Dhaka , Sunday, 5 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
জ্বালানি সংকটে রাজধানীতে তীব্র ভোগান্তি: পাম্পে দীর্ঘ সারি, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা নোয়াখালীতে ৩৭৯৮ পিস ইয়াবাসহ ৩ মাদককারবারি গ্রেপ্তার নোয়াখালীতে কিশোর গ্যাংয়ের মারধরে ব্যবসায়ীর মৃত্যু বেগমগঞ্জে উপজেলা বিএনপির আহবায়কের বিরুদ্ধে চাঁদাবাজি ও দুর্নীতির অভিযোগ ; বিক্ষোভ হাতিয়ায় পুকুরে ডুবে স্কুলছাত্রের মৃত্যু দেশে তেল ও দ্রব্যের দাম বাড়েনি এটি বাংলাদেশ সরকারের সফলতা- পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ। চট্টগ্রামের বাকলিয়ায় সন্ত্রাসীদের দুগ্রুপের গোলাগুলিতে ১২ বছরের শিশু গুলিবিদ্ধ প্রকৃত মৎস্যজীবীরাই পাবেন সরকারের নির্ধারিত সুযোগ সুবিধা:- প্রতিমন্ত্রী মীর মোহাম্মদ হেলাল উদ্দীন এমপি প্রকৃতি ও প্রযুক্তির সমন্বয়ে গড়ে উঠছে আধুনিক ডিসি পার্ক:- চট্টগ্রাম জেলা প্রশাসক আর্থিক সংকটে পরিবারের কাছে টাকা না পেয়ে কুড়িগ্রামে বিশ্ববিদ্যালয় শিক্ষার্থীর আত্মহত্যা ঝালকাঠিতে যুবককে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ শ্বশুরবাড়ির লোকজনের বিরুদ্ধে  পকেটমারের সন্দেহে জনসম্মুখে বৃদ্ধাকে ন্যাড়া করে ভিডিও ছড়ানো অভিযোগ  ঈদের আগেই বাড়ছে ফেরি, হাতিয়ার যোগাযোগ ব্যবস্থায় বড় পরিবর্তনের আভাস অগ্রণী ব্যাংকের বার্ষিক ক্রীড়া প্রতিযোগিতা সম্পন্ন চট্টগ্রামের উন্নয়নে বিএনপির তৃণমূল নেতৃবৃন্দকে ভূমিকা রাখতে হবে:- ডা. শাহাদাত হোসেন রূপগঞ্জে সাংবাদিকের ওপর হামলা, হত্যাচেষ্টার অভিযোগ রূপগঞ্জে ইউপি সদস্য আব্দুল মতিন ও তার স্ত্রী-সন্তানের উপর সন্ত্রাসী হামলা গাজীপুর কৃষি বিশ্ববিদ্যালয়ে স্বল্পমেয়াদী ও উচ্চ ফলনশীল ‘জিএইউ ধান ৪’ ধানের জাত উদ্ভাবন বিবাহ বিচ্ছেদ ও বাল্যবিয়ে প্রসঙ্গে কাজীদের কঠোর বার্তা দিলেন ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু রামগঞ্জে মোটরসাইকেলের ট্যাংকির লক ভেঙে ১৩ লিটার তেল চুরি রামগঞ্জে আগুনে দিনমজুরের বসতবাড়ি পুড়ে ছাই। চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাব থেকে দুই সদস্য আজীবন বহিস্কার ও অবাঞ্চিত ঘোষণা আওয়ামী নেতার ভাই সাংবাদিক শাহরিয়ার এখনও যুগান্তর পত্রিকার পদবী ব্যবহার করে তাফালিং করে বেড়াচ্ছে নৌ-পুলিশের হাতে শীতলক্ষ্যা নদী থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তির অর্ধগলিত লাশ উদ্ধার বন্দর গণহত্যা দিবসে বধ্যভূমিতে শ্রদ্ধাঞ্জলি ও আলোচনা সভা ফতুল্লায় জুটের গোডাউনে অগ্নিকাণ্ড, ক্ষতি ১৫–২৫ লাখ টাকা দুর্নীতিহীন ও যোগ্য নেতৃত্বেই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান শক্তিশালী হবে: এমপি আবুল কালাম আজাদ নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় পরিদর্শনে সংস্কৃতি ও তথ্য প্রতিমন্ত্রী পাইকগাছায় প্রশাসনের অভিযানে অবৈধ নেট-পাটা উচ্ছেদ; ফিরছে নদীর স্বাভাবিক প্রবাহ জ্ঞান ও মানবিকতায় অনন্য দৃষ্টান্ত: পাইকগাছায় আদর্শ লাইব্রেরির বই বিতরণ

রূপপুর-হার্ডিঞ্জ ব্রিজের উপর প্রতিদিনই হাজার হাজার মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 02:08:44 pm, Friday, 21 June 2024
  • 110 বার পড়া হয়েছে

রূপপুর-হার্ডিঞ্জ ব্রিজের উপর প্রতিদিনই হাজার হাজার মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন।।

পাবনা প্রতিনিধি।।
   
   
ঈদের ছুটিতে পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের সুউচ্চ কুলিং টাওয়ার দেখতে প্রতিদিনই হাজার হাজার মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন। 
একইসঙ্গে তারা উপভোগ করছেন পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত শতবর্ষী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ও লালন শাহ সেতু। রূপপুর প্রকল্প, হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ও লালন শাহ সেতুর মতো তিনটি ছাড়াও পদ্মা নদীর অপরূপ সৌন্দর্য ও পাকশী রেলওয়ের বিভিন্ন ব্রিটিশ স্থাপনা দর্শনাথীদের মুগ্ধ করছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রায় ১৮০ মিটার সুউচ্চ -প্রায় ৪০ তলা সমমান উঁচু- ৪টা কুলিং টাওয়ার দেখতে শত শত মানুষ লালন শাহ সেতু- হার্ডিঞ্জ ব্রিজের নিচে ও পাকশী রেলওয়ে স্টেশনে ভিড় জমিয়েছেন। সবচেয়ে বেশি ভিড় লালন শাহ সেতুতে।
ঈদের দিন থেকে তৃতীয় দিন পর্যন্ত প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ প্রাইভেটকার- মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেল নিয়ে লালন শাহ সেতু থেকে কুলিং টাওয়ারসহ নির্মানাধীণ রূপপুর প্রকল্প এলাকা দেখছেন। 
অনেকেই লালন শাহ সেতুতে দাঁড়িয়ে কুলিং টাওয়ারের ছবি তুলছেন এবং কেউ কেউ সেলফি তুলছেন। রূপপুর প্রকল্প এলাকায় প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা থাকায় দূরে দাঁড়িয়ে দেশের সবচেয়ে ব্যয়বহুল এ প্রকল্পের চলমান নির্মাণ কাজ দেখছেন তারা। 
এছাড়াও পদ্মা নদীর ওপর দাঁড়িয়ে থাকা শতবর্ষী হার্ডিঞ্জ ব্রিজের সৌন্দর্য উপভোগ করছেন। ১১০ বছর পরও এ ব্রিজের সৌন্দর্য এক চিলতে নষ্ট হয়নি। তাইতো প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থী এ ব্রিজের সৌন্দর্য উপভোগ করতে ছুটে আসেন।
একইসঙ্গে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের পাশে সমান্তরালভাবে দাঁড়িয়ে আছে লালন শাহ সেতু। এটি দেশের তৃতীয় দীর্ঘতম সড়ক সেতু। এছাড়াও পাকশী রেলওয়ে বিভাগীয় কার্যালয়- যেখানে ব্রিটিশ আমলের রেল ইঞ্জিন- শত বছরে বড় বড় গাছগাছালি ও রেলের নানান নান্দনিক স্থাপনা সবাইকে বিমোহিত করছে।
লালন শাহ সেতুতে দর্শনার্থী মুশফিকুর রহমান শাহীন বলেন- লালন শাহ সেতুতে দাঁড়িয়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প ও হার্ডিঞ্জ ব্রিজের সৌন্দর্য উপভোগ করছি। 
পাশাপাশি পদ্মা নদীর ঠান্ডা বাতাসে শরীর জুড়িয়ে যাচ্ছে। এখানকার পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য খুবই উপভোগ্য। আমার মতো শত শত দর্শনার্থী এখানে দাঁড়িয়ে সৌন্দর্য উপভোগ করছেন।
পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজে ঘুরতে আসা উপজেলার বড়ইচরা গ্রামের মিনারুল ইসলাম বিশ্বাস বলেন- পরিবার নিয়ে ঈদে ঘুরতে এসেছি পাকশীর হার্ডিঞ্জ ও লালন সেতু এলাকায়। এখান থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সুউচ্চ কুলিং টাওয়ার ও প্রকল্পের নানা স্থাপনা দেখা যাচ্ছে। 
এখানে যারা ঘুরতে আসছেন তারা সবাই এখানকার সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন। পাকশীর এ এলাকাটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুললে দূর-দূরান্তের দর্শনার্থীরা এখানকার সৌন্দর্য উপভোগ করতো পারতো।
শিক্ষাবিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ বলেন- ব্রিটিশ নানন্দিক স্থাপনার নিদর্শন রয়েছে পুরো পাকশী জুড়ে। পদ্মা নদী- হার্ডিঞ্জ ব্রিজ- লালন শাহ সেতু- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প- রেলওয়ে বিভাগীয় সদর দপ্তর-
নান্দনিক রেল স্টেশন- ব্রিটিশ আমলের শতবর্ষী শত শত গাছ সব মিলিয়ে পাকশী সৌন্দর্যের তীর্থস্থান বলা যেতে পারে। এ এলাকা পর্যটন শিল্পের আওতায় আনা হলে এখানে আরও দর্শনার্থীদের সমাগম বাড়বে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

জ্বালানি সংকটে রাজধানীতে তীব্র ভোগান্তি: পাম্পে দীর্ঘ সারি, ঘণ্টার পর ঘণ্টা অপেক্ষা

রূপপুর-হার্ডিঞ্জ ব্রিজের উপর প্রতিদিনই হাজার হাজার মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন।।

আপডেট সময় : 02:08:44 pm, Friday, 21 June 2024
পাবনা প্রতিনিধি।।
   
   
ঈদের ছুটিতে পাবনার ঈশ্বরদীতে নির্মাণাধীন রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের সুউচ্চ কুলিং টাওয়ার দেখতে প্রতিদিনই হাজার হাজার মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন। 
একইসঙ্গে তারা উপভোগ করছেন পদ্মা নদীর ওপর নির্মিত শতবর্ষী হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ও লালন শাহ সেতু। রূপপুর প্রকল্প, হার্ডিঞ্জ ব্রিজ ও লালন শাহ সেতুর মতো তিনটি ছাড়াও পদ্মা নদীর অপরূপ সৌন্দর্য ও পাকশী রেলওয়ের বিভিন্ন ব্রিটিশ স্থাপনা দর্শনাথীদের মুগ্ধ করছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্পের প্রায় ১৮০ মিটার সুউচ্চ -প্রায় ৪০ তলা সমমান উঁচু- ৪টা কুলিং টাওয়ার দেখতে শত শত মানুষ লালন শাহ সেতু- হার্ডিঞ্জ ব্রিজের নিচে ও পাকশী রেলওয়ে স্টেশনে ভিড় জমিয়েছেন। সবচেয়ে বেশি ভিড় লালন শাহ সেতুতে।
ঈদের দিন থেকে তৃতীয় দিন পর্যন্ত প্রতিদিন হাজার হাজার মানুষ প্রাইভেটকার- মাইক্রোবাস ও মোটরসাইকেল নিয়ে লালন শাহ সেতু থেকে কুলিং টাওয়ারসহ নির্মানাধীণ রূপপুর প্রকল্প এলাকা দেখছেন। 
অনেকেই লালন শাহ সেতুতে দাঁড়িয়ে কুলিং টাওয়ারের ছবি তুলছেন এবং কেউ কেউ সেলফি তুলছেন। রূপপুর প্রকল্প এলাকায় প্রবেশের নিষেধাজ্ঞা থাকায় দূরে দাঁড়িয়ে দেশের সবচেয়ে ব্যয়বহুল এ প্রকল্পের চলমান নির্মাণ কাজ দেখছেন তারা। 
এছাড়াও পদ্মা নদীর ওপর দাঁড়িয়ে থাকা শতবর্ষী হার্ডিঞ্জ ব্রিজের সৌন্দর্য উপভোগ করছেন। ১১০ বছর পরও এ ব্রিজের সৌন্দর্য এক চিলতে নষ্ট হয়নি। তাইতো প্রতিদিন শত শত দর্শনার্থী এ ব্রিজের সৌন্দর্য উপভোগ করতে ছুটে আসেন।
একইসঙ্গে হার্ডিঞ্জ ব্রিজের পাশে সমান্তরালভাবে দাঁড়িয়ে আছে লালন শাহ সেতু। এটি দেশের তৃতীয় দীর্ঘতম সড়ক সেতু। এছাড়াও পাকশী রেলওয়ে বিভাগীয় কার্যালয়- যেখানে ব্রিটিশ আমলের রেল ইঞ্জিন- শত বছরে বড় বড় গাছগাছালি ও রেলের নানান নান্দনিক স্থাপনা সবাইকে বিমোহিত করছে।
লালন শাহ সেতুতে দর্শনার্থী মুশফিকুর রহমান শাহীন বলেন- লালন শাহ সেতুতে দাঁড়িয়ে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প ও হার্ডিঞ্জ ব্রিজের সৌন্দর্য উপভোগ করছি। 
পাশাপাশি পদ্মা নদীর ঠান্ডা বাতাসে শরীর জুড়িয়ে যাচ্ছে। এখানকার পরিবেশ ও প্রাকৃতিক সৌন্দর্য খুবই উপভোগ্য। আমার মতো শত শত দর্শনার্থী এখানে দাঁড়িয়ে সৌন্দর্য উপভোগ করছেন।
পাকশী হার্ডিঞ্জ ব্রিজে ঘুরতে আসা উপজেলার বড়ইচরা গ্রামের মিনারুল ইসলাম বিশ্বাস বলেন- পরিবার নিয়ে ঈদে ঘুরতে এসেছি পাকশীর হার্ডিঞ্জ ও লালন সেতু এলাকায়। এখান থেকে রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ কেন্দ্রের সুউচ্চ কুলিং টাওয়ার ও প্রকল্পের নানা স্থাপনা দেখা যাচ্ছে। 
এখানে যারা ঘুরতে আসছেন তারা সবাই এখানকার সৌন্দর্য দেখে মুগ্ধ হচ্ছেন। পাকশীর এ এলাকাটি পর্যটন কেন্দ্র হিসেবে গড়ে তুললে দূর-দূরান্তের দর্শনার্থীরা এখানকার সৌন্দর্য উপভোগ করতো পারতো।
শিক্ষাবিদ ও বীর মুক্তিযোদ্ধা অধ্যাপক আবুল কালাম আজাদ বলেন- ব্রিটিশ নানন্দিক স্থাপনার নিদর্শন রয়েছে পুরো পাকশী জুড়ে। পদ্মা নদী- হার্ডিঞ্জ ব্রিজ- লালন শাহ সেতু- রূপপুর পারমাণবিক বিদ্যুৎ প্রকল্প- রেলওয়ে বিভাগীয় সদর দপ্তর-
নান্দনিক রেল স্টেশন- ব্রিটিশ আমলের শতবর্ষী শত শত গাছ সব মিলিয়ে পাকশী সৌন্দর্যের তীর্থস্থান বলা যেতে পারে। এ এলাকা পর্যটন শিল্পের আওতায় আনা হলে এখানে আরও দর্শনার্থীদের সমাগম বাড়বে।