Dhaka , Tuesday, 17 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
আড়াইহাজারে প্রবাস ফেরত নারীকে ধর্ষণ, ধর্ষক গ্রেফতার নোয়াখালীতে কাভাড ভ্যান চাপায় মাদরাসা ছাত্রের মৃত্যু, চালক আটক নোয়াখালীতে গৃহবধূ হত্যা: স্বামী ও দ্বিতীয় স্ত্রী গ্রেপ্তার বিশিষ্টজনদের সম্মানে রামগঞ্জ প্রেসক্লাবের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত অপপ্রচারের প্রতিকার চেয়ে ব্যবসায়ী শাহ আলমের দাবি মাদক উদ্ধারের ঘটনায় জড়িত নন তিনি প্রবাসী রেমিট্যান্স যোদ্ধাদের সংগঠন বরকল ইউনিয়ন প্রবাসী ফোরামের ১০ম প্রতিষ্ঠা বার্ষিকী নিজের বিরুদ্ধে ওঠা অভিযোগ ‘বিভ্রান্তিকর’ দাবি অভিনের নোয়াখালীতে ২০০জন হাফেজকে সংবর্ধনা দেন ইসলামী ছাত্রশিবির   মধুপুরে শহিদ ওসমান হাদি স্মরণে ইফতার ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠিত। মধুপুরে বিশ্ব ভোক্তা অধিকার দিবস-২০২৬ উদযাপন রায়পুরে বাস কাউন্টার ও সিএনজিতে বিশেষ অভিযান: ৪০০০ টাকা জরিমানা চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে জয়পুরহাট জেলা স্টুডেন্ট’স এসোসিয়েশনের নতুন কমিটি গঠন, ইফতার মাহফিল ও মাহমুদ স্মৃতি অলিম্পিয়াডের পুরস্কার বিতরণ পাইকারি ও খুচরা বাজারের মূল্য তারতম্য অনুসন্ধানে ফ্যাক্ট ফাইন্ডিং কমিটি করা হবে: বাণিজ্যমন্ত্রী চসিকের পরিচ্ছন্ন কর্মীদের জন্য ১ কোটি ৬৩ লাখ ৫০ হাজার টাকার অনুদান দিলেন প্রধানমন্ত্রী নাগেশ্বরী সীমান্তে বিজিবির তৎপরতা: পাচারকারীর ফেলে যাওয়া ইয়াবা ও গাঁজা উদ্ধার সিআইডি সদস্যদের জন্য আধুনিক ডিউটি ভেস্ট, যুক্ত হলো কিউআর কোড যাচাইকরণ রূপগঞ্জে মাদক ব্যবসার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে তিন পুলিশ প্রত্যাহার ॥ আবারো বিপুল পরিমাণ মাদকদ্রব্য উদ্ধার মাদক সিন্ডিকেট, টিকিটবিহীন যাত্রী আর পুলিশের নীরবতা—কিশোরগঞ্জ স্টেশনের ভয়াবহ চিত্র কালিয়াকৈরে ঈদ উপলক্ষে বিনামূল্যে ডি.জি.এফ চাল বিতরণ, তালিকা সংশোধন নিয়ে নানা প্রশ্ন নারায়ণগঞ্জে শ্রমিক অসন্তোষ নিরসনে জেলা প্রশাসনের সাথে বৈঠক মধুপুরে পূর্বশত্রুতার জের ধরে মারপিট-ভাঙচুর, আহত ১ জ্বালানি রেশনিং তুলে নিল সরকার, স্বাভাবিক বিক্রি শুরু নরসিংদী ডেঙ্গু ও চিকুনগুনিয়া প্রতিরোধে পরিচ্ছন্নতা অভিযান শুরু চট্টগ্রাম জেলা পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত ‎লক্ষ্মীপুরে পানির অভাবে ফেটে চৌচির বোরো ধানের খেত উন্নয়ন ও জনসেবায় সরব ত্রাণমন্ত্রী: বড়বাড়িতে সড়ক উদ্বোধন ও কুড়িগ্রামে বিশ্বের সর্ববৃহৎ কড়াইয়ের সূচনা এপেক্স ক্লাব অব রামুর উদ্যােগে এতিমদের নিয়ে ইফতার মাহফিল সম্পন্ন নগরীর বিভিন্ন মার্কেটে আইন-শৃঙ্খলা পরিস্থিতি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন সিএমপি কমিশনার বোয়ালখালী’র আহলা করলডেঙ্গা ও আমুছিয়া ইউনিয়নের হকখালী খালের পুনঃখনন কার্যক্রমের উদ্বোধন চট্টগ্রাম রিপোর্টার্স ফোরাম (সিআরএফ)’র দোয়া ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত

মরদেহটি কার হিলটনের নাকি মাহে আলমের?

মোংলার চিলায় কবর দেয়া মরদেহটি কার হিলটনের নাকি মাহে আলমের? এমন প্রশ্নের উত্তর পাওয়া গেল ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর।বাংলাদেশ পুলিশের ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবরেটরি সিআইডি মালিবাগ শাখার ১ আগস্ট প্রকাশিত রিপোর্টের ফলাফলে জানাযায় মরদেহটি মাহে আলমের। তাহলে ময়নাতদন্তে যদি মরদেহটি মাহে আলমের হয় তাহলে হিলটন কোথায় এমন প্রশ্ন মংলাবাসীর।
গত ১৩ এপ্রিল সুন্দরবনের করমজলে অর্ধগলিত একটি মৃতদেহ উদ্ধার করে খুলনার দা’কোপ থানা পুলিশ। সুন্দরবনে নিখোঁজ জেলে হিলটন নাথের পরিবারের দাবীতে ১৪ এপ্রিল দাকোপ থানা পুলিশ জেলে হিলটন নাথের পরিবারের কাছে মরাদেহটি হস্তান্তর করে।

অন্যদিকে ১০ এপ্রিল মোংলার ব্যবসায়ী মাহে আলম নিখোঁজ হন। ১৪ এপ্রিল সকালে মাহে আলম’র ছোট ছেলে সুমন রানা মোংলা থানায় পিতার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে জিডি করেন। জিডি নং- ৬৬০। পরবর্তীতে ১৪ এপ্রিল হস্তান্তরকৃত মরদেহর ছবি এবং ভিডিও ফুটেজ দেখে একই লাশকে সুমন রানা তার পিতা মাহে আলম’র লাশ দাবী করেন। এব্যাপারে সুমন রানা ২৮ এপ্রিল দাকোপ থানায় একটি জিডি করেন। জিডি নং- ১০৯৮। এছাড়া হিলটন নাথ’র মা বিথীকা নাথ দাকোপ থানায় বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামী দিয়ে খুন করে লাশ গুম করার অপরাধে ( ধারা ৩০২/২০১ পেনাল কোড ১৮৬০ ) একটি মামলা দায়ের করেন। দাকোপ থানা মামলা নং- ১৬। অন্যদিকে সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজ অন্যান্য আলামত দেখে সুমন রানা মামলা দায়ের করতে চাইলে মোংলা থানা প্রথমে মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তীতে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নং-২ বাগেরহাটের আদেশের প্রেক্ষিতে মোংলা থানা মামলা গ্রহণ করে। মোংলা থানা মামলা নং- ১৬।

বিষয়টি রহস্যজনক হওয়ায় গত ৯ মে ডিএনএ পরিক্ষার জন্য সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত ”গ” অঞ্চল খুলনার নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশে ডিএনএ টেস্ট’র জন্য ঢাকার সিআইডি ল্যাবরেটরি হিলটন নাথ’র মা বিথীকা নাথ এবং মাহে আলম’র ছেলে সুমন রানার রক্ত নমুনা হিসেবে গ্রহণ করে। দুই মাস বিশ দিন পরে ১ আগস্ট প্রকাশিত ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবরেটরি সিআইডি মালিবাগ শাখা প্রকাশিত রিপোর্ট প্রকাশ করেন। রিপোর্টের ফলাফলে জানাযায় মহাদেহটি মাহে আলমের।

ডিএনএ টেস্ট’র ফল প্রকাশের পর মাহে আলমের ছেলে সুমন রানা বলেন, যেহেতু চিলায় তিন মাস আঠাশ দিন আগে কবর দেয়া মরদেহটি হিলটনের নয় সেটি আমার বাবা মাহে আলমের। প্রথমত আদালত এবং প্রশাসনের মাধ্যমে লাশ উত্তোলন পূর্বক দ্রুত ইসলামী রীতি অনুযায়ি লাশ দাফন করতে চাই। একই সাথে বলতে চাই আমার বাবাকে পরিকল্পিত ভাবে খুন করে লাশ গুম করার প্রক্রিয়ার সাথে যারা যুক্ত তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার দাবী করছি।
এ প্রসংগে নিখোঁজ হিলটন নাথের ভাই সাগর নাথ বলেন, ডিএনএ টেস্ট’র রিপোর্ট এখনো হাতে পাই নাই। রিপোর্টের ফলাফলে যদি কবর হওয়া মরদেহটি ব্যবসায়ী মাহে আলমের হয় তাহলে আমরা আমাদের ভাই হিলটন নাথকে আমাদের কাছে ফিরিয়ে দিতে প্রশাসনের কাছে দাবী জানাই। ব্যুরো ইনভেষ্টিগেশন খুলনার তদন্তকারী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান গনমাধ্যমকে বলেন, আদালত এবং জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাহে আলম’র ছেলে সুমন রানাকে মরদেহটি বুঝিয়ে দেয়া হবে। হিলটন নাথ’র মা বিথীকা নাথ ভুল তথ্য দেয়ায় মামলার ফাইনাল রিপোর্ট দেয়া হবে। আর মাহে আলমকে পরিকল্পিত ভাবে খুন এবং লাশ গুম করার অভিযোগ থাকলে মাহে আলম’র পরিবারের পক্ষ থেকে পৃথক মামলা করতে হবে।

ট্যাগ :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

আড়াইহাজারে প্রবাস ফেরত নারীকে ধর্ষণ, ধর্ষক গ্রেফতার

মরদেহটি কার হিলটনের নাকি মাহে আলমের?

আপডেট সময় : 10:06:44 am, Saturday, 12 August 2023

মোংলার চিলায় কবর দেয়া মরদেহটি কার হিলটনের নাকি মাহে আলমের? এমন প্রশ্নের উত্তর পাওয়া গেল ময়নাতদন্তের রিপোর্টের পর।বাংলাদেশ পুলিশের ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবরেটরি সিআইডি মালিবাগ শাখার ১ আগস্ট প্রকাশিত রিপোর্টের ফলাফলে জানাযায় মরদেহটি মাহে আলমের। তাহলে ময়নাতদন্তে যদি মরদেহটি মাহে আলমের হয় তাহলে হিলটন কোথায় এমন প্রশ্ন মংলাবাসীর।
গত ১৩ এপ্রিল সুন্দরবনের করমজলে অর্ধগলিত একটি মৃতদেহ উদ্ধার করে খুলনার দা’কোপ থানা পুলিশ। সুন্দরবনে নিখোঁজ জেলে হিলটন নাথের পরিবারের দাবীতে ১৪ এপ্রিল দাকোপ থানা পুলিশ জেলে হিলটন নাথের পরিবারের কাছে মরাদেহটি হস্তান্তর করে।

অন্যদিকে ১০ এপ্রিল মোংলার ব্যবসায়ী মাহে আলম নিখোঁজ হন। ১৪ এপ্রিল সকালে মাহে আলম’র ছোট ছেলে সুমন রানা মোংলা থানায় পিতার নিখোঁজ হওয়ার বিষয়ে জিডি করেন। জিডি নং- ৬৬০। পরবর্তীতে ১৪ এপ্রিল হস্তান্তরকৃত মরদেহর ছবি এবং ভিডিও ফুটেজ দেখে একই লাশকে সুমন রানা তার পিতা মাহে আলম’র লাশ দাবী করেন। এব্যাপারে সুমন রানা ২৮ এপ্রিল দাকোপ থানায় একটি জিডি করেন। জিডি নং- ১০৯৮। এছাড়া হিলটন নাথ’র মা বিথীকা নাথ দাকোপ থানায় বাদী হয়ে অজ্ঞাতনামা আসামী দিয়ে খুন করে লাশ গুম করার অপরাধে ( ধারা ৩০২/২০১ পেনাল কোড ১৮৬০ ) একটি মামলা দায়ের করেন। দাকোপ থানা মামলা নং- ১৬। অন্যদিকে সিসিটিভির ভিডিও ফুটেজ অন্যান্য আলামত দেখে সুমন রানা মামলা দায়ের করতে চাইলে মোংলা থানা প্রথমে মামলা নিতে অস্বীকৃতি জানায়। পরবর্তীতে সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালত নং-২ বাগেরহাটের আদেশের প্রেক্ষিতে মোংলা থানা মামলা গ্রহণ করে। মোংলা থানা মামলা নং- ১৬।

বিষয়টি রহস্যজনক হওয়ায় গত ৯ মে ডিএনএ পরিক্ষার জন্য সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত ”গ” অঞ্চল খুলনার নির্দেশ দেন। আদালতের নির্দেশে ডিএনএ টেস্ট’র জন্য ঢাকার সিআইডি ল্যাবরেটরি হিলটন নাথ’র মা বিথীকা নাথ এবং মাহে আলম’র ছেলে সুমন রানার রক্ত নমুনা হিসেবে গ্রহণ করে। দুই মাস বিশ দিন পরে ১ আগস্ট প্রকাশিত ফরেনসিক ডিএনএ ল্যাবরেটরি সিআইডি মালিবাগ শাখা প্রকাশিত রিপোর্ট প্রকাশ করেন। রিপোর্টের ফলাফলে জানাযায় মহাদেহটি মাহে আলমের।

ডিএনএ টেস্ট’র ফল প্রকাশের পর মাহে আলমের ছেলে সুমন রানা বলেন, যেহেতু চিলায় তিন মাস আঠাশ দিন আগে কবর দেয়া মরদেহটি হিলটনের নয় সেটি আমার বাবা মাহে আলমের। প্রথমত আদালত এবং প্রশাসনের মাধ্যমে লাশ উত্তোলন পূর্বক দ্রুত ইসলামী রীতি অনুযায়ি লাশ দাফন করতে চাই। একই সাথে বলতে চাই আমার বাবাকে পরিকল্পিত ভাবে খুন করে লাশ গুম করার প্রক্রিয়ার সাথে যারা যুক্ত তাদের আইনের আওতায় এনে বিচার দাবী করছি।
এ প্রসংগে নিখোঁজ হিলটন নাথের ভাই সাগর নাথ বলেন, ডিএনএ টেস্ট’র রিপোর্ট এখনো হাতে পাই নাই। রিপোর্টের ফলাফলে যদি কবর হওয়া মরদেহটি ব্যবসায়ী মাহে আলমের হয় তাহলে আমরা আমাদের ভাই হিলটন নাথকে আমাদের কাছে ফিরিয়ে দিতে প্রশাসনের কাছে দাবী জানাই। ব্যুরো ইনভেষ্টিগেশন খুলনার তদন্তকারী কর্মকর্তা মিজানুর রহমান গনমাধ্যমকে বলেন, আদালত এবং জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে মাহে আলম’র ছেলে সুমন রানাকে মরদেহটি বুঝিয়ে দেয়া হবে। হিলটন নাথ’র মা বিথীকা নাথ ভুল তথ্য দেয়ায় মামলার ফাইনাল রিপোর্ট দেয়া হবে। আর মাহে আলমকে পরিকল্পিত ভাবে খুন এবং লাশ গুম করার অভিযোগ থাকলে মাহে আলম’র পরিবারের পক্ষ থেকে পৃথক মামলা করতে হবে।