Dhaka , Sunday, 15 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
শনিবারের অঙ্গীকার, বাসা-বাড়ি রাখি পরিষ্কার” স্লোগানে চসিকের পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান উদ্বোধন মধুপুরে বাংলাদেশ প্রাইভেট ক্লিনিক ডায়াগনস্টিক ও ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের ইফতার মাহফিল হরিপুরে অনলাইন প্রেসক্লাবের ইফতার ও দোয়া মাহফিল পাইকগাছায় তেল মজুদ করে কৃত্রিম সংকট সৃষ্টি, মোবাইল কোর্টে জরিমানা রূপগঞ্জে দোয়া ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন ঝালকাঠিতে নৌ কর্মকর্তা’র প্রাইভেটকার খাদে পড়ে দেড় বছরের শিশু নিহত কক্সবাজার থেকে নোয়াখালীতে ইয়াবা পাচার, গ্রেপ্তার-২ ঈদে নৌ-যাত্রায় নিরাপত্তা নিশ্চিতে মোংলায় কোস্ট গার্ডের বিশেষ টহল ঝালকাঠিতে মাহে রমজান উপলক্ষে কোরআন তেলাওয়াত প্রতিযোগিতার পুরস্কার বিতরণী সম্পন্ন সোনাইমুড়ীতে হিযবুত তওহীদের দুই সদস্য হত্যার ১০ বছরেও বিচার হয়নি: মামলা প্রত্যাহারে ক্ষোভ, সংবাদ সম্মেলনে বিচার দাবি নোয়াখালীতে নিখোঁজের দুইদিন পর ব্যবসায়ীর মরদেহ উদ্ধার মির্জাপুরে নবম শ্রেণির স্কুলছাত্রী অপহরণ শ্রীপুরে ঝড়ো হাওয়ায় গাছের ডাল পরে দুই যুবকের মর্মান্তিক মৃত্যু। লক্ষ্মীপুরে দোকানের তালা ভেঙ্গে ২৬ লাখ টাকার মালামাল চুরি রূপগঞ্জে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে বাড়ির মালিকের মৃত্যু, দগ্ধ ২ শরীয়তপুরে দাদির সঙ্গে নদীতে গোসল করতে গিয়ে চতুর্থ শ্রেণির ছাত্রের মর্মান্তিক মৃত্যু পাইকগাছায় ৭৭টি মাদ্রাসায় সৌদি বাদশাহর উপহারের খেজুর বিতরণ ঝালকাঠিতে ১৬০টি গাছ কাটার পর স্থগিত প্রায় দুই হাজার গাছ কাটার প্রকল্প রাজাপুরে ডেঙ্গু বিষয়ক সচেতনতামূলক অভিযান মধুপুরে এতিমখানা ও প্রতিবন্ধী বিদ্যালয়ে সৌদির খেজুর বিতরণ রূপগঞ্জে দোয়া ও ইফতার মাহফিলের আয়োজন ১৭ বছরের জঞ্জাল পরিষ্কার করতে হবে : পানিসম্পদ মন্ত্রী। অফিসে সময়মতো উপস্থিতি বাধ্যতামূলক, অন্যথায় শাস্তির হুঁশিয়ারি ত্রাণমন্ত্রীর তারাগঞ্জে আলোচিত জোড়া খুনের আসামি মজিদুল গ্রেফতার: র‍্যাবের ঝটিকা অভিযানে সাফল্য রূপগঞ্জে আগুনে চার দোকান পুড়ে ছাই ॥ অর্ধকোটি টাকার ক্ষয়ক্ষতি রূপগঞ্জে তিন মাদককারবারির আত্মসমর্পণ হাকিমপুরে জাতীয় ছাত্রশক্তির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল হিলিতে ব্যতিক্রমী উদ্যোগ ৫ টাকায় ৫০০ মানুষের ইফতার দিল উদ্দীপ্ত তরুণ আড়াইহাজারে ইফতার ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত রূপগঞ্জে যুবদল নেতার বিরুদ্ধে সরকারি জমি দখলের অভিযোগ

নরসিংদীতে কাঁচা মরিচ ৮০০ টাকা কেজি

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 01:35:56 pm, Monday, 3 July 2023
  • 231 বার পড়া হয়েছে

নরসিংদীতে কাঁচা মরিচ ৮০০ টাকা কেজি

অরবিন্দ রায়

 স্টাফ রিপোর্টার।।

 

নরসিংদীতে কাঁচা মরিচ ৮০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচের দাম বেশি থাকায় অনেক ব্যবসায়ী দোকানে কাঁচা মরিচ রাখছেন না। কারন কাঁচা মরিচ ২/৩ দিনের মধ্যে বিক্রি না হলে পঁচে যায়। কাঁচা মরিচের দাম বৃদ্ধি পাবার কারনে অনেকই কাঁচা মরিচ খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। ঈদের আগে কাঁচা মরিচ ছিল ৩০০ – ৩৫০ টাকা কেজি। প্রায় এক সপ্তাহ বৃষ্টি থাকায় বিপদে পড়েছে দিনমজুর শ্রেণির মানুষ।
নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বৃদ্ধি। তার উপর আবার ৮০০ টাকা কেজি কাঁচা মরিচ কেনার সামর্থ্য তাদের নেই।

দেশে বেড়েই চলছে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি। বিপাকে পড়েছে শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষ। সবজির বাজারসহ মাছ-মাংস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম লাগামহীন ঊর্ধ্বমুখী। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা বেড়েছে। কাঁচাবাজার যেন সাধারণ মানুষের হাতের বাইরে চলে গেছে । গত কয়েকদিনের তুলনায় বেশ কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম বেড়েছে।
বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, মাছ-মাংস-সবজিসহ সব নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়তি থাকায় কেনাকাটায় হিমশিম খাচ্ছেন শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষ।
বাজারে বেড়েছে চাল, মুরগি, ডিম, কাঁচামরিচ ও বিভিন্ন সবজির দাম। কয়েকদিনের ব্যবধানে খুচরা বাজারে সরু ও মোটা চাল কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা বেড়েছে। ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম কেজিতে বেড়েছে ২৫ টাকা। প্রতি হালি ডিমে বেড়েছে ২ টাকা। কাঁচামরিচ প্রতি কেজিতে ৪০ টাকা মাছের বাজারও চড়া।
বেশ কয়েকটি বাজারে এমন মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। বেগুন প্রতি কেজি ৭০- ৮০ টাকা, টমেটো ১০০- ১২০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, মুলা ৫০ টাকা, কাঁচামরিচ ৮০০ টাকা, শশা ৬০ টাকা, গাজর ৮০ টাকা, ধনে পাতা ৩২০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৪০ – ৫০ টাকা, চিচিঙা ৬০ টাকা, ঝিঙে ৮০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, কাকরোল ৮০ টাকা, পেঁপে ৮০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ১২০ টাকা পিস মাঝারি, ও চাল কুমড়া ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে আলু প্রতি কেজি ৩৫ – ৪০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৮০ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ৫০ টাকা, দেশি আদা ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, চীনা আদা ২৪০ টাকা, দেশি রসুন ১৬০ টাকা, চীনা রসুন ১৯০ টাকা, প্যাকেট আটা ৬৫ ৭০ টাকা, প্যাকেট ময়দা ৭৫ টাকা, খোলা চিনি ১৪০ ১৫০ টাকা, প্যাকেট চিনি ১৫৫- ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মোটা দানার মসুর ডাল ১০৫ টাকা ও ছোট দানার মসুর ডাল ১৪০ টাকা কেজি নেওয়া হচ্ছে।
বাজারে চালের দামও বেড়েছে। খুচরা বাজারে সরু মিনিকেট চাল ২ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৮-৮৫ টাকা। একইভাবে ২-৩ টাকা বেড়ে ভালো মানের বিআর-২৮ চাল কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৮-৬০ টাকা।
মুরগির ব্রয়লার ১৬০ – ৭০ টাকা ও কক বা লেয়ার ২৪০ – ২৫০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। ফার্মের ডিমের হালিতে ২ টাকা বেড়েছে। প্রতি হালি ডিম এখন ৫০ টাকা। গরুর মাংসের দাম অপরিবর্তীত রয়েছে। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকা। আর খাসির মাংস প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকায়।
বাজারে মাছের দামও চড়া। মাঝারি ইলিশ ১০০০ থেকে ১২০০, বড় রুই ও কাতল ৪৬০-৫১০ টাকা, বড় তেলা পিয়া মাছ ২২০ টাকা, চাষের শিং মাছ প্রতিা কেজি ৭৫০ -৯৫০ টাকা, কৈ ৩০০ -৪৭০, পাঙাশ ২০০-২২০ টাকা, দেশি শিং ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা, দেশি চিংড়ি (ছোট) ১০০০ থেকে ১ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রঘুনাথপুরপুর বাজারের ব্যবসায়ী উৎপল রক্ষিত জানান, দ্রব্য মূল্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারন মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।
দ্রব্য মূল্যের বৃদ্ধি পাওয়ায় মানবেতর জীবনযাবন করছেন দিন মজুররা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

শনিবারের অঙ্গীকার, বাসা-বাড়ি রাখি পরিষ্কার” স্লোগানে চসিকের পরিচ্ছন্নতা ও মশক নিধন অভিযান উদ্বোধন

নরসিংদীতে কাঁচা মরিচ ৮০০ টাকা কেজি

আপডেট সময় : 01:35:56 pm, Monday, 3 July 2023

অরবিন্দ রায়

 স্টাফ রিপোর্টার।।

 

নরসিংদীতে কাঁচা মরিচ ৮০০ টাকা কেজি বিক্রি হচ্ছে। কাঁচা মরিচের দাম বেশি থাকায় অনেক ব্যবসায়ী দোকানে কাঁচা মরিচ রাখছেন না। কারন কাঁচা মরিচ ২/৩ দিনের মধ্যে বিক্রি না হলে পঁচে যায়। কাঁচা মরিচের দাম বৃদ্ধি পাবার কারনে অনেকই কাঁচা মরিচ খাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। ঈদের আগে কাঁচা মরিচ ছিল ৩০০ – ৩৫০ টাকা কেজি। প্রায় এক সপ্তাহ বৃষ্টি থাকায় বিপদে পড়েছে দিনমজুর শ্রেণির মানুষ।
নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বৃদ্ধি। তার উপর আবার ৮০০ টাকা কেজি কাঁচা মরিচ কেনার সামর্থ্য তাদের নেই।

দেশে বেড়েই চলছে দ্রব্যমূল্যের উর্ধ্বগতি। বিপাকে পড়েছে শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষ। সবজির বাজারসহ মাছ-মাংস ও নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম লাগামহীন ঊর্ধ্বমুখী। এতে সাধারণ মানুষের মধ্যে হতাশা বেড়েছে। কাঁচাবাজার যেন সাধারণ মানুষের হাতের বাইরে চলে গেছে । গত কয়েকদিনের তুলনায় বেশ কিছু নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যমূল্যের দাম বেড়েছে।
বিভিন্ন কাঁচাবাজার ঘুরে দেখা যায়, মাছ-মাংস-সবজিসহ সব নিত্যপ্রয়োজনীয় দ্রব্যের দাম বাড়তি থাকায় কেনাকাটায় হিমশিম খাচ্ছেন শ্রমজীবী ও নিম্ন আয়ের মানুষ।
বাজারে বেড়েছে চাল, মুরগি, ডিম, কাঁচামরিচ ও বিভিন্ন সবজির দাম। কয়েকদিনের ব্যবধানে খুচরা বাজারে সরু ও মোটা চাল কেজিতে ২ থেকে ৩ টাকা বেড়েছে। ব্রয়লার ও সোনালি মুরগির দাম কেজিতে বেড়েছে ২৫ টাকা। প্রতি হালি ডিমে বেড়েছে ২ টাকা। কাঁচামরিচ প্রতি কেজিতে ৪০ টাকা মাছের বাজারও চড়া।
বেশ কয়েকটি বাজারে এমন মূল্য বৃদ্ধি করা হয়েছে। বেগুন প্রতি কেজি ৭০- ৮০ টাকা, টমেটো ১০০- ১২০ টাকা, পটল ৬০ টাকা, মুলা ৫০ টাকা, কাঁচামরিচ ৮০০ টাকা, শশা ৬০ টাকা, গাজর ৮০ টাকা, ধনে পাতা ৩২০ টাকা, ঢ্যাঁড়শ ৪০ – ৫০ টাকা, চিচিঙা ৬০ টাকা, ঝিঙে ৮০ টাকা, বরবটি ৬০ টাকা, কাকরোল ৮০ টাকা, পেঁপে ৮০ টাকা, মিষ্টি কুমড়া ১২০ টাকা পিস মাঝারি, ও চাল কুমড়া ৫০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
বাজারে আলু প্রতি কেজি ৩৫ – ৪০ টাকা, দেশি পেঁয়াজ ৮০ টাকা, ভারতীয় পেঁয়াজ ৫০ টাকা, দেশি আদা ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা, চীনা আদা ২৪০ টাকা, দেশি রসুন ১৬০ টাকা, চীনা রসুন ১৯০ টাকা, প্যাকেট আটা ৬৫ ৭০ টাকা, প্যাকেট ময়দা ৭৫ টাকা, খোলা চিনি ১৪০ ১৫০ টাকা, প্যাকেট চিনি ১৫৫- ৬০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। মোটা দানার মসুর ডাল ১০৫ টাকা ও ছোট দানার মসুর ডাল ১৪০ টাকা কেজি নেওয়া হচ্ছে।
বাজারে চালের দামও বেড়েছে। খুচরা বাজারে সরু মিনিকেট চাল ২ টাকা বেড়ে প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৮-৮৫ টাকা। একইভাবে ২-৩ টাকা বেড়ে ভালো মানের বিআর-২৮ চাল কেজি বিক্রি হচ্ছে ৫৮-৬০ টাকা।
মুরগির ব্রয়লার ১৬০ – ৭০ টাকা ও কক বা লেয়ার ২৪০ – ২৫০ টাকা দামে বিক্রি হচ্ছে। ফার্মের ডিমের হালিতে ২ টাকা বেড়েছে। প্রতি হালি ডিম এখন ৫০ টাকা। গরুর মাংসের দাম অপরিবর্তীত রয়েছে। প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৭৫০ টাকা। আর খাসির মাংস প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে ৮৫০ থেকে ৯০০ টাকায়।
বাজারে মাছের দামও চড়া। মাঝারি ইলিশ ১০০০ থেকে ১২০০, বড় রুই ও কাতল ৪৬০-৫১০ টাকা, বড় তেলা পিয়া মাছ ২২০ টাকা, চাষের শিং মাছ প্রতিা কেজি ৭৫০ -৯৫০ টাকা, কৈ ৩০০ -৪৭০, পাঙাশ ২০০-২২০ টাকা, দেশি শিং ১১০০ থেকে ১২০০ টাকা, দেশি চিংড়ি (ছোট) ১০০০ থেকে ১ হাজার ১০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে।
রঘুনাথপুরপুর বাজারের ব্যবসায়ী উৎপল রক্ষিত জানান, দ্রব্য মূল্যের দাম বৃদ্ধি পাওয়ায় সাধারন মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে চলে গেছে।
দ্রব্য মূল্যের বৃদ্ধি পাওয়ায় মানবেতর জীবনযাবন করছেন দিন মজুররা।