারণে প্রতি বছর পাঁচ শতাধিক বসতবাড়ি- হাজারও একর ফসলি জমি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে।
লালচামার গ্রামের মোনারুল ইসলাম জানান- ভারি বর্ষনের হঠাৎ করে তিস্তার পানি বাড়তে শুরু করায় নিচু এলাকা ডুবে গেছে।  তিনি আর বলেন- নদীতে পানি বাড়লে এবং বন্যা আসলে তিস্তার চরাঞ্চলের মানুষের কষ্টের সীমা থাকে না।
হরিপুর ইউনিয়নের ডাঙ্গার চর গ্রামের মোসলেম মিয়া বলেন- পানি বাড়লে চরের মানুষের দুঃখও বাড়ে। প্রতিবছর নদীর ভাঙনে বসতবাড়ি- আবাদী জমি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে। একজন চরবাসিকে মৌসুমে কমপক্ষে ৪ বার ঘরবাড়ি সরাতে হচ্ছে। কিন্তু আজও স্থায়ীভাবে নদী ভাঙন রোধের কোন ব্যবস্থা হচ্ছে না।
           
হরিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মোজাহারুল ইসলাম জানান- পানি বাড়ায় তার গোটা ইউনিয়নের নিচু এলাকা ডুবে গেছে। তবে এখন পর্যন্ত আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার মত পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি। পাশাপাশি ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। ভাঙন রোধে প্রাথমিক ভাবে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলা হচ্ছে। স্থায়ী ভাবে ভাঙন ঠেকানো না হলে চরবাসির দুঃখ কোন দিনও দুর হবে না। ভাঙনে প্রতিবছর পাঁচ শতাধিক বসতবাড়ি এবং হাজারও একর ফসলি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে। 
উপজেলা কৃষি অফিসার মো. রাশিদুল কবির জানান- হঠাৎ ভারি বর্ষনের কারনে চরাঞ্চলের নিচু এলাকার ফসলি জমিতে পানি উঠছে। পানি স্থায়ী হলে ফসলের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ভাঙনের কারণে কিছু চর এলাকায় ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলিন হচ্ছে। এতে করে কৃষকের ক্ষতি হচ্ছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ওয়ালিফ মন্ডল জানান- হঠাৎ ভারি বসষনের কারণে তিস্তার নিচু এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। কিছু কিছু চরে ভাঙন দেখা দিয়েছে।  ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগকে খোঁজ খবর রাখতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে ত্রাণ সরবরাহ করা হবে। 
গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী হাফিজুল হক জানান- ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলা হচ্ছে। তবে স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধ সরকারের উর্ধতন মহলের সিদ্ধানের ব্যাপার।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

ভাড়া ১৫০ টাকা বেশি নেয়ায় জরিমানা ৫০ হাজার টাকা    

সুন্দরগঞ্জে ভারি বর্ষনে তিস্তার নিচু এলাকা প্লাবিত।।

আপডেট সময় : 12:09:46 pm, Saturday, 5 October 2024
হযরত বেল্লাল
সুন্দরগঞ্জ -গাইবান্ধা- প্রতিনিধি।।
   
    
টানা ভারি বর্ষন এবং উজান থেকে আসা ঢলে বাড়ছে তিস্তার পানি ডুবছে নিচু এলাকা। পাশাপাশি ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে বিভিন্ন চরে। পৌর সভার রামডাকুয়া এলাকা অবস্থিত কেন্দ্রীয় শ্বশানঘাটে পানি উঠেছে। ঠেকানা যাচ্ছে না অব্যাহত ভাঙন। নিচু এলাকা প্লাবিত হয়ে পড়ছে। পানি বাড়ায় চরের যোগাযোগ ব্যবস্থা বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। নৌকা ছাড়া এক চর হতে অন্য চরে যাওয়া আসা করা সম্ভব হচ্ছে না। 
         
সুন্দরগঞ্জ উপজেলার তারাপুর- বেলকা- হরিপুর- চন্ডিপুর- শ্রীপুর ও কাপাসিয়া ইউনিয়নের উপর দিয়ে প্রবাহিত তিস্তা নদী। ভারি বর্ষন ও উজানের ঢলে তিস্তার শাখা নদীর আশপাশ ডুবে যায় পানিতে। সেই সাথে শুরু হয় নদী ভাঙন। চলতে থাকে বছর ব্যাপী। নদী পাড়ের মানুষের দাবি, স্বাধীনতা পরবর্তী দীর্ঘ দিনেও স্থায়ীভাবে নদী ভাঙন রোধ- ড্রেজিং- নদী খনন- ও সংস্কারের উদ্যোগ গ্রহন করেনি সরকার। যার কারণে প্রতি বছর পাঁচ শতাধিক বসতবাড়ি- হাজারও একর ফসলি জমি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে।
লালচামার গ্রামের মোনারুল ইসলাম জানান- ভারি বর্ষনের হঠাৎ করে তিস্তার পানি বাড়তে শুরু করায় নিচু এলাকা ডুবে গেছে।  তিনি আর বলেন- নদীতে পানি বাড়লে এবং বন্যা আসলে তিস্তার চরাঞ্চলের মানুষের কষ্টের সীমা থাকে না।
হরিপুর ইউনিয়নের ডাঙ্গার চর গ্রামের মোসলেম মিয়া বলেন- পানি বাড়লে চরের মানুষের দুঃখও বাড়ে। প্রতিবছর নদীর ভাঙনে বসতবাড়ি- আবাদী জমি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে। একজন চরবাসিকে মৌসুমে কমপক্ষে ৪ বার ঘরবাড়ি সরাতে হচ্ছে। কিন্তু আজও স্থায়ীভাবে নদী ভাঙন রোধের কোন ব্যবস্থা হচ্ছে না।
           
হরিপুর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মো. মোজাহারুল ইসলাম জানান- পানি বাড়ায় তার গোটা ইউনিয়নের নিচু এলাকা ডুবে গেছে। তবে এখন পর্যন্ত আশ্রয় কেন্দ্রে যাওয়ার মত পরিবেশ সৃষ্টি হয়নি। পাশাপাশি ভাঙন অব্যাহত রয়েছে। ভাঙন রোধে প্রাথমিক ভাবে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলা হচ্ছে। স্থায়ী ভাবে ভাঙন ঠেকানো না হলে চরবাসির দুঃখ কোন দিনও দুর হবে না। ভাঙনে প্রতিবছর পাঁচ শতাধিক বসতবাড়ি এবং হাজারও একর ফসলি বিলিন হচ্ছে নদীগর্ভে। 
উপজেলা কৃষি অফিসার মো. রাশিদুল কবির জানান- হঠাৎ ভারি বর্ষনের কারনে চরাঞ্চলের নিচু এলাকার ফসলি জমিতে পানি উঠছে। পানি স্থায়ী হলে ফসলের ক্ষতির সম্ভাবনা রয়েছে। তবে ভাঙনের কারণে কিছু চর এলাকায় ফসলি জমি নদীগর্ভে বিলিন হচ্ছে। এতে করে কৃষকের ক্ষতি হচ্ছে।
উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মো. ওয়ালিফ মন্ডল জানান- হঠাৎ ভারি বসষনের কারণে তিস্তার নিচু এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। কিছু কিছু চরে ভাঙন দেখা দিয়েছে।  ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যানগকে খোঁজ খবর রাখতে বলা হয়েছে। প্রয়োজনে ত্রাণ সরবরাহ করা হবে। 
গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নিবার্হী প্রকৌশলী হাফিজুল হক জানান- ভাঙন রোধে জিও ব্যাগ ও জিও টিউব ফেলা হচ্ছে। তবে স্থায়ীভাবে ভাঙন রোধ সরকারের উর্ধতন মহলের সিদ্ধানের ব্যাপার।