তিতাস -কুমিল্লা- প্রতিনিধি।।
কুমিল্লার তিতাস উপজেলার বাতাকান্দি সরকার সাহেব আলী আবুল হোসেন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী সিনিয়র শিক্ষক মো.মামুনুর রশিদ ও ইঞ্জিনিয়ার হারুন-উর রশিদ গার্লস কলেজের প্রভাষক শাহিদুল ইসলাম(সাদ্দাম মাষ্টার-এর বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে মানববন্ধন করেছে শত শত বিক্ষুব্ধ ছাত্রজনতা।গতকাল রবিবার সকাল সাড়ে ১১টায় উপজেলা বাতাকান্দি বাজারে বাতাকান্দি সরকার সাহেব আলী আবুল হোসেন মেমোরিয়াল উচ্চ বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার উদ্যোগে মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়। এতে বক্তব্য রাখেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রাক্তন ছাত্র নাজিরুল ইসলাম মামুন- বিদ্যালয়ের সাবেক শিক্ষার্থী আবু সাঈদ- আবু মুসা জুয়েল- সহকারী শিক্ষক মোহাম্মদ শাহজাহান শুভ প্রমুখ। মানববন্ধনে বক্তরা বলেন-যত তারাতাড়ি সম্ভব মামুন স্যারের বিরুদ্ধে মিথ্যা ষড়যন্ত্র ও হয়রানীরমুলক মামলা প্রত্যাহার করা হোক। যদি আমাদের দাবি মানা না হয় তবে আমরা ছাত্রজনতা কঠোর আন্দোলনের ডাক দেবো। যারা স্যারের বিরুদ্ধে এই ঘৃণ্য ষড়যন্ত্রে লিপ্ত তাদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা হোক। ষড়যন্ত্রকারীদের আমরা চিনি তাদের আমরা ছেড়ে দেবো না।
অন্যদিকে,ইঞ্জিনিয়ার হারুন-উর রশিদ গার্লস কলেজের প্রভাষক এবং গাজীপুর খান মডেল সরকারি স্কুল এন্ড কলেজের সাবেক সহকারী শিক্ষক শাহিদুল ইসলাম -সাদ্দাম মাষ্টার -বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলা প্রত্যাহারের দাবিতে বিক্ষোভ মিছিল করেছে গাজীপুর খান মডেল সরকারি স্কুল এন্ড কলেজ ও ইঞ্জিনিয়ার হারুন-উর রশিদ গার্লস কলেজের শতশত শিক্ষার্থী। এতে অংশ নেয় বর্তমান-প্রাক্তন শিক্ষার্থীরা। বিক্ষোভ মিছিলটি গাজীপুর খান মডেল সরকারি স্কুল অ্যান্ড কলেজ থেকে গৌরীপুর-হোমনা সড়ক প্রদক্ষিণ করে পরে তিতাস থানা ঘেরাও করে রাখে।
উল্লেখ্য- গত ৫ আগষ্ট বৈষম্য বিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময় ছাত্রজনতা মিছিল নিয়ে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সেের নিকট গেলে সাবেক সংসদ সদস্য ইঞ্জিনিয়ার মো.আবদুস সবুর ও জাতীয় পাটির সাবেক সংসদ সদস্য আমির হোসেন ভুইঁয়ার নির্দেশে কয়েক শত লোক দেশীয় অস্ত্র,লোহার পাইপ নিয়ে তাদের মিছিলে হামলা করে।ওই ঘটনায় সাবেক এমপি ইঞ্জিনিয়ার আবদুস সবুর ও সাবেক এমপি আমির হোসেন ভূইয়াসহ ১৪২ জনের নাম উল্লেখ করে আরও ১৫০-২০০ জনকে অজ্ঞাত আসামি দেখিয়ে গত বৃহস্পতিবার রাতে তিতাস থানায় মামলা করা হয়।সে মামলায় আসামি করা হয় শিক্ষক মো. মামুনুর রশিদ ও শাহিদুল ইসলাম -সাদ্দাম মাষ্টার -কে।

























