Dhaka , Tuesday, 22 September 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
সামাজিক ও মানবিক সংগঠন ‘এমআরটি ফাউন্ডেশন’র চেয়ারম্যান নির্বাচিত রাইহান ইসমাইল প্রথমবার রজনীকান্তের সিনেমায় বিদ্যা, সিগারেট হাতে ফার্স্ট লুকেই চমক পাইকগাছায় ১২শ গাছের চারা রোপণ কর্মসূচির উদ্বোধন টেস্ট ক্রিকেটে সেরা ৫ দলীয় সংগ্রহ বাল্যবিবাহ রোধে নতুন অঙ্গীকার, দক্ষিণ মিঠাছড়ি ইউনিয়ন ‘বাল্যবিবাহমুক্ত’ ঘোষণা অস্ত্র বানান, মার্ডার হলে আমি দেখব’ যদুনন্দী ইউপি চেয়ারম্যানের বক্তব্যের ভিডিও ভাইরাল, অস্বীকার করে বললেন—‘ভিডিও এডিট করা’ দুপুরে ঘরের দরজা বন্ধ, সন্দেহে গিয়ে দেখা গেল গলায় ফাঁস দেওয়া বৃদ্ধের মরদেহ পাইকগাছায় ৪ লাখ চিংড়ি পোনা জব্দ; শিবসায় অবমুক্ত পাইকগাছায় কমিউনিটি ওয়াটার ব্যাংক হস্তান্তর নারীকে নিয়ন্ত্রণ করাই কি সংস্কৃতি: রাহুল গান্ধী ডলার-রুপির বিপরীতে শক্তিশালী টাকা, এখন কত? লংমার্চে গিয়ে কিছু গাড়ির টোল দেয়নি বিরোধী দল: রিজভী ইবিতে জব কর্নার-২ চালু: সন্তুষ্ট শিক্ষার্থীরা, জানালেন আরও দাবি ফরিদপুরের চরভদ্রাসনে নজরুল বৎসর উপলক্ষে সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান ও পুরস্কার বিতরণ অনুষ্ঠান সম্পন্ন। রূপগঞ্জে পাউবো কর্মকর্তার দুর্নীতির অভিযোগ তদন্তে দুদকের অভিযান বাস্তবসম্মত ও কর্মমুখী শিক্ষায় বিশেষ জোর দেওয়ার আহ্বান রাষ্ট্রপতির সখিপুর থানার সখিপুর ইউপির চেয়ারম্যান প্রার্থী কামরুল হাসান রাজীব সরদার জনপ্রিয়তার শীর্ষে প্রেসিডেন্ট পুলিশ পদক পিপিএম সেবা পেলেন পিবিআই এর এসআই মনজুর রহমান সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুজব প্রতিরোধে সাইবার টিমের করণীয় বিষয়ে জেলা পুলিশের সভা সোনারগাঁওয়ে পুলিশের কাছ থেকে আসামী ছিনতাই, আহত ২ অটোরিকশায় চার্জ দিতে গিয়ে বিদ্যুৎস্পৃষ্টে চালকের মৃত্যু চাষাড়ায় শুভ হত্যার আসামিদের গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে মানববন্ধন নারায়ণগঞ্জে হাইকোর্টের বিচারপতির আদালত পরিদর্শন কারাগারে বন্দিদের মাদকবিরোধী সচেতনতা ও গার্মেন্টস প্রশিক্ষণ শীতলক্ষ্যায় খণ্ডিত মরদেহের অংশ দেখার পরও উদ্ধার হয়নি চরভদ্রাসনে ১০৫ পিস ইয়াবাসহ মাদকসম্রাজ্ঞী আটক- অন্য একজনকে মাদক মামলায় ৬ মাসের সাজা- সন্ত্রাসবিরোধী আইনে গ্রেফতার ২ রাষ্ট্রপতির পুলিশ পদক পাচ্ছেন এসএমপি’র জালালাবাদ থানার অফিসার ইনচার্জ শামসুল হাবিব লিংক রোডে ১৪ হাজার পিস ইয়াবাসহ দুই মাদক কারবারি গ্রেপ্তার শরীয়তপুরে মা ইলিশ রক্ষা অভিযানে নৌ পুলিশের কঠোর সতর্কবার্তা সরাইল পাইলট বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের জিপিএ-৫ প্রাপ্ত শিক্ষার্থীদের ‘পজিটিভ সরাইল’ এর উদ্যোগে সংবর্ধনা

ঠাকুরগাঁওয়ে আগাম আলু চাষে ব্যস্ত কৃষক।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 09:17:42 am, Saturday, 9 November 2024
  • 183 বার পড়া হয়েছে

ঠাকুরগাঁওয়ে আগাম আলু চাষে ব্যস্ত কৃষক।।

 

জসীমউদ্দীন ইতি 

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি।।

  

   

বাড়তি লাভের আশায় ঠাকুরগাঁওয়ে প্রতি বছর আগাম আলু চাষ করেন কৃষকরা। জেলার ৫টি উপজেলায় এখনো রোপা-আমন ধান কাটা শেষ হয়নি। তবে সদ্য ফাঁকা হওয়া জমিগুলোতে এখন আগাম আলু চাষে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন চাষিরা।

জেলাজুড়ে ডায়মন- অ্যাস্টেরিক ও কার্টিনাল নামে আগাম জাতের আলু চাষ করা হয়েছে। এ তিন জাতের আলু রোপণের ৫৫ থেকে ৬০ দিনের মাথায় বিক্রির উপযোগী হয়। জেলায় চলতি মৌসুমে ২৭ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত আগাম চাষ হয়েছে ২ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে।

জানা গেছে, এ বছর কৃষকরা বাইরে থেকে আলুর বিজ কিনছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায়। যা গত বছরের তুলনায় দাম বেড়েছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা। আর এক মৌসমের আগের হিসেবে এই দাম দ্বিগুণের বেশি। এছাড়াও সারের বস্তা প্রতি দাম বেড়েছে ২০০ টাকা পর্যন্ত- অতিরিক্ত সেচ ও কীটনাশক খরচের ফলে এবার আলু উৎপাদ ব্যায় হচ্ছে অস্বাভাবিক। আগে যেখানে বিঘা প্রতি আলুর উৎপাদন ব্যয় ছিলো ৪০ হাজার টাকা। সেই ব্যয় বেড়ে এখন বিঘা প্রতি খরচ হচ্ছে ৭০ হাজার টাকা।

এবার সরকারি যে আলুর বীজ সরবরাহ করা হচ্ছে; সেই আলুর বীজ জাতভেদে ৫৭ টাকা থেকে শুরু করে ৬৬ টাকা পর্যন্ত কেজি নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু চাহিদার তুলনায় সরকারি বীজ অপ্রতুল। সূত্র জানায়, ২০-২৫ শতাংশ আলুর বীজ উৎপাদন করে বিএডিসি। বাকি আলু কৃষক তাদের ঘরে রাখেন ও বেসরকারি বিভিন্ন এনজিও ও প্রতিষ্ঠান উৎপাদন করে। সরকারি আলুবীজ পর্যাপ্ত না হওয়ায় কৃষক বাধ্য হয়ে বেশি দামে আলুবীজ কিনে থাকেন। গত বছর আলুবীজ ৫০-৬০ টাকায় কিনতে পেরেছিল কৃষক। যা তার আগের মৌসুমে ছিলো ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। তবে সেই আলুবীজ এবার ৮০-৮৫ টাকা পর্যন্ত কিনতে হচ্ছে।

সারের বিষয়ে জানা যায়- ডিলাররা ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি) সরকারি মূল্য ১২৫০ টাকায় কেনে কিন্তু বিক্রি করেন ১৩৫০ টাকায়। ডাই-অ্যামনিয়াম ফসফেট -ডিএপি- সরকারি মূল্য ৯৫০ টাকা হলেও বিক্রি হয় ১০৫০ টাকায়। মিউরেট অব পটাশ (এমওপি- সরকারি মূল্য ৯০০ টাকা হলে ১০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ইউরিয়া সরকারি মূল্য ১২৫০ টাকা হলেও ১৩৫০ টাকায় চাষি পর্যায়ে বিক্রি করবেন।

কিন্তু কৃষককে ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি) ১৭০০ টাকা এবং দেশি ২২০০ টাকা, ডাই-অ্যামনিয়াম ফসফেট -ডিএপি) ১১০০ টাকা ও দেশি ১৫০০ টাকা, মিউরেট অব পটাশ -এমওপি- ১২০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে।

কৃষকরা বলছেন- গত দুই মৌসুমে আলুর দাম ভালো বাজার মূল্য দেখেই এ বছর তারা বাড়তি উৎপাদনে ঝুঁকি নিচ্ছেন। তবে সরকারি রেটে বিজ- সার ও কিটনাশক পেলে তাদের উৎপাদন ব্যয় কিছুটা কমানো সম্ভব হতো। সঠিক বাজার মূল্য না পেলে পুঁজি হারাতে হবে।

নারগুন ইউনিয়নের কৃষক তরিকুল বলেন- গত বছর আলুর বীজ- সার ও কীটনাশকের দাম বৃদ্ধি পেয়ে খরচ দ্বিগুণ হয়েছিলো। তবে এবছর খরচ আরও বেড়েছে।

আকচা ইউনিয়নের কৃষক সোহেল রানা বলেন- গত এক বছর আগেও ৫০ শতক জমিতে আলুর খরচ হয়েছে ৩০-৪০ হাজার টাকা। গত বছর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০-৫৫ হাজার টাকা। তবে এবছর একই ৫০ শতক জমিতে খরচ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭০ হাজার টাকা। প্রতি বছর আলুর চাষ করি। তাই সেই ধারাবাহিতায় এবারও করলাম। ভালো বাজার নিয়ে আমি খুবই শঙ্কায় আছি।

স্থানীয় কৃষি অফিস বলছে, আলুর ভালো দাম পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। বড় কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে চলতি মৌসুমে আলুর ভালো ফলনে আশাবাদী কৃষি বিভাগ।

ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক কৃষিবিদ নাজমা আক্তার বলেন, আমরা নিয়মিত মাঠ পর্যায়ে গিয়ে আলু চাষিদের বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছি। ঠাকুরগাঁওয়ের মাটি ও প্রকৃতি আলুর জন্যে যথেষ্ট উপযোগী। তবে এবার উৎপাদন ব্যয় বেশি। আশা করি সঠিক বাজার মূল্যের মাধ্যমে কৃষকরা তাদের খরচ তুলতে সক্ষম হবে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

সামাজিক ও মানবিক সংগঠন ‘এমআরটি ফাউন্ডেশন’র চেয়ারম্যান নির্বাচিত রাইহান ইসমাইল

ঠাকুরগাঁওয়ে আগাম আলু চাষে ব্যস্ত কৃষক।।

আপডেট সময় : 09:17:42 am, Saturday, 9 November 2024

 

জসীমউদ্দীন ইতি 

ঠাকুরগাঁও প্রতিনিধি।।

  

   

বাড়তি লাভের আশায় ঠাকুরগাঁওয়ে প্রতি বছর আগাম আলু চাষ করেন কৃষকরা। জেলার ৫টি উপজেলায় এখনো রোপা-আমন ধান কাটা শেষ হয়নি। তবে সদ্য ফাঁকা হওয়া জমিগুলোতে এখন আগাম আলু চাষে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন চাষিরা।

জেলাজুড়ে ডায়মন- অ্যাস্টেরিক ও কার্টিনাল নামে আগাম জাতের আলু চাষ করা হয়েছে। এ তিন জাতের আলু রোপণের ৫৫ থেকে ৬০ দিনের মাথায় বিক্রির উপযোগী হয়। জেলায় চলতি মৌসুমে ২৭ হাজার ৫০০ হেক্টর জমিতে আলু চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত আগাম চাষ হয়েছে ২ হাজার ৭০০ হেক্টর জমিতে।

জানা গেছে, এ বছর কৃষকরা বাইরে থেকে আলুর বিজ কিনছে ৮০ থেকে ৮৫ টাকায়। যা গত বছরের তুলনায় দাম বেড়েছে ২৫ থেকে ৩০ টাকা। আর এক মৌসমের আগের হিসেবে এই দাম দ্বিগুণের বেশি। এছাড়াও সারের বস্তা প্রতি দাম বেড়েছে ২০০ টাকা পর্যন্ত- অতিরিক্ত সেচ ও কীটনাশক খরচের ফলে এবার আলু উৎপাদ ব্যায় হচ্ছে অস্বাভাবিক। আগে যেখানে বিঘা প্রতি আলুর উৎপাদন ব্যয় ছিলো ৪০ হাজার টাকা। সেই ব্যয় বেড়ে এখন বিঘা প্রতি খরচ হচ্ছে ৭০ হাজার টাকা।

এবার সরকারি যে আলুর বীজ সরবরাহ করা হচ্ছে; সেই আলুর বীজ জাতভেদে ৫৭ টাকা থেকে শুরু করে ৬৬ টাকা পর্যন্ত কেজি নির্ধারণ করা হয়েছে। কিন্তু চাহিদার তুলনায় সরকারি বীজ অপ্রতুল। সূত্র জানায়, ২০-২৫ শতাংশ আলুর বীজ উৎপাদন করে বিএডিসি। বাকি আলু কৃষক তাদের ঘরে রাখেন ও বেসরকারি বিভিন্ন এনজিও ও প্রতিষ্ঠান উৎপাদন করে। সরকারি আলুবীজ পর্যাপ্ত না হওয়ায় কৃষক বাধ্য হয়ে বেশি দামে আলুবীজ কিনে থাকেন। গত বছর আলুবীজ ৫০-৬০ টাকায় কিনতে পেরেছিল কৃষক। যা তার আগের মৌসুমে ছিলো ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। তবে সেই আলুবীজ এবার ৮০-৮৫ টাকা পর্যন্ত কিনতে হচ্ছে।

সারের বিষয়ে জানা যায়- ডিলাররা ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি) সরকারি মূল্য ১২৫০ টাকায় কেনে কিন্তু বিক্রি করেন ১৩৫০ টাকায়। ডাই-অ্যামনিয়াম ফসফেট -ডিএপি- সরকারি মূল্য ৯৫০ টাকা হলেও বিক্রি হয় ১০৫০ টাকায়। মিউরেট অব পটাশ (এমওপি- সরকারি মূল্য ৯০০ টাকা হলে ১০০০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। ইউরিয়া সরকারি মূল্য ১২৫০ টাকা হলেও ১৩৫০ টাকায় চাষি পর্যায়ে বিক্রি করবেন।

কিন্তু কৃষককে ট্রিপল সুপার ফসফেট (টিএসপি) ১৭০০ টাকা এবং দেশি ২২০০ টাকা, ডাই-অ্যামনিয়াম ফসফেট -ডিএপি) ১১০০ টাকা ও দেশি ১৫০০ টাকা, মিউরেট অব পটাশ -এমওপি- ১২০০ টাকায় কিনতে হচ্ছে।

কৃষকরা বলছেন- গত দুই মৌসুমে আলুর দাম ভালো বাজার মূল্য দেখেই এ বছর তারা বাড়তি উৎপাদনে ঝুঁকি নিচ্ছেন। তবে সরকারি রেটে বিজ- সার ও কিটনাশক পেলে তাদের উৎপাদন ব্যয় কিছুটা কমানো সম্ভব হতো। সঠিক বাজার মূল্য না পেলে পুঁজি হারাতে হবে।

নারগুন ইউনিয়নের কৃষক তরিকুল বলেন- গত বছর আলুর বীজ- সার ও কীটনাশকের দাম বৃদ্ধি পেয়ে খরচ দ্বিগুণ হয়েছিলো। তবে এবছর খরচ আরও বেড়েছে।

আকচা ইউনিয়নের কৃষক সোহেল রানা বলেন- গত এক বছর আগেও ৫০ শতক জমিতে আলুর খরচ হয়েছে ৩০-৪০ হাজার টাকা। গত বছর তা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৫০-৫৫ হাজার টাকা। তবে এবছর একই ৫০ শতক জমিতে খরচ বেড়ে দাঁড়িয়েছে ৭০ হাজার টাকা। প্রতি বছর আলুর চাষ করি। তাই সেই ধারাবাহিতায় এবারও করলাম। ভালো বাজার নিয়ে আমি খুবই শঙ্কায় আছি।

স্থানীয় কৃষি অফিস বলছে, আলুর ভালো দাম পাওয়ার সম্ভাবনা আছে। বড় কোনো প্রাকৃতিক দুর্যোগ না হলে চলতি মৌসুমে আলুর ভালো ফলনে আশাবাদী কৃষি বিভাগ।

ঠাকুরগাঁও কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের ভারপ্রাপ্ত উপ-পরিচালক কৃষিবিদ নাজমা আক্তার বলেন, আমরা নিয়মিত মাঠ পর্যায়ে গিয়ে আলু চাষিদের বিভিন্ন পরামর্শ দিচ্ছি। ঠাকুরগাঁওয়ের মাটি ও প্রকৃতি আলুর জন্যে যথেষ্ট উপযোগী। তবে এবার উৎপাদন ব্যয় বেশি। আশা করি সঠিক বাজার মূল্যের মাধ্যমে কৃষকরা তাদের খরচ তুলতে সক্ষম হবে।