Dhaka , Tuesday, 7 April 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
পাইকগাছায় সোলাদানা সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন রূপগঞ্জে হাসপাতালে গুলোতে হাম রোগীর সংখ্যা বেড়েছে, আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ চিকিৎসকদের পাইকগাছায় ইউএনও’র অভিযানে অবৈধ নেট-পাটা উচ্ছেদ মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের সাথে ‘জাতীয় স্বার্থবিরোধী’ বাণিজ্য চুক্তি বাতিলের দাবিতে নারায়ণগঞ্জে মানববন্ধন ও মিছিল রজতজয়ন্তীতে উৎসবমুখর চবির প্রাণরসায়ন বিভাগ পলাশে গলায় ফাঁস দিয়ে যুবকের আত্মহত্যা রহমতপুর সীমান্তে বিএসএফের গুলিবর্ষণের ঘটনায় বিজিবির কড়া প্রতিবাদ: পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত ‎লক্ষ্মীপুরে মাছের ঘেরে বিষ প্রয়োগ করে ৭ লাখ টাকার মাছ নিধন নোয়াখালীতে তরমুজ খেতে নিয়ে নারীকে গণধর্ষণ, গ্রেপ্তার-১ কুড়িগ্রামে প্রশ্নফাঁসের অভিযুক্তদের পুনর্বহাল চেষ্টায় উত্তেজনা, মানববন্ধনে অপসারণের দাবি মাটি কাটায় প্রতিবাদ করায় বিএনপি নেতার ওপর হামলা, থানায় মামলা নোয়াখালীতে নতুন টিউবওয়েলে দিয়াশলাই ধরতেই জ্বলছে আগুন নোয়াখালীতে যুবককে পিটিয়ে পুড়িয়ে হত্যা ছদ্মবেশী অভিযানে ইয়াবাসহ ধরা পড়লো মাদক কারবারি নোয়াখালী জেলা পুলিশ সুপার কতৃক বেগমগঞ্জ মডেল থানার পুলিশের বিভিন্ন ক্যাটেগরিতে সফলতা অর্জন।  নরসিংদী জেলা প্রেসক্লাবের কার্যনির্বাহী কমিটি গঠিত, এম.এ আউয়াল সভাপতি,  ভূইয়া সজল  সাধারণ সম্পাদক নির্বাচিত রাজাপুরে পার্টনার ফিল্ড স্কুল কংগ্রেস অনুষ্ঠিত, সূর্যমুখী চাষে গুরুত্বারোপ নেত্রকোণার কলমাকান্দায় ফসল রক্ষা বাঁধ নিয়ে দুই ইউনিয়নের সংঘর্ষ, আহত অন্তত ২০ পাঁচবিবিতে সুবিধাবঞ্চিত শিক্ষার্থীদের হাতে শিক্ষা সামগ্রী তুলে দিল অপেক্ষা সিঁড়ি ফাউন্ডেশন ‎রামগঞ্জে প্রবাসীর স্ত্রীর ঝুলন্ত মরদেহ উদ্ধার জনগণের শক্তিতে বলীয়ান হয়ে চেয়ারম্যান প্রার্থী হিসেবে লড়ছেন মাহাথির মাহমুদ রিয়াদ। রামুর ঈদগড়ে বসতবাড়িতে ডাকাতি করতে গিয়ে ৩ ডাকাত আটক করেছে পাটগ্রাম সীমান্তে বিএসএফের বর্বরোচিত গুলি: বাংলাদেশি কৃষক গুরুতর আহত, গরুসহ ভারতীয় আটক কালীগঞ্জে র‍্যাব-১৩’র হানা: ১৩২ বোতল মাদকসহ আন্তঃজেলা নারী মাদক চক্রের ৩ সদস্য গ্রেপ্তার টাঙ্গাইল জেলার শ্রেষ্ঠ ওসি হলেন মির্জাপুর থানার মামুন পাইকগাছা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রহস্যজনক চুরি, সিসি ক্যামেরার সরঞ্জাম উধাও পাইকগাছায় পানি ব্যবস্থাপনা কমিটির নিয়মিত সভা বন্দরে মাদ্রাসা সভাপতির মুক্তির দাবিতে মানববন্ধন আড়াইহাজারে তুচ্ছ ঘটনায় সংঘর্ষ, আহত ২ রাষ্ট্রের শীর্ষ ব্যক্তিদের নাম ভাঙিয়ে প্রতারণা, পটিয়ায় পুলিশের অভিযানে রিয়াদ বিন সেলিম গ্রেফতার

কক্সবাজারে কাঁকড়া এখন সোনার হরিণ – এক ঝুড়ির মূল্য লাখ টাকা

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 05:20:12 pm, Monday, 3 October 2022
  • 166 বার পড়া হয়েছে

কক্সবাজারে কাঁকড়া এখন সোনার হরিণ - এক ঝুড়ির মূল্য লাখ টাকা

সরওয়ার কামাল

কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি।।

কক্সবাজারে কাঁকড়া এখন সোনার হরিণ। চাষীরা এক ঝুড়ি কাঁকড়ায় বিক্রয় মূল্য পাচ্ছেন লাখ টাকার ও বেশী। তাই কাঁকড়া ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছেন অনেক চিংড়ি চাষী। বর্তমানে ঢাকায় এক কেজি বড় কাঁকড়া বিক্রি হচ্ছে ৯৫০ টাকা। এতে কক্সবাজারে উৎপাদিত কাঁকড়ার চাহিদা আর্র্ন্তাজাতিক ভাবে বেশী বলে জানালেন রপ্তানী কারকেরা। মহেশখালী, টেকনাফ, চকরিয়া, কক্সবাজার সদর, পেকুয়া ও কুতুবদিয়া উপজেলার বিভিন্ন চিংড়ি প্রজেক্টে মৌসুমী কাঁকড়া চাষ ছাড়াও নাফনদী, কোহেলিয়া নদী, সোনাদিয়ার মোহনা ও মহেশখালী চ্যানেল থেকে প্রচুুরর কাঁকড়া আহরণ করেন কাঁকড়া ব্যবসায়িরা। এছাড়াও জেলাব্যাপী অর্র্ন্তত দেড় শতাধিক কাঁকড়া হ্যাচারী রয়েছে। কাঁকড়া ব্যবসায়ী সমিতির কক্সবাজার জেলার সাধারণ সম্পাদক শান্Íিলাল নন্দী জানিয়েছেন, কাঁকড়ার দর সন্তোষজনক। কাঁকড়ার দর বাড়ার সাথে সাথে প্রজেক্ট ও ইজরামূল্যও বেড়ে গেছে। এছাড়া বড় একটি কাঁকড়ার মূল্য হাজার টাকারও বেশী। তাই লোভনীয় হওয়ায়য় প্রজেক্টে পাহারা দিতে হয় সার্বক্ষনিক। যে কেউ সুযোগ পেলেই ধরে নিয়ে আসে কাঁকড়া। বিক্রি করে পায় নগদ টাকা। বিগত সময়ে যে পদ্ধতিতে আমরা কাঁকড়া সরবরাহ করেছি এখন তা পরিবর্তন হয়েছে। এখন রপ্তানীকারকদের উপর নির্ভর করে কাঁকড়ার দর। যার ফলে ইচ্ছেমত দর দেওয়ায় আমরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি। সরকার কাঁকড়া ব্যবসায়িদের ঋণ দিয়ে সহযোগীতা করলে কাঁকড়া উৎপাদন দ্বিগুণ হয়ে যাবে। এতে বৈদেশিক মুদ্রা আরো বেশী অর্জিত হবে। দেশে উৎপাদিত কাঁকড়া খাওয়ার সামর্থ স্থানীয়দের নেই। অনেকে সখ করেও কাঁকড়া খেতে পারছেন না। কক্সবাজারে স্থানীয় ভাবে উৎপাদিত কাঁকড়ার স্বাদই আলাদা। তিনি আরো বলেন, কাঁকড়া ব্যবসা সমিতির মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এক্ষেত্রে শুধুমাত্র মহেশখালীতেই রয়েছে একটি নিবন্ধিত সমিতি। এই সমিতি দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে উপকূলের অধিকাংশ ব্যবসা।
মহেশখালী কাঁকড়া উৎপাদন ও রপ্তানী বহুমুখী সমিতির সভাপতি জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, সরকারি সহায়তা পেলে মহেশখালীতেই কয়েক হাজার কোটি টাকার কাঁকড়া উৎপাদন করা সম্ভব। অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থান হবে। ১২০ গ্রাম এর কম কাঁকড়া আহরণ নিষিদ্ধ হলেও এই সুযোগে স্থানীয় বনবিভাগ বড় কাঁকড়া আটকিয়ে টাকা দাবী করে। এটি এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। এ বিষয়ে অভিযোগ করেও কোন সুরাহা হচ্ছে না। সরকার কাঁকড়া উৎপাদন বাড়াতে ঋণ দিলে আমরা উপকৃত হব। ব্যবসায়ি দিলীপ কুমার শীল জানিয়েছেন, দাম বাড়ার কারণে ব্যবসায় প্রতিযোগিতা বেড়েছে। ঢাকা থেকে প্র্রেরিত কাঁকড়ার দর জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ডাবল এফ ওয়ান – প্রতিকেজি ৯৩০ টাকা, এফ ওয়ান -৭০০ টাকা, এফ টু- ৫৫০ টাকা, এফ ত্রি-৪৫০ টাকা, ডাবল এক্সেল প্রতিকেজি-৯৫০ টাকা, এক্সেল-৭০০ টাকা, এল-৫৫০ টাকা ও এসএম-৩০০ টাকা। ২৪ ঘন্টা আগেই এভাবে জানিয়ে দেওয়া হয় কাঁকড়ার দর। আমাদের আর কোন দাবী নেই। শুধুমাত্র ঋণ দিয়ে সহযোগীতা করলে হ্যাচারী গড়ে তুলে কাঁকড়া উৎপাদন আরো বাড়াতে পারব।
ইতোমধ্যে কক্সবাজার জেলার ৬টি উপজেলায় অর্ন্তত সাড়ে ৪ হাজার কাঁকড়া চাষী আছেন। প্রতি বছর চাষীর সংখ্যা বাড়ছে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. বদরুজ্জামান বলেন, গত বছর জেলায় কাঁকড়া উৎপাদন হয়েছিল ৭০৫ মেট্রিক টন। এবার ৯০০ মেট্রিক টন ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এখনো মৌসুম শেষ হয়নি। কাঁকড়া কক্সবাজার জেলার জন্য র্অথনৈতিক গুরুত্ব বহন করেন।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পাইকগাছায় সোলাদানা সড়ক উন্নয়ন কাজের উদ্বোধন

কক্সবাজারে কাঁকড়া এখন সোনার হরিণ – এক ঝুড়ির মূল্য লাখ টাকা

আপডেট সময় : 05:20:12 pm, Monday, 3 October 2022

সরওয়ার কামাল

কক্সবাজার জেলা প্রতিনিধি।।

কক্সবাজারে কাঁকড়া এখন সোনার হরিণ। চাষীরা এক ঝুড়ি কাঁকড়ায় বিক্রয় মূল্য পাচ্ছেন লাখ টাকার ও বেশী। তাই কাঁকড়া ব্যবসায় জড়িয়ে পড়ছেন অনেক চিংড়ি চাষী। বর্তমানে ঢাকায় এক কেজি বড় কাঁকড়া বিক্রি হচ্ছে ৯৫০ টাকা। এতে কক্সবাজারে উৎপাদিত কাঁকড়ার চাহিদা আর্র্ন্তাজাতিক ভাবে বেশী বলে জানালেন রপ্তানী কারকেরা। মহেশখালী, টেকনাফ, চকরিয়া, কক্সবাজার সদর, পেকুয়া ও কুতুবদিয়া উপজেলার বিভিন্ন চিংড়ি প্রজেক্টে মৌসুমী কাঁকড়া চাষ ছাড়াও নাফনদী, কোহেলিয়া নদী, সোনাদিয়ার মোহনা ও মহেশখালী চ্যানেল থেকে প্রচুুরর কাঁকড়া আহরণ করেন কাঁকড়া ব্যবসায়িরা। এছাড়াও জেলাব্যাপী অর্র্ন্তত দেড় শতাধিক কাঁকড়া হ্যাচারী রয়েছে। কাঁকড়া ব্যবসায়ী সমিতির কক্সবাজার জেলার সাধারণ সম্পাদক শান্Íিলাল নন্দী জানিয়েছেন, কাঁকড়ার দর সন্তোষজনক। কাঁকড়ার দর বাড়ার সাথে সাথে প্রজেক্ট ও ইজরামূল্যও বেড়ে গেছে। এছাড়া বড় একটি কাঁকড়ার মূল্য হাজার টাকারও বেশী। তাই লোভনীয় হওয়ায়য় প্রজেক্টে পাহারা দিতে হয় সার্বক্ষনিক। যে কেউ সুযোগ পেলেই ধরে নিয়ে আসে কাঁকড়া। বিক্রি করে পায় নগদ টাকা। বিগত সময়ে যে পদ্ধতিতে আমরা কাঁকড়া সরবরাহ করেছি এখন তা পরিবর্তন হয়েছে। এখন রপ্তানীকারকদের উপর নির্ভর করে কাঁকড়ার দর। যার ফলে ইচ্ছেমত দর দেওয়ায় আমরা ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছি। সরকার কাঁকড়া ব্যবসায়িদের ঋণ দিয়ে সহযোগীতা করলে কাঁকড়া উৎপাদন দ্বিগুণ হয়ে যাবে। এতে বৈদেশিক মুদ্রা আরো বেশী অর্জিত হবে। দেশে উৎপাদিত কাঁকড়া খাওয়ার সামর্থ স্থানীয়দের নেই। অনেকে সখ করেও কাঁকড়া খেতে পারছেন না। কক্সবাজারে স্থানীয় ভাবে উৎপাদিত কাঁকড়ার স্বাদই আলাদা। তিনি আরো বলেন, কাঁকড়া ব্যবসা সমিতির মাধ্যমে পরিচালিত হয়। এক্ষেত্রে শুধুমাত্র মহেশখালীতেই রয়েছে একটি নিবন্ধিত সমিতি। এই সমিতি দিয়ে পরিচালিত হচ্ছে উপকূলের অধিকাংশ ব্যবসা।
মহেশখালী কাঁকড়া উৎপাদন ও রপ্তানী বহুমুখী সমিতির সভাপতি জসিম উদ্দিন জানিয়েছেন, সরকারি সহায়তা পেলে মহেশখালীতেই কয়েক হাজার কোটি টাকার কাঁকড়া উৎপাদন করা সম্ভব। অসংখ্য মানুষের কর্মসংস্থান হবে। ১২০ গ্রাম এর কম কাঁকড়া আহরণ নিষিদ্ধ হলেও এই সুযোগে স্থানীয় বনবিভাগ বড় কাঁকড়া আটকিয়ে টাকা দাবী করে। এটি এখন নিত্যনৈমিত্তিক ঘটনা। এ বিষয়ে অভিযোগ করেও কোন সুরাহা হচ্ছে না। সরকার কাঁকড়া উৎপাদন বাড়াতে ঋণ দিলে আমরা উপকৃত হব। ব্যবসায়ি দিলীপ কুমার শীল জানিয়েছেন, দাম বাড়ার কারণে ব্যবসায় প্রতিযোগিতা বেড়েছে। ঢাকা থেকে প্র্রেরিত কাঁকড়ার দর জানিয়ে দেওয়া হয়েছে। ডাবল এফ ওয়ান – প্রতিকেজি ৯৩০ টাকা, এফ ওয়ান -৭০০ টাকা, এফ টু- ৫৫০ টাকা, এফ ত্রি-৪৫০ টাকা, ডাবল এক্সেল প্রতিকেজি-৯৫০ টাকা, এক্সেল-৭০০ টাকা, এল-৫৫০ টাকা ও এসএম-৩০০ টাকা। ২৪ ঘন্টা আগেই এভাবে জানিয়ে দেওয়া হয় কাঁকড়ার দর। আমাদের আর কোন দাবী নেই। শুধুমাত্র ঋণ দিয়ে সহযোগীতা করলে হ্যাচারী গড়ে তুলে কাঁকড়া উৎপাদন আরো বাড়াতে পারব।
ইতোমধ্যে কক্সবাজার জেলার ৬টি উপজেলায় অর্ন্তত সাড়ে ৪ হাজার কাঁকড়া চাষী আছেন। প্রতি বছর চাষীর সংখ্যা বাড়ছে। জেলা মৎস্য কর্মকর্তা মো. বদরুজ্জামান বলেন, গত বছর জেলায় কাঁকড়া উৎপাদন হয়েছিল ৭০৫ মেট্রিক টন। এবার ৯০০ মেট্রিক টন ছাড়িয়ে যাবে বলে আশা করা হচ্ছে। এখনো মৌসুম শেষ হয়নি। কাঁকড়া কক্সবাজার জেলার জন্য র্অথনৈতিক গুরুত্ব বহন করেন।