Dhaka , Sunday, 25 January 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
লক্ষ্মীপুরে নিখোঁজের আট দিন পর সেফটি ট্যাংকি থেকে কলেজ ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার নোয়াখালীতে বিএনপির জন-জিজ্ঞাসা বিষয়ক আলোচনা সভা পাইকগাছায় শীতার্তদের মাঝে বনবিবি’র শীতবস্ত্র বিতরণ কেন্দুয়ায় স্বতন্ত্র প্রার্থীর নির্বাচনী অফিস ভাঙচুরের অভিযোগ সিদ্ধিরগঞ্জে সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত ১, আহত ১ রূপগঞ্জে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন উপলক্ষে প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থীদের অংশগ্রহণে আইনশৃঙ্খলা সভা অনুষ্ঠিত।। বিভিন্ন কর্মসূচির মধ্য দিয়ে সাইনবোর্ড প্রেস ক্লাবের ১৮তম প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন যুবকদের কাজে লাগিয়ে আত্মমর্যাদার জীবন নিশ্চিত করতে চাই—জামায়াত আমির নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে মোহাম্মদ শাহ আলমের নির্বাচনী প্রচারণা ও গণসংযোগ নারায়ণগঞ্জ-৪ আসনে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ গিয়াসউদ্দিনের নির্বাচনী প্রচারণা সভা অনুষ্ঠিত সোনারগাঁওয়ে ইসলামী আন্দোলনের নির্বাচনী পথসভা অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় নবপল্লবের বিভিন্ন প্রকল্প পরিদর্শন করলেন- ইউএনও চট্টগ্রামে আইজিপি উপস্থিতিতে পুলিশ সদস্যদের প্রাক-নির্বাচনি সভা অনুষ্ঠিত বেগম খালেদা জিয়াকে মরণোত্তর সম্মাননা দেবে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব রূপগঞ্জে নারী কর্মীদের প্রচারণায় বাধার প্রতিবাদে জামায়াতের সংবাদ সম্মেলন সংস্কারে নতুন রূপে ফিরছে আচার্য পিসি রায়ের জন্মভিটা রূপগঞ্জে জামাত প্রার্থীর নির্বাচনী মিছিল শ্রীপুরে দারিয়াপুর ডিগ্রি কলেজে ছাত্রী হোস্টেল উদ্বোধন টক অফ দ্যা রামগঞ্জ ছেলে প্রার্থী শাপলা কলিতে, বাবা ভোট চাইছে ধানের শীষে টাঙ্গাইলের মধুপুরে বাসের ধাক্কায় অজ্ঞাত ব্যক্তি আহত – টাঙ্গাইল হাসপাতালে মৃত্যু জণগণের আস্থা অর্জন না করে ভোট ইঞ্জিনিয়ারিং করলে লাভ হবে না.. আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরী দেশকে কিছু দেয়ার মাধ্যমে জীবনের সার্থকতা খুজে বের করতে হবে :- চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক সারাদেশে ধর্মীয় ভাবগাম্ভীর্য ও উৎসবমুখর পরিবেশে পালিত হলো সরস্বতী পূজা নোয়াখালীতে বিএনপির নেতাকর্মিদের মিথ্যা হত্যা মামলায় জড়ানোর প্রতিবাদে মানববন্ধন পাওনা টাকা চাওয়ায় ব্যবসায়ীকে মারধর, থানায় অভিযোগের পর রাতের আঁধারে ফের হামলা ও টাকা লুট মমতা’র আয়োজনে জলবায়ু সহনশীল বারি সরিষা-১৪ প্রদর্শনীর ফলাফল ও প্রতিরূপায়ণ সভা পাইকগাছায় শীতার্তদের মাঝে উপজেলা প্রশাসনের কম্বল বিতরণ চলমান লক্ষ্মীপুরে বিদেশি পিস্তলসহ শীর্ষ সন্ত্রাসী চিতা গ্রেফতার দর্শনার্থীর ভিড় সামলাতে বাণিজ্য মেলায় জোরদার নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা ছুটির দিনে ঢাকা আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলায় উপচে পড়া দর্শনার্থীর ভিড়

লালপুরে ৩২৭তম গোসাই আশ্রমে ২ দিনব্যাপী নবান্ন উৎসব।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 10:59:32 am, Wednesday, 4 December 2024
  • 121 বার পড়া হয়েছে

লালপুরে ৩২৭তম গোসাই আশ্রমে ২ দিনব্যাপী নবান্ন উৎসব।।

আবু তালেব
লালপুর -নাটোর- প্রতিনিধি।।
   
   
নাটোরের লালপুরে দুইদিন ব্যাপী নবান্ন উৎসব শুরু হয়েছে। ঐতিহ্যের এক অন্যতম নিদর্শন শ্রী. ফকির চন্দ্র গোসাইয়ের আশ্রম। প্রায় সোয়া ৩০০ বছরের পুরনো এই আশ্রম। অশ্রমের অন্যতম প্রধান উৎসব হলো নবান্ন। হাজারো ভক্তবৃন্দ ও দর্শনার্থীদের পদচারণায় উৎসবমুখর পরিবেশে মুখরিত হয়ে উঠেছে এই অংশ্রমস্থল।
মঙ্গলবার -৩ ডিসেন্বর ২০২৪- উপজেলার দুড়দুড়িয়া ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুরে সকালে  আশ্রম কমিটির সভাপতি শ্রী সঞ্জয় কুমারের সভাপত্বিতে আশ্রমের কার্যক্রম শুরু হয়েছে- দুপুরে অতিথী ছিলেন- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা-ইউএনও-মেহেদী হাসান- সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা মাহমুদ- লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা -ওসি- নুরুজ্জামান-
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন কমিটির নাটোর জেলা সভাপতি প্রসাদ কুমার বাচ্চা সরকার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ভক্ত ও দর্শনার্থীবৃন্দ ।
আশ্রম এলাকা ঘুরে ভক্ত ও সেবাইতদের সাথে কথা বলে জানাযায় নারী পুরুষ নির্বিশেষে ভক্তরা আশ্রমে পৌঁছেই শ্রী শ্রী ফকির চাঁদ বৈষ্ণব গোসাইজী ও তার শিষ্য সাধু বৃন্দের সমাধীতে ভক্তি শ্রদ্ধা জানান। ভক্তরা আশ্রমের উন্নয়নে সাধ্যমত দান করছেন। নি:সন্তান বন্ধ্যা মহিলারা আশ্রমের অক্ষয় তলা নামক স্থানে বটগাছের নিচে সদ্য শেষে ভেজা কাপড়ে বসে আঁচল বিছিয়ে সন্তান লাভের জন্য ভীখ মাংগছেন। কথিত আছে যদি গাছের ফল বা পাতা আঁচলের ওপর পড়ে তাহলে নি:সন্তান নারী সন্তান লাভ করবে। আশ্রম প্রাঙ্গনে দুপুরে সারিবদ্ধভাবে বসে গোসাইজীর ভক্তরা কলার পাতায় করে খিচুড়ি, পাঁচ তরকারী ও পায়েশ ভক্ষণ করেন। 
আশ্রমের প্রধান সেবাইত শ্রী পরমানান্দ সাধু জানান, বাংলা ১২১৭ সালে উপজেলা সদর থেকে আট কিলো মিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে দুড়দুড়িয়ার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের গহীন অরণ্যে একটি বটগাছের নিচে আস্তানা স্থাপন করেন ফকির চাঁদ বৈষ্ণব। এখানেই সাধু ধ্যান-তপস্যা ও বৈষ্ণব ধর্ম প্রচার আরম্ভ করেন। প্রতি বছর দোল পূর্ণিমা, গঙ্গা স্নান ও নবান্ন উৎসব উপলক্ষে দেশ-বিদেশের হাজার হাজার ভক্ত সাধক সমবেত হন। সাধু ফকির চাঁদ বৈষ্ণবের মৃত্যুর পর নওপাড়ার জমিদার তারকেস্বর বাবু তাঁর (সাধুর) স্মরণে সমাধিটি পাকা করে দেন। এ ছাড়াও ভক্তদের সুবিধার্থে ৬৮ বিঘা জমি ও সান বাঁধানো বিশাল দুটি পুকুর দান করেন। আশ্রম চত্ত্বরে দালান কোঠা নির্মানেও তিনি সহযোগিতা করেন। আশ্রমের প্রবেশ পথে রয়েছে ময়ূর, বাঘ ও বিভিন্ন প্রাণির মূর্তি এবং লতা-পাতা কারুকার্য খচিত সুবিশাল ফটক। প্রধান দ্বার প্রান্তে ডান পাশে রয়েছে ভক্ত সাধু ও সাধু মাতাদের আবাসন। বাম পাশে রয়েছে ৬ জন সাধুর সমাধি মন্দির। একটু সামনেই রয়েছে শ্রী ফকির চাঁদ বৈষ্ণবের চার কোনা প্রধান সমাধি স্তম্ভ। বর্গাকৃতির ৪০ ফুট সমাধি সৌধের রয়েছে আরেকটি ৩০ ফুট গৃহ। এর একটি দরজা ছাড়া কোন জানালা পর্যন্ত নেই। মূল মন্দিরে শুধুমাত্র প্রধান সেবাইত প্রবেশ করেন। কাথিত আছে, মন্দিরের মধ্যে সাধু ফকির চাঁদ স্বশরীরে প্রবেশ করে ঐশ্বরিকভাবে স্বর্গ লাভ করেন। তাঁর শবদেহ দেখা যায় নি। পরিধেয় বস্ত্রাদি সংরক্ষণ করে সমাধি স্তম্ভ নির্মিত হয়েছে। গম্বুজ আকৃতির সমাধির উপরিভাগ গ্রিল দিয়ে ঘেরা রয়েছে। ঘরের দেয়াল ও দরজায় বিভিন্ন প্রাণি- গাছ- লতা-পাতা খচিত কারুকার্য শোভা পাচ্ছে। সমাধির মাত্র পাঁচ গজ দূরে রয়েছে বিশাল আকৃতির এক কুয়ার একটি সিঁড়ি পথ রয়েছে পাশের রান্না ঘরের সাথে সংযুক্ত। এই সিঁড়ি পথে সাধুগণ স্নানে যেতেন এবং রান্নাসহ পানিয় জল সংগ্রহ করতেন। বর্তমানে কুয়ার পানি ব্যবহার অযোগ্য অবস্থায় রয়েছে। আশ্রম চত্ত্বরে রয়েছে ১৪২ জন ভক্ত সাধুর সমাধি। বাংলা -৩২৮ বছর পূর্বে- শ্রী শ্রী ফকির চাঁদ বৈষ্ণব গোসাইজীর আশ্রম স্থাপিত হয়। 
   
এ অনুষ্ঠান উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হাজার হাজার ভক্ত বৃন্দের আগমন ঘটে। দুই শতাব্দির স্মৃতিবাহী ফকির চাঁদ গোসাই আশ্রম দেশ-বিদেশ থেকে আসা দর্শনার্থীদের কোলাহলে মুখরিত আশ্রমটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে। আশ্রমটি ৩২ বিঘা জমির উপর অবস্থিত। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দুই দিনব্যাপী নবান্ন উৎসব অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে। 

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে নিখোঁজের আট দিন পর সেফটি ট্যাংকি থেকে কলেজ ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার

লালপুরে ৩২৭তম গোসাই আশ্রমে ২ দিনব্যাপী নবান্ন উৎসব।।

আপডেট সময় : 10:59:32 am, Wednesday, 4 December 2024
আবু তালেব
লালপুর -নাটোর- প্রতিনিধি।।
   
   
নাটোরের লালপুরে দুইদিন ব্যাপী নবান্ন উৎসব শুরু হয়েছে। ঐতিহ্যের এক অন্যতম নিদর্শন শ্রী. ফকির চন্দ্র গোসাইয়ের আশ্রম। প্রায় সোয়া ৩০০ বছরের পুরনো এই আশ্রম। অশ্রমের অন্যতম প্রধান উৎসব হলো নবান্ন। হাজারো ভক্তবৃন্দ ও দর্শনার্থীদের পদচারণায় উৎসবমুখর পরিবেশে মুখরিত হয়ে উঠেছে এই অংশ্রমস্থল।
মঙ্গলবার -৩ ডিসেন্বর ২০২৪- উপজেলার দুড়দুড়িয়া ইউনিয়নের রামকৃষ্ণপুরে সকালে  আশ্রম কমিটির সভাপতি শ্রী সঞ্জয় কুমারের সভাপত্বিতে আশ্রমের কার্যক্রম শুরু হয়েছে- দুপুরে অতিথী ছিলেন- উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা-ইউএনও-মেহেদী হাসান- সেনাবাহিনীর কর্মকর্তা মাহমুদ- লালপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা -ওসি- নুরুজ্জামান-
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন কমিটির নাটোর জেলা সভাপতি প্রসাদ কুমার বাচ্চা সরকার ও স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ ও দেশের বিভিন্ন এলাকা থেকে আগত ভক্ত ও দর্শনার্থীবৃন্দ ।
আশ্রম এলাকা ঘুরে ভক্ত ও সেবাইতদের সাথে কথা বলে জানাযায় নারী পুরুষ নির্বিশেষে ভক্তরা আশ্রমে পৌঁছেই শ্রী শ্রী ফকির চাঁদ বৈষ্ণব গোসাইজী ও তার শিষ্য সাধু বৃন্দের সমাধীতে ভক্তি শ্রদ্ধা জানান। ভক্তরা আশ্রমের উন্নয়নে সাধ্যমত দান করছেন। নি:সন্তান বন্ধ্যা মহিলারা আশ্রমের অক্ষয় তলা নামক স্থানে বটগাছের নিচে সদ্য শেষে ভেজা কাপড়ে বসে আঁচল বিছিয়ে সন্তান লাভের জন্য ভীখ মাংগছেন। কথিত আছে যদি গাছের ফল বা পাতা আঁচলের ওপর পড়ে তাহলে নি:সন্তান নারী সন্তান লাভ করবে। আশ্রম প্রাঙ্গনে দুপুরে সারিবদ্ধভাবে বসে গোসাইজীর ভক্তরা কলার পাতায় করে খিচুড়ি, পাঁচ তরকারী ও পায়েশ ভক্ষণ করেন। 
আশ্রমের প্রধান সেবাইত শ্রী পরমানান্দ সাধু জানান, বাংলা ১২১৭ সালে উপজেলা সদর থেকে আট কিলো মিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে দুড়দুড়িয়ার রামকৃষ্ণপুর গ্রামের গহীন অরণ্যে একটি বটগাছের নিচে আস্তানা স্থাপন করেন ফকির চাঁদ বৈষ্ণব। এখানেই সাধু ধ্যান-তপস্যা ও বৈষ্ণব ধর্ম প্রচার আরম্ভ করেন। প্রতি বছর দোল পূর্ণিমা, গঙ্গা স্নান ও নবান্ন উৎসব উপলক্ষে দেশ-বিদেশের হাজার হাজার ভক্ত সাধক সমবেত হন। সাধু ফকির চাঁদ বৈষ্ণবের মৃত্যুর পর নওপাড়ার জমিদার তারকেস্বর বাবু তাঁর (সাধুর) স্মরণে সমাধিটি পাকা করে দেন। এ ছাড়াও ভক্তদের সুবিধার্থে ৬৮ বিঘা জমি ও সান বাঁধানো বিশাল দুটি পুকুর দান করেন। আশ্রম চত্ত্বরে দালান কোঠা নির্মানেও তিনি সহযোগিতা করেন। আশ্রমের প্রবেশ পথে রয়েছে ময়ূর, বাঘ ও বিভিন্ন প্রাণির মূর্তি এবং লতা-পাতা কারুকার্য খচিত সুবিশাল ফটক। প্রধান দ্বার প্রান্তে ডান পাশে রয়েছে ভক্ত সাধু ও সাধু মাতাদের আবাসন। বাম পাশে রয়েছে ৬ জন সাধুর সমাধি মন্দির। একটু সামনেই রয়েছে শ্রী ফকির চাঁদ বৈষ্ণবের চার কোনা প্রধান সমাধি স্তম্ভ। বর্গাকৃতির ৪০ ফুট সমাধি সৌধের রয়েছে আরেকটি ৩০ ফুট গৃহ। এর একটি দরজা ছাড়া কোন জানালা পর্যন্ত নেই। মূল মন্দিরে শুধুমাত্র প্রধান সেবাইত প্রবেশ করেন। কাথিত আছে, মন্দিরের মধ্যে সাধু ফকির চাঁদ স্বশরীরে প্রবেশ করে ঐশ্বরিকভাবে স্বর্গ লাভ করেন। তাঁর শবদেহ দেখা যায় নি। পরিধেয় বস্ত্রাদি সংরক্ষণ করে সমাধি স্তম্ভ নির্মিত হয়েছে। গম্বুজ আকৃতির সমাধির উপরিভাগ গ্রিল দিয়ে ঘেরা রয়েছে। ঘরের দেয়াল ও দরজায় বিভিন্ন প্রাণি- গাছ- লতা-পাতা খচিত কারুকার্য শোভা পাচ্ছে। সমাধির মাত্র পাঁচ গজ দূরে রয়েছে বিশাল আকৃতির এক কুয়ার একটি সিঁড়ি পথ রয়েছে পাশের রান্না ঘরের সাথে সংযুক্ত। এই সিঁড়ি পথে সাধুগণ স্নানে যেতেন এবং রান্নাসহ পানিয় জল সংগ্রহ করতেন। বর্তমানে কুয়ার পানি ব্যবহার অযোগ্য অবস্থায় রয়েছে। আশ্রম চত্ত্বরে রয়েছে ১৪২ জন ভক্ত সাধুর সমাধি। বাংলা -৩২৮ বছর পূর্বে- শ্রী শ্রী ফকির চাঁদ বৈষ্ণব গোসাইজীর আশ্রম স্থাপিত হয়। 
   
এ অনুষ্ঠান উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন অঞ্চল থেকে হাজার হাজার ভক্ত বৃন্দের আগমন ঘটে। দুই শতাব্দির স্মৃতিবাহী ফকির চাঁদ গোসাই আশ্রম দেশ-বিদেশ থেকে আসা দর্শনার্থীদের কোলাহলে মুখরিত আশ্রমটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে উঠেছে। আশ্রমটি ৩২ বিঘা জমির উপর অবস্থিত। প্রতিষ্ঠালগ্ন থেকে দুই দিনব্যাপী নবান্ন উৎসব অনুষ্ঠিত হয়ে আসছে।