Dhaka , Friday, 20 February 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
২১ ফেব্রুয়ারি ঘিরে পাঁচবিবিতে পতাকা বিক্রির ধুম নতুন সরকারে বেড়েছে চাহিদা ​সীমান্তের কুয়াশাভেদে বিজিবির অভিযান: ঠাকুরগাঁওয়ে ৬ যুবক আটক, জব্দ ২ মোটরসাইকেল নোয়াখালীতে তেলবাহী লরি চাপায় ব্যবসায়ীর মৃত্যু, আহত-২ নেত্রকোণার দুর্গাপুরে শ্রী রামকৃষ্ণ দেবের ১৯১তম জন্মতিথি উদযাপন শ্রীপুরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতিসহ আটক ১৪ জাজিরায় এক্সপ্রেস সড়কে যাত্রী তুলতে দাঁড়ানো বাসে পেছন থেকে ধাক্কা, নিহত ১ আহত অন্তত ১৫ পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসক সংকট কাটিয়ে স্বস্তির হাওয়া চবির জাতীয়তাবাদী শিক্ষক ফোরামের পক্ষ থেকে মাননীয় প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে শুভেচ্ছা সম্পত্তি ভাগাভাগি শেষে ৩০ ঘণ্টা পর কুড়িগ্রামের সেই বাবার লাশ দাফন একুশে বইমেলায় আসছে সাংবাদিক মোস্তফা খানের উপন্যাস ‘একটি কলমের দাম’ বরকল ইউনিয়ন প্রবাসী ফোরামের উদ্যোগে ইফতার সামগ্রী বিতরণ কর্মসূচি কালীগঞ্জে ২১১ বোতল এস্কাফসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার লালমনিরহাটে চলাচলের পথ রুদ্ধ করে প্রাচীর নির্মাণ: রাস্তা ফেরানোর দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন সাজেকে আবারও আগুন, বিজিবি ও ফায়ার সার্ভিসের সাহসিকতায় রক্ষা পেল পর্যটন কেন্দ্র নগরীর চান্দগাঁও এলাকা হতে বিপুল পরিমাণ মাদক উদ্ধার, গ্রেফতার ১ নারী সিটিসিআরপি প্রকল্পে নির্মিত দুই সড়ক পরিদর্শনে পৌর প্রশাসক পাইকগাছায় ‘শিকড় শিখন কেন্দ্র’ পরিদর্শনে শিক্ষা কর্মকর্তা পাইকগাছায় মহান শহীদ দিবস ও আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা দিবস পালনে প্রস্তুতিমূলক সভা অনুষ্ঠিত রমজান উপলক্ষে হিলি স্থলবন্দরে আমদানি-রপ্তানি সময়সূচি পরিবর্তন রমজানে হিলি বাজারে মূল্য নিয়ন্ত্রণে ভ্রাম্যমাণ আদালতের অভিযান হিলিতে লেবুর হালি ৮০ টাকা দুই দিনের ব্যবধানে দ্বিগুণ দাম, বিপাকে ক্রেতারা লালমনিরহাটে বিএনপির চেয়ারম্যান ও আসাদুল হাবিব দুলুর জন্য যুবদলের দোয়া মাহফিল রূপগঞ্জে ধর্ষণ মামলার আসামি সোলাইমান গ্রেপ্তার মোংলায় ইফতার নিয়ে অসহায় ও দুস্থদের পাশে সার্ভিস বাংলাদেশ নোয়াখালীতে আওয়ামীলীগের কার্যালয়ে ব্যানার টাঙানোর ঘটনায় আটক-৫ ঝালকাঠি–১ আসনে রফিকুল ইসলাম জামাল এমপি নির্বাচিত হওয়ায় শোকরানা দোয়া ও কুরআন খতম অবৈধ নিয়োগের প্রতিবাদে পরীক্ষা বর্জন ও অধ্যক্ষের কক্ষে তালা দিলেন চবি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষার্থীরা লক্ষ্মীপুরে কলেজছাত্র আশরাফুল হত্যা: প্রধান আসামিদের গ্রেপ্তারের দাবিতে মানববন্ধন। রূপগঞ্জে বিএনপি নেতার সন্ত্রাসী বাহিনীকে চাঁদা না দেয়ায় শিল্প প্রতিষ্ঠানে হামলা, ভাংচুর, লুটপাট, থানায় মামলা; গুরুতর আহত ৫ রূপগঞ্জে ধর্ষণ মামলায় যুবক গ্রেপ্তার

কক্সবাজারে কাঁকড়া এখন সোনার হরিণ – এক ঝুড়ির মূল্য লাখ টাকা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 05:20:12 pm, Monday, 3 October 2022
  • 159 বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারে কাঁকড়া এখন সোনার হরিণ - এক ঝুড়ির মূল্য লাখ টাকা

সরওয়ার কামাল

কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি।।

কক্সবাজারে কাঁকড়া এখন সোনার হরিণ। চাষীরা এক ঝুড়ি কাঁকড়ায় বিক্রয় মূল্য পাচ্ছেন লাখ টাকার ও বেশী। তাই কাঁকড়া ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছেন অনেক চিংড়ি চাষী। বর্তমানে ঢাকায় এক কেজি বড় কাঁকড়া বিক্রি হচ্ছে ৯৫০ টাকা। এতে কক্সবাজারে উৎপাদিত কাঁকড়ার চাহিদা আর্র্ন্তাজাতিক ভাবে বেশী বলে জানালেন রপ্তানী কারকেরা। মহেশখালী, টেকনাফ, চকরিয়া, কক্সবাজার সদর, পেকুয়া ও কুতুবদিয়া উপজেলার বিভিন্ন চিংড়ি প্রজেক্টে মৌসুমী কাঁকড়া চাষ ছাড়াও নাফনদী, কোহেলিয়া নদী, সোনাদিয়ার মোহনা ও মহেশখালী চ্যানেল থেকে প্রচুুরর কাঁকড়া আহরণ করেন কাঁকড়া ব্যবসায়িরা। এছাড়াও জেলাব্যাপী অর্র্ন্তত দেড় শতাধিক কাঁকড়া হ্যাচারী রয়েছে। কাঁকড়া ব্যবসায়ী সমিতির কক্সবাজার জেলার সাধারণ সম্পাদক শান্Íিলাল নন্দী জানিয়েছেন, কাঁকড়ার দর সন্তোষজনক। কাঁকড়ার দর বাড়ার সাথে সাথে প্রজেক্ট ও ইজরামূল্যও বেড়ে গেছে। এছাড়া বড় একটি কাঁকড়ার মূল্য হাজার টাকারও বেশী। তাই লোভনীয় হওয়ায়য় প্রজেক্টে পাহারা দিতে হয় সার্বক্ষনিক। যে কেউ সুযোগ পেলেই ধরে নিয়ে আসে কাঁকড়া। বিক্রি করে পায় নগদ টাকা। বিগত সময়ে যে পদ্ধতিতে আমরা কাঁকড়া সরবরাহ করেছি এখন তা পরিবর্তন হয়েছে। এখন রপ্তানীকারকদের উপর নির্ভর করে কাঁকড়ার দর। যার ফলে ইচ্ছেমত দর দেওয়ায় আমরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি। সরকার কাঁকড়া ব্যবসায়িদের ঋণ দিয়ে সহযোগীতা করলে কাঁকড়া উৎপাদন দ্বিগুণ হয়ে যাবে। এতে বৈদেশিক মুদ্রা আরো বেশী অর্জিত হবে। দেশে উৎপাদিত কাঁকড়া খাওয়ার সামর্থ স্থানীয়দের নেই। অনেকে সখ করেও কাঁকড়া খেতে পারছেন না। কক্সবাজারে স্থানীয় ভাবে উৎপাদিত কাঁকড়ার স্বাদই আলাদা। তিনি আরো বলেন, কাঁকড়া ব্যবসা সমিতির মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এক্ষেত্রে শুধুমাত্র মহেশখালীতেই রয়েছে একটি নিবন্ধিত সমিতি। এই সমিতি দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে উপকূলের অধিকাংশ ব্যবসা।
মহেশখালী কাঁকড়া উৎপাদন ও রপ্তানী বহুমুখী সমিতির সভাপতি জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, সরকারি সহায়তা পেলে মহেশখালীতেই কয়েক হাজার কোটি টাকার কাঁকড়া উৎপাদন করা সম্ভব। অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থান হবে। ১২০ গ্রাম এর কম কাঁকড়া আহরণ নিষিদ্ধ হলেও এই সুযোগে স্থানীয় বনবিভাগ বড় কাঁকড়া আটকিয়ে টাকা দাবী করে। এটি এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। এ বিষয়ে অভিযোগ করেও কোন সুরাহা হচ্ছে না। সরকার কাঁকড়া উৎপাদন বাড়াতে ঋণ দিলে আমরা উপকৃত হব। ব্যবসায়ি দিলীপ কুমার শীল জানিয়েছেন, দাম বাড়ার কারণে ব্যবসায় প্রতিযোগিতা বেড়েছে। ঢাকা থেকে প্র্রেরিত কাঁকড়ার দর জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ডাবল এফ ওয়ান – প্রতিকেজি ৯৩০ টাকা, এফ ওয়ান -৭০০ টাকা, এফ টু- ৫৫০ টাকা, এফ ত্রি-৪৫০ টাকা, ডাবল এক্সেল প্রতিকেজি-৯৫০ টাকা, এক্সেল-৭০০ টাকা, এল-৫৫০ টাকা ও এসএম-৩০০ টাকা। ২৪ ঘন্টা আগেই এভাবে জানিয়ে দেওয়া হয় কাঁকড়ার দর। আমাদের আর কোন দাবী নেই। শুধুমাত্র ঋণ দিয়ে সহযোগীতা করলে হ্যাচারী গড়ে তুলে কাঁকড়া উৎপাদন আরো বাড়াতে পারব।
ইতোমধ্যে কক্সবাজার জেলার ৬টি উপজেলায় অর্ন্তত সাড়ে ৪ হাজার কাঁকড়া চাষী আছেন। প্রতি বছর চাষীর সংখ্যা বাড়ছে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. বদরুজ্জামান বলেন, গত বছর জেলায় কাঁকড়া উৎপাদন হয়েছিল ৭০৫ মেট্রিক টন। এবার ৯০০ মেট্রিক টন ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এখনো মৌসুম শেষ হয়নি। কাঁকড়া কক্সবাজার জেলার জন্য র্অথনৈতিক গুরুত্ব বহন করেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

২১ ফেব্রুয়ারি ঘিরে পাঁচবিবিতে পতাকা বিক্রির ধুম নতুন সরকারে বেড়েছে চাহিদা

কক্সবাজারে কাঁকড়া এখন সোনার হরিণ – এক ঝুড়ির মূল্য লাখ টাকা

আপডেট সময় : 05:20:12 pm, Monday, 3 October 2022

সরওয়ার কামাল

কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি।।

কক্সবাজারে কাঁকড়া এখন সোনার হরিণ। চাষীরা এক ঝুড়ি কাঁকড়ায় বিক্রয় মূল্য পাচ্ছেন লাখ টাকার ও বেশী। তাই কাঁকড়া ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছেন অনেক চিংড়ি চাষী। বর্তমানে ঢাকায় এক কেজি বড় কাঁকড়া বিক্রি হচ্ছে ৯৫০ টাকা। এতে কক্সবাজারে উৎপাদিত কাঁকড়ার চাহিদা আর্র্ন্তাজাতিক ভাবে বেশী বলে জানালেন রপ্তানী কারকেরা। মহেশখালী, টেকনাফ, চকরিয়া, কক্সবাজার সদর, পেকুয়া ও কুতুবদিয়া উপজেলার বিভিন্ন চিংড়ি প্রজেক্টে মৌসুমী কাঁকড়া চাষ ছাড়াও নাফনদী, কোহেলিয়া নদী, সোনাদিয়ার মোহনা ও মহেশখালী চ্যানেল থেকে প্রচুুরর কাঁকড়া আহরণ করেন কাঁকড়া ব্যবসায়িরা। এছাড়াও জেলাব্যাপী অর্র্ন্তত দেড় শতাধিক কাঁকড়া হ্যাচারী রয়েছে। কাঁকড়া ব্যবসায়ী সমিতির কক্সবাজার জেলার সাধারণ সম্পাদক শান্Íিলাল নন্দী জানিয়েছেন, কাঁকড়ার দর সন্তোষজনক। কাঁকড়ার দর বাড়ার সাথে সাথে প্রজেক্ট ও ইজরামূল্যও বেড়ে গেছে। এছাড়া বড় একটি কাঁকড়ার মূল্য হাজার টাকারও বেশী। তাই লোভনীয় হওয়ায়য় প্রজেক্টে পাহারা দিতে হয় সার্বক্ষনিক। যে কেউ সুযোগ পেলেই ধরে নিয়ে আসে কাঁকড়া। বিক্রি করে পায় নগদ টাকা। বিগত সময়ে যে পদ্ধতিতে আমরা কাঁকড়া সরবরাহ করেছি এখন তা পরিবর্তন হয়েছে। এখন রপ্তানীকারকদের উপর নির্ভর করে কাঁকড়ার দর। যার ফলে ইচ্ছেমত দর দেওয়ায় আমরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি। সরকার কাঁকড়া ব্যবসায়িদের ঋণ দিয়ে সহযোগীতা করলে কাঁকড়া উৎপাদন দ্বিগুণ হয়ে যাবে। এতে বৈদেশিক মুদ্রা আরো বেশী অর্জিত হবে। দেশে উৎপাদিত কাঁকড়া খাওয়ার সামর্থ স্থানীয়দের নেই। অনেকে সখ করেও কাঁকড়া খেতে পারছেন না। কক্সবাজারে স্থানীয় ভাবে উৎপাদিত কাঁকড়ার স্বাদই আলাদা। তিনি আরো বলেন, কাঁকড়া ব্যবসা সমিতির মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এক্ষেত্রে শুধুমাত্র মহেশখালীতেই রয়েছে একটি নিবন্ধিত সমিতি। এই সমিতি দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে উপকূলের অধিকাংশ ব্যবসা।
মহেশখালী কাঁকড়া উৎপাদন ও রপ্তানী বহুমুখী সমিতির সভাপতি জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, সরকারি সহায়তা পেলে মহেশখালীতেই কয়েক হাজার কোটি টাকার কাঁকড়া উৎপাদন করা সম্ভব। অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থান হবে। ১২০ গ্রাম এর কম কাঁকড়া আহরণ নিষিদ্ধ হলেও এই সুযোগে স্থানীয় বনবিভাগ বড় কাঁকড়া আটকিয়ে টাকা দাবী করে। এটি এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। এ বিষয়ে অভিযোগ করেও কোন সুরাহা হচ্ছে না। সরকার কাঁকড়া উৎপাদন বাড়াতে ঋণ দিলে আমরা উপকৃত হব। ব্যবসায়ি দিলীপ কুমার শীল জানিয়েছেন, দাম বাড়ার কারণে ব্যবসায় প্রতিযোগিতা বেড়েছে। ঢাকা থেকে প্র্রেরিত কাঁকড়ার দর জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ডাবল এফ ওয়ান – প্রতিকেজি ৯৩০ টাকা, এফ ওয়ান -৭০০ টাকা, এফ টু- ৫৫০ টাকা, এফ ত্রি-৪৫০ টাকা, ডাবল এক্সেল প্রতিকেজি-৯৫০ টাকা, এক্সেল-৭০০ টাকা, এল-৫৫০ টাকা ও এসএম-৩০০ টাকা। ২৪ ঘন্টা আগেই এভাবে জানিয়ে দেওয়া হয় কাঁকড়ার দর। আমাদের আর কোন দাবী নেই। শুধুমাত্র ঋণ দিয়ে সহযোগীতা করলে হ্যাচারী গড়ে তুলে কাঁকড়া উৎপাদন আরো বাড়াতে পারব।
ইতোমধ্যে কক্সবাজার জেলার ৬টি উপজেলায় অর্ন্তত সাড়ে ৪ হাজার কাঁকড়া চাষী আছেন। প্রতি বছর চাষীর সংখ্যা বাড়ছে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. বদরুজ্জামান বলেন, গত বছর জেলায় কাঁকড়া উৎপাদন হয়েছিল ৭০৫ মেট্রিক টন। এবার ৯০০ মেট্রিক টন ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এখনো মৌসুম শেষ হয়নি। কাঁকড়া কক্সবাজার জেলার জন্য র্অথনৈতিক গুরুত্ব বহন করেন।