Dhaka , Monday, 4 May 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
নারীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিলেন আজিজুল হক আজিজ নীরবতা নয়, প্রতিবাদ-পাইকগাছায় ইভটিজিং বিরোধী সচেতনতা সভা চট্টগ্রাম প্রেস ক্লাবে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস পালিত… স্বাস্থ্যসেবায় নতুন দিগন্ত খুললো চট্টগ্রাম জেনারেল হাসপাতালে ডায়ালাইসিস সেবা :- আবু সুফিয়ান এমপি শ্রীপুরের আমতৈল গ্রামের সহিংসতা ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা পরিদর্শনে মাগুরা এক আসনের সংসদ সদস্য মনোয়ার হোসেন খানঃ শান্তি বজায় রাখার আহ্বান নোয়াখালীতে মায়ের সামনে ড্রামট্রাকের নিচে প্রাণ গেল শিশুর রাজাপুরে ইয়াবাসহ বিএনপি সভাপতির ছেলে আটক টিসিবির পণ্য গুদামে, ৫০ হাজার টাকা জরিমানা নোয়াখালীতে বিশ্ব মুক্ত গণমাধ্যম দিবস: স্বাধীন সাংবাদিকতার পক্ষে ঐক্যের আহ্বান সাবেক এমপিকে নিয়ে ফেসবুক পোস্ট: সাংবাদিককে প্রাণনাশের হুমকি, থানায় জিডি নোয়াখালী জেলা ছাত্রদলের সভাপতি রাসেল, সম্পাদক রাহান কাউখালীতে কালবৈশাখী ঝড়ে বিদ্যুতের ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি, তিন ইউনিয়নে বিদ্যুৎ বিচ্ছিন্ন রূপগঞ্জে মাদক সেবনকালে আটক ২ ভ্রাম্যমাণ আদালতে ৬ মাসের কারাদণ্ড মধুপুর ফুলবাগচালা ইউনিয়নে চেয়ারম্যান পদে নির্বাচন করবেন মাসুদ রানা লক্ষ্মীপুরে ১৪ মাস পর কৃষক দল নেতার লাশ উত্তোলন হাতীবান্ধা ও ফুলবাড়ী সীমান্তে ১৫ বিজিবির সাঁড়াশি অভিযান: বিপুল পরিমাণ মাদক ও ভারতীয় পণ্য জব্দ “জলাবদ্ধতা নিরসনে নাগরিক সচেতনতার বিকল্প নেই” :- চসিক মেয়র উপকূলের হতদরিদ্র পরিবারের জন্য সুপেয় পানির ব্যবস্থা করা হবে- পরিবেশ প্রতিমন্ত্রী ঢাকা আইনজীবী সমিতির ক্রীড়া সম্পাদক নির্বাচিত হলেন অ্যাডভোকেট সোহেল খান ঢাকা মহানগর পূর্ব ছাত্রদলের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক হলেন কিশোরগঞ্জের খাইরুল ইসলাম। মধুপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় মোটরসাইকেল চালক নিহত রূপগঞ্জে ছাত্তার জুট মিলস্ মডেল হাই স্কুল পূনঃনামকরণের প্রস্তাব জলাবদ্ধতা নিরসনে বাঁধ অপসারণ করা হচ্ছে, দ্রুতই হবে জলাবদ্ধতা পরিস্থিতির উন্নতি:- মেয়র ডা. শাহাদাত রামু উপজেলার দক্ষিণ মিঠাছড়িতে প্রতিবন্ধী ভাতার কার্যক্রম শুরু পড়ালেখার পাশাপাশি খেলাধুলায় মনোনিবেশ করতে নতুন প্রজন্মকে উদ্বুূদ্ধ করতে হবে :- আলহাজ্ব এরশাদ উল্লাহ মাগুরার ব্র্যাক নার্সারির উদ্যোগে পেঁপে চাষের আধুনিক পদ্ধতি প্রশিক্ষণ সম্পন্ন “নতুন কুঁড়ি স্পোর্টস–২০২৬” এর মাধ্যমে তৃণমূল পর্যায়ের প্রতিভাবান শিক্ষার্থীরা নিজেদের মেধা ও দক্ষতা বিকাশের সুযোগ পাবে এবং ভবিষ্যতে চট্টগ্রাম ও বাংলাদেশের মুখ উজ্জ্বল করবে”:- চসিক মেয়র ডা.শাহদাত হোসেন ​হরিপুরে ইয়াবাসহ মাদক ব্যবসায়ী পুলিশের হাতে আটক পাইকগাছায় অনলাইন জুয়া ও মাদকের বিরুদ্ধে গদাইপুর ব্লাড ব্যাংকের মানববন্ধন ও বিক্ষোভ এক ঝড়ে উড়ে গেল ঘর, খোলা আকাশেই দিন-রাত

ইলিশ শিকারে শেষ সময়ে তজুমদ্দিনের জেলেদের প্রস্তুতি

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:37:08 pm, Wednesday, 27 April 2022
  • 186 বার পড়া হয়েছে

ইলিশ শিকারে শেষ সময়ে তজুমদ্দিনের জেলেদের প্রস্তুতি

রফিকুল ইসলাম এ টি, তজুমদ্দিন (ভোলা) প্রতিনিধি।।

দুইমাস মেঘনায় সকল প্রকার মাছ ধরা বন্ধ রয়েছে। মাছের প্রজনন বৃদ্দির লক্ষ্যে সরকারের দেয়া এই নিষেধাজ্ঞার শেষ মূহুূর্ত চলছে। বিধি-নিষেধ শেষে নদীতে মাছ ধরতে জাল বুনন ও ট্রলারের মেরামতের মধ্যে দিয়েই শেষ সময়ের প্রস্তুতি সেরে নিচ্ছে জেলেরা। পাশাপাশি মাছের আড়ৎগুলোতেও চলছে ধোয়া মোছার পাশাপাশি পুরানো খাতা-পত্র প্রস্তুতের কাজ। দুই মাসের অলস সময়কে ভুলে এখন ঈদের আগ মূহহুর্তে ইলিশ কেনা-বেচার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ভোলার তজুমদ্দিনের প্রায় ১০ হাজার মৎসজীবী ও আড়ৎ মালীক।

উপজেলা মৎস অফিস সুত্রে জানা যায়, জাটকা সংরক্ষণের জন্য ভোলার মেঘনা নদীর ইলিশা থেকে চর পিয়াল পর্যন্ত ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত অভয়াশ্রম ঘোষনা করেছে মৎস ও প্রাণি সম্পদ বিভাগ। অভয়াশ্রমসমূহের কোন এলাকায় ১লা মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল দুই মাস যেকোন ধরনের মাছ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়। নিষেধাজ্ঞার কারনে এ অঞ্চলের শতশত জেলে বেকার হয়ে পরে। এসময়ে নিবন্ধিত জেলেদের পুর্নঃবাসনের জন্য সরকার প্রতিমাসে ৩০ কেজি করে চাল দেয়।

নিষেধাজ্ঞা শেষ হতে আর মাত্র কয়েকদিন বাকী। তাই জেলেরাও পুরোদমে ব্যস্ত হয়ে পরেছে ইলিশ শিকারের জন্য। একারনে সপ্তাহ দুই আগে থেকেই জেলেরা এখন পুরোপুরি ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন নদীতীর বা মাছঘাটে। মহেষখালী ঘাটের মহিউদ্দিন মাঝির জেলে ট্রলারে চলছে মেরামতের কাজ, অন্য জেলেদের কেউবা আবার তপ্ত দুপুরে অক্লান্ত মনে জাল বুনে যাচ্ছেন। পাশেই ঘাটে বাঁধা শফিক মাঝির ট্রলার। ৩-৪ জন শ্রমিকের হাতের হাতুড়ির ঠুনঠুন শব্দে যে কারোই নজর এড়াবেনা তাতে। ট্রলারের মেরামত কাজে ব্যস্ত সবাই। ২৭ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১ টার মধ্যে উপজেলার মহেষখালী ঘাট, শশীগঞ্জ স্লুইজ ঘাট, চৌমূহনী মাছ ঘাট, বাগানের খালসহ বেশ কয়েকটি ঘাটে ঘুরে প্রতিটি ঘাটেই এমন চিত্র লক্ষ্য করা গেছে।

শশীগঞ্জ ঘাটের জেলে আঃ হালিম মাঝি জানান, “গত দুইমাস জেলেরা বেকার ছিলো। নিষেধাজ্ঞা শেষে নদীতে মাছ ধরার জন্য আমরা অপেক্ষায় আছি। আশা করি, সামনের ঈদের আগে নদীতে অনেক মাছের দেখা পাবো। এজন্য মাছধরা শুরু হলে প্রথম ঘন্টা থেকেই জাল ফেলবো। তাই সকল প্রস্তুতি আরো দুই দিন আগেই সেরে রেখেছি।”

উপজেলা মৎস আড়ৎদার মোঃ সিরাজুল ইসলাম মেম্বার জানান, ‘‘দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে প্রস্তুতির জন্য জেলেদের আর্থিক যোগান দিতে হচ্ছে। পবিত্র ঈদুল ফিতরের ২-৩ দিন আগে থেকেই মাছ ধরা শুরু হবে। সেজন্য ব্যবসায়ীরাও তাদের আড়তের পুরনো হিসাবের খাতা প্রস্তুত ও গদিঘর ধোয়া মোছার কাজ শুরু করছেন।’’

উপজেলা মৎস কর্মকর্তা আমির হেসেন জানান, ‘‘এখানকার মাছ ঢাকা, বরিশাল ও চাঁদপুরের আড়তে প্রচুর পরিমানে বিক্রি হয়। কিন্তু এবার ঈদের আগে ব্যতিক্রম হতে পারে। কারন ঈদের আগে মাছ এসব বড় আড়তে পাঠানোর জন্য হাতে পর্যাপ্ত সময় নেই। তাই এবারের ঈদে স্থানীয় বাজারে সুলভ মুল্যে ইলিশের দেখা মিলতে পারে। ’

ইলিশ শিকারে শেষ সময়ে তজুমদ্দিনের জেলেদের প্রস্তুতি

রফিকুল ইসলাম এ টি, তজুমদ্দিন (ভোলা) প্রতিনিধি

দুইমাস মেঘনায় সকল প্রকার মাছ ধরা বন্ধ রয়েছে। মাছের প্রজনন বৃদ্দির লক্ষ্যে সরকারের দেয়া এই নিষেধাজ্ঞার শেষ মূহুূর্ত চলছে। বিধি-নিষেধ শেষে নদীতে মাছ ধরতে জাল বুনন ও ট্রলারের মেরামতের মধ্যে দিয়েই শেষ সময়ের প্রস্তুতি সেরে নিচ্ছে জেলেরা। পাশাপাশি মাছের আড়ৎগুলোতেও চলছে ধোয়া মোছার পাশাপাশি পুরানো খাতা-পত্র প্রস্তুতের কাজ। দুই মাসের অলস সময়কে ভুলে এখন ঈদের আগ মূহহুর্তে ইলিশ কেনা-বেচার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ভোলার তজুমদ্দিনের প্রায় ১০ হাজার মৎসজীবী ও আড়ৎ মালীক।

উপজেলা মৎস অফিস সুত্রে জানা যায়, জাটকা সংরক্ষণের জন্য ভোলার মেঘনা নদীর ইলিশা থেকে চর পিয়াল পর্যন্ত ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত অভয়াশ্রম ঘোষনা করেছে মৎস ও প্রাণি সম্পদ বিভাগ। অভয়াশ্রমসমূহের কোন এলাকায় ১লা মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল দুই মাস যেকোন ধরনের মাছ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়। নিষেধাজ্ঞার কারনে এ অঞ্চলের শতশত জেলে বেকার হয়ে পরে। এসময়ে নিবন্ধিত জেলেদের পুর্নঃবাসনের জন্য সরকার প্রতিমাসে ৩০ কেজি করে চাল দেয়।

নিষেধাজ্ঞা শেষ হতে আর মাত্র কয়েকদিন বাকী। তাই জেলেরাও পুরোদমে ব্যস্ত হয়ে পরেছে ইলিশ শিকারের জন্য। একারনে সপ্তাহ দুই আগে থেকেই জেলেরা এখন পুরোপুরি ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন নদীতীর বা মাছঘাটে। মহেষখালী ঘাটের মহিউদ্দিন মাঝির জেলে ট্রলারে চলছে মেরামতের কাজ, অন্য জেলেদের কেউবা আবার তপ্ত দুপুরে অক্লান্ত মনে জাল বুনে যাচ্ছেন। পাশেই ঘাটে বাঁধা শফিক মাঝির ট্রলার। ৩-৪ জন শ্রমিকের হাতের হাতুড়ির ঠুনঠুন শব্দে যে কারোই নজর এড়াবেনা তাতে। ট্রলারের মেরামত কাজে ব্যস্ত সবাই। ২৭ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১ টার মধ্যে উপজেলার মহেষখালী ঘাট, শশীগঞ্জ স্লুইজ ঘাট, চৌমূহনী মাছ ঘাট, বাগানের খালসহ বেশ কয়েকটি ঘাটে ঘুরে প্রতিটি ঘাটেই এমন চিত্র লক্ষ্য করা গেছে।

শশীগঞ্জ ঘাটের জেলে আঃ হালিম মাঝি জানান, “গত দুইমাস জেলেরা বেকার ছিলো। নিষেধাজ্ঞা শেষে নদীতে মাছ ধরার জন্য আমরা অপেক্ষায় আছি। আশা করি, সামনের ঈদের আগে নদীতে অনেক মাছের দেখা পাবো। এজন্য মাছধরা শুরু হলে প্রথম ঘন্টা থেকেই জাল ফেলবো। তাই সকল প্রস্তুতি আরো দুই দিন আগেই সেরে রেখেছি।”

উপজেলা মৎস আড়ৎদার মোঃ সিরাজুল ইসলাম মেম্বার জানান, ‘‘দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে প্রস্তুতির জন্য জেলেদের আর্থিক যোগান দিতে হচ্ছে। পবিত্র ঈদুল ফিতরের ২-৩ দিন আগে থেকেই মাছ ধরা শুরু হবে। সেজন্য ব্যবসায়ীরাও তাদের আড়তের পুরনো হিসাবের খাতা প্রস্তুত ও গদিঘর ধোয়া মোছার কাজ শুরু করছেন।’’

উপজেলা মৎস কর্মকর্তা আমির হেসেন জানান, ‘‘এখানকার মাছ ঢাকা, বরিশাল ও চাঁদপুরের আড়তে প্রচুর পরিমানে বিক্রি হয়। কিন্তু এবার ঈদের আগে ব্যতিক্রম হতে পারে। কারন ঈদের আগে মাছ এসব বড় আড়তে পাঠানোর জন্য হাতে পর্যাপ্ত সময় নেই। তাই এবারের ঈদে স্থানীয় বাজারে সুলভ মুল্যে ইলিশের দেখা মিলতে পারে। ’

ইলিশ শিকারে শেষ সময়ে তজুমদ্দিনের জেলেদের প্রস্তুতি

রফিকুল ইসলাম এ টি, তজুমদ্দিন (ভোলা) প্রতিনিধি

দুইমাস মেঘনায় সকল প্রকার মাছ ধরা বন্ধ রয়েছে। মাছের প্রজনন বৃদ্দির লক্ষ্যে সরকারের দেয়া এই নিষেধাজ্ঞার শেষ মূহুূর্ত চলছে। বিধি-নিষেধ শেষে নদীতে মাছ ধরতে জাল বুনন ও ট্রলারের মেরামতের মধ্যে দিয়েই শেষ সময়ের প্রস্তুতি সেরে নিচ্ছে জেলেরা। পাশাপাশি মাছের আড়ৎগুলোতেও চলছে ধোয়া মোছার পাশাপাশি পুরানো খাতা-পত্র প্রস্তুতের কাজ। দুই মাসের অলস সময়কে ভুলে এখন ঈদের আগ মূহহুর্তে ইলিশ কেনা-বেচার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ভোলার তজুমদ্দিনের প্রায় ১০ হাজার মৎসজীবী ও আড়ৎ মালীক।

উপজেলা মৎস অফিস সুত্রে জানা যায়, জাটকা সংরক্ষণের জন্য ভোলার মেঘনা নদীর ইলিশা থেকে চর পিয়াল পর্যন্ত ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত অভয়াশ্রম ঘোষনা করেছে মৎস ও প্রাণি সম্পদ বিভাগ। অভয়াশ্রমসমূহের কোন এলাকায় ১লা মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল দুই মাস যেকোন ধরনের মাছ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়। নিষেধাজ্ঞার কারনে এ অঞ্চলের শতশত জেলে বেকার হয়ে পরে। এসময়ে নিবন্ধিত জেলেদের পুর্নঃবাসনের জন্য সরকার প্রতিমাসে ৩০ কেজি করে চাল দেয়।

নিষেধাজ্ঞা শেষ হতে আর মাত্র কয়েকদিন বাকী। তাই জেলেরাও পুরোদমে ব্যস্ত হয়ে পরেছে ইলিশ শিকারের জন্য। একারনে সপ্তাহ দুই আগে থেকেই জেলেরা এখন পুরোপুরি ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন নদীতীর বা মাছঘাটে। মহেষখালী ঘাটের মহিউদ্দিন মাঝির জেলে ট্রলারে চলছে মেরামতের কাজ, অন্য জেলেদের কেউবা আবার তপ্ত দুপুরে অক্লান্ত মনে জাল বুনে যাচ্ছেন। পাশেই ঘাটে বাঁধা শফিক মাঝির ট্রলার। ৩-৪ জন শ্রমিকের হাতের হাতুড়ির ঠুনঠুন শব্দে যে কারোই নজর এড়াবেনা তাতে। ট্রলারের মেরামত কাজে ব্যস্ত সবাই। ২৭ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১ টার মধ্যে উপজেলার মহেষখালী ঘাট, শশীগঞ্জ স্লুইজ ঘাট, চৌমূহনী মাছ ঘাট, বাগানের খালসহ বেশ কয়েকটি ঘাটে ঘুরে প্রতিটি ঘাটেই এমন চিত্র লক্ষ্য করা গেছে।

শশীগঞ্জ ঘাটের জেলে আঃ হালিম মাঝি জানান, “গত দুইমাস জেলেরা বেকার ছিলো। নিষেধাজ্ঞা শেষে নদীতে মাছ ধরার জন্য আমরা অপেক্ষায় আছি। আশা করি, সামনের ঈদের আগে নদীতে অনেক মাছের দেখা পাবো। এজন্য মাছধরা শুরু হলে প্রথম ঘন্টা থেকেই জাল ফেলবো। তাই সকল প্রস্তুতি আরো দুই দিন আগেই সেরে রেখেছি।”

উপজেলা মৎস আড়ৎদার মোঃ সিরাজুল ইসলাম মেম্বার জানান, ‘‘দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে প্রস্তুতির জন্য জেলেদের আর্থিক যোগান দিতে হচ্ছে। পবিত্র ঈদুল ফিতরের ২-৩ দিন আগে থেকেই মাছ ধরা শুরু হবে। সেজন্য ব্যবসায়ীরাও তাদের আড়তের পুরনো হিসাবের খাতা প্রস্তুত ও গদিঘর ধোয়া মোছার কাজ শুরু করছেন।’’

উপজেলা মৎস কর্মকর্তা আমির হেসেন জানান, ‘‘এখানকার মাছ ঢাকা, বরিশাল ও চাঁদপুরের আড়তে প্রচুর পরিমানে বিক্রি হয়। কিন্তু এবার ঈদের আগে ব্যতিক্রম হতে পারে। কারন ঈদের আগে মাছ এসব বড় আড়তে পাঠানোর জন্য হাতে পর্যাপ্ত সময় নেই। তাই এবারের ঈদে স্থানীয় বাজারে সুলভ মুল্যে ইলিশের দেখা মিলতে পারে। ’

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

নারীদের সঙ্গে মতবিনিময়ে উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি দিলেন আজিজুল হক আজিজ

ইলিশ শিকারে শেষ সময়ে তজুমদ্দিনের জেলেদের প্রস্তুতি

আপডেট সময় : 07:37:08 pm, Wednesday, 27 April 2022

রফিকুল ইসলাম এ টি, তজুমদ্দিন (ভোলা) প্রতিনিধি।।

দুইমাস মেঘনায় সকল প্রকার মাছ ধরা বন্ধ রয়েছে। মাছের প্রজনন বৃদ্দির লক্ষ্যে সরকারের দেয়া এই নিষেধাজ্ঞার শেষ মূহুূর্ত চলছে। বিধি-নিষেধ শেষে নদীতে মাছ ধরতে জাল বুনন ও ট্রলারের মেরামতের মধ্যে দিয়েই শেষ সময়ের প্রস্তুতি সেরে নিচ্ছে জেলেরা। পাশাপাশি মাছের আড়ৎগুলোতেও চলছে ধোয়া মোছার পাশাপাশি পুরানো খাতা-পত্র প্রস্তুতের কাজ। দুই মাসের অলস সময়কে ভুলে এখন ঈদের আগ মূহহুর্তে ইলিশ কেনা-বেচার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ভোলার তজুমদ্দিনের প্রায় ১০ হাজার মৎসজীবী ও আড়ৎ মালীক।

উপজেলা মৎস অফিস সুত্রে জানা যায়, জাটকা সংরক্ষণের জন্য ভোলার মেঘনা নদীর ইলিশা থেকে চর পিয়াল পর্যন্ত ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত অভয়াশ্রম ঘোষনা করেছে মৎস ও প্রাণি সম্পদ বিভাগ। অভয়াশ্রমসমূহের কোন এলাকায় ১লা মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল দুই মাস যেকোন ধরনের মাছ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়। নিষেধাজ্ঞার কারনে এ অঞ্চলের শতশত জেলে বেকার হয়ে পরে। এসময়ে নিবন্ধিত জেলেদের পুর্নঃবাসনের জন্য সরকার প্রতিমাসে ৩০ কেজি করে চাল দেয়।

নিষেধাজ্ঞা শেষ হতে আর মাত্র কয়েকদিন বাকী। তাই জেলেরাও পুরোদমে ব্যস্ত হয়ে পরেছে ইলিশ শিকারের জন্য। একারনে সপ্তাহ দুই আগে থেকেই জেলেরা এখন পুরোপুরি ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন নদীতীর বা মাছঘাটে। মহেষখালী ঘাটের মহিউদ্দিন মাঝির জেলে ট্রলারে চলছে মেরামতের কাজ, অন্য জেলেদের কেউবা আবার তপ্ত দুপুরে অক্লান্ত মনে জাল বুনে যাচ্ছেন। পাশেই ঘাটে বাঁধা শফিক মাঝির ট্রলার। ৩-৪ জন শ্রমিকের হাতের হাতুড়ির ঠুনঠুন শব্দে যে কারোই নজর এড়াবেনা তাতে। ট্রলারের মেরামত কাজে ব্যস্ত সবাই। ২৭ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১ টার মধ্যে উপজেলার মহেষখালী ঘাট, শশীগঞ্জ স্লুইজ ঘাট, চৌমূহনী মাছ ঘাট, বাগানের খালসহ বেশ কয়েকটি ঘাটে ঘুরে প্রতিটি ঘাটেই এমন চিত্র লক্ষ্য করা গেছে।

শশীগঞ্জ ঘাটের জেলে আঃ হালিম মাঝি জানান, “গত দুইমাস জেলেরা বেকার ছিলো। নিষেধাজ্ঞা শেষে নদীতে মাছ ধরার জন্য আমরা অপেক্ষায় আছি। আশা করি, সামনের ঈদের আগে নদীতে অনেক মাছের দেখা পাবো। এজন্য মাছধরা শুরু হলে প্রথম ঘন্টা থেকেই জাল ফেলবো। তাই সকল প্রস্তুতি আরো দুই দিন আগেই সেরে রেখেছি।”

উপজেলা মৎস আড়ৎদার মোঃ সিরাজুল ইসলাম মেম্বার জানান, ‘‘দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে প্রস্তুতির জন্য জেলেদের আর্থিক যোগান দিতে হচ্ছে। পবিত্র ঈদুল ফিতরের ২-৩ দিন আগে থেকেই মাছ ধরা শুরু হবে। সেজন্য ব্যবসায়ীরাও তাদের আড়তের পুরনো হিসাবের খাতা প্রস্তুত ও গদিঘর ধোয়া মোছার কাজ শুরু করছেন।’’

উপজেলা মৎস কর্মকর্তা আমির হেসেন জানান, ‘‘এখানকার মাছ ঢাকা, বরিশাল ও চাঁদপুরের আড়তে প্রচুর পরিমানে বিক্রি হয়। কিন্তু এবার ঈদের আগে ব্যতিক্রম হতে পারে। কারন ঈদের আগে মাছ এসব বড় আড়তে পাঠানোর জন্য হাতে পর্যাপ্ত সময় নেই। তাই এবারের ঈদে স্থানীয় বাজারে সুলভ মুল্যে ইলিশের দেখা মিলতে পারে। ’

ইলিশ শিকারে শেষ সময়ে তজুমদ্দিনের জেলেদের প্রস্তুতি

রফিকুল ইসলাম এ টি, তজুমদ্দিন (ভোলা) প্রতিনিধি

দুইমাস মেঘনায় সকল প্রকার মাছ ধরা বন্ধ রয়েছে। মাছের প্রজনন বৃদ্দির লক্ষ্যে সরকারের দেয়া এই নিষেধাজ্ঞার শেষ মূহুূর্ত চলছে। বিধি-নিষেধ শেষে নদীতে মাছ ধরতে জাল বুনন ও ট্রলারের মেরামতের মধ্যে দিয়েই শেষ সময়ের প্রস্তুতি সেরে নিচ্ছে জেলেরা। পাশাপাশি মাছের আড়ৎগুলোতেও চলছে ধোয়া মোছার পাশাপাশি পুরানো খাতা-পত্র প্রস্তুতের কাজ। দুই মাসের অলস সময়কে ভুলে এখন ঈদের আগ মূহহুর্তে ইলিশ কেনা-বেচার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ভোলার তজুমদ্দিনের প্রায় ১০ হাজার মৎসজীবী ও আড়ৎ মালীক।

উপজেলা মৎস অফিস সুত্রে জানা যায়, জাটকা সংরক্ষণের জন্য ভোলার মেঘনা নদীর ইলিশা থেকে চর পিয়াল পর্যন্ত ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত অভয়াশ্রম ঘোষনা করেছে মৎস ও প্রাণি সম্পদ বিভাগ। অভয়াশ্রমসমূহের কোন এলাকায় ১লা মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল দুই মাস যেকোন ধরনের মাছ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়। নিষেধাজ্ঞার কারনে এ অঞ্চলের শতশত জেলে বেকার হয়ে পরে। এসময়ে নিবন্ধিত জেলেদের পুর্নঃবাসনের জন্য সরকার প্রতিমাসে ৩০ কেজি করে চাল দেয়।

নিষেধাজ্ঞা শেষ হতে আর মাত্র কয়েকদিন বাকী। তাই জেলেরাও পুরোদমে ব্যস্ত হয়ে পরেছে ইলিশ শিকারের জন্য। একারনে সপ্তাহ দুই আগে থেকেই জেলেরা এখন পুরোপুরি ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন নদীতীর বা মাছঘাটে। মহেষখালী ঘাটের মহিউদ্দিন মাঝির জেলে ট্রলারে চলছে মেরামতের কাজ, অন্য জেলেদের কেউবা আবার তপ্ত দুপুরে অক্লান্ত মনে জাল বুনে যাচ্ছেন। পাশেই ঘাটে বাঁধা শফিক মাঝির ট্রলার। ৩-৪ জন শ্রমিকের হাতের হাতুড়ির ঠুনঠুন শব্দে যে কারোই নজর এড়াবেনা তাতে। ট্রলারের মেরামত কাজে ব্যস্ত সবাই। ২৭ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১ টার মধ্যে উপজেলার মহেষখালী ঘাট, শশীগঞ্জ স্লুইজ ঘাট, চৌমূহনী মাছ ঘাট, বাগানের খালসহ বেশ কয়েকটি ঘাটে ঘুরে প্রতিটি ঘাটেই এমন চিত্র লক্ষ্য করা গেছে।

শশীগঞ্জ ঘাটের জেলে আঃ হালিম মাঝি জানান, “গত দুইমাস জেলেরা বেকার ছিলো। নিষেধাজ্ঞা শেষে নদীতে মাছ ধরার জন্য আমরা অপেক্ষায় আছি। আশা করি, সামনের ঈদের আগে নদীতে অনেক মাছের দেখা পাবো। এজন্য মাছধরা শুরু হলে প্রথম ঘন্টা থেকেই জাল ফেলবো। তাই সকল প্রস্তুতি আরো দুই দিন আগেই সেরে রেখেছি।”

উপজেলা মৎস আড়ৎদার মোঃ সিরাজুল ইসলাম মেম্বার জানান, ‘‘দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে প্রস্তুতির জন্য জেলেদের আর্থিক যোগান দিতে হচ্ছে। পবিত্র ঈদুল ফিতরের ২-৩ দিন আগে থেকেই মাছ ধরা শুরু হবে। সেজন্য ব্যবসায়ীরাও তাদের আড়তের পুরনো হিসাবের খাতা প্রস্তুত ও গদিঘর ধোয়া মোছার কাজ শুরু করছেন।’’

উপজেলা মৎস কর্মকর্তা আমির হেসেন জানান, ‘‘এখানকার মাছ ঢাকা, বরিশাল ও চাঁদপুরের আড়তে প্রচুর পরিমানে বিক্রি হয়। কিন্তু এবার ঈদের আগে ব্যতিক্রম হতে পারে। কারন ঈদের আগে মাছ এসব বড় আড়তে পাঠানোর জন্য হাতে পর্যাপ্ত সময় নেই। তাই এবারের ঈদে স্থানীয় বাজারে সুলভ মুল্যে ইলিশের দেখা মিলতে পারে। ’

ইলিশ শিকারে শেষ সময়ে তজুমদ্দিনের জেলেদের প্রস্তুতি

রফিকুল ইসলাম এ টি, তজুমদ্দিন (ভোলা) প্রতিনিধি

দুইমাস মেঘনায় সকল প্রকার মাছ ধরা বন্ধ রয়েছে। মাছের প্রজনন বৃদ্দির লক্ষ্যে সরকারের দেয়া এই নিষেধাজ্ঞার শেষ মূহুূর্ত চলছে। বিধি-নিষেধ শেষে নদীতে মাছ ধরতে জাল বুনন ও ট্রলারের মেরামতের মধ্যে দিয়েই শেষ সময়ের প্রস্তুতি সেরে নিচ্ছে জেলেরা। পাশাপাশি মাছের আড়ৎগুলোতেও চলছে ধোয়া মোছার পাশাপাশি পুরানো খাতা-পত্র প্রস্তুতের কাজ। দুই মাসের অলস সময়কে ভুলে এখন ঈদের আগ মূহহুর্তে ইলিশ কেনা-বেচার প্রস্তুতিতে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন ভোলার তজুমদ্দিনের প্রায় ১০ হাজার মৎসজীবী ও আড়ৎ মালীক।

উপজেলা মৎস অফিস সুত্রে জানা যায়, জাটকা সংরক্ষণের জন্য ভোলার মেঘনা নদীর ইলিশা থেকে চর পিয়াল পর্যন্ত ৯০ কিলোমিটার পর্যন্ত অভয়াশ্রম ঘোষনা করেছে মৎস ও প্রাণি সম্পদ বিভাগ। অভয়াশ্রমসমূহের কোন এলাকায় ১লা মার্চ থেকে ৩০ এপ্রিল দুই মাস যেকোন ধরনের মাছ আহরণ, পরিবহন, মজুদ, ক্রয়-বিক্রয় নিষিদ্ধ করা হয়। নিষেধাজ্ঞার কারনে এ অঞ্চলের শতশত জেলে বেকার হয়ে পরে। এসময়ে নিবন্ধিত জেলেদের পুর্নঃবাসনের জন্য সরকার প্রতিমাসে ৩০ কেজি করে চাল দেয়।

নিষেধাজ্ঞা শেষ হতে আর মাত্র কয়েকদিন বাকী। তাই জেলেরাও পুরোদমে ব্যস্ত হয়ে পরেছে ইলিশ শিকারের জন্য। একারনে সপ্তাহ দুই আগে থেকেই জেলেরা এখন পুরোপুরি ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন নদীতীর বা মাছঘাটে। মহেষখালী ঘাটের মহিউদ্দিন মাঝির জেলে ট্রলারে চলছে মেরামতের কাজ, অন্য জেলেদের কেউবা আবার তপ্ত দুপুরে অক্লান্ত মনে জাল বুনে যাচ্ছেন। পাশেই ঘাটে বাঁধা শফিক মাঝির ট্রলার। ৩-৪ জন শ্রমিকের হাতের হাতুড়ির ঠুনঠুন শব্দে যে কারোই নজর এড়াবেনা তাতে। ট্রলারের মেরামত কাজে ব্যস্ত সবাই। ২৭ এপ্রিল সকাল ১০টা থেকে দুপুর ১ টার মধ্যে উপজেলার মহেষখালী ঘাট, শশীগঞ্জ স্লুইজ ঘাট, চৌমূহনী মাছ ঘাট, বাগানের খালসহ বেশ কয়েকটি ঘাটে ঘুরে প্রতিটি ঘাটেই এমন চিত্র লক্ষ্য করা গেছে।

শশীগঞ্জ ঘাটের জেলে আঃ হালিম মাঝি জানান, “গত দুইমাস জেলেরা বেকার ছিলো। নিষেধাজ্ঞা শেষে নদীতে মাছ ধরার জন্য আমরা অপেক্ষায় আছি। আশা করি, সামনের ঈদের আগে নদীতে অনেক মাছের দেখা পাবো। এজন্য মাছধরা শুরু হলে প্রথম ঘন্টা থেকেই জাল ফেলবো। তাই সকল প্রস্তুতি আরো দুই দিন আগেই সেরে রেখেছি।”

উপজেলা মৎস আড়ৎদার মোঃ সিরাজুল ইসলাম মেম্বার জানান, ‘‘দুই মাসের নিষেধাজ্ঞা শেষে প্রস্তুতির জন্য জেলেদের আর্থিক যোগান দিতে হচ্ছে। পবিত্র ঈদুল ফিতরের ২-৩ দিন আগে থেকেই মাছ ধরা শুরু হবে। সেজন্য ব্যবসায়ীরাও তাদের আড়তের পুরনো হিসাবের খাতা প্রস্তুত ও গদিঘর ধোয়া মোছার কাজ শুরু করছেন।’’

উপজেলা মৎস কর্মকর্তা আমির হেসেন জানান, ‘‘এখানকার মাছ ঢাকা, বরিশাল ও চাঁদপুরের আড়তে প্রচুর পরিমানে বিক্রি হয়। কিন্তু এবার ঈদের আগে ব্যতিক্রম হতে পারে। কারন ঈদের আগে মাছ এসব বড় আড়তে পাঠানোর জন্য হাতে পর্যাপ্ত সময় নেই। তাই এবারের ঈদে স্থানীয় বাজারে সুলভ মুল্যে ইলিশের দেখা মিলতে পারে। ’