
স্টাফ রিপোর্টার:
ফরিদপুরের চরভদ্রাসন থানায় কর্মরত অফিসার ইনচার্জ হিসেবে দীর্ঘ দশমাস ১৬ দিন যাবত একনিষ্ঠার সাথে (সন্ত্রাসী, মাদক, চুরি, ডাকাতি, ভূমিদস্যু) রোধকল্পে দায়িত্ব পালন করে আসছেন ওসি রজিউল্লাহ খান। জানা যায় তিনি অদ্য- ২০শে জানুয়ারি ২০২৫ ইং তারিখে চরভদ্রাসন থানা যোগদান করেন। সারা দেশের ন্যায় সকল থানার ওসিদের বদলি এটাই স্বাভাবিক তবে মানতে নারাজ চরভদ্রাসন উপজেলাবাসি। অফিসার ইনচার্জ (ওসি) রজিউল্লাহ খানের বদলি নিশ্চিত হয়েছে- তবুও থেমে নেই তার দায়িত্ব পালন। ৬ই ডিসেম্বর যশোরের মনিরামপুর থানায় যোগদানের আদেশ হওয়া সত্বেও, যোগদান না করা অব্দি, তিনি প্রতিদিনের ন্যায় একই ভাবে রাতজেগে টহল ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় নিয়োজিত রয়েছেন এমনকি ৬ই ডিসেম্বর সকাল ১১ টার সময় চরভদ্রাসন থানা চত্বরের ভিতরে ২শত টমেটোর চারা ও বিভিন্ন ফুলের বাগান ও সবজির গাছ রোপন করতে দেখা যায়, এমনই দাবি করেছেন স্থানীয় অনেকেই।
“এলাকার সাধারণ মানুষের বক্তব্য অনুযায়ী, “ওসি রজিউল্লাহ খান চরভদ্রাসন থানার দায়িত্ব গ্রহণের পর থেকে (মাদক, সন্ত্রাস, চুরি, ডাকাতি ও ভূমি জবরদখল)- সহ বিভিন্ন অপরাধ দমনে উল্লেখযোগ্য ভূমিকা রাখেন”। চরাঞ্চলের কৃষকরা জানান, দীর্ঘদিন ধরে চলা ভূমি দস্যুতা ও জবরদখলের ঘটনাগুলো তার কঠোর অবস্থান ও আইনগত তৎপরতার কারণে কমে আসে। স্থানীয়দের ভাষ্য, বদলি নিশ্চিত হলেও দায়িত্বে এতটা নিষ্ঠা একজন পুলিশ কর্মকর্তার মধ্যে এমন বিরল তা আমরা আগে কখনো দেখতে পাইনি। রাত গভীর পর্যন্ত টহল দিয়ে এলাকার নিরাপত্তা নিশ্চিত করছেন। এজন্য তাকে একজন মানবিক ও দায়িত্বশীল পুলিশ অফিসার হিসেবে উল্লেখ করেছেন চরভদ্রাসন উপজেলাবাসী।
“এদিকে তার বিদায়কে ঘিরে জনসাধারণ অনেকেই আবেগ-আব্রত হয়ে পড়েছেন, কেউ আবার উদ্বেগ প্রকাশ করছেন। কেউ কেউ মনে করছেন, তিনি দায়িত্ব বদলালে অপরাধ চক্র আগের রূপে (সন্ত্রাসী, মাদক, চুরি, ডাকাতি, ভূমিদস্যু) পুনরায় সক্রিয় হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ওসি রজিউল্লাহ খানকে চরভদ্রাসন উপজেলাবাসি তাদের মধ্যে আরও যাতে, সে কয়েক মাস থাকতে পারে এটাই তাদের দাবি।
“সন্ত্রাসী, মাদক, চুরি, ডাকাতি, ভূমিদস্যু রোধকল্পে জনসাধারণের ভাষ্য অনুযায়ী ওসি রজিউল্লাহ খানের বিদায়ের পর চরভদ্রাসনের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি কেমন হবে, সেটিই এখন দেখার বিষয় মন্তব্য করেছেন সচেতন নাগরিকরা ও সুশীল সমাজের প্রতিনিধিরা।























