
নিউজ ডেস্ক,
সরকার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি বিতরণে স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে নতুন নীতিমালা জারি করেছে। নতুন নির্দেশিকা অনুযায়ী, উপবৃত্তির অর্থ সরাসরি শিক্ষার্থীর মায়ের মোবাইল ব্যাংকিং অ্যাকাউন্টে পাঠানো হবে। মায়ের অনুপস্থিতিতে সুবিধা পাবেন বাবা বা বৈধ অভিভাবক।
কী আছে নতুন নির্দেশিকায়
-
ডিজিটাল বিতরণ: ‘জিটুপি (Government to Person)’ প্রক্রিয়ায় উপবৃত্তি সরাসরি অভিভাবকের হাতে পৌঁছাবে।
-
লক্ষ্যভুক্ত শিক্ষার্থী: সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়, পিটিআই সংলগ্ন পরীক্ষণ বিদ্যালয় এবং শিশু কল্যাণ ট্রাস্ট পরিচালিত বিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীরা উপবৃত্তি পাবেন। প্রতিটি পরিবার সর্বোচ্চ দুইজন শিক্ষার্থীর জন্য উপবৃত্তি পাবেন।
-
উপবৃত্তির পরিমাণ:
-
প্রাক-প্রাথমিক: ৭৫ টাকা/মাস
-
প্রাথমিক (১–৫): ১৫০ টাকা/মাস (দুইজন হলে ৩০০ টাকা)
-
মাধ্যমিক প্রাথমিক (ষষ্ঠ–অষ্টম শ্রেণি): ২০০ টাকা/মাস (দুইজন হলে ৪০০ টাকা)
-
-
শর্তাবলি:
-
মাসে কমপক্ষে ৮০% উপস্থিতি থাকতে হবে
-
দ্বিতীয়–অষ্টম শ্রেণির শিক্ষার্থীদের পূর্ববর্তী পরীক্ষায় ন্যূনতম ৪০% নম্বর
-
বিশেষ চাহিদাসম্পন্ন শিক্ষার্থীদের জন্য ন্যূনতম ৩৩% নম্বর
-
টানা তিন মাস অনুপস্থিত থাকলে উপবৃত্তি সাময়িকভাবে বন্ধ হবে
-
স্বচ্ছতা ও তদারকি
-
শিক্ষার্থীর জন্মনিবন্ধন সনদ ও অভিভাবকের জাতীয় পরিচয়পত্র বাধ্যতামূলক।
-
প্রাথমিক শিক্ষা অধিদপ্তর, অর্থ বিভাগ, বাংলাদেশ ব্যাংক ও মোবাইল ব্যাংকিং সেবাদানকারীর সমন্বয়ে রিয়েল টাইম ডিজিটাল প্ল্যাটফর্ম চালু হবে।
-
কোনো আর্থিক অনিয়ম বা বিচ্যুতি ধরা পড়লে আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
নতুন নীতিমালার মাধ্যমে সরকার শিক্ষার্থীদের উপবৃত্তি বিতরণে স্বচ্ছতা, জবাবদিহিতা এবং কার্যকর তদারকি নিশ্চিত করতে যাচ্ছে।

























