Dhaka , Thursday, 28 May 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
রেড মিট ঝুঁকি কমিয়ে স্বাস্থ্যকরভাবে খাবার পরামর্শ রূপগঞ্জে ঈদ উপহার সামগ্রী বিতরণ সৌদি আরবের সঙ্গে মিল রেখে লালমনিরহাটে একদিন আগেই পবিত্র ঈদুল আযহা উদযাপন টিকিটের টাকা নিয়ে উধাও বাস মালিকরা, নারায়ণগঞ্জে যাত্রীদের বিক্ষোভ জনদুর্ভোগে এগিয়ে এলেন ছাত্রদল নেতা নাছির, নিজ টাকায় সড়ক মেরামত রামগঞ্জের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকের ছবি ব্যবহার করে ফেসবুকে অপপ্রচার থানায় জিডি জঙ্গল সলিমপুরে ‘ইয়াসিন-ফারুক সাম্রাজ্য’! পাহাড়ের গুহায় অস্ত্র কারখানা, প্রশাসনের বিরুদ্ধে যুদ্ধের প্রস্তুতির অভিযোগ আসন্ন ঈদকে কেন্দ্র করে সীমান্তে কঠোর অবস্থানে ১৫ বিজিবি: ফুলবাড়ীতে মাদক স্পটে অভিযানে ৬০ বোতল ইস্কাপ সিরাপ জব্দ ‘হাটগুলোতে স্বস্তিদায়ক পরিবেশ নিশ্চিত করতে সরকার কাজ করছে’: প্রতিমন্ত্রী মীর শাহে আলম ঈদের জামাতের জন্য প্রস্তুত জমিয়তুল ফালাহ ময়দান: চসিক মেয়র ঈদের ছুটিতে একসঙ্গে ফিরছিলেন বাড়ি, এবার পাশাপাশি কবরে শায়িত তারা কালশী বস্তিতে ভয়াবহ আগুন: একদিন আগেও ছিল ঘর, আজ ফ্লাইওভারের নিচেই তাদের ঠিকানা সংসদ ভবনের দক্ষিণ প্লাজায় হবে ঈদুল আজহার জামাত রায়পুরায় দোকানে ঢুকে ব্যবসায়ীকে কুপিয়ে হত্যা নোয়াখালীতে নসিমন উল্টে ব্যবসায়ীর মৃত্যু মির্জাপুরে ট্রেনে কাটা পড়ে অজ্ঞাত পরিচয় এক যুবকের মৃত্যু হাজরাপুর ইউনিয়নে তরুণদের আস্থার প্রতীক চেয়ারম্যান প্রার্থী ইঞ্জিনিয়ার সাইমুম সিরাজ শোয়ার আগে যে কাজটি করতে ভোলেন না ক্যাটরিনা ইউরো জেতানো অধিনায়ককে ছাড়াই স্পেনের বিশ্বকাপ স্কোয়াড ঘোষণা আঘাত বা ক্ষত যখন ক্যানসারে রূপ নেয়, যেসব লক্ষণ অবহেলা করা যাবে না গাছের তাল পাড়তে নিষেধ করায় প্রতিবেশীর বর্বরোচিত হামলা, বৃদ্ধ গুরুতর আহত ৬ ঘন্টার মধ্যে কোরবানির বর্জ্য অপসারণের লক্ষ্য চসিকের, নগরজুড়ে তদারকিতে থাকবেন মেয়র ডা. শাহাদাত রূপগঞ্জে ফল ব্যবসায়ী হত্যার বিচারের দাবিতে এলাকাবাসীর মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল পাইকগাছায় অপপ্রচারের প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন; আইনগত ব্যবস্থার দাবি রাজনৈতিক দ্বন্দ্বে অপপ্রচারের প্রতিবাদে রূপগঞ্জে যুবদল নেতার সংবাদ সম্মেলন নদীর তীরে হাঁটতে গিয়ে পেলেন ২০ কেজির কোরাল মাছ পাইকগাছায় কোরবানির পশু জবাই ও চামড়া সংরক্ষণ বিষয়ক প্রশিক্ষণ অনুষ্ঠিত ঢাকা-৫ এর জলাবদ্ধতা নিরসনে এমপি কামাল হোসেন এর দ্রুত হস্তক্ষেপ চায় এলাকাবাসী আধুনিকতার চাপে অস্তিত্ব সংকটে কামার শিল্প আমি মোদির বড় ভক্ত: ট্রাম্প

লক্ষ্মীপুরের দুর্গম চরে  সবজি বিপ্লব কৃষকের মুখে হাসি।।

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 05:46:53 am, Tuesday, 3 December 2024
  • 119 বার পড়া হয়েছে

লক্ষ্মীপুরের দুর্গম চরে  সবজি বিপ্লব কৃষকের মুখে হাসি।।

মোঃ মাসুদ রানা মনি
লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি।।
   
   
লক্ষ্মীপুর জেলার মেঘনার চরাঞ্চলে সোনালি ফসল চাষ করে ভাগ্য পরিবর্তন করছেন চাষিরা। দামও ভালো পাচ্ছেন। তাই এ অঞ্চলের কৃষকের মুখে এখন সোনালী হাসি। পূর্বে পরিত্যক্ত ও গোচারণ ভূমি হিসেবে ব্যবহৃত মেঘনায় জেগে উঠা চরে গত কয়েক বছর ধরে অনাবাদি জমিতে ফলতে শুরু করেছে- সবুজ শাকসবজিসহ অন্যান্য ফসল।
বর্তমানে  লক্ষ্মীপুর  জেলার চরাঞ্চলে  ১২ হাজার ৪০২ হেক্টর জমিতে সবজির আবাদ হচ্ছে। এতে মেঘনার চরে চাষিদের জীবনে এসেছে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা। জেলার চাহিদা মিটিয়ে এসব ফসল পৌঁছে যাচ্ছে ঢাকা- চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।
ফসল উৎপাদনের ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে প্রায়ই ক্ষতির শিকার হতে হয় কৃষকদের। কৃষিপণ্যের দাম নির্ধারণে বেপারিদের বেঁধে দেয়া মূল্যের ওপর নির্ভরশীল হতে হয় চাষিদের। এতে অনেকাংশ সময় নায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হয় কৃষক।
কৃষকদের অভিযোগ- কৃষি বিভাগ থেকে কোন সহযোগিতা তো দূরের কথা- পরামর্শও পান না। তাদের দাবি সংশ্লিষ্টদের সু নজর পেলে চরের মাটিতে সোনা ফলানো সম্ভব আরও বিপ্লব ঘটানো যাবে।
চরের কৃষক জামাল চাষি বলেন- গত তিন বছর ধরে চরে বাণিজ্যিকভাবে বিভিন্ন ধরণের সবজি চাষাবাদ করছি। চরের মাটিতে শশা- খিরা- করল্লা- লাউ- কুমড়া- চিচিঙ্গা- তরীসহ নানা জাতের সবজির ভাল উৎপাদন হয়। বাণিজ্যিক চাষাবাদে মোটা অংকের অর্থের প্রয়োজন হয়। কিন্তু আমরা কোন ঋণ পাই না। সঠিক মতো চাষাবাদ করতে পারলে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে না পড়লে ভাল লাভ হয়। তিনি বলেন- নদীর মাঝে চর হওয়ায় মাঝেমধ্যে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলেও পড়তে হয়। 
জামাল জানান- তিনি এবার তিন একর জমিতে শশার আবাদ করেছেন। গাছের বয়স হয়েছে ১৫ দিন- ৪৫ দিনের মাথায় ফলনে চেয়ে যাবে শশার ক্ষেত। প্রতি একরে খরচ পড়েছে ছয় লাখ টাকা। মোট ব্যয় হয়েছে ১৮ লাখ। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে খরচ বাদ দিয়ে অন্তত ১০ লাখ টাকা লাভের আশা করছেন তিনি।
জামাল অভিযোগ করে বলেন- চরের কৃষকেরা সম্পূর্ণ নিজেদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ফসল ফলিয়ে যাচ্ছে। আমরা কৃষি বিভাগ থেকে কোনো সহযোগিতা এবং পরামর্শ পাই না। এখানকার কৃষকরা কৃষি অফিসারকেও চিনেও না।
ধানচাষি আবদুর রহমান বলেন- ঝড়বৃষ্টি বা জোয়ার উঠলে কিছুটা ক্ষতির মধ্যে পড়তে হয়। আবার নতুন করে চাষাবাদ করি। তবে সব মিলিয়ে লাভও হয়।
চাষি আনোয়ার হোসেন বলেন- চরের মাটির গুণাগুণ ভালো। তাই ফলন ভালো হয়। ১৫ বছর ধরে চরে ধান, সয়াবিন, সবজির চাষ করি। তবে মাঝে-মধ্যে অতিরিক্ত জোয়ারের পানিতে চরের ফসল তলিয়ে যায়। তখন কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হই। ক্ষতির শিকার হলেও আমরা সরকারি কোন সহযোগিতা পাই না।
চরের কৃষি শ্রমিক রিয়াজ- ফরিদা বেগম ও নাসরিন বলেন- চরের চাষাবাদ শুরুর পর থেকে অনেকের কর্মসংস্থান হয়েছে। বছরের ছয় মাস চরে কাজ থাকে। আমরা মাসিক ১৫ হাজার টাকা চুক্তিতে নিয়োজিত আছি। চরেই থাকি- চরেই কাজকর্ম করি।
স্থানীয় কলেজ শিক্ষার্থী মো. জিহাদ হোসেন বলেন- চরের ফসল স্থানীয় বাজারসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে যাচ্ছে। খাদ্য উৎপাদনে চরের জমি এবং কৃষকেরা ভূমিকা রাখছে। কিন্তু কৃষিপণ্য বাজারজাতের ক্ষেত্রে কৃষকদের ঠকতে হয়। তারা নায্যমূল্য পায় না। পণ্য বাজারজাতে সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা প্রয়োজন। এতে কৃষি উৎপাদনে উৎসাহিত হবে কৃষকেরা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সোহেল মো. শামসুদ্দীন ফিরোজ চরে ফসল উৎপাদনে বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা জানিয়ে বলেন- লক্ষ্মীপুর উপকূলীয় এলাকা। চরের ১২ হাজার ৪০২ হেক্টর জমিতে সবজির আবাদ হচ্ছে। চরে বিচ্ছিন্ন কিছু দ্বীপ রয়েছে। সেগুলোকে কেন্দ্র করে কৃষি বিভাগ কিছু পরিকল্পনা নিয়েছে। এখানে জোয়ার-ভাটার একটা প্রভাব রয়েছে। তাই ‘ক্লাইমেট স্মাট এগ্রিকালচার’ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। সেখানে আমাদের কিছু প্রদর্শনী দেয়া হয়েছে। কৃষকদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হচ্ছে। মাঠ দিবসও করা হয়। তিনি বলেন, চরের মাটি অত্যন্ত উর্বর। সেখানে সরিষা, ভুট্টা, বাদাম, তিল সম্ভাবনাময় ফসল। আমরা ব্যাপকভাবে এগুলো চাষাবাদের উৎসাহিত করছি।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

রেড মিট ঝুঁকি কমিয়ে স্বাস্থ্যকরভাবে খাবার পরামর্শ

লক্ষ্মীপুরের দুর্গম চরে  সবজি বিপ্লব কৃষকের মুখে হাসি।।

আপডেট সময় : 05:46:53 am, Tuesday, 3 December 2024
মোঃ মাসুদ রানা মনি
লক্ষ্মীপুর জেলা প্রতিনিধি।।
   
   
লক্ষ্মীপুর জেলার মেঘনার চরাঞ্চলে সোনালি ফসল চাষ করে ভাগ্য পরিবর্তন করছেন চাষিরা। দামও ভালো পাচ্ছেন। তাই এ অঞ্চলের কৃষকের মুখে এখন সোনালী হাসি। পূর্বে পরিত্যক্ত ও গোচারণ ভূমি হিসেবে ব্যবহৃত মেঘনায় জেগে উঠা চরে গত কয়েক বছর ধরে অনাবাদি জমিতে ফলতে শুরু করেছে- সবুজ শাকসবজিসহ অন্যান্য ফসল।
বর্তমানে  লক্ষ্মীপুর  জেলার চরাঞ্চলে  ১২ হাজার ৪০২ হেক্টর জমিতে সবজির আবাদ হচ্ছে। এতে মেঘনার চরে চাষিদের জীবনে এসেছে অর্থনৈতিক স্বচ্ছলতা। জেলার চাহিদা মিটিয়ে এসব ফসল পৌঁছে যাচ্ছে ঢাকা- চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তে।
ফসল উৎপাদনের ক্ষেত্রে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে পড়ে প্রায়ই ক্ষতির শিকার হতে হয় কৃষকদের। কৃষিপণ্যের দাম নির্ধারণে বেপারিদের বেঁধে দেয়া মূল্যের ওপর নির্ভরশীল হতে হয় চাষিদের। এতে অনেকাংশ সময় নায্যমূল্য থেকে বঞ্চিত হয় কৃষক।
কৃষকদের অভিযোগ- কৃষি বিভাগ থেকে কোন সহযোগিতা তো দূরের কথা- পরামর্শও পান না। তাদের দাবি সংশ্লিষ্টদের সু নজর পেলে চরের মাটিতে সোনা ফলানো সম্ভব আরও বিপ্লব ঘটানো যাবে।
চরের কৃষক জামাল চাষি বলেন- গত তিন বছর ধরে চরে বাণিজ্যিকভাবে বিভিন্ন ধরণের সবজি চাষাবাদ করছি। চরের মাটিতে শশা- খিরা- করল্লা- লাউ- কুমড়া- চিচিঙ্গা- তরীসহ নানা জাতের সবজির ভাল উৎপাদন হয়। বাণিজ্যিক চাষাবাদে মোটা অংকের অর্থের প্রয়োজন হয়। কিন্তু আমরা কোন ঋণ পাই না। সঠিক মতো চাষাবাদ করতে পারলে এবং প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলে না পড়লে ভাল লাভ হয়। তিনি বলেন- নদীর মাঝে চর হওয়ায় মাঝেমধ্যে প্রাকৃতিক দুর্যোগের কবলেও পড়তে হয়। 
জামাল জানান- তিনি এবার তিন একর জমিতে শশার আবাদ করেছেন। গাছের বয়স হয়েছে ১৫ দিন- ৪৫ দিনের মাথায় ফলনে চেয়ে যাবে শশার ক্ষেত। প্রতি একরে খরচ পড়েছে ছয় লাখ টাকা। মোট ব্যয় হয়েছে ১৮ লাখ। আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে খরচ বাদ দিয়ে অন্তত ১০ লাখ টাকা লাভের আশা করছেন তিনি।
জামাল অভিযোগ করে বলেন- চরের কৃষকেরা সম্পূর্ণ নিজেদের অভিজ্ঞতা কাজে লাগিয়ে ফসল ফলিয়ে যাচ্ছে। আমরা কৃষি বিভাগ থেকে কোনো সহযোগিতা এবং পরামর্শ পাই না। এখানকার কৃষকরা কৃষি অফিসারকেও চিনেও না।
ধানচাষি আবদুর রহমান বলেন- ঝড়বৃষ্টি বা জোয়ার উঠলে কিছুটা ক্ষতির মধ্যে পড়তে হয়। আবার নতুন করে চাষাবাদ করি। তবে সব মিলিয়ে লাভও হয়।
চাষি আনোয়ার হোসেন বলেন- চরের মাটির গুণাগুণ ভালো। তাই ফলন ভালো হয়। ১৫ বছর ধরে চরে ধান, সয়াবিন, সবজির চাষ করি। তবে মাঝে-মধ্যে অতিরিক্ত জোয়ারের পানিতে চরের ফসল তলিয়ে যায়। তখন কিছুটা ক্ষতিগ্রস্ত হই। ক্ষতির শিকার হলেও আমরা সরকারি কোন সহযোগিতা পাই না।
চরের কৃষি শ্রমিক রিয়াজ- ফরিদা বেগম ও নাসরিন বলেন- চরের চাষাবাদ শুরুর পর থেকে অনেকের কর্মসংস্থান হয়েছে। বছরের ছয় মাস চরে কাজ থাকে। আমরা মাসিক ১৫ হাজার টাকা চুক্তিতে নিয়োজিত আছি। চরেই থাকি- চরেই কাজকর্ম করি।
স্থানীয় কলেজ শিক্ষার্থী মো. জিহাদ হোসেন বলেন- চরের ফসল স্থানীয় বাজারসহ দেশের বিভিন্ন বাজারে যাচ্ছে। খাদ্য উৎপাদনে চরের জমি এবং কৃষকেরা ভূমিকা রাখছে। কিন্তু কৃষিপণ্য বাজারজাতের ক্ষেত্রে কৃষকদের ঠকতে হয়। তারা নায্যমূল্য পায় না। পণ্য বাজারজাতে সংশ্লিষ্টদের সহযোগিতা প্রয়োজন। এতে কৃষি উৎপাদনে উৎসাহিত হবে কৃষকেরা।
জেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক সোহেল মো. শামসুদ্দীন ফিরোজ চরে ফসল উৎপাদনে বিভিন্ন পরিকল্পনার কথা জানিয়ে বলেন- লক্ষ্মীপুর উপকূলীয় এলাকা। চরের ১২ হাজার ৪০২ হেক্টর জমিতে সবজির আবাদ হচ্ছে। চরে বিচ্ছিন্ন কিছু দ্বীপ রয়েছে। সেগুলোকে কেন্দ্র করে কৃষি বিভাগ কিছু পরিকল্পনা নিয়েছে। এখানে জোয়ার-ভাটার একটা প্রভাব রয়েছে। তাই ‘ক্লাইমেট স্মাট এগ্রিকালচার’ প্রকল্প হাতে নেওয়া হয়েছে। সেখানে আমাদের কিছু প্রদর্শনী দেয়া হয়েছে। কৃষকদের প্রশিক্ষণের আওতায় আনা হচ্ছে। মাঠ দিবসও করা হয়। তিনি বলেন, চরের মাটি অত্যন্ত উর্বর। সেখানে সরিষা, ভুট্টা, বাদাম, তিল সম্ভাবনাময় ফসল। আমরা ব্যাপকভাবে এগুলো চাষাবাদের উৎসাহিত করছি।