Dhaka , Saturday, 7 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
দিনাজপুরের বিরল সীমান্তে বিজিবি–র‌্যাবের যৌথ অভিযানে ২৯৯ বোতল ভারতীয় স্কাফ সিরাপসহ আটক ২ কক্সবাজারের উন্নয়ন: সমস্যা-সম্ভাবনা ও করণীয় শীর্ষক গোলটেবিল বৈঠক অনুষ্ঠিত চরভদ্রাসনে ইউপি চেয়ারম্যান ইয়াকুব আলীর উদ্যোগে ইফতার মাহফিল। মমতা’র উদ্যোগে প্রাণিসম্পদ উৎপাদন ও ব্যবস্থাপনা বিষয়ক প্রশিক্ষণ সমাজে অপরাধ দমন ও অপরাধী গ্রেফতারে সরকার সম্পূর্ণ জিরো টলারেন্স নীতি পালন করছে: মীর হেলাল চট্টগ্রামের বায়েজিদে মাদকের অঘোষিত সাম্রাজ্য, নিয়ন্ত্রণে দুই ভাই সাইফুল ও টুটুল যমুনা ইলেকট্রনিক্সের ‘ডাবল খুশি অফার–সিজন ৪’ শুরু, ঈদের আনন্দ দ্বিগুণ হবে বিএনপির সংসদ সদস্যদের দ্বিতীয় দিনের কর্মশালা চলছে পলাশ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে স্বাস্থ্য মন্ত্রীর আকস্মিক পরিদর্শন নিখোঁজের চারদিন পর কক্সবাজার সদর হাসপাতালে লিফটের ঘরে মিলল এক নারীর মৃতদেহ সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হতে চান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার শামীমা আক্তার দুর্গাপুর সাংবাদিক সমিতির ৩ সাংবাদিকের নামে মিথ্যা মামলা গ্যাস সংকটে ঘোড়াশাল-পলাশ সারকারখার উৎপাদন বন্ধ মিতালী বাজার এসএসসি ২০২০ ফাউন্ডেশনের মানবিক উদ্যোগ: ৫০টি সুবিধাবঞ্চিত পরিবার পেল রমজানের উপহার। রূপগঞ্জের মুরাপাড়ায় মাদকবিরোধী অভিযান, মাদক কারবারিদের কঠোর হুঁশিয়ারি কক্সবাজারের রামু থেকে জাল টাকার সরঞ্জামসহ ডিবির হাতে যশোরের এক যুবক আটক পাইকগাছায় সেই মৎস্য ঘের নিয়ে দুই পক্ষের দ্বন্দ্ব চরমে; বাঁধ কেটে দেওয়ার অভিযোগ খলিফা ওমরের আদর্শ অনুসরণ করে অর্পিত দায়িত্ব পালন করবো: এমপি আবুল কালাম আজাদ কুলাউড়ায় কানাডা পাঠানোর নামে কোটি টাকার প্রতারণা বাহুবল–নবীগঞ্জ সার্কেলের এএসপি জহিরুল ইসলামের বদলি ইবি শিক্ষিকা হত্যা মামলার প্রধান আসামি ফজলুর রহমান গ্রেফতার মহাকালের এক অলৌকিক যুদ্ধের সাক্ষী বদরের প্রান্তর রামগঞ্জ প্রেসক্লাবের নবনির্বাচিত কমিটিকে জামাতের সংবর্ধনা ও ইফতার পার্টি অনুষ্ঠিত। চট্টগ্রামে ড্যাবের ইফতার মাহফিলে ডা. ফরহাদ হালিম ডোনার তথ্যমন্ত্রীর সফরকে বানচাল করতে ফ্যাসিবাদী দোসরদের সার্কিট হাউজে মব সৃষ্টি কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট সীমান্তে ১৫ বিজিবি’র বড় সাফল্য: ১৪ লক্ষাধিক টাকার শাড়ি ও জিরা জব্দ লালমনিরহাটে তরুণ সমাজের আয়োজনে দোয়া ও ইফতার মাহফিলে তরুণদের সরব উপস্থিতি ছোট বোনকে কুপ্রস্তাবের প্রতিবাদ করায় বড় বোনকে গলা কেটে হত্যা: রংপুরে র‍্যাবের জালে প্রধান আসামি কুড়িগ্রাম ও লালমনিরহাট সীমান্তে ১৫ বিজিবি’র হানা: বিপুল পরিমাণ জিরা ও মাদক জব্দ লক্ষ্মীপুরে ঝগড়া থামাতে গিয়ে অটোরিকশা চালকের কিল-ঘুষিতে যুবদল নেতার মৃত্যু

গাজীপুরে  ঘোড়ার মাংস কিনতে দীর্ঘ লাইন, এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি 

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 05:21:13 pm, Tuesday, 18 March 2025
  • 159 বার পড়া হয়েছে

গাজীপুরে  ঘোড়ার মাংস কিনতে দীর্ঘ লাইন, এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি 

মো.ইমরান হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার
গাজীপুরে ২০২৫ সালের শুরুতে বাণিজ্যিকভাবে ঘোড়ার মাংস বিক্রি শুরু হয়।
 বেশ কিছুদিন ধরে ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রিকে কেন্দ্র করে মহানগরজুড়ে ব্যাপক কৌতূহল। ঘোড়ার মাংস খাওয়া হালাল না হারাম তা নিয়ে চলছে পক্ষে বিপক্ষে নানা আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় । কিছু অসাধু লোক ঘোড়ার মাংস কমদামে কিনে তা গরুর মাংসের সঙ্গে মিশিয়ে বেশি দামে বিক্রি করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তুলনামূলক কম দাম ও স্বাদের কারণে ক্রেতাদের মধ্যে এর চাহিদা দিন দিন বাড়ছে।
জানা গেছে, গাজীপুরে দুই বন্ধুর উদ্যোগে ঘোড়ার মাংস বিক্রির প্রচলন করার পর প্রতি শুক্রবার অসংখ্য ক্রেতা মাংস কিনতে এলাকায় ভিড় জমান। গাজীপুর মহানগরীর হায়দরাবাদ এলাকার আত্-তাকওয়া মসজিদ ও মাদরাসা সংলগ্ন পুকুর পাড়ে বাউন্ডারি বেষ্টিত নির্ধারিত স্থানে এলাকার ক্রেতা ছাড়াও আহলে হাদিস অনুসারী লোকজনসহ দূর-দূরান্তের অনেক ক্রেতাকে ঘোড়ার মাংস কেনার হিড়িক পড়তে দেখা যায়। অপেক্ষাকৃত কম দামে অপ্রচলিত অথচ গরুর মাংসের মতো সুস্বাদু ঘোড়ার মাংস বিক্রির খবর ছড়িয়ে পড়ে।
বর্তমানে প্রতি শুক্রবার প্রায় ৪০০ কেজি ঘোড়ার মাংস বিক্রি হচ্ছে। প্রথমদিকে কেবল একটি ঘোড়া জবাই করা হলেও এখন প্রতি সপ্তাহে ৭/ ৮ টি ঘোড়া জবাই করে বিক্রি করা হচ্ছে। মূলত ঘোড়ার  মাংসের দাম কম হওয়ায় ক্রেতারা এতে আগ্রহী হচ্ছেন। যেখানে গরুর মাংসের বাজারদর প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা, সেখানে ঘোড়ার মাংস মাত্র ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে অনেক মধ্যবিত্ত পরিবারও ঘোড়ার মাংস খাওয়ার দিকে ঝুঁকছেন। স্থানীয়  মুখলেসুর রহমান  জানান, এলাকার মানুষ প্রথমে দ্বিধায় থাকলেও এখন অনেকে খাচ্ছে।
ঘোড়ার মাংস বিক্রি শুরু করা দুই বন্ধু শফিকুল ইসলাম ও নুরুল্লাহ মামুন জানান, দুবাই ভ্রমণের সময় তারা দেখেন, সেখানে রেস্টুরেন্টে ঘোড়ার মাংস জনপ্রিয়। দেশে এটি প্রচলিত না থাকলেও কম দামে বিক্রি করা গেলে মানুষ গ্রহণ করবে, এই ধারণা থেকেই তারা এই ব্যবসায় নেমেছেন। গাজীপুরে ঘোড়ার মাংস বিক্রির এই উদ্যোগ এখনো বেশ নতুন। কেউ একে স্বাগত জানাচ্ছেন, কেউ আবার দ্বিধায় রয়েছেন। তবে ক্রেতাদের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়ছে, যা ইঙ্গিত দেয় ভবিষ্যতে এটি আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারে। তবে মাংসের মান ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। স্থানীয় প্রশাসনেরও বিষয়টি নজরে রাখা উচিত, যাতে কোনো রকম স্বাস্থ্যঝুঁকি ছাড়াই মানুষ নতুন এই মাংস গ্রহণ করতে পারে। এছাড়া যে ঘোড়া তারা কিনে এনে বিক্রি করেছেন তার স্বাস্থ্য পরীক্ষাও করা হচ্ছে না।
ঘোড়ার মাংস বিক্রেতারা  জানান, চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বৃহস্পতিবার রাতে বিভিন্ন স্থান থেকে পিকআপ যোগে ১৫-১৬টি ঘোড়া কিনে আনা হয়। ওইদিন রাত থেকে শুক্রবার জুমার নামাযের পূর্ব পর্যন্ত মোট ১১টি ঘোড়া জবাই করা হয়। কিন্তু ধারণার বাইরে অপ্রত্যাশিতভাবে ক্রেতাদের ভিড় বেড়ে গেলে অগ্রিম তালিকাভুক্ত করে সিরিয়াল অনুযায়ী ও টোকেন সিস্টেমে  মাংস বিক্রি করতে হচ্ছে। অধিক সংখ্যক ক্রেতা থাকায় জনপ্রতি সর্বাধিক ৩ কেজি মাংস বিক্রি করতে হচ্ছে ১ হাজার টাকায়। কিন্তু কাউকে ১ কেজি, ২ কেজি এবং ৩ কেজির বেশি মাংস দেওয়া হয় না।
 দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কৃষি ও পণ্য পরিবহন কাজে ব্যবহৃত অপেক্ষাকৃত বয়স্ক ও দুর্বল প্রকৃতির নানা সাইজের ঘোড়া জবাই করে কম-বেশি ৭০-৮০ কেজি মাংস পাওয়া যায়। ঘোড়ার মাংসে চর্বি কম, গরুর মাংসের মতো স্বাদ ও পাশাপাশি দামও অপেক্ষাকৃত কম থাকায় এর চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষণীয়ভাবে বেড়ে গেছে বলে জানান তারা।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

দিনাজপুরের বিরল সীমান্তে বিজিবি–র‌্যাবের যৌথ অভিযানে ২৯৯ বোতল ভারতীয় স্কাফ সিরাপসহ আটক ২

গাজীপুরে  ঘোড়ার মাংস কিনতে দীর্ঘ লাইন, এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি 

আপডেট সময় : 05:21:13 pm, Tuesday, 18 March 2025
মো.ইমরান হোসেন, স্টাফ রিপোর্টার
গাজীপুরে ২০২৫ সালের শুরুতে বাণিজ্যিকভাবে ঘোড়ার মাংস বিক্রি শুরু হয়।
 বেশ কিছুদিন ধরে ঘোড়া জবাই করে মাংস বিক্রিকে কেন্দ্র করে মহানগরজুড়ে ব্যাপক কৌতূহল। ঘোড়ার মাংস খাওয়া হালাল না হারাম তা নিয়ে চলছে পক্ষে বিপক্ষে নানা আলোচনা ও সমালোচনার ঝড় । কিছু অসাধু লোক ঘোড়ার মাংস কমদামে কিনে তা গরুর মাংসের সঙ্গে মিশিয়ে বেশি দামে বিক্রি করছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। তুলনামূলক কম দাম ও স্বাদের কারণে ক্রেতাদের মধ্যে এর চাহিদা দিন দিন বাড়ছে।
জানা গেছে, গাজীপুরে দুই বন্ধুর উদ্যোগে ঘোড়ার মাংস বিক্রির প্রচলন করার পর প্রতি শুক্রবার অসংখ্য ক্রেতা মাংস কিনতে এলাকায় ভিড় জমান। গাজীপুর মহানগরীর হায়দরাবাদ এলাকার আত্-তাকওয়া মসজিদ ও মাদরাসা সংলগ্ন পুকুর পাড়ে বাউন্ডারি বেষ্টিত নির্ধারিত স্থানে এলাকার ক্রেতা ছাড়াও আহলে হাদিস অনুসারী লোকজনসহ দূর-দূরান্তের অনেক ক্রেতাকে ঘোড়ার মাংস কেনার হিড়িক পড়তে দেখা যায়। অপেক্ষাকৃত কম দামে অপ্রচলিত অথচ গরুর মাংসের মতো সুস্বাদু ঘোড়ার মাংস বিক্রির খবর ছড়িয়ে পড়ে।
বর্তমানে প্রতি শুক্রবার প্রায় ৪০০ কেজি ঘোড়ার মাংস বিক্রি হচ্ছে। প্রথমদিকে কেবল একটি ঘোড়া জবাই করা হলেও এখন প্রতি সপ্তাহে ৭/ ৮ টি ঘোড়া জবাই করে বিক্রি করা হচ্ছে। মূলত ঘোড়ার  মাংসের দাম কম হওয়ায় ক্রেতারা এতে আগ্রহী হচ্ছেন। যেখানে গরুর মাংসের বাজারদর প্রতি কেজি ৭৫০ টাকা, সেখানে ঘোড়ার মাংস মাত্র ২৫০ থেকে ৩০০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে। এতে সাধারণ মানুষ থেকে শুরু করে অনেক মধ্যবিত্ত পরিবারও ঘোড়ার মাংস খাওয়ার দিকে ঝুঁকছেন। স্থানীয়  মুখলেসুর রহমান  জানান, এলাকার মানুষ প্রথমে দ্বিধায় থাকলেও এখন অনেকে খাচ্ছে।
ঘোড়ার মাংস বিক্রি শুরু করা দুই বন্ধু শফিকুল ইসলাম ও নুরুল্লাহ মামুন জানান, দুবাই ভ্রমণের সময় তারা দেখেন, সেখানে রেস্টুরেন্টে ঘোড়ার মাংস জনপ্রিয়। দেশে এটি প্রচলিত না থাকলেও কম দামে বিক্রি করা গেলে মানুষ গ্রহণ করবে, এই ধারণা থেকেই তারা এই ব্যবসায় নেমেছেন। গাজীপুরে ঘোড়ার মাংস বিক্রির এই উদ্যোগ এখনো বেশ নতুন। কেউ একে স্বাগত জানাচ্ছেন, কেউ আবার দ্বিধায় রয়েছেন। তবে ক্রেতাদের সংখ্যা ধীরে ধীরে বাড়ছে, যা ইঙ্গিত দেয় ভবিষ্যতে এটি আরও জনপ্রিয় হয়ে উঠতে পারে। তবে মাংসের মান ও স্বাস্থ্য নিরাপত্তা নিশ্চিত করা জরুরি বলে মনে করছেন বিশেষজ্ঞরা। স্থানীয় প্রশাসনেরও বিষয়টি নজরে রাখা উচিত, যাতে কোনো রকম স্বাস্থ্যঝুঁকি ছাড়াই মানুষ নতুন এই মাংস গ্রহণ করতে পারে। এছাড়া যে ঘোড়া তারা কিনে এনে বিক্রি করেছেন তার স্বাস্থ্য পরীক্ষাও করা হচ্ছে না।
ঘোড়ার মাংস বিক্রেতারা  জানান, চাহিদা বেড়ে যাওয়ায় বৃহস্পতিবার রাতে বিভিন্ন স্থান থেকে পিকআপ যোগে ১৫-১৬টি ঘোড়া কিনে আনা হয়। ওইদিন রাত থেকে শুক্রবার জুমার নামাযের পূর্ব পর্যন্ত মোট ১১টি ঘোড়া জবাই করা হয়। কিন্তু ধারণার বাইরে অপ্রত্যাশিতভাবে ক্রেতাদের ভিড় বেড়ে গেলে অগ্রিম তালিকাভুক্ত করে সিরিয়াল অনুযায়ী ও টোকেন সিস্টেমে  মাংস বিক্রি করতে হচ্ছে। অধিক সংখ্যক ক্রেতা থাকায় জনপ্রতি সর্বাধিক ৩ কেজি মাংস বিক্রি করতে হচ্ছে ১ হাজার টাকায়। কিন্তু কাউকে ১ কেজি, ২ কেজি এবং ৩ কেজির বেশি মাংস দেওয়া হয় না।
 দেশের বিভিন্ন স্থান থেকে কৃষি ও পণ্য পরিবহন কাজে ব্যবহৃত অপেক্ষাকৃত বয়স্ক ও দুর্বল প্রকৃতির নানা সাইজের ঘোড়া জবাই করে কম-বেশি ৭০-৮০ কেজি মাংস পাওয়া যায়। ঘোড়ার মাংসে চর্বি কম, গরুর মাংসের মতো স্বাদ ও পাশাপাশি দামও অপেক্ষাকৃত কম থাকায় এর চাহিদা দিন দিন বৃদ্ধি পাচ্ছে। এর ফলে ক্রেতাদের ভিড় লক্ষণীয়ভাবে বেড়ে গেছে বলে জানান তারা।