Dhaka , Tuesday, 31 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
সাভার রেডিও কলোনীর মেসার্স সাহারা ফিলিং স্টেশনে অনিয়মের অভিযোগ পাইকগাছায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে ফিডিং কর্মসূচির উদ্বোধন চবিতে সহকারী প্রক্টর পদ থেকে সরে দাঁড়ালেন দুই শিক্ষক পেশাগত মানোন্নয়ন ও বেকার সাংবাদিকদের কর্মসংস্থানে একসাথে কাজ করবে দুই প্রেস ক্লাব পাঠাভ্যাস গড়ে তুলতে সবার অংশগ্রহণের আহ্বান মেয়রের। রূপগঞ্জে ব্যবসায়ীর বাড়িতে ডাকাতি ॥ ৪০ লক্ষাধিক টাকার মাল লুট রূপগঞ্জে মুক্তিযোদ্ধা, বিশেষ চাহিদা সম্পন্ন শিশু ও দরিদ্রদের বিনামূল্যে চিকিৎসা সেবা ঝালকাঠি গাবখান নদীতে নিখোঁজের ৪৮ ঘণ্টা পর কিশোর আলিফের মরদেহ উদ্ধার হঠাৎ করেই বাড়ছে হামের প্রাদুর্ভাব পাবনায়  হাসপাতালে ভর্তি ২৭ রোগীর বেশিরভাগই শিশু পেঁপে গাছে পানি দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে যুবকের মৃত্যু কুড়িগ্রাম সীমান্তে লালমনিরহাট ব্যাটালিয়ন (১৫ বিজিবি)’র হানা: ২৪ লাখ টাকার ভারতীয় শাড়িসহ বস্ত্র উদ্ধার গণভোট বাতিল ‘জুলাইয়ের সাথে গাদ্দারি’: ইবি বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের নিন্দা “বাবার হাত ধরেই চন্দনাইশ উপজেলার মুসতাকিমের আইন পেশায় সাফলতা অর্জন” অপরাধে জিরো টলারেন্স ; রুপগঞ্জ থানার আস্থার প্রতীক ওসি সবজেল হোসেন আলোকিত রমজান, রঙিন ঈদ-২০২৬: তিন জেলায় প্রায় এক শতাধিক পরিবারের পাশে এনবিএ ডেপুটি স্পিকারের সহকারী একান্ত সচিব হলেন মীর্জা সালমান আরশাদ নজরুল নোয়াখালীতে মাদক নিয়ে দ্বন্দ্বে তরুণকে কুপিয়ে হত্যা, গ্রেপ্তার ২ পাইকগাছায় রেড ক্রিসেন্টের রাস্তা সংস্কার কার্যক্রম পরিদর্শনে ইউএনও ফের ক্লাস পরীক্ষা বর্জনের ডাক চবি কলেজের শিক্ষার্থীদের, ৩ দফা দাবিতে উপাচার্য কে স্মারকলিপি     রূপগঞ্জে দেশীয় অস্ত্র ও মাদকসহ ৩ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার আমরা যদি দুর্নীতির বিরুদ্ধে রুখে না তারাই তবে কিভাবে মন্ত্রণালয়কে মুক্ত করবো: স্বাস্থ্যমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন রাজাপুরে নানা অনিয়মের অভিযোগে শিক্ষিকার অপসারণের দাবিতে মানববন্ধন নোয়াখালীতে নিখোঁজের দুদিন পর ডোবায় ইটভাটা শ্রমিকের লাশ নোয়াখালীতে গৃহবধুকে ধর্ষণের অভিযোগে যুবক গ্রেপ্তার গোসল করতে যাওয়ার পথে বজ্রপাতে কিশোরের মৃত্যু পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে জেলা পরিষদ প্রশাসক বাপ্পী ফতুল্লায় বক্তাবলী ইউনিয়নে জামায়াতে ইসলামীর ঈদ পুনর্মিলনী স্বৈরাচারের দোসর ইউপি সদস্য ইমরানের হুমকি ও অপপ্রচার, বাধাগ্রস্ত হচ্ছে পরিষদের কার্যক্রম কালীগঞ্জে রেললাইনে প্রাণ গেল বৃদ্ধের: ট্রেনের নিচে পড়ে নিথর দেহ উদ্ধার

তিতাসে গোমতীর ভাঙনে বিলীন মসজিদসহ ৬০টি পরিবার আশ্বাস দিলেও ভাঙন রোধে ব্যবস্থা হয়নি গত দেড় যোগেও।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 11:18:07 am, Monday, 2 September 2024
  • 209 বার পড়া হয়েছে

তিতাসে গোমতীর ভাঙনে বিলীন মসজিদসহ ৬০টি পরিবার আশ্বাস দিলেও ভাঙন রোধে ব্যবস্থা হয়নি গত দেড় যোগেও।।

তিতাস -কুমিল্লা- প্রতিনিধি।।
মরার উপর খাঁড়ার ঘাঁ হয়ে যেনো এবার বন্যা রূপে দেখা দিলো -রাক্ষুসী গোমতী । বন্যার পানি গোমতীর বিপদ সিমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় হুমকির মুখে পড়েছে “সিদ্দেস্বরি রেগুলেটর গোমতি বেড়ীবাঁধ ।ইতোমধ্যেই গোমতীর ভয়াবহ থাবায় কুমিল্লার তিতাসের ৬০টি পরিবারের ঘরবাড়ি নদীর বুকে বিলীন হয়ে গেছে। এসব অঞ্চলে স্থায়ীভাবে নদী ভাঙ্গন রোধে প্রকল্প গ্রহণের জন্য বহুবার আশ্বাস দিলে গত দেড় যুগে কোন কর্যত পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হয়নি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।সরজমিনে গেলে দেখা যায়- নারান্দিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম ও পূর্বপাড়ের নদীর তীরবর্তী ঘরবাড়ী ভেঙ্গে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এতে ভিটাবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে ৬০টি পরিবার। এছাড়াও নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে মসজিদ- বৈদ্যুতিক খুটি- হাঁস-মুরগির খামার- অর্ধশতাধিক মাছের খামারসহ বিভিন্ন স্থাপনা। নদীর তীরবর্তী শত শত পরিবার নদী ভাঙনের আতঙ্কে খোলা আকাশের নীচে রাত জেগে ভাগাভাগি করে পাহারা দিচ্ছেন নারী-পুরুষ।এছাড়াও প্রতিবছর অসংখ্য বসতভিটা ও ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
দিশেহারা হয়ে পড়েছে এখানকার পরিবারগুলো।প্রতি বছরের ন্যায় এবারো বর্ষার শুরুতে টানা ভারি বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা ঢলে গোমতীতে ক্রমশই বাড়ছে স্রোতের গতি। আর স্রোতের টানে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে নদী পাড়ের মানুষের স্বপ্নের নীড়গুলো। সর্বক্ষণ ভাঙন আতংকে- অনিদ্রা- অনাহারে প্রহর গুনছেন সহায়- সম্বলহীন মানুষগুলো। ভাঙন থেকে রেহায় পেতে সর্ব মহলের সহায়তা চেয়ে মানববন্ধনও করেছে এখানকার সুশিল সমাজ ও ভুক্তভোগি পরিবারগুলো।স্থানীয়রা জানান- প্রায় পঞ্চাশ বছর যাবৎ আমরা এই ভাঙ্গা ও গড়ার খেলায় প্রতিদিন হেরে যাচ্ছি। আমরা আর পারছিনা-আমরা এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ চাই। গত ৫০ বছরে ভাঙনের এই তাণ্ডবে পড়ে হাজারো পরিবার অন্যত্র চলে গেছে। আমরা আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারনে অন্যত্র যেতে পারছি না। আমরা দেশবাসীর সহায়তায় বাঁচতে চাই।নারান্দিয়া পুর্বপাড়ের সমাজসেবক গোলাম মহিউদ্দিন জিলানী বলেন- আমাদের এই অঞ্চলে দীর্ঘ ৩০বছরে ভাঙন শুরু হয়। গত ৬- ৭বছরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সামান্য কিছু জিও ব্যাগ ও ব্লক এলেও সঠিক জায়গায় স্থাপন হয়নি। তাই নারান্দিয়া গ্রামকে বাঁচাতে হলে দ্রুত উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।নারান্দিয়া পশ্চিম পাড়া সাবেক মেম্বার মফিজুল ইসলাম বলেন-আমাদের নারান্দিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম পাড়া এলাকায় মসজিদ-মাদ্রাসা-বাড়িঘর-প্রাইমারি স্কুলসহ গোমতীর নদীর পানিতে বিলীন হয়ে গেছে অর্ধশতাধিক মৎসপ্রকল্প। এমতাবস্থায় মসজিদ-মাদ্রাসা এবং নারান্দিয়া বেড়িবাঁধসহ যেসব ভিটে মাটি এখনো সুরক্ষিত আছে সেগুলো রক্ষার্থে আমরা সরকারের সংশ্লিষ্টকে অনুরোধ করবো। যেনো দ্রুত সময়ের মধ্যে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।এ ব্যাপারে তিতাস উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমাইয়া মমিন বলেন, আমরা সর্বদাই তাদের খোঁজ-খবর নিচ্ছি। তাছাড়া তাদের ঘরে ঘরে ত্রাণ দিয়েছি। ক্ষতিগ্রস্তদের লিস্ট করেছি সরকারি বরাদ্দ এলে তাদের জন্য কিছু করার চেষ্টা করব এবং তাদের থাকার ব্যাপারে কোন সমস্যা হলে তাদের জন্য আশ্রয়ণ কেন্দ্রগুলো খোলা আছে। সেখানে তারা আশ্রয় নিতে পারবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সাভার রেডিও কলোনীর মেসার্স সাহারা ফিলিং স্টেশনে অনিয়মের অভিযোগ

তিতাসে গোমতীর ভাঙনে বিলীন মসজিদসহ ৬০টি পরিবার আশ্বাস দিলেও ভাঙন রোধে ব্যবস্থা হয়নি গত দেড় যোগেও।।

আপডেট সময় : 11:18:07 am, Monday, 2 September 2024
তিতাস -কুমিল্লা- প্রতিনিধি।।
মরার উপর খাঁড়ার ঘাঁ হয়ে যেনো এবার বন্যা রূপে দেখা দিলো -রাক্ষুসী গোমতী । বন্যার পানি গোমতীর বিপদ সিমার উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় হুমকির মুখে পড়েছে “সিদ্দেস্বরি রেগুলেটর গোমতি বেড়ীবাঁধ ।ইতোমধ্যেই গোমতীর ভয়াবহ থাবায় কুমিল্লার তিতাসের ৬০টি পরিবারের ঘরবাড়ি নদীর বুকে বিলীন হয়ে গেছে। এসব অঞ্চলে স্থায়ীভাবে নদী ভাঙ্গন রোধে প্রকল্প গ্রহণের জন্য বহুবার আশ্বাস দিলে গত দেড় যুগে কোন কর্যত পদক্ষেপ গ্রহণ না করা হয়নি বলে অভিযোগ ভুক্তভোগীদের।সরজমিনে গেলে দেখা যায়- নারান্দিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম ও পূর্বপাড়ের নদীর তীরবর্তী ঘরবাড়ী ভেঙ্গে নদীতে বিলীন হয়ে গেছে। এতে ভিটাবাড়ি হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে গেছে ৬০টি পরিবার। এছাড়াও নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে মসজিদ- বৈদ্যুতিক খুটি- হাঁস-মুরগির খামার- অর্ধশতাধিক মাছের খামারসহ বিভিন্ন স্থাপনা। নদীর তীরবর্তী শত শত পরিবার নদী ভাঙনের আতঙ্কে খোলা আকাশের নীচে রাত জেগে ভাগাভাগি করে পাহারা দিচ্ছেন নারী-পুরুষ।এছাড়াও প্রতিবছর অসংখ্য বসতভিটা ও ফসলি জমি নদী গর্ভে বিলীন হয়ে গেছে।
দিশেহারা হয়ে পড়েছে এখানকার পরিবারগুলো।প্রতি বছরের ন্যায় এবারো বর্ষার শুরুতে টানা ভারি বর্ষণ ও ভারতের উজান থেকে নেমে আসা ঢলে গোমতীতে ক্রমশই বাড়ছে স্রোতের গতি। আর স্রোতের টানে ভাসিয়ে নিয়ে যাচ্ছে নদী পাড়ের মানুষের স্বপ্নের নীড়গুলো। সর্বক্ষণ ভাঙন আতংকে- অনিদ্রা- অনাহারে প্রহর গুনছেন সহায়- সম্বলহীন মানুষগুলো। ভাঙন থেকে রেহায় পেতে সর্ব মহলের সহায়তা চেয়ে মানববন্ধনও করেছে এখানকার সুশিল সমাজ ও ভুক্তভোগি পরিবারগুলো।স্থানীয়রা জানান- প্রায় পঞ্চাশ বছর যাবৎ আমরা এই ভাঙ্গা ও গড়ার খেলায় প্রতিদিন হেরে যাচ্ছি। আমরা আর পারছিনা-আমরা এই অবস্থা থেকে পরিত্রাণ চাই। গত ৫০ বছরে ভাঙনের এই তাণ্ডবে পড়ে হাজারো পরিবার অন্যত্র চলে গেছে। আমরা আর্থিক অস্বচ্ছলতার কারনে অন্যত্র যেতে পারছি না। আমরা দেশবাসীর সহায়তায় বাঁচতে চাই।নারান্দিয়া পুর্বপাড়ের সমাজসেবক গোলাম মহিউদ্দিন জিলানী বলেন- আমাদের এই অঞ্চলে দীর্ঘ ৩০বছরে ভাঙন শুরু হয়। গত ৬- ৭বছরে প্রশাসনের পক্ষ থেকে সামান্য কিছু জিও ব্যাগ ও ব্লক এলেও সঠিক জায়গায় স্থাপন হয়নি। তাই নারান্দিয়া গ্রামকে বাঁচাতে হলে দ্রুত উর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ করতে হবে।নারান্দিয়া পশ্চিম পাড়া সাবেক মেম্বার মফিজুল ইসলাম বলেন-আমাদের নারান্দিয়া ইউনিয়নের পশ্চিম পাড়া এলাকায় মসজিদ-মাদ্রাসা-বাড়িঘর-প্রাইমারি স্কুলসহ গোমতীর নদীর পানিতে বিলীন হয়ে গেছে অর্ধশতাধিক মৎসপ্রকল্প। এমতাবস্থায় মসজিদ-মাদ্রাসা এবং নারান্দিয়া বেড়িবাঁধসহ যেসব ভিটে মাটি এখনো সুরক্ষিত আছে সেগুলো রক্ষার্থে আমরা সরকারের সংশ্লিষ্টকে অনুরোধ করবো। যেনো দ্রুত সময়ের মধ্যে দ্রুত প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেয়।এ ব্যাপারে তিতাস উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা সুমাইয়া মমিন বলেন, আমরা সর্বদাই তাদের খোঁজ-খবর নিচ্ছি। তাছাড়া তাদের ঘরে ঘরে ত্রাণ দিয়েছি। ক্ষতিগ্রস্তদের লিস্ট করেছি সরকারি বরাদ্দ এলে তাদের জন্য কিছু করার চেষ্টা করব এবং তাদের থাকার ব্যাপারে কোন সমস্যা হলে তাদের জন্য আশ্রয়ণ কেন্দ্রগুলো খোলা আছে। সেখানে তারা আশ্রয় নিতে পারবে।