Dhaka , Friday, 6 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
লক্ষ্মীপুরে ঝগড়া থামাতে গিয়ে অটোরিকশা চালকের কিল-ঘুষিতে যুবদল নেতার মৃত্যু কক্সবাজারে মাদকবিরোধী অভিযানে ইয়াবা ও টাকাসহ গ্রেফতার ৩ শরীয়তপুরের জাজিরায় অনুমোদনহীন সেমাই কারখানায় অভিযান, ১ লাখ জরিমানা চট্টগ্রামে আলহাজ্ব শামসুল হক ফাউন্ডেশনের উদ্যোগে চট্টগ্রাম কেন্দ্রীয় কারাগারে ইন্টারকম সেবা উদ্বোধন রূপগঞ্জে মাদদ্রব্যসহ ৪ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার রামগঞ্জে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় এক সাংবাদিক মারাত্মক আহত রূপগঞ্জে পানি উন্নয়ন বোর্ডের জমির সীমানা নির্ধারণে মাঠ পরিদর্শন করলো পানি উন্নয়ন বোর্ডের কর্মকর্তারা। মাদক বিরোধী অভিযান রুপগঞ্জে বিপুল পরিমাণ মাদকসহ গ্রেপ্তার-৪ মাদক ব্যবসায়ী সীমান্তে ১৫ বিজিবি’র সাঁড়াশি অভিযান: দুই জেলায় বিপুল মাদক ও প্রসাধনী উদ্ধার পাইকগাছা পৌরসভায় জামায়াতের পরিচ্ছন্নতা অভিযান পাইকগাছায় প্রশাসনের উদ্যোগে ন্যায্যমূল্যের বাজারের উদ্বোধন পাইকগাছায় গ্রাম আদালত বিষয়ক ত্রৈমাসিক সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত দুই ধাপে টানা ২৩ দিনের ছুটিতে নজরুল বিশ্ববিদ্যালয় নারায়ণগঞ্জ চেম্বারের উদ্যোগে ইফতার মাহফিল ফুটপাত দখলমুক্ত ও যানজট নিরসনে পাঁচবিবিতে সচেতনতামূলক র‍্যালি ও পরিচ্ছন্নতা অভিযান মাত্র ৬ মাসে কুরআনের হাফেজ ১০ বছরের সিদ্দিক কাঁঠালিয়ায় অগ্নিকাণ্ডে দুইটি বসঘর পুড়ে ৫ লাখ টাকার ক্ষতি  অসুস্থ বাবাকে দেখতে যাওয়ার পথে প্রাণ হারালেন ফায়ার ফাইটার রামুতে পেশাগত দায়িত্ব পালনকালে সংবাদকর্মীদের উপর হামলা ফ্যাসিস্টদের দোসর কর্তৃক উপড়ে ফেলা রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের নামফলক প্রেস ক্লাবে পুনঃপ্রতিষ্ঠায় উদ্যোগ নেওয়ার আহবান তথ্যমন্ত্রীর পাইকগাছায় সামাজিক সচেতনতা ও প্রেরণামূলক আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত পঞ্চবটীতে আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে কুপিয়ে হত্যা, আহত ১। বাংলাদেশ পল্লী চিকিৎসক সমিতি রূপগঞ্জ  উপজেলা শাখার ইফতার মাহফিল বাংলাদেশ পল্লী চিকিৎসক সমিতি রূপগঞ্জ  উপজেলা শাখার উদ্যোগে নবনির্বাচিত এমপি মোস্তাফিজুর রহমান ভূইয়াকে ফুলের শুভেচ্ছা ও ইফতার ও দোয়া মাহফিল জেলা কারাগার পরিদর্শন করলেন জেলা প্রশাসক মধুপুরে এক সেবনকারীকে দেড় বছরের কারাদণ্ড শ্রীপুরে ভিজিএফ তালিকা নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে সাংবাদিকের ওপর হামলার অভিযোগ শ্রীপুরে বিট পুলিশিং সভা অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় ‘দারিদ্র বিমোচনে যাকাতের ভূমিকা’ শীর্ষক সেমিনার অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় আবির-রঙের উৎসবে দোলযাত্রা ও গৌড় পূর্ণিমা উদযাপন

চেয়ারম্যান মিরাজের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 09:31:26 am, Monday, 27 November 2023
  • 529 বার পড়া হয়েছে

চেয়ারম্যান মিরাজের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই।।

কক্সবাজার অফিস।।
ইউপি চেয়ারম্যান মিরাজ যেনো এলাকায় এক মূর্তিমান আতংক। তার বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতি চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অন্তহীন অভিযোগ। বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে তার বিরুদ্ধে একের পর এক জমা পড়েছে অভিযোগের পাহাড়। ইতোমধ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সেইসব অভিযোগ নিয়ে সংবাদও প্রকাশিত হয়েছে। 
প্রতিপক্ষের লোকজনকে দমাতে চেয়ারম্যান মিরাজের রয়েছে এক সুকৌশলি পন্থা। তার অনুগত ও আস্থাভাজন লোকজন দিয়ে প্রতিপক্ষ ও প্রতিবাদী লোকজনের বিরুদ্ধে একের পর এক সাজানো-মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের দমিয়ে রাখেন। করেন শায়েস্তা। 
মেহেরাজ হোসেন ওরফে মিরাজ; কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান। সরেজমিনে বহুল আলোচিত-সমালোচিত এই জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে পাওয়া যায় আঁতকে উঠার মতো একের পর এক অভিযোগ। চাঁদা দাবি, জবরদখল, বনজ সম্পদ উজাড়, বালু উত্তোলন, পাহাড় কাটা, প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় হয়রানির অন্তহীন অভিযোগ তুললেন এলাকার বিভিন্ন স্তরের লোকজন। 
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চেয়ারম্যান মিরাজের প্রায় সব অপকর্মের সহযোগী ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার শাহেদ। চেয়ারম্যানের আস্কারায় তিনিও হয়েছেন রীতিমতো আঙুল ফুলে কলাগাছ। 
জানা যায়, হারবাং ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত আসনের সাবেক সদস্য আমেনা বেগম ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে চেয়ারম্যান মিরাজ ও তার অনুগত লোকজন দিয়েছেন অর্ধডজন মামলা। 
আমেনা বেগম বলেন  মিরাজ ও সাঙ্গপাঙ্গরা সশস্ত্র হামলা চালিয়ে আমাদের কয়েকটি বাড়িতে হামলা ভাঙচুর ও বেপরোয়া লুটপাট চালিয়েছেন। তারা লাখ খানেক নগদ টাকা আমার পুত্রবধূর স্বর্ণালংকার লুটের পাশাপাশি বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেছেন।
এতে অন্তত ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি মেম্বার আমেনা বেগমের। 
তিনি আরও জানান চেয়ারম্যান মিরাজ তার বাহিনীর লোকজন দিয়ে আমার ও পরিবারের অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধে একের পর এক সাজানো মিথ্যা মামলা দিচ্ছে। এসব মামলার ঘানি টানতে টানতে সর্বস্বান্ত হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। 
হারবাংয়ের রোসাইঙ্গাপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায় চেয়ারম্যান মিরাজের আরেক তেলেসমাতি কাণ্ড। ওই এলাকার একটি রাস্তা তৈরির জন্য মিরাজ গায়ের জোরে স্থানীয় সরকার দলীয় নেতা শহিদুল ইসলামের বসতবাড়ির সীমানাপ্রচীর ভেঙ্গে দিয়েছেন। 
ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় রাস্তা করার জন্য অপর প্রান্তে সরকারি বিস্তর জমি থাকার পরও শহিদুল ইসলামের পাকা সীমানাপ্রচীর ভেঙ্গে রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। 
ভুক্তভোগী শহিদুল ইসলাম বলেন রাস্তাটির টেন্ডার হওয়ার পর ঠিকাদার আবদুল হাকিম কিছু না করা সত্বেও চেয়ারম্যান মিরাজ ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। তার অনৈতিক দাবি পূরণ না করায় ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার শাহেদের নেতৃত্বে অন্যান্যরা আমার বসতবাড়ির সীমানাপ্রাচীর ভেঙ্গে রাস্তা সম্প্রসারণ করে। অথচ অপরপাশে পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে।
শহিদুল ইসলামের দাবি চেয়ারম্যান মিরাজের অন্যায় দাবি মেনে না নেয়ার কারণে তার বিরুদ্ধে দফাদার শাহেদকে বাদী বানিয়ে সাজানো মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। 
ভুক্তভোগী শহিদুল ইসলাম জানান চেয়ারম্যান মিরাজের চাঁদা দাবি ভাঙচুর হামলা ইত্যাদি বিষয়ে তিনি চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক -ডিসি- ও আরও বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। 
এবিষয়ে কথা হয় হারবাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেরাজউদ্দিন মিরাজের সাথে। সাবেক নারী ইউপি সদস্য আমেনা বেগমের বসতবাড়িতে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা তাদের নিজেদের ভাই-বোনের মধ্যকার বিরোধ বলে দাবি করেন তিনি। 
এছাড়া কৃষক লীগনেতা শহিদুল ইসলামের বসতবাড়ির কোনো সীমানাপ্রাচীর ভাঙা হয়নি বলেও জানান তিনি। মিরাজের দাবি, সরকারি রাস্তার কাজ করার সময় ঠিকাদার নিজেই রাস্তার পাশে দেয়া কাঁটাতারের বেড়া সরিয়ে দিয়েছেন। 
এই ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার শাহেদ কেনো নিজে বাদী হয়ে শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন জানতে চাইলে চেয়ারম্যান মিরাজ বলেন, ‘দফাদার হামলার শিকার হওয়ায় সে শহিদুল ইসলামকে আসামি করে মামলা করেছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

লক্ষ্মীপুরে ঝগড়া থামাতে গিয়ে অটোরিকশা চালকের কিল-ঘুষিতে যুবদল নেতার মৃত্যু

চেয়ারম্যান মিরাজের বিরুদ্ধে অভিযোগের শেষ নেই।।

আপডেট সময় : 09:31:26 am, Monday, 27 November 2023
কক্সবাজার অফিস।।
ইউপি চেয়ারম্যান মিরাজ যেনো এলাকায় এক মূর্তিমান আতংক। তার বিরুদ্ধে অনিয়ম দুর্নীতি চাঁদাবাজি ও সন্ত্রাসী কর্মকাণ্ডের অন্তহীন অভিযোগ। বিভিন্ন সরকারি দপ্তরে তার বিরুদ্ধে একের পর এক জমা পড়েছে অভিযোগের পাহাড়। ইতোমধ্যে বিভিন্ন গণমাধ্যমে সেইসব অভিযোগ নিয়ে সংবাদও প্রকাশিত হয়েছে। 
প্রতিপক্ষের লোকজনকে দমাতে চেয়ারম্যান মিরাজের রয়েছে এক সুকৌশলি পন্থা। তার অনুগত ও আস্থাভাজন লোকজন দিয়ে প্রতিপক্ষ ও প্রতিবাদী লোকজনের বিরুদ্ধে একের পর এক সাজানো-মিথ্যা মামলা দিয়ে তাদের দমিয়ে রাখেন। করেন শায়েস্তা। 
মেহেরাজ হোসেন ওরফে মিরাজ; কক্সবাজার জেলার চকরিয়া উপজেলার হারবাং ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান। সরেজমিনে বহুল আলোচিত-সমালোচিত এই জনপ্রতিনিধির বিরুদ্ধে পাওয়া যায় আঁতকে উঠার মতো একের পর এক অভিযোগ। চাঁদা দাবি, জবরদখল, বনজ সম্পদ উজাড়, বালু উত্তোলন, পাহাড় কাটা, প্রতিপক্ষের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মিথ্যা মামলায় হয়রানির অন্তহীন অভিযোগ তুললেন এলাকার বিভিন্ন স্তরের লোকজন। 
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, চেয়ারম্যান মিরাজের প্রায় সব অপকর্মের সহযোগী ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার শাহেদ। চেয়ারম্যানের আস্কারায় তিনিও হয়েছেন রীতিমতো আঙুল ফুলে কলাগাছ। 
জানা যায়, হারবাং ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত আসনের সাবেক সদস্য আমেনা বেগম ও তার পরিবারের সদস্যদের বিরুদ্ধে চেয়ারম্যান মিরাজ ও তার অনুগত লোকজন দিয়েছেন অর্ধডজন মামলা। 
আমেনা বেগম বলেন  মিরাজ ও সাঙ্গপাঙ্গরা সশস্ত্র হামলা চালিয়ে আমাদের কয়েকটি বাড়িতে হামলা ভাঙচুর ও বেপরোয়া লুটপাট চালিয়েছেন। তারা লাখ খানেক নগদ টাকা আমার পুত্রবধূর স্বর্ণালংকার লুটের পাশাপাশি বসতবাড়িতে অগ্নিসংযোগ করেছেন।
এতে অন্তত ২০ লক্ষ টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি মেম্বার আমেনা বেগমের। 
তিনি আরও জানান চেয়ারম্যান মিরাজ তার বাহিনীর লোকজন দিয়ে আমার ও পরিবারের অন্য সদস্যদের বিরুদ্ধে একের পর এক সাজানো মিথ্যা মামলা দিচ্ছে। এসব মামলার ঘানি টানতে টানতে সর্বস্বান্ত হয়েছেন বলেও দাবি করেন তিনি। 
হারবাংয়ের রোসাইঙ্গাপাড়া এলাকায় গিয়ে দেখা যায় চেয়ারম্যান মিরাজের আরেক তেলেসমাতি কাণ্ড। ওই এলাকার একটি রাস্তা তৈরির জন্য মিরাজ গায়ের জোরে স্থানীয় সরকার দলীয় নেতা শহিদুল ইসলামের বসতবাড়ির সীমানাপ্রচীর ভেঙ্গে দিয়েছেন। 
ঘটনাস্থলে গিয়ে দেখা যায় রাস্তা করার জন্য অপর প্রান্তে সরকারি বিস্তর জমি থাকার পরও শহিদুল ইসলামের পাকা সীমানাপ্রচীর ভেঙ্গে রাস্তা তৈরি করা হয়েছে। 
ভুক্তভোগী শহিদুল ইসলাম বলেন রাস্তাটির টেন্ডার হওয়ার পর ঠিকাদার আবদুল হাকিম কিছু না করা সত্বেও চেয়ারম্যান মিরাজ ৫০ হাজার টাকা চাঁদা দাবি করেন। তার অনৈতিক দাবি পূরণ না করায় ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার শাহেদের নেতৃত্বে অন্যান্যরা আমার বসতবাড়ির সীমানাপ্রাচীর ভেঙ্গে রাস্তা সম্প্রসারণ করে। অথচ অপরপাশে পর্যাপ্ত জায়গা রয়েছে।
শহিদুল ইসলামের দাবি চেয়ারম্যান মিরাজের অন্যায় দাবি মেনে না নেয়ার কারণে তার বিরুদ্ধে দফাদার শাহেদকে বাদী বানিয়ে সাজানো মিথ্যা মামলা দায়ের করা হয়েছে। 
ভুক্তভোগী শহিদুল ইসলাম জানান চেয়ারম্যান মিরাজের চাঁদা দাবি ভাঙচুর হামলা ইত্যাদি বিষয়ে তিনি চকরিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও), কক্সবাজারের জেলা প্রশাসক -ডিসি- ও আরও বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। 
এবিষয়ে কথা হয় হারবাং ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মেরাজউদ্দিন মিরাজের সাথে। সাবেক নারী ইউপি সদস্য আমেনা বেগমের বসতবাড়িতে হামলা ও লুটপাটের ঘটনা তাদের নিজেদের ভাই-বোনের মধ্যকার বিরোধ বলে দাবি করেন তিনি। 
এছাড়া কৃষক লীগনেতা শহিদুল ইসলামের বসতবাড়ির কোনো সীমানাপ্রাচীর ভাঙা হয়নি বলেও জানান তিনি। মিরাজের দাবি, সরকারি রাস্তার কাজ করার সময় ঠিকাদার নিজেই রাস্তার পাশে দেয়া কাঁটাতারের বেড়া সরিয়ে দিয়েছেন। 
এই ঘটনায় ইউনিয়ন পরিষদের দফাদার শাহেদ কেনো নিজে বাদী হয়ে শহিদুল ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছেন জানতে চাইলে চেয়ারম্যান মিরাজ বলেন, ‘দফাদার হামলার শিকার হওয়ায় সে শহিদুল ইসলামকে আসামি করে মামলা করেছে।