Dhaka , Wednesday, 4 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
দুর্গাপুরে ২য় বারের মতো শুরু হচ্ছে হিফজুল কুরআন হামদ-নাত ও আজান প্রতিযোগিতা রূপগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে উচ্ছেদ অভিযান চট্টগ্রামকে ক্লিন-গ্রিন সিটি হিসেবে গড়তে একযোগে কাজ করতে হবে: মেয়র ডা. শাহাদাত সাংবাদিক নেতা মো. আইয়ুব আলীর মৃত্যুতে চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবের শোক আগামী দিনে কাজের মধ্য দিয়ে প্রমান করব, মেয়র মজিবুর রহমান বেনাপোল দিয়ে দেশে ফিরল সাবেক এমপি জোয়াহেরুল ইসলামের মরদেহ আদ্-দ্বীন হাসপাতালে অত্যাধুনিক সিটি স্ক্যান মেশিন উদ্বোধন বর্জ্য ব্যবস্থাপনার জন্য সুন্দরগঞ্জ  পৌর এলাকায় ডাষ্টবিন বিতরণ  আমতলীতে সাংবাদিকের চাঁদা দাবী। গণধোলাইয়ের পর পুলিশে সোপর্দ। এমপির নির্দেশ অমান্য করে ছেড়ে দিলেন পুলিশ সংরক্ষিত মহিলা আসনে বিএনপি থেকে মনোনয়ন চান টাঙ্গাইলের নাজমা পারভীন ব্রাহ্মণবাড়িয়ায় ১০৮ কেজি গাঁজাসহ মাইক্রোবাস আটক সাঘাটায় মাদক সেবনকারীকে ৬ মাসের  কারাদণ্ড দিয়েছে ভ্রাম্যমান আদালত    নোয়াখালীতে ৫ মাদকসেবীকে কারাদণ্ড নোয়াখালীতে ৫ মাদকসেবীকে কারাদণ্ড চবিতে ফ্যাসিস্টের দোসর সাইদ হোসেন এর বিতর্কিত পদোন্নতি : প্রশ্নবিদ্ধ প্রশাসন বেতাগী মেয়ার হাট বাজারে পাবলিক টয়লেট দখল করে ছাগলের ঘর-প্রশাসনের অভিযানে উদ্ধার  কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্রসহ বনদস্যু আটক বেতাগীতে (বিএনপি) দুই দফা আনন্দ মিছিল:-চিফ হুইপ নুরুল ইসলাম মনি আদিতমারীতে পলাশী ইউনিয়ন বিএনপির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিতআদিতমারীতে পলাশী ইউনিয়ন বিএনপির ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে ঢাকা-সিলেট মহাসড়কে উচ্ছেদ অভিযান  রায়পুরে অবৈধ দখলদারদের বিরুদ্ধে প্রশাসনের সাঁড়াশি অভিযান: ২৪ হাজার টাকা জরিমানা। দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির আহবায়ক কমিটি গঠন পাইকগাছা পৌরসভা বিভিন্ন উন্নয়ন কাজ পরিদর্শনে পৌর প্রশাসক পাইকগাছায় মৎস্য লীজ ঘের নিয়ে পক্ষে-বিপক্ষে উত্তেজনা গাজীপুরে ইয়াবাসহ ৯ মাদক কারবারি গ্রেপ্তার সন্ত্রাসী ও চাঁদাবাজির বিরুদ্ধে লুটপাটের শিকার কারখানা মালিকের সংবাদ সম্মেলন পতাকা বিধিমালার তোয়াক্কা নেই লালমনিরহাট খামারবাড়িতে; নিয়ম জানেন না খোদ উপ-পরিচালক! ভঙ্গুর সংযোগ সড়কে মরণফাঁদ: মোগলহাটে ৬৯ লাখ টাকার সেতুতে জনভোগান্তি চরমে রামগঞ্জে সন্ধ্যার পর কোন শিক্ষার্থী বাহিরে থাকতে পারবে না শাহাদাত হোসেন সেলিম এমপি ইরান–যুক্তরাষ্ট্র সংঘাতে আকাশপথে অচলাবস্থা, হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর-এ আটকা কয়েক হাজার যাত্রী

রাবিতে অনুমোদনহীন ভ্রাম্যমাণ সব দোকান-পাট বন্ধ ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 10:52:46 pm, Thursday, 25 August 2022
  • 223 বার পড়া হয়েছে

রাবিতে অনুমোদনহীন ভ্রাম্যমাণ সব দোকান-পাট বন্ধ ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

রাবি প্রতিনিধি।।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) অনুমোদনহীন ভ্রাম্যমাণ দোকান উচ্ছেদ ব্যবস্থাপনায় আজ সকাল থেকে সব দোকান-পাট বন্ধ রয়েছে। তবে দোকানীদের দাবি কোন ধরনের বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়াই দোকান উচ্ছেদের নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

 

সরেজমিনে ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা যায়, পরিবহনের চায়ের দোকান, টুকিটাকির খাবার, চা ও ফাস্টফুডের দোকান, ড. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ কলা ভবনের সামনের আমতলা চত্বরের চা ও ফাস্টফুডের দোকান বন্ধ রয়েছে। এদিকে দোকান বন্ধ করে উদ্ভাস্তুর মতো ঘুরে বেড়াচ্ছেন দোকানীরা। শিক্ষার্থীরা দোকান বন্ধ হওয়ায় অনেকেই না খেয়ে ক্লাসে চলে গেছেন।

 

বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার দপ্তরের নির্দেশনা সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়ে ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে চা/পনি/হোটেল/ফাস্টফুড/জুস/সবজি/মুদি/কাপড়ের দোকান পরিচালনা করছেন। তাই ২৫ আগস্টের মধ্যে সকল জিনিসপত্র নিজ দায়িত্বে সরিয়ে নেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হলো। অন্যথায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

 

দোকানীদের অভিযোগ, কোন ধরনের নতুন ব্যবস্থাপনা ছাড়াই প্রশাসনের এমন উদ্যোগে আমরা ও শিক্ষার্থীরা উভয়ই বিপাকে পড়েছি। প্রশাসন কিছুদিন পরে পরেই দোকান উচ্ছেদ নির্দেশনা দেয় কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী কোন পদক্ষেপ নেয় না। প্রশাসনের এমন ব্যবস্থাপনা আমাদের পেটে লাথি মারার মতো।

 

শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে জানা যায়, একাডেমিক ভবন থেকে হল ও ক্যাফেটেরিয়া দূরে হওয়ায় সেখানে গিয়ে খাওয়ার মতো পর্যাপ্ত সময় থাকে না। তাই বেশির ভাগ শিক্ষার্থীরা ক্লাসের ফাঁকে টুকিটাকিতেই খাবার খায় এবং আড্ডা দেয়। আজকে ক্যাম্পাসে সব ভ্রাম্যমাণ দোকান বন্ধ হওয়ায় তাদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

 

তারা অভিযোগ করে আরও বলেন, একাডেমির ভবনের পাশে নতুন ক্যাফেটেরিয়া নির্মাণের আগে দোকান উঠানোর সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। দোকান উচ্ছেদের পূর্বে দোকানের সঠিক ব্যবস্থাপনা আরো বেশি জরুরী। এছাড়া তাদের আড্ডার মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো দোকান। ফলে দোকান উচ্ছেদ করলে আড্ডাও বন্ধ হয়ে যাবে।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাহবুব বলেন, ‘আমি প্রতিদিন সকালে টুকিটাকি চত্ত্বরে খাওয়া দাওয়া করি। আজকে সকাল ৯টায় ক্লাস থাকায় তাড়াতাড়ি করে ক্যাম্পাসে আসি। কিন্তু এসে দেখি ক্যাম্পাসের সকল দোকান বন্ধ। এদিকে ক্লাসের সময় হয়ে যাওয়ায় বাহিরে গিয়ে খাওয়াও সম্ভব হয়নি। পরে না খেয়েই ক্লাসে চলে যায়।’

 

বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মাসুদ রানা বলেন, ‘ক্লাসের ফাঁকে আমরা ক্যাম্পাসের দোকানগুলোতে বসে চা খেতে খেতে আড্ডা দেই। দুপুরের খাবার বেশির ভাগ সময় টুকিটাকিতে খাওয়া হয়। কিন্তু আজ দোকান গুলো বন্ধ থাকায় বসতেও পারছি না আড্ডাও দিতে পারছি না। ভিন্ন ব্যবস্থা না করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না।’

 

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভিতরে প্রতিনিয়ত দোকান বৃদ্ধি পাচ্ছে। দোকানীরা কোনো নির্দেশনা না মেনেই ফাঁকা জায়গা দেখে দোকান বসিয়ে দিচ্ছে। তাদের নিয়ন্ত্রণ করতেই মূলত এই নির্দেশনা।’

 

ব্যবস্থাপনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এস্টেট দপ্তর এসব বিষয় দেখাশোনা করে বলে জানান।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এস্টেট দপ্তরের সহকারী রেজিস্ট্রার জাহেদ আলী বলেন, ‘আমরা মূলত দোকানের সংখ্যা কমাতেই এই ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। তবে দোকানগুলোর নতুন ব্যবস্থাপনার বিষয়ে জানতে চাইলেও তিনিও স্পষ্ট করে কিছু বলতে পারেননি।’

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দুর্গাপুরে ২য় বারের মতো শুরু হচ্ছে হিফজুল কুরআন হামদ-নাত ও আজান প্রতিযোগিতা

রাবিতে অনুমোদনহীন ভ্রাম্যমাণ সব দোকান-পাট বন্ধ ভোগান্তিতে শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময় : 10:52:46 pm, Thursday, 25 August 2022

রাবি প্রতিনিধি।।

রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের (রাবি) অনুমোদনহীন ভ্রাম্যমাণ দোকান উচ্ছেদ ব্যবস্থাপনায় আজ সকাল থেকে সব দোকান-পাট বন্ধ রয়েছে। তবে দোকানীদের দাবি কোন ধরনের বিকল্প ব্যবস্থা ছাড়াই দোকান উচ্ছেদের নির্দেশনা দিয়েছে বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ। এতে চরম ভোগান্তিতে পড়েছে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা।

 

সরেজমিনে ক্যাম্পাস ঘুরে দেখা যায়, পরিবহনের চায়ের দোকান, টুকিটাকির খাবার, চা ও ফাস্টফুডের দোকান, ড. মোহাম্মদ শহীদুল্লাহ কলা ভবনের সামনের আমতলা চত্বরের চা ও ফাস্টফুডের দোকান বন্ধ রয়েছে। এদিকে দোকান বন্ধ করে উদ্ভাস্তুর মতো ঘুরে বেড়াচ্ছেন দোকানীরা। শিক্ষার্থীরা দোকান বন্ধ হওয়ায় অনেকেই না খেয়ে ক্লাসে চলে গেছেন।

 

বিশ্ববিদ্যালয় রেজিস্ট্রার দপ্তরের নির্দেশনা সূত্রে জানা যায়, বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষের অনুমতি না নিয়ে ক্যাম্পাসের অভ্যন্তরে বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে চা/পনি/হোটেল/ফাস্টফুড/জুস/সবজি/মুদি/কাপড়ের দোকান পরিচালনা করছেন। তাই ২৫ আগস্টের মধ্যে সকল জিনিসপত্র নিজ দায়িত্বে সরিয়ে নেয়ার জন্য নির্দেশ দেয়া হলো। অন্যথায় বিশ্ববিদ্যালয় কর্তৃপক্ষ উচ্ছেদের ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

 

দোকানীদের অভিযোগ, কোন ধরনের নতুন ব্যবস্থাপনা ছাড়াই প্রশাসনের এমন উদ্যোগে আমরা ও শিক্ষার্থীরা উভয়ই বিপাকে পড়েছি। প্রশাসন কিছুদিন পরে পরেই দোকান উচ্ছেদ নির্দেশনা দেয় কিন্তু দীর্ঘমেয়াদী কোন পদক্ষেপ নেয় না। প্রশাসনের এমন ব্যবস্থাপনা আমাদের পেটে লাথি মারার মতো।

 

শিক্ষার্থীদের মাধ্যমে জানা যায়, একাডেমিক ভবন থেকে হল ও ক্যাফেটেরিয়া দূরে হওয়ায় সেখানে গিয়ে খাওয়ার মতো পর্যাপ্ত সময় থাকে না। তাই বেশির ভাগ শিক্ষার্থীরা ক্লাসের ফাঁকে টুকিটাকিতেই খাবার খায় এবং আড্ডা দেয়। আজকে ক্যাম্পাসে সব ভ্রাম্যমাণ দোকান বন্ধ হওয়ায় তাদের ভোগান্তি পোহাতে হচ্ছে।

 

তারা অভিযোগ করে আরও বলেন, একাডেমির ভবনের পাশে নতুন ক্যাফেটেরিয়া নির্মাণের আগে দোকান উঠানোর সিদ্ধান্ত সম্পূর্ণ অযৌক্তিক। দোকান উচ্ছেদের পূর্বে দোকানের সঠিক ব্যবস্থাপনা আরো বেশি জরুরী। এছাড়া তাদের আড্ডার মূল কেন্দ্রবিন্দু হলো দোকান। ফলে দোকান উচ্ছেদ করলে আড্ডাও বন্ধ হয়ে যাবে।

 

বিশ্ববিদ্যালয়ের সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী মাহবুব বলেন, ‘আমি প্রতিদিন সকালে টুকিটাকি চত্ত্বরে খাওয়া দাওয়া করি। আজকে সকাল ৯টায় ক্লাস থাকায় তাড়াতাড়ি করে ক্যাম্পাসে আসি। কিন্তু এসে দেখি ক্যাম্পাসের সকল দোকান বন্ধ। এদিকে ক্লাসের সময় হয়ে যাওয়ায় বাহিরে গিয়ে খাওয়াও সম্ভব হয়নি। পরে না খেয়েই ক্লাসে চলে যায়।’

 

বাংলা বিভাগের শিক্ষার্থী মাসুদ রানা বলেন, ‘ক্লাসের ফাঁকে আমরা ক্যাম্পাসের দোকানগুলোতে বসে চা খেতে খেতে আড্ডা দেই। দুপুরের খাবার বেশির ভাগ সময় টুকিটাকিতে খাওয়া হয়। কিন্তু আজ দোকান গুলো বন্ধ থাকায় বসতেও পারছি না আড্ডাও দিতে পারছি না। ভিন্ন ব্যবস্থা না করে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের এমন সিদ্ধান্ত কোনোভাবেই মেনে নেয়া যায় না।’

 

সার্বিক বিষয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রক্টর অধ্যাপক আসাবুল হক বলেন, ‘বিশ্ববিদ্যালয় ক্যাম্পাসের ভিতরে প্রতিনিয়ত দোকান বৃদ্ধি পাচ্ছে। দোকানীরা কোনো নির্দেশনা না মেনেই ফাঁকা জায়গা দেখে দোকান বসিয়ে দিচ্ছে। তাদের নিয়ন্ত্রণ করতেই মূলত এই নির্দেশনা।’

 

ব্যবস্থাপনার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি এস্টেট দপ্তর এসব বিষয় দেখাশোনা করে বলে জানান।

 

এ বিষয়ে জানতে চাইলে এস্টেট দপ্তরের সহকারী রেজিস্ট্রার জাহেদ আলী বলেন, ‘আমরা মূলত দোকানের সংখ্যা কমাতেই এই ব্যবস্থা গ্রহণ করেছি। তবে দোকানগুলোর নতুন ব্যবস্থাপনার বিষয়ে জানতে চাইলেও তিনিও স্পষ্ট করে কিছু বলতে পারেননি।’