Dhaka , Wednesday, 12 August 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
চট্টগ্রাম বহিঃনোঙ্গরে বন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের যৌথ অভিযান, নৌযানের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিতকরণে ৫০টির অধিক ফিশিং বোট তল্লাশি, আটক ২৪ রূপগঞ্জে শিক্ষার মানোন্নয়নে অভিভাবক সমাবেশ ও মতবিনিময়ের সভা অনুষ্ঠিত মিয়ানমারে পাচার হচ্ছিল ১,৩৬০ বস্তা সিমেন্ট, গ্রেপ্তার ৩ লবণ বোঝাই বলগেট ডুবে বৃদ্ধের মৃত্যু মেয়র নির্বাচিত হলে প্রতিটি ওয়ার্ডে ড্রেনেজ ব্যবস্থা করবো: ইঞ্জিনিয়ার আব্দুল হাই সিকদার সিলেটের রায়নগর মিতালি এলাকায় স্বামী স্ত্রী ও বাসার কাজের মেয়ে সহ ট্রিপল মার্ডার’র ঘটনা কেউ চান মাথা গোঁজার ঠাঁই, কেউ চিকিৎসার টাকা,গণশুনানিতে পাশে দাঁড়ালেন মানবিক ডিসি জাহিদ সিএমপি ডবলমুরিং থানা এলাকায় কার্যক্রম নিষিদ্ধ সংগঠনের ০৬ (ছয়) নেতাকর্মী গ্রেপ্তার পাইকগাছায় পুশ বিরোধী অভিযান; দুই চিংড়ি ব্যবসায়ীকে জরিমানা হারিয়ে যাওয়ার শঙ্কা, দুর্গাপুরে ক্ষুদ্র নৃ-গোষ্ঠীর ভাষা-সংস্কৃতি রক্ষায় কর্মশালা অনুষ্ঠিত  অসহায় হাজং দম্পতির পাশে ভারপ্রাপ্ত স্পিকার, বদলে যাচ্ছে জীবনের চিত্র রামুতে ইপসা ও আই আর সি এর উদ্যোগে মাদক, শিশুশ্রম, বাল্যবিয়ে ও ইভটিজিং প্রতিরোধে মুখোমুখি সংলাপ কেন ট্রাম্পের পোস্ট থেকে সরানো হলো টেইলর সুইফটের গান? ম্যারাডোনার মৃত্যু নিয়ে বেরিয়ে এল চাঞ্চল্যকর তথ্য ধর্মান্তর ঠেকাতে ও জমি কেনাবেচায় কঠোর আইন করছে পশ্চিমবঙ্গ বিশ্ববাজারে কমল স্বর্ণের দাম মির্জা ফখরুল রাষ্ট্রপতি হলে ঠাকুরগাঁও-১ আসনের হাল ধরবেন কে? তালিকায় আছেন যারা সন্ধ্যা থেকে বিদ্যুৎ পরিস্থিতির কিছুটা হলেও উন্নতি হবে: জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী মানিকগঞ্জে গরু চড়ানো নিয়ে বিরোধে হামলা, মা-ছেলেসহ আহত ৩ মধুপুরের মির্জাবাড়ীতে পারিবারিক বিরোধে সংঘর্ষ, আহত ৪ চট্টগ্রামের সম্ভাবনা কাজে লাগাতে সরকারি-বেসরকারি অংশীদারিত্ব জরুরি :- অর্থ ও পরিকল্পনা মন্ত্রী বিপ্লব উদ্যান থেকে রাঙ্গুনিয়া: চট্টগ্রামে শহীদ জিয়ার স্মৃতি-ভূগোল ও ইতিহাসের বাঁক ভারপ্রাপ্ত স্পিকারের উদ্যোগে হাসপাতালে ২৪ ঘণ্টা বিদ্যুৎ নিশ্চিতে সোলার ইনভার্টার স্থাপন পাইকগাছায় আইনশৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত নির্মাণাধীন মাদরাসার তদন্তে গিয়ে পুলিশের ওপর হামলা, নারীসহ গ্রেপ্তার ৭ শ্রীপুরে ‘প্রাইম মিনিস্টার্স গোল্ডকাপ ফুটবল টুর্নামেন্ট’ বাস্তবায়নে মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত র‍্যাব-৯ এর অভিযানে সিলেটের গোলাপগঞ্জ থেকে অনলাইন জুয়া চক্রের ০৪ জন সদস্য গ্রেফতার মির্জাপুরে নবাগত ইউএনও হিসেবে যোগদান করলেন জহিরুল আলম সৈরাচারী সরকারের মদতে খাল বেদখল ও ভরাট হয়ে গেছে- পানি সম্পদ প্রতিমন্ত্রী সাধারণ শিক্ষার পাশাপাশি কারিগরি ও কর্মমুখী শিক্ষায় গুরুত্ব দিতে হবে :- প্রতিমন্ত্রী ব্যারিস্টার মীর হেলাল

পাগলা মসজিদে দানের টাকায় চমক- ব্যাংকে জমা ৮০ কোটি, নতুন কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 03:03:30 pm, Saturday, 12 April 2025
  • 204 বার পড়া হয়েছে

পাগলা মসজিদে দানের টাকায় চমক- ব্যাংকে জমা ৮০ কোটি, নতুন কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা

সোহানুর রহমান বাপ্পি

বাংলাদেশের অন্যতম আলোচিত ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদে দানের টাকার অঙ্ক দিন দিন বাড়ছে। এই মসজিদের ১১টি লোহার দানসিন্দুক প্রতি তিন মাস পর পর খোলা হয়, আর প্রতিবারই মেলে কোটি কোটি টাকা। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

আজ শনিবার -১২ এপ্রিল- সকালে জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী এবং প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মসজিদের নিচতলার বিভিন্ন স্থানে থাকা দানসিন্দুকগুলো খোলা হয়। এরপর ২৮ বস্তা ভর্তি টাকা দ্বিতীয় তলায় নেওয়া হয় এবং শুরু হয় গণনার কাজ।

টাকা গণনায় অংশ নেন রূপালী ব্যাংকের ৭০ জন কর্মী, পাগলা মসজিদ নূরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও জামিয়াতুল ইমদাদিয়ার প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থীসহ মোট ৩৭০ জন মানুষ। পুরো দিন জুড়ে চলে গণনার কাজ, যার নিরাপত্তায় মোতায়েন ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খান জানান, মসজিদের দানসিন্দুক থেকে পাওয়া অর্থ থেকে পরিচালনা ব্যয়, এতিমখানা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অনুদানের পরও বর্তমানে ব্যাংকে জমা রয়েছে ৮০ কোটি ৭৫ লাখ ৭৩ হাজার টাকা।

তিনি আরও বলেন, এই টাকায় শিগগিরই প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে পাগলা মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে। এতে থাকছে একটি আধুনিক বহুতল ভবন, ইসলামী গবেষণা কেন্দ্র এবং ধর্মীয় শিক্ষা ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান।

পাগলা মসজিদের ইতিহাস-
জনশ্রুতি আছে, নরসুন্দা নদীর চরের ওপর এক আধ্যাত্মিক পাগল সাধকের সাধনক্ষেত্রে এই মসজিদ নির্মিত হয়। সেই সাধকের নামে পরবর্তীতে মসজিদটির নাম হয় ‘পাগলা মসজিদ’। এখানে মানত করলে মনোবাসনা পূর্ণ হয় – এমন বিশ্বাস থেকে মুসলিম তো বটেই, অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরাও দান করে থাকেন।

গত কয়েক বছরে দানের পরিমাণ চোখে পড়ার মতো বেড়েছে, যা মসজিদটিকে দেশের অন্যতম ধনী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চট্টগ্রাম বহিঃনোঙ্গরে বন্দর কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ নৌবাহিনী ও বাংলাদেশ কোস্ট গার্ডের যৌথ অভিযান, নৌযানের নিরাপদ চলাচল নিশ্চিতকরণে ৫০টির অধিক ফিশিং বোট তল্লাশি, আটক ২৪

পাগলা মসজিদে দানের টাকায় চমক- ব্যাংকে জমা ৮০ কোটি, নতুন কমপ্লেক্স নির্মাণের পরিকল্পনা

আপডেট সময় : 03:03:30 pm, Saturday, 12 April 2025

সোহানুর রহমান বাপ্পি

বাংলাদেশের অন্যতম আলোচিত ও আধ্যাত্মিক ঐতিহ্যবাহী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান কিশোরগঞ্জের পাগলা মসজিদে দানের টাকার অঙ্ক দিন দিন বাড়ছে। এই মসজিদের ১১টি লোহার দানসিন্দুক প্রতি তিন মাস পর পর খোলা হয়, আর প্রতিবারই মেলে কোটি কোটি টাকা। এবারও তার ব্যতিক্রম হয়নি।

আজ শনিবার -১২ এপ্রিল- সকালে জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খান, পুলিশ সুপার মোহাম্মদ হাছান চৌধুরী এবং প্রশাসন ও সেনাবাহিনীর ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উপস্থিতিতে মসজিদের নিচতলার বিভিন্ন স্থানে থাকা দানসিন্দুকগুলো খোলা হয়। এরপর ২৮ বস্তা ভর্তি টাকা দ্বিতীয় তলায় নেওয়া হয় এবং শুরু হয় গণনার কাজ।

টাকা গণনায় অংশ নেন রূপালী ব্যাংকের ৭০ জন কর্মী, পাগলা মসজিদ নূরানী হাফিজিয়া মাদ্রাসা ও জামিয়াতুল ইমদাদিয়ার প্রায় ৩০০ শিক্ষার্থীসহ মোট ৩৭০ জন মানুষ। পুরো দিন জুড়ে চলে গণনার কাজ, যার নিরাপত্তায় মোতায়েন ছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

মসজিদ পরিচালনা কমিটির সভাপতি ও কিশোরগঞ্জের জেলা প্রশাসক ফৌজিয়া খান জানান, মসজিদের দানসিন্দুক থেকে পাওয়া অর্থ থেকে পরিচালনা ব্যয়, এতিমখানা ও বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে অনুদানের পরও বর্তমানে ব্যাংকে জমা রয়েছে ৮০ কোটি ৭৫ লাখ ৭৩ হাজার টাকা।

তিনি আরও বলেন, এই টাকায় শিগগিরই প্রায় ১০০ কোটি টাকা ব্যয়ে পাগলা মসজিদ কমপ্লেক্স নির্মাণ করা হবে। এতে থাকছে একটি আধুনিক বহুতল ভবন, ইসলামী গবেষণা কেন্দ্র এবং ধর্মীয় শিক্ষা ও সেবামূলক প্রতিষ্ঠান।

পাগলা মসজিদের ইতিহাস-
জনশ্রুতি আছে, নরসুন্দা নদীর চরের ওপর এক আধ্যাত্মিক পাগল সাধকের সাধনক্ষেত্রে এই মসজিদ নির্মিত হয়। সেই সাধকের নামে পরবর্তীতে মসজিদটির নাম হয় ‘পাগলা মসজিদ’। এখানে মানত করলে মনোবাসনা পূর্ণ হয় – এমন বিশ্বাস থেকে মুসলিম তো বটেই, অন্যান্য ধর্মাবলম্বীরাও দান করে থাকেন।

গত কয়েক বছরে দানের পরিমাণ চোখে পড়ার মতো বেড়েছে, যা মসজিদটিকে দেশের অন্যতম ধনী ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানে পরিণত করেছে।