Dhaka , Monday, 12 January 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় ফতুল্লায় দোয়া ও মতবিনিময় সভা সিদ্ধিরগঞ্জে একদিনের অভিযানে মাদকসহ বিভিন্ন মামলার ১৩ আসামি গ্রেফতার সাধারণ মানুষের দোয়ায় সিক্ত আসাদুল হাবিব দুলুর দুই সন্তান চরভদ্রাসন থানা পুলিশের বিশেষ অভিযানে চোরচক্রের ৬ সদস্য গ্রেফতার। ফতুল্লায় বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় বিএনপির দোয়া ও মিলাদ মাহফিল বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে উত্তেজনা অনুপ্রবেশকারী ৫৩ জন বিদ্রোহী আটক মধুপুরে সেনাবাহিনীর পক্ষ থেকে শীতবস্ত্র বিতরণ সংসদ সদস্য নির্বাচিত হলে ক্ষমতাকে আমানত হিসেবে রাখবো:- আবু সুফিয়ান লালমনিরহাটে বিষমুক্ত সবজি চাষে নারী সমবায়ীদের বাজিমাত ঝালকাঠিতে শতাধিক সনাতন ধর্মাবলম্বীর জামায়াতে যোগদান বাংলাদেশ-মিয়ানমার সীমান্তে তীব্র উত্তেজনা : গুলিতে শিশু নিহত  নোয়াখালীতে থানার পাশে সুপার মার্কেট থেকে চুরি, ৯ ভরি স্বর্ণালংকারসহ গ্রেপ্তার-৩   সাহসিকতা ও দুঃসাহসিক ভূমিকার স্বীকৃতি পেলেন ঢাবি’র আহসান  নোয়াখালীতে রোলার চাপায় শিশুর মৃত্যু রোগের যন্ত্রণায় অতিষ্ঠ হয়ে ব্যবসায়ীর আত্মহত্যা বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় সরাইল সাংবাদিক ইউনিয়নের দোয়া মাহফিল রোহিঙ্গা ক্যাম্পে দুই গ্রুপে গোলাগুলি ডজন মামলার আসামি কামাল নিহত “এতিম শিশু ও শীতার্ত মানুষের পাশে মহিউদ্দিন স্মৃতি ফাউন্ডেশন” ইবিতে পুনর্মিলনী অনুষ্ঠানে হিন্দি গান, শিক্ষকের নিন্দা ও প্রতিবাদ রাজধানীতে প্রশ্নফাঁস ও ডিজিটাল জালিয়াতির বিরুদ্ধে বিক্ষোভ: পাঁচ দফা দাবিতে উত্তাল রাজধানী শেয়ার ব্যবসায় বন্ধু কাছে প্রতারিত শাহিন, লক্ষ লক্ষ টাকা ঋণের বোঝা নিয়ে মৃত্যু আন্তর্জাতিক বাণিজ্য মেলা এলাকা থেকে তিন শিশু উদ্ধার, সমাজসেবা অধিদপ্তরের হেফাজতে মিয়ানমারের সংঘর্ষের গুলি সীমান্ত পেরিয়ে টেকনাফে, নিহত ৭ বছরের শিশু আফনান জুলাই বিপ্লবের শহীদ ওয়াসিম আকরামের স্মরণে গ্রাফিতি উন্মোচন, শহীদ আহসান হাবিবের কবর জিয়ারতে পুলিশ সুপার ফতুল্লায় মর্ডান ফায়ার সার্ভিস ও সিভিল ডিফেন্স স্টেশনের শুভ উদ্বোধন আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে ফতুল্লায় সংঘর্ষ, চকলেট বোমা বিস্ফোরণ; ৮ জন আটক পাইকগাছায় বিভিন্ন মাদ্রাসায় ইউএনও’র শীতবস্ত্র বিতরণ গাজীপুরে সাবেক প্রধানমন্ত্রী বেগম খালেদা জিয়ার স্মরণে দোয়া ও আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত সংস্কৃতিই মানুষে-মানুষে সেতুবন্ধ রচনা করতে পারে: তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা ১২ জানুয়ারির মধ্যেই জামায়াত জোটের চূড়ান্ত আসন বণ্টনের সম্ভাবনা-নাহিদ ইসলাম

বরিশালে হারিয়ে যাচ্ছে কলমি লতা ও মাইক ফুল

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 12:22:57 am, Saturday, 2 October 2021
  • 286 বার পড়া হয়েছে

বরিশালে হারিয়ে যাচ্ছে কলমি লতা ও মাইক ফুল

 বরিশাল।।

গাছগুলো দেখতে অনেকটা লতার মতো। আর ফুলগুলো একেবারেই মাইকের মতো। আজ থেকে এক যুগ আগে গ্রামের দস্যি ছেলেমেয়েরা এই ফুল নিয়ে খেলতো, বিশেষ করে মেয়েরা কানে গুঁজে সেজে ঘুরে বেড়াতো। হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামবাংলার অতিপরিচিত কলমি লতা ও তার ফুল।

সেদিন দুপুরে চোখে পড়ল বরিশালের সদর উপজেলার সড়কের পাশে সেই চিরচেনারূপে বেড়ে ওঠা কলমি লতা। গ্রামগঞ্জ আর শহরের আনাচে-কানাচে জন্মাতো এই লতা ও ফুল। মানুষের চারপাশে জড়িয়ে থাকতো। ফসল রক্ষার বেড়া, বাড়ির উঠান ঘেরা সহ বিভিন্ন কাজে আগের দিনের মানুষ ব্যবহার করতো কলমি লতা। জ্বালানি কাজেও প্রয়োজন ছিল অপরিসীম। এগাছ ছিল অমর, ডাল থেকে কুশি বের হতো। জন্ম নিতো একটি লতা থেকে একাধিক লতা। কলমি লতার মাইক ফুল ছিল এক সময়ের সৌন্দর্যের প্রতীক। ছিল তার ব্যক্তিগত সুভাষ, যে সুভাষ ছড়িয়ে পড়তো চারপাশে।

শিশু-কিশোররা খেলতো এই মাইক ফুল দিয়ে, আবার প্রিয় মানুষের চুলের খোঁপায় পরিয়ে দিতো কলমি লতার মাইক ফুল। আধুনিক যুগে বিভিন্ন প্রজাতির সুগন্ধি ফুলের আবির্ভাবে মূল্যহীন হয়ে গেছে সেই মাইক ফুল। ভোর থেকে ফুটতে শুরু করে, আর তা ধরে রাখে দুপুর পর্যন্ত। নিজে ফোটে ও সৌরভ ছড়িয়ে দেয় সৌন্দর্য পিপাসুদের মাঝে।কথা হয় বরিশালের ৮০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ ব্যাক্তির সঙ্গে। তিনি বলেন, এখন তো আর আগের মতো চোখেই পড়ে না কলমি লতা। আমাদের সময় প্রায় সব কাজেই এই লতার প্রয়োজন হতো। এখন তো ইট, পাথর, সিমেন্ট, বালু আর রডের ব্যবহার হচ্ছে। তখন আমরা কলমি লতা দিয়ে সব কাজ করতাম।’বরিশালের কৃষক মমতাজ উদ্দিন বলেন, ‘ছোটবেলায় আমরা এই লতা দিয়ে ডাংগুলি খেলতাম। আবার তার মাইক ফুল দিয়ে ছেলেমেয়েরা মিলে এক সঙ্গে খেলাধুলা করত।’নলছিটির রানাপাশা ইউনিয়নের রাস্তার পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া বৃদ্ধা মরিয়ম বেগমের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার তো জ্বাল দেওয়াসহ ব্যাবাক কাজই কলমি লতা দিয়েই করতাম। ছোল-মেয়েকে এই কলমি লতা ভাঙে মেরে শাসন করতাম।অপর গ্রামের এক কৃষক সামচুল আলম বলেন, ‘এগুলো তো এখন দেখাই যায় না। মোরা গরিব মানুষ, ইটা দিয়ে তো আর বাড়ির উঠান ঘেড়ার পারতাম না। তাই কলমি লতা দিয়ে কাজ করতাম। এগুলোর কদর তো আর কেউ করে না।’

ট্যাগ :

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফিরাত কামনায় ফতুল্লায় দোয়া ও মতবিনিময় সভা

বরিশালে হারিয়ে যাচ্ছে কলমি লতা ও মাইক ফুল

আপডেট সময় : 12:22:57 am, Saturday, 2 October 2021

 বরিশাল।।

গাছগুলো দেখতে অনেকটা লতার মতো। আর ফুলগুলো একেবারেই মাইকের মতো। আজ থেকে এক যুগ আগে গ্রামের দস্যি ছেলেমেয়েরা এই ফুল নিয়ে খেলতো, বিশেষ করে মেয়েরা কানে গুঁজে সেজে ঘুরে বেড়াতো। হারিয়ে যাচ্ছে গ্রামবাংলার অতিপরিচিত কলমি লতা ও তার ফুল।

সেদিন দুপুরে চোখে পড়ল বরিশালের সদর উপজেলার সড়কের পাশে সেই চিরচেনারূপে বেড়ে ওঠা কলমি লতা। গ্রামগঞ্জ আর শহরের আনাচে-কানাচে জন্মাতো এই লতা ও ফুল। মানুষের চারপাশে জড়িয়ে থাকতো। ফসল রক্ষার বেড়া, বাড়ির উঠান ঘেরা সহ বিভিন্ন কাজে আগের দিনের মানুষ ব্যবহার করতো কলমি লতা। জ্বালানি কাজেও প্রয়োজন ছিল অপরিসীম। এগাছ ছিল অমর, ডাল থেকে কুশি বের হতো। জন্ম নিতো একটি লতা থেকে একাধিক লতা। কলমি লতার মাইক ফুল ছিল এক সময়ের সৌন্দর্যের প্রতীক। ছিল তার ব্যক্তিগত সুভাষ, যে সুভাষ ছড়িয়ে পড়তো চারপাশে।

শিশু-কিশোররা খেলতো এই মাইক ফুল দিয়ে, আবার প্রিয় মানুষের চুলের খোঁপায় পরিয়ে দিতো কলমি লতার মাইক ফুল। আধুনিক যুগে বিভিন্ন প্রজাতির সুগন্ধি ফুলের আবির্ভাবে মূল্যহীন হয়ে গেছে সেই মাইক ফুল। ভোর থেকে ফুটতে শুরু করে, আর তা ধরে রাখে দুপুর পর্যন্ত। নিজে ফোটে ও সৌরভ ছড়িয়ে দেয় সৌন্দর্য পিপাসুদের মাঝে।কথা হয় বরিশালের ৮০ বছর বয়সী এক বৃদ্ধ ব্যাক্তির সঙ্গে। তিনি বলেন, এখন তো আর আগের মতো চোখেই পড়ে না কলমি লতা। আমাদের সময় প্রায় সব কাজেই এই লতার প্রয়োজন হতো। এখন তো ইট, পাথর, সিমেন্ট, বালু আর রডের ব্যবহার হচ্ছে। তখন আমরা কলমি লতা দিয়ে সব কাজ করতাম।’বরিশালের কৃষক মমতাজ উদ্দিন বলেন, ‘ছোটবেলায় আমরা এই লতা দিয়ে ডাংগুলি খেলতাম। আবার তার মাইক ফুল দিয়ে ছেলেমেয়েরা মিলে এক সঙ্গে খেলাধুলা করত।’নলছিটির রানাপাশা ইউনিয়নের রাস্তার পাশ দিয়ে হেঁটে যাওয়া বৃদ্ধা মরিয়ম বেগমের নিকট জানতে চাইলে তিনি বলেন, ‘আমার তো জ্বাল দেওয়াসহ ব্যাবাক কাজই কলমি লতা দিয়েই করতাম। ছোল-মেয়েকে এই কলমি লতা ভাঙে মেরে শাসন করতাম।অপর গ্রামের এক কৃষক সামচুল আলম বলেন, ‘এগুলো তো এখন দেখাই যায় না। মোরা গরিব মানুষ, ইটা দিয়ে তো আর বাড়ির উঠান ঘেড়ার পারতাম না। তাই কলমি লতা দিয়ে কাজ করতাম। এগুলোর কদর তো আর কেউ করে না।’