আলী হোসেন রুবেল ভোলা।।
ভোলায় প্রতিবন্ধীদের ১১ দফা দাবি বাস্তবায়নের বিষয়ে এক প্রেস কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়েছে।
গতকাল ১৪ ই ডিসেম্বর রোজ বৃহস্পতিবার সকাল সাড়ে দশটায় সময় ভোলার বাপ্তা বাসস্ট্যান্ড সংলগ্ন প্রতিবন্ধী কমিউনিটি সেন্টারের আয়োজনে প্রতিবন্ধী কমিউনিটি সেন্টারের হলরুমে প্রতিবন্ধী কমিউনিটি সেন্টারের প্রকল্প পরিচালক চিনময়ী তালুকদারের সভাপতিত্বে এ প্রেস কনফারেন্সের আয়োজন করা হয়েছে।
প্রকল্প পরিচালক চিন্ময়ী তালুকদারের সভাপতিত্বে উক্ত সভায় উপস্থিত দৈনিক যায়যায়দিনের ভোলা প্রতিনিধি নুরে আলম ফয়জুল্ল্যাহ, প্রথম আলোর ভোলা প্রতিনিধি নেয়ামত উল্লাহ, ভোলার বাসস সংবাদ সংস্থা হাসনাইন আহমেদ মুন্না এটিএন বাংলার ভোলা প্রতিনিধি এম সিদ্দিকুল্লা দৈনিক জনকণ্ঠের ভোলা প্রতিনিধি হাসিব রহমান কালের কন্ঠের ভোলা প্রতিনিধি ইকরামুল আলম দৈনিক গণমুক্তির স্টাফ রিপোর্টার ভোলা আলী হোসেন রুবেল সহ প্রিন্ট ও ইলেকট্রনিকস মিডিয়ার বিভিন্ন সাংবাদিক বৃন্দ। এছাড়াও উপস্থিত ছিলেন পরাণগঞ্জ দাখিল মাদ্রাসার সুপার,মোঃ বেলায়েত কাচিয়া ইউনিয়নের ইউপি সদস্য আঃ মালেক, কাচিয়া ইউপির প্যানেল চেয়ারম্যান মোঃ শাজাহান প্রমূখ।
প্রকল্প পরিচালক ও সভাপতি চিন্ময়ী তালুকদার প্রথমে প্রতিবন্ধীদের ১১দফা নিয়ে সভায় আগত সকলকে অবহিত করেন। দফাগুলো হল
১/২০২৩-২৪ জাতীয় বাজেটেই প্রতিবন্ধী ব্যক্তি ভাতা মাসিক ন্যূনতম ৫০০০ টাকা এবং শিক্ষা উপবৃত্তি মাসিক ২০০০ টাকা করতে হবে প্রতিবন্ধী শিক্ষার্থীদের ক্ষেত্রে ভাতা ও উপবৃত্তি উভয় বরাদ্দ করতে হবে।
২. প্রতিবন্ধী মানুষের সরকারি চাকরিতে নিয়োগে বিশেষ নীতিমালা -কোটা- প্রনয়ন।
৩. চলতি বাজেটেই বাংলাদেশ ব্যাংকে ১০০০ কোটি টাকার প্রতিবন্ধী ব্যক্তি উদ্যোক্তা তহবিল গঠন।
৪. অনতিবিলম্বে প্রতিবন্ধী ব্যক্তি উন্নয়ন অধিদফতরকে কার্যকর করা।
৫. বাংলা ইশারা ভাষা ইনস্টিটিউট এবং বিদ্যালয় প্রতিষ্ঠা, আদালতসহ সব সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানে বিনামূল্যে বাংলা ইশারা ভাষার দোভাষী সেবা নিশ্চিত করা।
৬. শিক্ষা ও চাকরির নিয়োগ পরীক্ষায় অভিন্ন জাতীয় শ্রুতিলেখক নীতিমালা।
৭. শ্রমজীবী-মেহনতি প্রতিবন্ধী মানুষদের ১টি বাড়ি, ১টি খামার ও আপ্রয়ন প্রকল্পের মাধ্যমে আত্মনির্ভরশীল করা।
৮. গুরুতর প্রতিবন্ধী মানুষের স্বাস্থ্য ও কেয়ারগিভার ভাতা চালু করা।
৯ প্রবেশগম্য অবকাঠামো এবং গণপরিবহন নিশ্চিতে সুনির্দিষ্ট অর্থ বরাদ্দ করা।
১০. ইউনিয়ন পরিষদ থেকে জাতীয় সংসদ, স্থানীয় থেকে জাতীয় সব পর্যায়ে প্রতিবন্ধী মানুষের প্রতিনিধিত্ব নিশ্চিত করা।
১১. মন্ত্রনালয় ভিত্তিক প্রতিবন্ধী ব্যক্তি সংবেদনশীল বাজেট
দফাগুলো নিয়ে আলোচনা শেষে তিনি আরও বলেন, পহেলা জুলাই ২০২১ সালে এ প্রকল্পের কার্যক্রম শুরু হয় এবং আগামী ২০৩০ সাল পর্যন্ত এ প্রকল্প চলবে বলে জানায়। আমরা প্রথমে কাচিয়া ইউনিয়ন থেকে কার্যক্রম শুরু করেছি ২৬০ জন প্রতিবন্ধীদের ভিতরে। আশাকরি এরপর একে একে ভোলার ১৩ টি ইউনিয়নে ধাপে ধাপে এই কার্যক্রম চলবে। এরপর সকলকে মধ্যাহ্নভোজনের প্যাকেট হাতে দিয়ে অনুষ্ঠানের সমাপ্তি ঘোষণা করেন।
























