Dhaka , Sunday, 30 November 2025
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
কক্সবাজারে নবাগত পুলিশ সুপার এ.এন.এম সাজেদুর রহমানের যোগদান অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সকলের সহযোগিতা কামনা চট্টগ্রাম–কক্সবাজার মহাসড়ক ৬ লেনের দাবিতে সাতকানিয়ায় সড়ক অবরোধ স্থানীয়দের বিক্ষোভে থমকে যায় যানচলাচল নারায়ণগঞ্জে নতুন পুলিশ সুপারের যোগদান মাজার-দরগাহ ভাঙচুর ও বাউলদের ওপর হামলার প্রতিবাদে নারায়ণগঞ্জে স্মারকলিপি প্রদান দশম গ্রেডের দাবিতে মধুপুরে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের কর্মবিরতি রামগঞ্জে ১শ গজের মধ্যে ৫ দোকানে চুরি: আতংকিত ব্যবসায়ীরা ৩ দফা দাবিতে রামগঞ্জে চলছে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের কর্ম বিরতি বেগমগঞ্জে মেডিকেল টেকনোলজিস্ট ও ফার্মাসিস্টদের ১০ম গ্রেড বাস্তবায়নের দাবীতে ২ঘন্টা কর্মবিরতি পালন ‎কিশোরগঞ্জে ভিপি সোহেল এর উদ্যোগে বি এন পি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত গাজীপুরে নবমীবিহীত পূজার মধ্য দিয়ে  কাত্যায়নী পূজার সমাপ্তি  সাতকানিয়ায় যৌথ অভিযানে ২২ রোহিঙ্গা শ্রমিক আটক: রোহিঙ্গা ক্যাম্পে ফেরত পাঠানোর উদ্যোগ নোয়াখালীতে বেগম খালেদা জিয়ার দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা কামনায় দোয়া চাইলেন বুলু ; মিলাদ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত নামাজরত অবস্থায় মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু ইয়াবা জব্দের ঘটনায় লুকোচুরি, র‌্যাব-১৫’র  তিন শতাধিক সদস্যকে একযোগে বদলি রূপগঞ্জে ব্যবসায়ীর বাড়িতে হামলা ভাংচুর ॥ ২০ লক্ষাধিক টাকার মাল লুট শিক্ষাক্ষেত্রে নারী সমজের উন্নতি ব্যতিত উন্নত জাতি গড়া সম্ভব নয় — মীর হেলাল ফরিদপুর-১ আসনে মনোনয়ন প্রত্যাশী মনিরুজ্জামান মনিরের বিশাল  শোডাউন। খালেদা জিয়ার রোগমুক্তি কামনায় রাজাপুরে দোয়া মাহফিল ভূমিদস্যুর কবল থেকে নগরীর চকবাজার কলেজ রোড ও লালচাঁন্দ রোড ব্যবসায়ীদের মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন   চা খেতে গিয়ে ধরা খেল সাজাপ্রাপ্ত আসামি ঠাকুরগাঁও হরিপুর সীমান্তে বিজিবির টহলে ফেনসিডিলের চালান উদ্ধার। নোয়াখালীতে বিশ্ববিদ্যালয়-কলেজ পড়ুয়া নতুন ভোটারদের অংশগ্রহণে নির্বাচনী অলিম্পিয়াড স্বৈরাচারী সরকার প্রশাসন ধ্বংস করেছে, বিএনপি ক্ষমতায় এলে প্রশাসন পুনর্গঠন ও দুর্নীতিমুক্ত সেবা নিশ্চিত করা হবে: গোলাম আজম সৈকত পাবনায় বিএনপি-জামায়াত সমর্থকদের সংঘর্ষে অস্ত্র হাতে ভাইরাল যুবকের পরিচয় মিলেছে হাটহাজারীতে মোটরসাইকেল নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে বিদ্যুৎ খুটিতে ধাক্কায় প্রাণ গেলো কিশোরের। নোয়াখালীতে ৫টি চোরাই মোটরসাইকেল উদ্ধার, বিএনপি নেতার ভাইসহ গ্রেপ্তার-৪ এপেক্স ক্লাব নোয়াখালীর এজিএম এ সভাপতি সাংবাদিক মুজাহিদ সোহেল সেক্রেটারি ইব্রাহিম কচি নির্বাচিত র‍্যাব-১৫–এর অধিনায়কসহ তিন শতাধিক সদস্যকে একযোগে বদলি কিশোরগঞ্জে জমি নিয়ে বিরোধের জেরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে এক যুবক নিহত ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানিয়ে ইবিতে শিক্ষার্থীদের সাইকেল রাইড

বঙ্গোপসাগরের কক্সবাজার উপকূলেও রয়েছে তিমির বিচরণ ও আবাস!

  • সৈকত
  • আপডেট সময় : 10:49:32 am, Tuesday, 11 May 2021
  • 457 বার পড়া হয়েছে

শুধু ‘সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড’ নয়, বঙ্গোপসাগরের কক্সবাজার উপকুলেও তিমির বিচরণ ও বাসস্থান রয়েছে; যে কারণে কক্সবাজার উপকুলে বার বার তিমির মৃতদেহ ভেসে আসছে। বিজ্ঞানীদের মতে, কক্সবাজার, টেকনাফ ও সেন্টমার্টিন উপকুল থেকে মাত্র ৪০ কিলোমিটার পশ্চিমেই বিচরণ রয়েছে বিশে^র বিরল ও বিপন্ন প্রজাতির কয়েক প্রজাতির তিমির। সাগরের গভীরতম স্থান হওয়ায় এখানে তাদের বাসস্থানও থাকতে পারে।

বঙ্গোপসাগরের ‘সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড’ বিশ্বের বিরল ও বিপন্ন প্রজাতির বেশ কয়েকটি তিমিসহ প্রায় এক ডজন স্তন্যপায়ী প্রাণীর ‘হটস্পট’ বা আবাসস্থল হিসাবে চিহ্নিত হওয়ার পর বাংলাদেশ সরকার ২০১৪ সালে বঙ্গোপসাগরের ‘সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের ১,৭৩৮ বর্গ কিলোমিটার সমুদ্র এলাকাকে সামুদ্রিক সংরক্ষিত অঞ্চল বা Marine Protected Area (MPA) ঘোষণা করেছে।

বাংলাদেশের সুন্দরবনের ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগরে ১ কিলোমিটারের বেশি গভীরতাসম্পন্ন একটি সমুদ্র তলদেশীয় আর্ন্তজাতিক খাদ, যা ভারতীয় অংশে ৪০ কি.মি. প্রশস্থ এবং বাংলাদেশে উপকুলে খাদের শেষ প্রান্তে এসে মাত্র ৬ কি.মি. প্রশস্থ হয়ে এর সমাপ্তি ঘটেছে; এই খাদটিই ‘সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড’ নামে পরিচিত। ওয়াইল্ড লাইফ কনজারভেশন সোসাইটির (Wildlife Conservation Society -WCS) সর্বশেষ জরীপ মতে, বাংলাদেশে ১২ প্রজাতির সিটাসিয়ান বা জলজ স্তন্যপায়ী প্রাণী রয়েছে।

যারমধ্যে একটি নদীতে থাকে, বাকী ১১টি থাকে সাগরে। বঙ্গোপসাগরের সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড এদের হটস্পট হলেও আশেপাশের সাগরেও তাদের বিচরণ দেখা যায় বলে জানান ওয়াইল্ড লাইফ কনজারভেশন সোসাইটির বাংলাদেশ কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন।

তিনি বলেন, কক্সবাজার উপকুল থেকে মাত্র দেড়শ থেকে ২শ’ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগরের সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড। যেখানে ইতোমধ্যে ৪ প্রজাতির তিমি ছাড়াও ৭ প্রজাতির শুশুক (ডলফিন) ও এক প্রজাতির পরপইস এর আবাসস্থল শনাক্ত হয়েছে। বাংলাদেশে থাকা চার প্রজাতির তিমির মধ্যে ব্রাইডিস বা বলিন তিমি (Bryde’s whale, Balaenoptera edeni/brydei), গন্ডার তিমি বা শুক্রাণু তিমি (Sperm Whale, Physeter macrocephalus), ঘাতক তিমি বা চিতা তিমি (Killer Whale, Orcinus orca) এবং ছদ্ম ঘাতক বা নকল চিতা তিমি (False-killer Whale, Pseudorca crassidens) অন্যতম। কক্সবাজার, টেকনাফ ও সেন্টমার্টিন উপকুল থেকে মাত্র ৪০ কিলোমিটার পশ্চিমেই বিচরণ রয়েছে তিমি ও ডলফিনসহ অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর।

তবে International Union for Conservation of Nature (IUCN) বাংলাদেশ এর ২০১৫ সালের জরীপ অনুযায়ী বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় ৩ প্রজাতির তিমি রয়েছে। এগুলো হলো ব্রাইডিস তিমি, ফল্স কিলার তিমি ও শুক্রাণু তিমি।

বাংলাপেডিয়ার বাংলাদেশের জলচর স্তন্যপায়ী প্রাণীর সাইট- এ একেএম আমিনুল হক (২০১৪) সম্পাদিত তথ্য অনুযায়ী, ১৮৪২ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ অঞ্চলের চট্টগ্রাম উপকুলের কাছে একটি তিমি আটকে পড়েছিল, যেটি Balaenoptera গণের অর্ন্তভুক্ত বলিন তিমি বলে শনাক্ত হয়েছিল।

ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর জানান, WCS এর ২০১৭ ও ২০১৮ সালের জরীপকালে গবেষকরা কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন দ্বীপের অদূরে ব্রাইড’স হুয়েলের মা ও শাবক তিমিকে একসাথে দেখেছেন।

বিজ্ঞানীরা জানান, পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম রিভার সিস্টেম গঙ্গা-ব্রম্মপুত্র-মেঘনা বা পদ্মা-যমুনা-মেঘনা বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বিপুল পরিমাণ স্বাদু পানি বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়। যার ফলে বাংলাদেশের উপকুল ও সাগরের পানি পৃথিবীর অন্যতম উর্বর জলরাশি হিসাবে স্বীকৃত, যেখানে রয়েছে একটি সমৃদ্ধ জীববৈচিত্রসহ বিশ্বে বিপন্নপ্রায় বিরল কয়েকটি সামুদ্রিক জলজ স্তন্যপায়ী প্রাণীর আবাসস্থল (হট স্পট)।

যারমধ্যে রয়েছে মহাসাগরীয় জায়ান্ট হিসাবে পরিচিত কয়েক প্রজাতির তিমি ও ডলফিন। পৃথিবীর মোট ৬৪টি লার্জ মেরিন ইকোসিস্টেম বা সমুদ্র চিহ্নিত করা হয়েছে, যার মধ্যে আমাদের বঙ্গোপসাগরও অন্যতম। আর বঙ্গোপসাগর ভারত মহাসাগরের একটি অংশ।

ট্যাগ :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কক্সবাজারে নবাগত পুলিশ সুপার এ.এন.এম সাজেদুর রহমানের যোগদান অপরাধ নিয়ন্ত্রণে সকলের সহযোগিতা কামনা

বঙ্গোপসাগরের কক্সবাজার উপকূলেও রয়েছে তিমির বিচরণ ও আবাস!

আপডেট সময় : 10:49:32 am, Tuesday, 11 May 2021

শুধু ‘সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড’ নয়, বঙ্গোপসাগরের কক্সবাজার উপকুলেও তিমির বিচরণ ও বাসস্থান রয়েছে; যে কারণে কক্সবাজার উপকুলে বার বার তিমির মৃতদেহ ভেসে আসছে। বিজ্ঞানীদের মতে, কক্সবাজার, টেকনাফ ও সেন্টমার্টিন উপকুল থেকে মাত্র ৪০ কিলোমিটার পশ্চিমেই বিচরণ রয়েছে বিশে^র বিরল ও বিপন্ন প্রজাতির কয়েক প্রজাতির তিমির। সাগরের গভীরতম স্থান হওয়ায় এখানে তাদের বাসস্থানও থাকতে পারে।

বঙ্গোপসাগরের ‘সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড’ বিশ্বের বিরল ও বিপন্ন প্রজাতির বেশ কয়েকটি তিমিসহ প্রায় এক ডজন স্তন্যপায়ী প্রাণীর ‘হটস্পট’ বা আবাসস্থল হিসাবে চিহ্নিত হওয়ার পর বাংলাদেশ সরকার ২০১৪ সালে বঙ্গোপসাগরের ‘সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ডের ১,৭৩৮ বর্গ কিলোমিটার সমুদ্র এলাকাকে সামুদ্রিক সংরক্ষিত অঞ্চল বা Marine Protected Area (MPA) ঘোষণা করেছে।

বাংলাদেশের সুন্দরবনের ৪০ কিলোমিটার দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগরে ১ কিলোমিটারের বেশি গভীরতাসম্পন্ন একটি সমুদ্র তলদেশীয় আর্ন্তজাতিক খাদ, যা ভারতীয় অংশে ৪০ কি.মি. প্রশস্থ এবং বাংলাদেশে উপকুলে খাদের শেষ প্রান্তে এসে মাত্র ৬ কি.মি. প্রশস্থ হয়ে এর সমাপ্তি ঘটেছে; এই খাদটিই ‘সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড’ নামে পরিচিত। ওয়াইল্ড লাইফ কনজারভেশন সোসাইটির (Wildlife Conservation Society -WCS) সর্বশেষ জরীপ মতে, বাংলাদেশে ১২ প্রজাতির সিটাসিয়ান বা জলজ স্তন্যপায়ী প্রাণী রয়েছে।

যারমধ্যে একটি নদীতে থাকে, বাকী ১১টি থাকে সাগরে। বঙ্গোপসাগরের সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড এদের হটস্পট হলেও আশেপাশের সাগরেও তাদের বিচরণ দেখা যায় বলে জানান ওয়াইল্ড লাইফ কনজারভেশন সোসাইটির বাংলাদেশ কান্ট্রি রিপ্রেজেন্টেটিভ ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর হোসেন।

তিনি বলেন, কক্সবাজার উপকুল থেকে মাত্র দেড়শ থেকে ২শ’ কিলোমিটার পশ্চিম-দক্ষিণে অবস্থিত বঙ্গোপসাগরের সোয়াচ অব নো গ্রাউন্ড। যেখানে ইতোমধ্যে ৪ প্রজাতির তিমি ছাড়াও ৭ প্রজাতির শুশুক (ডলফিন) ও এক প্রজাতির পরপইস এর আবাসস্থল শনাক্ত হয়েছে। বাংলাদেশে থাকা চার প্রজাতির তিমির মধ্যে ব্রাইডিস বা বলিন তিমি (Bryde’s whale, Balaenoptera edeni/brydei), গন্ডার তিমি বা শুক্রাণু তিমি (Sperm Whale, Physeter macrocephalus), ঘাতক তিমি বা চিতা তিমি (Killer Whale, Orcinus orca) এবং ছদ্ম ঘাতক বা নকল চিতা তিমি (False-killer Whale, Pseudorca crassidens) অন্যতম। কক্সবাজার, টেকনাফ ও সেন্টমার্টিন উপকুল থেকে মাত্র ৪০ কিলোমিটার পশ্চিমেই বিচরণ রয়েছে তিমি ও ডলফিনসহ অন্যান্য স্তন্যপায়ী প্রাণীর।

তবে International Union for Conservation of Nature (IUCN) বাংলাদেশ এর ২০১৫ সালের জরীপ অনুযায়ী বাংলাদেশের সামুদ্রিক জলসীমায় ৩ প্রজাতির তিমি রয়েছে। এগুলো হলো ব্রাইডিস তিমি, ফল্স কিলার তিমি ও শুক্রাণু তিমি।

বাংলাপেডিয়ার বাংলাদেশের জলচর স্তন্যপায়ী প্রাণীর সাইট- এ একেএম আমিনুল হক (২০১৪) সম্পাদিত তথ্য অনুযায়ী, ১৮৪২ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর বাংলাদেশ অঞ্চলের চট্টগ্রাম উপকুলের কাছে একটি তিমি আটকে পড়েছিল, যেটি Balaenoptera গণের অর্ন্তভুক্ত বলিন তিমি বলে শনাক্ত হয়েছিল।

ড. মোহাম্মদ জাহাঙ্গীর জানান, WCS এর ২০১৭ ও ২০১৮ সালের জরীপকালে গবেষকরা কক্সবাজারের সেন্টমার্টিন দ্বীপের অদূরে ব্রাইড’স হুয়েলের মা ও শাবক তিমিকে একসাথে দেখেছেন।

বিজ্ঞানীরা জানান, পৃথিবীর তৃতীয় বৃহত্তম রিভার সিস্টেম গঙ্গা-ব্রম্মপুত্র-মেঘনা বা পদ্মা-যমুনা-মেঘনা বাংলাদেশের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত হয়ে বিপুল পরিমাণ স্বাদু পানি বঙ্গোপসাগরে পতিত হয়। যার ফলে বাংলাদেশের উপকুল ও সাগরের পানি পৃথিবীর অন্যতম উর্বর জলরাশি হিসাবে স্বীকৃত, যেখানে রয়েছে একটি সমৃদ্ধ জীববৈচিত্রসহ বিশ্বে বিপন্নপ্রায় বিরল কয়েকটি সামুদ্রিক জলজ স্তন্যপায়ী প্রাণীর আবাসস্থল (হট স্পট)।

যারমধ্যে রয়েছে মহাসাগরীয় জায়ান্ট হিসাবে পরিচিত কয়েক প্রজাতির তিমি ও ডলফিন। পৃথিবীর মোট ৬৪টি লার্জ মেরিন ইকোসিস্টেম বা সমুদ্র চিহ্নিত করা হয়েছে, যার মধ্যে আমাদের বঙ্গোপসাগরও অন্যতম। আর বঙ্গোপসাগর ভারত মহাসাগরের একটি অংশ।