Dhaka , Monday, 9 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
লালমনিরহাটে বিরল বন্যপ্রাণী উদ্ধার: ডিবির জালে ৩টি তক্ষক লালমনিরহাটে নাটকীয় মোড়: জামিন পেয়ে আদালত চত্বর ছাড়ার আগেই ডিবির জালে ছাত্রলীগ নেতা মেহেদী লক্ষ্মীপুরে ঈদের বাজার করতে এসে দেওয়াল ধ্বসে যুবকের মৃত্যু মধুপুরে এক সেবনকারীকে ১ বছরের কারাদণ্ড মধুপুরে চাঞ্চল্যকর অটো চুরির মামলার রহস্য উদঘাটন চোর গ্রেফতার পাইকগাছায় আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত সাংবাদিকদের সম্মানে ছাত্রশিবিরের ইফতার ও মতবিনিময় সভা ঢাকা-সিলেট মহাসড়কের কাজ বন্ধে ড্রেনেজ আটকে রূপগঞ্জের স্কুলে ময়লা পানির সয়লাব, মানববন্ধন জলাবদ্ধতা কমাতে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে:- মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন সিএমপি ‘র উদ্যোগে চট্টগ্রাম নগরীর গুরুত্বপূর্ণ এলাকা সিসিটিভি কার্যক্রমের উদ্বোধন অপরাধ দমনে কোনো ছাড় নয়, দলমত নির্বিশেষে জিরো টলারেন্স: প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল টেকনাফে কোস্ট গার্ড ও র‍্যাবের যৌথ অভিযান: ৩২ জন মালয়েশিয়াগামী উদ্ধার লালমনিরহাটে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত: রাজনীতি ও নির্বাচনে নারীর সমান অংশীদারিত্বের আহ্বান রংপুরে র‍্যাবের জোড়া অভিযান: লালমনিরহাটসহ তিন জেলার ৫ মাদক কারবারি আটক লালমনিরহাটে জ্বালানি তেলের নিরাপত্তা ও সরবরাহ স্বাভাবিক রাখতে পুলিশ সুপারের মতবিনিময় সভা কাঁঠালিয়ার তালগাছিয়া দরবার শরীফে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত পীরগঞ্জে আন্তর্জাতিক নারী দিবস উপলক্ষে সভা বাংলাদেশ–সুইজারল্যান্ড সম্পর্ক জোরদারে কাজ করার আশাবাদ: রাষ্ট্রদূতের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাতে :সড়ক ও সেতুমন্ত্রী সাড়ে পাঁচ মাসে কোরআনে হাফেজ ১০ বছরের জুবায়ের ​হরিপুরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আন্তর্জাতিক নারী দিবস পালিত ইবতেদায়ী বৃত্তি পরীক্ষায় দারুল কুরআন নুরানী মাদ্রাসার উজ্জ্বল সাফল্য সাভারে ভেজাল তেল ও ডিটারজেন্ট কারখানা সিলগালা, ব্যবস্থাপক কারাদণ্ড ও জরিমানা। ডাক্তার দেখানোর ছদ্মবেশে ইয়াবা বিক্রি, নারী মাদক কারবারি গ্রেপ্তার পূর্বাচল প্রেসক্লাবের আয়োজনে ইফতার ও দুস্থ্যদের মাঝে ঈদ সামগ্রী বিতরণ নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে মোটরসাইকেল যোগে ছিনতাইকালে স্থানীয়দের গণপিটুনিতে এক ছিনতাইকারী নিহত। দিনাজপুরের বিরল সীমান্তে বিজিবি–র‌্যাবের যৌথ অভিযানে ২৯৯ বোতল ভারতীয় স্কাফ সিরাপসহ আটক ২ কক্সবাজারের উন্নয়ন: সমস্যা-সম্ভাবনা ও করণীয় শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত চরভদ্রাসনে ইউপি চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলীর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল। মমতা’র উদ্যোগে প্রাণিসম্পদ উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ সমাজে অপরাধ দমন ও অপরাধী গ্রেফতারে সরকার সম্পূর্ণ জিরো টলারেন্স নীতি পালন করছে: মীর হেলাল

মেহেরপুরে গম ক্ষেতের পরিচর্যায় কৃষক 

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 04:57:51 pm, Tuesday, 11 February 2025
  • 141 বার পড়া হয়েছে

মেহেরপুরে গম ক্ষেতের পরিচর্যায় কৃষক 

স্টাফ রিপোর্টার, মেহেরপুর
  
মেহেরপুরের বিভিন্ন এলাকার মাঠে মাঠে এখন নজরে পড়ছে গম ক্ষেতে সেচ, সার আর ছত্রাকনাশক ও কীটনাশক দেওয়ার দৃশ্য। যদিও আগাম গম বপন করেছেন এমন কৃষকরা ইতিমধ্যেই সার ও সেচের কাজ কাজ সম্পন্ন করেছেন। গত দু’বছরে গম চাষে রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হওয়ায় বৃদ্ধি পেয়েছে গম চাষ। যদিও ইতিপূর্বে গম চাষে কৃষকদের গুনতে হয়েছে লোকসান। তবে লাভ-লোকসান যেটাই হোক না কেনো বাপ-দাদার পেশা ধরে রেখে অনেকেই গম চাষ অব্যাহত রেখেছেন। চাষীদের লাভ-লোকসান দেখলে হয়না, আবাদ করতেই হয় বলে জানান, গাংনী উপজেলার হিন্দা গ্রামের কৃষক হাসান বশীর।
তবে সার সংকটের কারণে পর্যাপ্ত পরিমাণে গম ক্ষেতে সারের ব্যবস্থা না করতে পারায় ফলন বিপর্যয়ের শঙ্কাতেও রয়েছে বলে জানান, করমদী গ্রামের বাবর আলী ও নাসিরুদ্দিনসহ কয়েকজন কৃষক।
করমদী গ্রামের অপর একজন কৃষক শফিকুল ইসলাম জানান, লাভজনক হওয়ায় ও কৃষি বিভাগের উদাসীনতায় এলাকায় চামাক চাষের প্রবণতা বেশি। তবুও খাদ্যের চাহিদা পূরণে গম চাষ করছেন। বিঘা প্রতি জমিতে ১২-১৮ মণ ফলন হয়ে থাকে।  
গোপালনগর গ্রামের রেন্টু জানান, ১০ বিঘা জমিতে গম চাষ করেছি। রোগবালাই দমনে আগেভাগেই ছত্রাকনাশক স্প্রের কাজ করা হচ্ছে। 
শওড়াবাড়ী গ্রামের জামাত আলী জানান, ৪ বিঘা জমিতে গম চাষ হয়েছে। রোগবালাই না থাকায় ফলন ভালো হবে বলে আশা করছেন। 
সহড়াতলা গ্রামের আজাদ মাষ্টার জানান, রোগবালাই তেমন একটা না থাকলেও কিছু গম লালচে আকার ধারণ করেছে।
মাইলমারী গ্রামের চঞ্চল জানান, কৃষি বিভাগ থেকে ২০ কেজি বীজ এবং আরও ১৫ কেজি ক্রয় করে বপন করেছেন। ইতিমধ্যেই ২ টা সেচ সম্পন্ন হয়েছে। শেষ অবধি দেড় বিঘা জমিতে ১২ হাজার টাকা খরচ হতে পারে। 
একই গ্রামের জাহাঙ্গীর ও খোকন জানান, গমের আবাদ খুব ভালো হয়েছে। শুরুতে সার সংকটের কারণে পর্যাপ্ত পরিমাণে দেওয়া হয়নি তারপরও ভালো ফলনের আশা।
সদর উপজেলার শ্যামপুর কলোনিপাড়ার আব্দুল করিম জানান, গত কয়েকবছরে হালচাষ, সেচ, সার, কীটনাশকসহ মজুরের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকরা আশানুরূপ লাভবান না হলেও দাম ভালো হওয়ায় লেগে রয়েছেন গম চাষে। তবে সার সংকটে শুধু গমই নয় অন্যান্য ফসলের ফলন নিয়েও হতাশায় নিমজ্জিত। 
গত কয়েকদিনে জেলার এমন আরও কয়েকটি গ্রামের কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কার্তিক মাসের শেষ ও অগ্রহায়ণ মাসে গম বপন করে চৈত্র মাসে কাটা মাড়াই করতে হয়। গম চাষ লাভজনক এবং ৪ মাস পরেই তা কাটামাড়াই করে ভালো দাম পাওয়া যায়। 
   
মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলার সদর, গাংনী ও মুজিবনগর উপজেলায় গম চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ হাজার ৩০ হেক্টর জমিতে। আবহাওয়া অনূকূলে থাকায় কৃষকেরা তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলন ও মূল্য পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

লালমনিরহাটে বিরল বন্যপ্রাণী উদ্ধার: ডিবির জালে ৩টি তক্ষক

মেহেরপুরে গম ক্ষেতের পরিচর্যায় কৃষক 

আপডেট সময় : 04:57:51 pm, Tuesday, 11 February 2025
স্টাফ রিপোর্টার, মেহেরপুর
  
মেহেরপুরের বিভিন্ন এলাকার মাঠে মাঠে এখন নজরে পড়ছে গম ক্ষেতে সেচ, সার আর ছত্রাকনাশক ও কীটনাশক দেওয়ার দৃশ্য। যদিও আগাম গম বপন করেছেন এমন কৃষকরা ইতিমধ্যেই সার ও সেচের কাজ কাজ সম্পন্ন করেছেন। গত দু’বছরে গম চাষে রোগবালাই ও পোকামাকড়ের আক্রমণ কম হওয়ায় বৃদ্ধি পেয়েছে গম চাষ। যদিও ইতিপূর্বে গম চাষে কৃষকদের গুনতে হয়েছে লোকসান। তবে লাভ-লোকসান যেটাই হোক না কেনো বাপ-দাদার পেশা ধরে রেখে অনেকেই গম চাষ অব্যাহত রেখেছেন। চাষীদের লাভ-লোকসান দেখলে হয়না, আবাদ করতেই হয় বলে জানান, গাংনী উপজেলার হিন্দা গ্রামের কৃষক হাসান বশীর।
তবে সার সংকটের কারণে পর্যাপ্ত পরিমাণে গম ক্ষেতে সারের ব্যবস্থা না করতে পারায় ফলন বিপর্যয়ের শঙ্কাতেও রয়েছে বলে জানান, করমদী গ্রামের বাবর আলী ও নাসিরুদ্দিনসহ কয়েকজন কৃষক।
করমদী গ্রামের অপর একজন কৃষক শফিকুল ইসলাম জানান, লাভজনক হওয়ায় ও কৃষি বিভাগের উদাসীনতায় এলাকায় চামাক চাষের প্রবণতা বেশি। তবুও খাদ্যের চাহিদা পূরণে গম চাষ করছেন। বিঘা প্রতি জমিতে ১২-১৮ মণ ফলন হয়ে থাকে।  
গোপালনগর গ্রামের রেন্টু জানান, ১০ বিঘা জমিতে গম চাষ করেছি। রোগবালাই দমনে আগেভাগেই ছত্রাকনাশক স্প্রের কাজ করা হচ্ছে। 
শওড়াবাড়ী গ্রামের জামাত আলী জানান, ৪ বিঘা জমিতে গম চাষ হয়েছে। রোগবালাই না থাকায় ফলন ভালো হবে বলে আশা করছেন। 
সহড়াতলা গ্রামের আজাদ মাষ্টার জানান, রোগবালাই তেমন একটা না থাকলেও কিছু গম লালচে আকার ধারণ করেছে।
মাইলমারী গ্রামের চঞ্চল জানান, কৃষি বিভাগ থেকে ২০ কেজি বীজ এবং আরও ১৫ কেজি ক্রয় করে বপন করেছেন। ইতিমধ্যেই ২ টা সেচ সম্পন্ন হয়েছে। শেষ অবধি দেড় বিঘা জমিতে ১২ হাজার টাকা খরচ হতে পারে। 
একই গ্রামের জাহাঙ্গীর ও খোকন জানান, গমের আবাদ খুব ভালো হয়েছে। শুরুতে সার সংকটের কারণে পর্যাপ্ত পরিমাণে দেওয়া হয়নি তারপরও ভালো ফলনের আশা।
সদর উপজেলার শ্যামপুর কলোনিপাড়ার আব্দুল করিম জানান, গত কয়েকবছরে হালচাষ, সেচ, সার, কীটনাশকসহ মজুরের মূল্য বৃদ্ধি পাওয়ায় কৃষকরা আশানুরূপ লাভবান না হলেও দাম ভালো হওয়ায় লেগে রয়েছেন গম চাষে। তবে সার সংকটে শুধু গমই নয় অন্যান্য ফসলের ফলন নিয়েও হতাশায় নিমজ্জিত। 
গত কয়েকদিনে জেলার এমন আরও কয়েকটি গ্রামের কৃষকদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, কার্তিক মাসের শেষ ও অগ্রহায়ণ মাসে গম বপন করে চৈত্র মাসে কাটা মাড়াই করতে হয়। গম চাষ লাভজনক এবং ৪ মাস পরেই তা কাটামাড়াই করে ভালো দাম পাওয়া যায়। 
   
মেহেরপুর কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর সূত্রে জানা গেছে, চলতি মৌসুমে জেলার সদর, গাংনী ও মুজিবনগর উপজেলায় গম চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে ১৩ হাজার ৩০ হেক্টর জমিতে। আবহাওয়া অনূকূলে থাকায় কৃষকেরা তাদের কাঙ্ক্ষিত ফলন ও মূল্য পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।