Dhaka , Sunday, 9 August 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
খেলাধুলা ও বই পড়ার মাধ্যমে আগামী প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে হবে আব্দুর রহমান খাঁন সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যান মধুপুরে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত বীর মুক্তিযোদ্ধা আব্দুস সামাদ হাসপাতালে দ্রুত সুস্থতার জন্য সবার কাছে দোয়া চেয়েছেন পৌর বিএনপির সাধারণ সম্পাদক খন্দকার মোতালিব শ্রীপুরে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ ও আহ্বায়কের ওপর হামলার অভিযোগে যুবদল নেতা তোফানকে কারণ দর্শানোর নোটিশ পাতে মাংস কম দেওয়া নিয়ে বিয়ের আসরে তুলকালাম, সংঘর্ষে আহত ৩ হাসপাতালের সেবার মানোন্নয়ন ও পরিচ্ছন্নতায় মাগুরায় সিভিল সার্জন ডা. শামীম কবিরের সারপ্রাইজ পরিদর্শন জুলাই গণ-অভ্যুত্থান দিবস: রূপগঞ্জে দীপু ভূঁইয়ার নেতৃত্বে বর্ণাঢ্য বিজয় র‌্যালি ও লাখো জনতার উল্লাস রূপগঞ্জে সাবেক সেনা কর্মকর্তার বসতবাড়িতে সন্ত্রাসী হামলা ভাংচুর লুটপাট রূপগঞ্জে ৮৪ কেজি গাঁজাসহ মাদক ব্যবসায়ী গ্রেপ্তার প্রধানমন্ত্রীর চট্টগ্রাম সফর কাল, প্রস্তুত সাত ভেন্যু প্রধানমন্ত্রীকে বরণে চউকের সব প্রস্তুতি সম্পন্ন ৫ লাখ টাকা যৌতুক দাবি, স্ত্রীকে এক কাপড়ে ঘরছাড়া করার অভিযোগ ফতুল্লায় দুর্ধর্ষ ডাকাতি, স্বর্ণালংকার ও সাড়ে ৭ লাখ টাকা লুট ফতুল্লায় বন্ধ গোডাউন থেকে গলিত লাশ উদ্ধার, আটক ২ মির্জাপুরে আর্ন এন্ড লিভের পক্ষ থেকে শাহাদতকে ৭ হাজার ৬ শত টাকার হুইলচেয়ার বিতরণ তিস্তা মহাপরিকল্পনায় গতি: অল্পদিনেই শুরু হচ্ছে পাইলট প্রকল্পের কাজ শাক ধুতে গিয়ে গৃহবধূর মৃত্যু নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে তরুণীদের দিয়ে পর্নো ভিডিও তৈরি: স্বামী-স্ত্রী, দুই ছেলেসহ ৫ জন গ্রেপ্তার , ৪ তরুণী উদ্ধার বাবার মারধর সইতে না পেরে ৫০০ রুপি পকেটে ঘর ছাড়েন রবি কিষাণ, এরপর যা হলো… নাইটক্লাবে মারামারি করে বিপদে ইংল্যান্ডের স্ট্রাইকার নতুন সমরাস্ত্র পদক্ষেপ নিল যুক্তরাষ্ট্র পোশাকশিল্পে মূল্য সংযোজন বাড়াতে বাংলাদেশে বড় সম্ভাবনা দেখছে দ. কোরিয়া ‘আপনি কি গুপ্ত আওয়ামী লীগ’, জবাবে যা বললেন রুমিন ফারহানা হাসিনা চাইলেই কী দেশে ফিরতে পারবেন? সবুজ বাংলাদেশ গড়ার প্রত্যয়ে সিলেটে বাবৌযুপ’র দ্বিতীয় পর্যায়ে বৃক্ষরোপণ কর্মসূচি সম্পন্ন নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে সিএনজিতে ১১ কেজি গাঁজা, গ্রেপ্তার ১ রূপগঞ্জে বসতভিটায় বালু ফেলার প্রতিবাদে থানার সামনে গণঅভিযোগ ও মানববন্ধন টাঙ্গাইলের মধুপুর শহর অটোরিকশার দখলে মহন গ্রামের একমাত্র সড়কের বেহাল দশা, চরম দুর্ভোগে ৩০০ পরিবারের মানুষ প্রচলিত আইনের কাঠগড়াতেই নিশ্চিত করা হবে বিগত সব নৃশংসতার বিচার: ভূমি ও পার্বত্য চট্টগ্রাম প্রতিমন্ত্রী মীর হেলাল প্রধানমন্ত্রীর সফর সফল করতে দিনরাত মাঠে ডিসি জাহিদুল ইসলাম মিঞা

চমেক হাসপাতাল বার্ণ ইউনিট নির্মাণে পাহাড় না কাটার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভঙ্গ, গাছ লাগিয়ে প্রতিবাদ পরিবেশকর্মীদের

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 09:12:28 pm, Wednesday, 22 January 2025
  • 192 বার পড়া হয়েছে

চমেক হাসপাতাল বার্ণ ইউনিট নির্মাণে পাহাড় না কাটার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভঙ্গ, গাছ লাগিয়ে প্রতিবাদ পরিবেশকর্মীদের

সি:স্টাফ রিপোর্টার চট্টগ্রাম ব্যুরো 
বিগত কয়েকমাস আগেও পাহাড়টি ঠাঁয় দাঁড়িয়ে ছিল স্বমহিমায়। চট্টগ্রাম নগরের কাটা পাহাড় সংলগ্ন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ -চমেক- হাসপাতালের ছাত্রাবাসের পাশেই বিশাল এই পাহাড়টির সামনে একটি বিশেষায়িত বার্ণ ইউনিট স্থাপনের উদ্যোগ নেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পাহাড়কে রেখে এই ইউনিট করার কথা থাকলেও আচমকাই বিশাল এই পাহাড়টি কাটা শুরু করে চমেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সবার অগোচরে পাহাড় কাটার এই কর্মযজ্ঞ চট্টগ্রামে কর্মরত পরিবেশকর্মী ও বিভিন্ন সংগঠনের নজরে পড়ায় প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে একাধিক বৈঠক হয় পরিবেশ সংগঠন ও কর্মীদের। সেখানে কর্তৃপক্ষ পাহাড়টি রেখেই বার্ণ ইউনিট গড়ে তোলার অঙ্গীকার করে। 
কিন্তু ২ দিন না যেতেই সবাইকে ফাঁকি দিয়ে প্রধান গেইট বন্ধ করে রাতে ও দিনে স্কেভেটর দিয়ে পুরো পাহাড়টির অর্ধেক অংশ কেটে সাবাড় করে ফেলে কর্তৃপক্ষ। কেটে ফেলা হয় শতবর্ষী বেশ কয়েকটি গাছও। উপড়ে ফেলা হয় গাছগুলোর শেকরও।
পরিবেশ অধিদপ্তরের নিষেধাজ্ঞা, এবং কোনো ধরণের ছাড়পত্র না নিয়েই পৃথিবীর ভারসাম্য রক্ষাকারী পাহাড় কেটে সাবাড় করার দৃশ্যটি চোখে পড়ে পরিবেশকর্মীদের। 
মঙ্গলবার -২২ জানুয়ারি- বেলা ১১টা থেকে সেই পাহাড়ে অবস্থান নেন চট্টগ্রামের পরিবেশকর্মী ও পরিবেশ বিষয়ক বিভিন্ন সংগঠন। সেখানে প্রতিবাদ সমাবেশের পাশাপাশি প্রায় আড়াই শতাধিক গাছ লাগিয়ে প্রতিবাদ করেন তারা। পরিবেশ কর্মীদের আহবানে সাড়া দিয়ে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগও অংশ নেয় গাছ লাগানোর কর্মসূচিতে। সরকারি এই সংস্থাটি আড়াই শতাধিক গাছ নিয়ে পরিবেশকর্মীদের সাথে নিয়ে রোপন করে দেন পাহাড়টিতে। 
মঙ্গলবার এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেন পরিবেশবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. মাহফুজুর রহমান, উদ্ভিদ বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. এমএ গফুর, ডা. মনজুরুল করিম বিপ্লব, পরিবেশকর্মী ঋতু পারভীন, রাশেদ সুফিয়ান, মো. শফিকুল ইসলাম খান, মাহমুদ মুরাদ, এআরটি রাহী, মো. রহিম, আনোয়ার জাহান রোজি, পরিবেশ, মানবাধিকার ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এমএ হাশেম রাজুসহ পরিবেশ সংগঠন সম্মিলিত পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন, সংহতি প্রকাশ করে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা), ভোরের আলোসহ বেশ কয়েকটি সংগঠন। 
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, আমরা উন্নয়নের বিপক্ষে নই। চট্টগ্রামে বার্ণ ইউনিটের অত্যন্ত প্রয়োজন। কিন্তু সেটি পাহাড় কেটে, পরিবেশ ধ্বংস করে নয়। কয়েকজনকে বাঁচানোর নামে লক্ষ কোটি মানুষকে মৃত্যুঝুঁকিতে ফেলার অধিকার কারও নেই। কয়েকজন মানুষকে অক্সিজেন দিতে গিয়ে লক্ষ কোটি মানুষের প্রাকৃতিক অক্সিজেন ধ্বংস করার অধিকার আপনাদের নেই। পরিবেশকর্মীরা বলেন, একাধিকবার বৈঠক করে পাহাড় না কাটার অঙ্গীকার করেও রাতের আঁধারে পাহাড় কেটে সাবাড় করার নির্দেশদাতা প্রতিটি পাহাড়কখেকো, বার্ণ ইউনিটসংশ্লিষ্ট প্রকল্পের কর্মকর্তা, প্রকৌশলীসহ যারা এই পাহাড় কাটার সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষাভাবে জড়িত তাদেরকে অতিদ্রুত আইনের আওতায় আনার জোড় দাবি জানাচ্ছি। সেই সাথে হুঁশিয়ার করে দিয়ে তারা বলেন, এই পাহাড়ে যদি আর একটিও কোপ পড়ে তাহলে এখানে পরিবেশকর্মী শুধু নয়, চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবে। যারা পাহাড় কাটবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা ভঙ্গ করেছে তাদেরও শেষবারের মতো হুঁশিয়ারি দেয়া যাচ্ছে- ছাড় দেয়া হবে না। প্রকৃতি-পরিবেশ ধ্বংস করে কোনো উন্নয়ন কাজ আমরা চাই না।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

খেলাধুলা ও বই পড়ার মাধ্যমে আগামী প্রজন্মকে মাদক থেকে দূরে রাখতে হবে আব্দুর রহমান খাঁন সাবেক এনবিআর চেয়ারম্যান

চমেক হাসপাতাল বার্ণ ইউনিট নির্মাণে পাহাড় না কাটার প্রতিশ্রুতি দিয়ে ভঙ্গ, গাছ লাগিয়ে প্রতিবাদ পরিবেশকর্মীদের

আপডেট সময় : 09:12:28 pm, Wednesday, 22 January 2025
সি:স্টাফ রিপোর্টার চট্টগ্রাম ব্যুরো 
বিগত কয়েকমাস আগেও পাহাড়টি ঠাঁয় দাঁড়িয়ে ছিল স্বমহিমায়। চট্টগ্রাম নগরের কাটা পাহাড় সংলগ্ন চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ -চমেক- হাসপাতালের ছাত্রাবাসের পাশেই বিশাল এই পাহাড়টির সামনে একটি বিশেষায়িত বার্ণ ইউনিট স্থাপনের উদ্যোগ নেয় হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। পাহাড়কে রেখে এই ইউনিট করার কথা থাকলেও আচমকাই বিশাল এই পাহাড়টি কাটা শুরু করে চমেক হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ। সবার অগোচরে পাহাড় কাটার এই কর্মযজ্ঞ চট্টগ্রামে কর্মরত পরিবেশকর্মী ও বিভিন্ন সংগঠনের নজরে পড়ায় প্রতিবাদের ঝড় ওঠে। হাসপাতাল কর্তৃপক্ষের সাথে একাধিক বৈঠক হয় পরিবেশ সংগঠন ও কর্মীদের। সেখানে কর্তৃপক্ষ পাহাড়টি রেখেই বার্ণ ইউনিট গড়ে তোলার অঙ্গীকার করে। 
কিন্তু ২ দিন না যেতেই সবাইকে ফাঁকি দিয়ে প্রধান গেইট বন্ধ করে রাতে ও দিনে স্কেভেটর দিয়ে পুরো পাহাড়টির অর্ধেক অংশ কেটে সাবাড় করে ফেলে কর্তৃপক্ষ। কেটে ফেলা হয় শতবর্ষী বেশ কয়েকটি গাছও। উপড়ে ফেলা হয় গাছগুলোর শেকরও।
পরিবেশ অধিদপ্তরের নিষেধাজ্ঞা, এবং কোনো ধরণের ছাড়পত্র না নিয়েই পৃথিবীর ভারসাম্য রক্ষাকারী পাহাড় কেটে সাবাড় করার দৃশ্যটি চোখে পড়ে পরিবেশকর্মীদের। 
মঙ্গলবার -২২ জানুয়ারি- বেলা ১১টা থেকে সেই পাহাড়ে অবস্থান নেন চট্টগ্রামের পরিবেশকর্মী ও পরিবেশ বিষয়ক বিভিন্ন সংগঠন। সেখানে প্রতিবাদ সমাবেশের পাশাপাশি প্রায় আড়াই শতাধিক গাছ লাগিয়ে প্রতিবাদ করেন তারা। পরিবেশ কর্মীদের আহবানে সাড়া দিয়ে চট্টগ্রাম উত্তর বন বিভাগও অংশ নেয় গাছ লাগানোর কর্মসূচিতে। সরকারি এই সংস্থাটি আড়াই শতাধিক গাছ নিয়ে পরিবেশকর্মীদের সাথে নিয়ে রোপন করে দেন পাহাড়টিতে। 
মঙ্গলবার এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে অংশ নেন পরিবেশবিদ বীর মুক্তিযোদ্ধা ড. মাহফুজুর রহমান, উদ্ভিদ বিজ্ঞানী প্রফেসর ড. এমএ গফুর, ডা. মনজুরুল করিম বিপ্লব, পরিবেশকর্মী ঋতু পারভীন, রাশেদ সুফিয়ান, মো. শফিকুল ইসলাম খান, মাহমুদ মুরাদ, এআরটি রাহী, মো. রহিম, আনোয়ার জাহান রোজি, পরিবেশ, মানবাধিকার ও রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব এমএ হাশেম রাজুসহ পরিবেশ সংগঠন সম্মিলিত পরিবেশ রক্ষা আন্দোলন, সংহতি প্রকাশ করে বাংলাদেশ পরিবেশ আইনবিদ সমিতি (বেলা), ভোরের আলোসহ বেশ কয়েকটি সংগঠন। 
প্রতিবাদ সভায় বক্তারা বলেন, আমরা উন্নয়নের বিপক্ষে নই। চট্টগ্রামে বার্ণ ইউনিটের অত্যন্ত প্রয়োজন। কিন্তু সেটি পাহাড় কেটে, পরিবেশ ধ্বংস করে নয়। কয়েকজনকে বাঁচানোর নামে লক্ষ কোটি মানুষকে মৃত্যুঝুঁকিতে ফেলার অধিকার কারও নেই। কয়েকজন মানুষকে অক্সিজেন দিতে গিয়ে লক্ষ কোটি মানুষের প্রাকৃতিক অক্সিজেন ধ্বংস করার অধিকার আপনাদের নেই। পরিবেশকর্মীরা বলেন, একাধিকবার বৈঠক করে পাহাড় না কাটার অঙ্গীকার করেও রাতের আঁধারে পাহাড় কেটে সাবাড় করার নির্দেশদাতা প্রতিটি পাহাড়কখেকো, বার্ণ ইউনিটসংশ্লিষ্ট প্রকল্পের কর্মকর্তা, প্রকৌশলীসহ যারা এই পাহাড় কাটার সাথে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষাভাবে জড়িত তাদেরকে অতিদ্রুত আইনের আওতায় আনার জোড় দাবি জানাচ্ছি। সেই সাথে হুঁশিয়ার করে দিয়ে তারা বলেন, এই পাহাড়ে যদি আর একটিও কোপ পড়ে তাহলে এখানে পরিবেশকর্মী শুধু নয়, চট্টগ্রামের সাধারণ মানুষ সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে কঠোর আন্দোলন গড়ে তুলবে। যারা পাহাড় কাটবে না বলে প্রতিশ্রুতি দিয়েও তা ভঙ্গ করেছে তাদেরও শেষবারের মতো হুঁশিয়ারি দেয়া যাচ্ছে- ছাড় দেয়া হবে না। প্রকৃতি-পরিবেশ ধ্বংস করে কোনো উন্নয়ন কাজ আমরা চাই না।