Dhaka , Wednesday, 29 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
কালবৈশাখীর তাণ্ডবে বিদ্যালয়ের চাল উড়ে গেল, পাঠদান নিয়ে অনিশ্চয়তা চাঁদাবাজির মামলায় সাবেক ইউপি সদস্যসহ ২ জন কারাগারে ভারতের বিদায়ী সহকারী হাইকমিশনার ডা. রাজীব রঞ্জনের সাথে চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেনের সৌজন্য সাক্ষাৎ পাইকগাছায় রাতে দোকান খোলা রাখায় জরিমানা পাইকগাছায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের সমাপনী ও পুরস্কার বিতরণী অনুষ্ঠিত গাজীপুরে ৬৪ কেজি গাঁজা ও ১২ বোতল বিদেশি মদসহ দুই মাদক ব্যবসায়ী গ্রেফতার স্কুলছাত্রী অদিতা হত্যা: গৃহশিক্ষকের ফাঁসির আদেশ গণসচেতনতা বৃদ্ধি পেলে শব্দদূষণ প্রতিরোধ সম্ভব : বিভাগীয় কমিশনার নরসিংদী বৃষ্টির মধ্যে হাঁটু পানির নিচে সড়ক ঢালাই, এলাকাবাসীর ক্ষোভ শিট না আনায় ক্লাস থেকে বের করে দেয় শিক্ষক, প্যানিক অ্যাটাকে মেডিকেলে এক শিক্ষার্থী নারায়ণগঞ্জে অভিযান চালিয়ে রামু থেকে ৩২ লাখ টাকা চুরি ও অপহরণ মামলার প্রধান আসামি গ্রেফতার চসিক মেয়র শাহাদাত হোসেনের দ্রুত পদক্ষেপে জলাবদ্ধতা কমে স্বস্তি ফিরেছে নগরীতে রাজনগরে বন্যায় প্লাবিত দুই গ্রাম, দুর্ভোগে মানুষ চন্দনাইশে মমতা’র আয়োজনে উত্তম ব্যবস্থাপনায় নিরাপদ প্রাণিসম্পদ উৎপাদন প্রশিক্ষণ বারবার স্থগিত চট্টগ্রাম চেম্বারের নির্বাচনী ভাগ্য কোন পথে? গাজীপুরে মাদকবিরোধী বিশেষ অভিযানে আটক ৩০ কক্সবাজারে ডিএসকে’র উদ্যোগে যুবদের দক্ষতা উন্নয়ন বিষয়ক সম্মেলন অনুষ্ঠিত নরসিংদী পারিবারিক কলহের জেরে ছুরিকাঘাতে স্ত্রীকে হত্যার অভিযোগ কালীগঞ্জে উপজেলা চেয়ারম্যানের বন্ধ কক্ষ থেকে সরকারি সম্পদ উধাও: তোলপাড় রূপগঞ্জে স্কুল ফিডিং প্রকল্পে নিম্নমানের বাসি দুর্গন্ধযুক্ত খাবার পরিবেশনে অনিয়মের অভিযোগ \ শিক্ষার্থীরা স্বাস্থ্য ঝুঁকিতে লালমনিরহাট ও কুড়িগ্রামে ১৫ বিজিবির সাঁড়াশি অভিযান: সাড়ে ৪ লাখ টাকার মাদক ও মালামাল জব্দ মধুপুরে আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভা অনুষ্ঠিত মাইক বাজিয়ে আ.লীগের স্লোগান, সেই যুবক আটক কালীগঞ্জে র‍্যাবের জালে ৩ মাদক কারবারি: ঘর তল্লাশি করে ৬১১ বোতল মাদক উদ্ধার রূপগঞ্জে ডাচ বাংলা এজেন্ট ব্যাংকিংয়ের গ্রাহকদের সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গ্রাহক সমাবেশ অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় জাতীয় পুষ্টি সপ্তাহের ৫ম দিন পালিত রূপগঞ্জে অবৈধ গ্যাস সংযোগ বিচ্ছিন্ন করণ অভিযান নাইক্ষ্যংছড়িতে ইয়াবা নিয়ে সিএনজি চালক জান্নাত উল্লাহ সাঈদ আটক : গাড়ি জব্দ লক্ষ্মীপুরে সুপেয় পানির তীব্র সংকট, গভীর নলকূপেও উঠছে না পানি খাগড়াছড়িতে প্রতিদিনের বাংলাদেশ পত্রিকার সাংবাদিকের ওপর হামলা

“মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ইতিহাস সংরক্ষণ করা আমাদের দায়িত্ব:- মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 07:08:16 pm, Tuesday, 24 March 2026
  • 45 বার পড়া হয়েছে

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম:

মঙ্গলবার বিকালে সংস্কৃতি মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরীর সঙ্গে চট্টগ্রামের জিয়া স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, জিয়া স্মৃতি জাদুঘরকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে নানা ষড়যন্ত্র হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে এটিকে ধ্বংস করা এবং ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা চালানো হয়েছে। গত ১৬ বছরে এ জাদুঘর রক্ষায় আমরা আন্দোলন, মানববন্ধন, সমাবেশ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছি।

তিনি বলেন, “জিয়াউর রহমানের ভাস্কর্য পর্যন্ত কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছিল এবং দর্শনার্থীদের প্রবেশেও বাধা দেওয়া হয়েছে, যাতে মানুষ তাঁর সম্পর্কে জানতে না পারে। এমনকি একসময় এটি সরিয়ে দেওয়ার কথাও বলা হয়েছিল। আমরা তখন এটিকে হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণার দাবিতে বারবার সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছি এবং সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছি। কিন্তু দুঃখজনকভাবে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বরং জাদুঘরটিকে ধীরে ধীরে জীর্ণ অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।”

জাদুঘর সংরক্ষণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্যোগের অভাবের সমালোচনা করে মেয়র বলেন, “গত ১৬ মাসে অন্তর্বর্তী সরকারকেও আমরা বারবার বিষয়টি জানিয়েছি। সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টাও পরিদর্শনে এসেছেন, কিন্তু বাস্তব কোনো কাজ শুরু হয়নি।”

তিনি আরও বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ইতিহাস সংরক্ষণ করা আমাদের দায়িত্ব। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একজন সেক্টর কমান্ডার, স্বাধীনতার ঘোষক এবং চট্টগ্রামের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব। ১৯৮১ সালের ৩০ মে এই সার্কিট হাউজেই তিনি শহীদ হন। তাঁর স্মৃতিকে সংরক্ষণ করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তা না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না।”

তিনি বলেন, শুধু জিয়া জাদুঘর নয়, চট্টগ্রামের অন্যান্য ঐতিহাসিক স্থাপনাও সংরক্ষণে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। খুলশীর বধ্যভূমি সংরক্ষণ এবং বিপ্লব উদ্যানে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, যেখান থেকে ২৫ মার্চের কালরাতে শহীদ জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

মেয়র আশা প্রকাশ করে বলেন, “জিয়া স্মৃতি জাদুঘর যেহেতু সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে, তাই মন্ত্রণালয় দ্রুত উদ্যোগ নিলে এটিকে পূর্ণাঙ্গভাবে হেরিটেজ হিসেবে সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। ইতোমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এটিকে হেরিটেজ ঘোষণার কথা জানিয়েছেন। আমরা চাই জাদুঘরটি সংরক্ষণ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উন্মুক্ত করা হোক, যাতে তারা মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পারে।”

জিয়া শিশু পার্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জিয়া শিশু পার্কটি নতুনভাবে নগরবাসীর জন্য উন্মুক্ত করা হবে। পূর্বে এটি সেনাবাহিনীর অধীনে ছিল, তবে আলোচনা করে আমরা জায়গাটি পুনরুদ্ধার করেছি। এখানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নামে একটি আধুনিক, সবুজ ও পরিবেশবান্ধব ইকো পার্ক গড়ে তোলা হবে। কোনো বাণিজ্যিক স্থাপনা থাকবে না—এটি হবে একটি ‘গ্রিন ইকো পার্ক’, যেখানে শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক সবাই নির্মল বিনোদনের সুযোগ পাবে।”

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

কালবৈশাখীর তাণ্ডবে বিদ্যালয়ের চাল উড়ে গেল, পাঠদান নিয়ে অনিশ্চয়তা

“মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ইতিহাস সংরক্ষণ করা আমাদের দায়িত্ব:- মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন

আপডেট সময় : 07:08:16 pm, Tuesday, 24 March 2026

ইসমাইল ইমন চট্টগ্রাম:

মঙ্গলবার বিকালে সংস্কৃতি মন্ত্রী অ্যাডভোকেট নিতাই রায় চৌধুরীর সঙ্গে চট্টগ্রামের জিয়া স্মৃতি জাদুঘর পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র ডা. শাহাদাত হোসেন বলেন, জিয়া স্মৃতি জাদুঘরকে ঘিরে দীর্ঘদিন ধরে নানা ষড়যন্ত্র হয়েছে। পরিকল্পিতভাবে এটিকে ধ্বংস করা এবং ইতিহাস থেকে মুছে ফেলার চেষ্টা চালানো হয়েছে। গত ১৬ বছরে এ জাদুঘর রক্ষায় আমরা আন্দোলন, মানববন্ধন, সমাবেশ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছি।

তিনি বলেন, “জিয়াউর রহমানের ভাস্কর্য পর্যন্ত কাপড় দিয়ে ঢেকে রাখা হয়েছিল এবং দর্শনার্থীদের প্রবেশেও বাধা দেওয়া হয়েছে, যাতে মানুষ তাঁর সম্পর্কে জানতে না পারে। এমনকি একসময় এটি সরিয়ে দেওয়ার কথাও বলা হয়েছিল। আমরা তখন এটিকে হেরিটেজ হিসেবে ঘোষণার দাবিতে বারবার সাংস্কৃতিক মন্ত্রণালয়ে চিঠি দিয়েছি এবং সংশ্লিষ্টদের মাধ্যমে প্রতিবাদ জানিয়েছি। কিন্তু দুঃখজনকভাবে কার্যকর কোনো পদক্ষেপ নেওয়া হয়নি। বরং জাদুঘরটিকে ধীরে ধীরে জীর্ণ অবস্থায় নিয়ে যাওয়া হয়েছে।”

জাদুঘর সংরক্ষণে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের উদ্যোগের অভাবের সমালোচনা করে মেয়র বলেন, “গত ১৬ মাসে অন্তর্বর্তী সরকারকেও আমরা বারবার বিষয়টি জানিয়েছি। সংশ্লিষ্ট উপদেষ্টাও পরিদর্শনে এসেছেন, কিন্তু বাস্তব কোনো কাজ শুরু হয়নি।”

তিনি আরও বলেন, “মুক্তিযুদ্ধের চেতনা ও ইতিহাস সংরক্ষণ করা আমাদের দায়িত্ব। শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমান একজন সেক্টর কমান্ডার, স্বাধীনতার ঘোষক এবং চট্টগ্রামের সঙ্গে ওতপ্রোতভাবে জড়িত একজন ঐতিহাসিক ব্যক্তিত্ব। ১৯৮১ সালের ৩০ মে এই সার্কিট হাউজেই তিনি শহীদ হন। তাঁর স্মৃতিকে সংরক্ষণ করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। তা না হলে ভবিষ্যৎ প্রজন্ম আমাদের ক্ষমা করবে না।”

তিনি বলেন, শুধু জিয়া জাদুঘর নয়, চট্টগ্রামের অন্যান্য ঐতিহাসিক স্থাপনাও সংরক্ষণে উদ্যোগ নেওয়া হচ্ছে। খুলশীর বধ্যভূমি সংরক্ষণ এবং বিপ্লব উদ্যানে উদ্যোগ নেয়া হয়েছে, যেখান থেকে ২৫ মার্চের কালরাতে শহীদ জিয়া স্বাধীনতার ঘোষণা দেন।

মেয়র আশা প্রকাশ করে বলেন, “জিয়া স্মৃতি জাদুঘর যেহেতু সাংস্কৃতিক বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে, তাই মন্ত্রণালয় দ্রুত উদ্যোগ নিলে এটিকে পূর্ণাঙ্গভাবে হেরিটেজ হিসেবে সংরক্ষণ করা সম্ভব হবে। ইতোমধ্যে অর্থ মন্ত্রণালয়ের দায়িত্বপ্রাপ্ত চট্টগ্রামের কৃতি সন্তান আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী এটিকে হেরিটেজ ঘোষণার কথা জানিয়েছেন। আমরা চাই জাদুঘরটি সংরক্ষণ করে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের জন্য উন্মুক্ত করা হোক, যাতে তারা মুক্তিযুদ্ধের সঠিক ইতিহাস জানতে পারে।”

জিয়া শিশু পার্ক প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “জিয়া শিশু পার্কটি নতুনভাবে নগরবাসীর জন্য উন্মুক্ত করা হবে। পূর্বে এটি সেনাবাহিনীর অধীনে ছিল, তবে আলোচনা করে আমরা জায়গাটি পুনরুদ্ধার করেছি। এখানে শহীদ প্রেসিডেন্ট জিয়াউর রহমানের নামে একটি আধুনিক, সবুজ ও পরিবেশবান্ধব ইকো পার্ক গড়ে তোলা হবে। কোনো বাণিজ্যিক স্থাপনা থাকবে না—এটি হবে একটি ‘গ্রিন ইকো পার্ক’, যেখানে শিশু থেকে প্রাপ্তবয়স্ক সবাই নির্মল বিনোদনের সুযোগ পাবে।”