Dhaka , Friday, 13 March 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
পাইকগাছায় অবৈধ জাল জব্দ; পোনা নদীতে অবমুক্ত ১০ কেজির বদলে ৮ কেজি: রূপগঞ্জে ভিজিএফ চাল বিতরণে অনিয়মের অভিযোগ বেগমগঞ্জের গোপালপুর ফাউন্ডেশনের ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত  রাজাপুরে চাঁদাবাজির মামলার দুই আসামি গ্রেফতার আতঙ্কের সাম্রাজ্য ফারাজ করিম, মানবিকতার মুখোশে অভিযোগের পাহাড় চট্টগ্রামে পতেঙ্গা ১৫ নম্বর ঘাট এলাকায় থেকে প্রায় ৫ কোটি ৫০ লক্ষ টাকা মূল্যের ১ লক্ষ ৮২ হাজার ৪০০ পিস ইয়াবা উদ্ধারসহ ০৫ জন মাদক কারবারিকে আটক করেছে র‌্যাব-৭,চট্টগ্রাম শ্রীপুরে অজ্ঞাত ব্যক্তির লাশ উদ্ধার রামু গর্জনিয়ায় তাঁতীদলের আয়োজনে দোয়া ও মাহফিল ইফতার সম্পন্ন ঢাকার বিশ্বসাহিত্য কেন্দ্রে দুর্গাপুর উন্নয়ন ভাবনা বিষয়ক আলোচনা ও ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত ইন্ডিয়ান বলে দেশীয় শাড়ি-থ্রি-পিস বিক্রি হিলি বাজারে ভোক্তা অধিকার অভিযানে জরিমানা ধুলোবালিতে অতিষ্ঠ লালমনিরহাট: বায়ুদূষণ রোধে মাঠে নামলো ভ্রাম্যমাণ আদালত লালমনিরহাটে অনলাইন জুয়াড়ি চক্রের ৩ সদস্য গ্রেফতার: ডিবির অভিযানে মোবাইল ও সিম জব্দ পাইকগাছায় ওয়াশ ফর আপ-২ প্রকল্পের কর্মশালা অনুষ্ঠিত পাইকগাছায় গ্রাম সমিতির নবনির্মিত অফিস ভবন উদ্বোধন রংপুরের পীরগঞ্জে বিয়ের প্রলোভনে ধর্ষণ: নারায়ণগঞ্জে র‍্যাবের যৌথ অভিযানে প্রধান আসামি গ্রেফতার কুড়িগ্রাম সীমান্তে ১৫ বিজিবি’র অভিযান: ভারতীয় স্বর্ণকাতান শাড়ি ও মাদক উদ্ধার গুলির ভয় দেখিয়ে গারো পরিবারের বাড়ি ঘর ভাঙার অভিযোগ আর্থিক সহায়তা পেল ক্ষতিগ্রস্থ পরিবার পবিত্র রমজানে বাংলাদেশজুড়ে ১০ হাজার অসহায় পরিবারের পাশে আলহাজ শামসুল হক ফাউন্ডেশন সাভার আশুলিয়ায় দারুল ইহসান ট্রাস্টের ভু-সম্পত্তি ও মাদ্রাসা নিয়ন্ত্রণ নিয়ে তীব্র সংঘাত, সংবাদ সম্মেলনে বিস্তারিত তুলে ধরা হলো নোয়াখালীতে বিয়ের ফাঁদে ফেলে স্বামী পরিত্যাক্তা নারীকে গণধর্ষণ নেতাকর্মীদের কর্মসংস্থান হলে সালিশ বাণিজ্য, চাঁদাবাজি করবে না: এমপি ফখরুল ইসলাম “আল আমিন শিশু একাডেমির উদ্যোগে ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত” ইবিতে শিক্ষার্থীদের সম্মানে শহীদ আনাস হল ছাত্রশিবিরের ইফতার মাহফিল পাইকগাছায় খুচরা তেল বিক্রেতাদের ওপর প্রশাসনের মনিটরিং মধুপুর থানার উদ্যোগে ইফতার ও দোয়া   মাহফিল অনুষ্ঠিত বিশ্ব নারী দিবসে বিএইচআরএফ’র ‘স্বনির্ভর নারী’ কর্মসূচির আওতায় সেলাই মেশিন বিতরণ চকবাজারে বৈদ্যুতিক টেকনিশিয়ান সমিতির ইফতার মাহফিল অনুষ্ঠিত আনন্দ টিভি’র প্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উপলক্ষে লালমনিরহাটে মিলনমেলা ও ইফতার মাহফিল ঢাকাস্থ লালমনিরহাট জেলা সমিতির সভায় ত্রাণমন্ত্রী আসাদুল হাবিব দুলু: ‘১৮০ দিনের মধ্যে জেলাকে মাদকমুক্ত করতে জিরো টলারেন্স নীতি’ রূপগঞ্জকে মাদককারবারিদের ধাওয়া, বিদেশী পিস্তল, বিপুল পরিমান মাদকসহ শীর্ষ করবারি আবু হানিফসহ আটক-২ , আহত ৮ যুবদল নেতা

ওয়াসা সুয়ারেজ পাইপ লাইন কর্মীদের কাজে বাঁধা, রক্তের বন্যা বয়ে দেয়ার হুমকি

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 02:32:07 pm, Sunday, 23 November 2025
  • 43 বার পড়া হয়েছে

 

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সুয়ারেজ লাইন চট্টগ্রাম ওয়াসার একটি পাইলট প্রকল্প যেখানে চট্টগ্রাম শহরের প্রত্যেকটা বাড়ির মলমূত্র এবং ময়লা পানি একটি নির্দিষ্ট স্থানে স্থানান্তর করে চট্টগ্রাম শহরকে একটি স্বাস্থ্য-কর নগরী উপহার দেয়াই চট্টগ্রাম ওয়াসার অন্যতম লক্ষ্য বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

নগরীর মনছুরাবাদ এলাকার পশ্চিম পাড়া নামক এলাকায় সুয়ারেজ প্রকল্পের কাজ করতে গিয়ে বাঁধার সম্মুখীন হন স্থানীয় প্রকল্প কাজের লোকজন। সারোয়ার আলম জুয়েল নামে এক ব্যক্তি এমন হুমকি দিয়েছে বলে জানান প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করা লোকজন।
বিষয়টি প্রকল্প পরিচালক বরাবর জানানো হলে তিনি বিষয়টি তদন্ত করার জন্য একজন ইঞ্জিনিয়ার সহ প্রায় ৬ জনের একটি টিম বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শন করা অবস্থায় হুমকী প্রদানকারি জুয়েলকে মুঠোফোনে কল দিয়ে, হুমকির দেয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি দ্বায়িত্বরত ওয়াসার এক কর্মকর্তাকে বলেন, এটি তার(জুয়েল) এর ব্যক্তিগত রাস্তা। অথচ কাগজপত্র করে নথী পত্র ইত্যাদি যাচাই করে জানা যায় এটি একটি এজমালি রাস্তা বা চলাচল পথ হিসেবে ২০১২ সালের কোর্টের একটি আদেশে স্পষ্ট উল্লেখ আছে। ওয়াসার প্রকল্পের লোকজন কোর্টের আদেশের কথা উল্লেখ করলে,” সন্ত্রাসী জুয়েল প্রতি বলে ” কোর্টকে বিষয়টি আমাকে এখানে এসে বুঝিয়ে দিতে বলেন”। এই রাস্তা ব্যক্তিগত রাস্তা সুতরাং এখানে কোন সরকারি কাজ কর্ম চলতে দিব না। ” পরে প্রকল্পের লোকজনকে সে(সন্ত্রাসী) আরো বলে এই চলাচল রাস্তা নিয়ে বিরোধ চলমান। সে এটাও দাবি যে ” সে প্রকল্প পরিচালকে সহ স্থানীয় কয়েকজন ইন্জিনিয়াকেও বিষয়টি অবগত করেছে, তবে জানতে চাইলে প্রকল্প পরিচালক বিষয়টি মিথ্যা বলে উল্লেখ করেছেন।

উল্লেখ্য ২০০৯ সালে চলাচল রাস্তাটি নিজের ক্রয়কৃত সম্পত্তি দাবি করে ১৪৫ ধারায় মামলা করে জুয়েল এর মাতা বর্তমানে মৃত। পরে আদালত থানা এবং সহকারী ভূমি অফিসের তদন্ত প্রতিবেদনের নথী এবং সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ এর আদলে ২০১২ সালে একটি আদেশ দেয়। সে দীর্ঘ এক যুগ পার করার পরও রাস্তাটি নিজের জমি বলে দাবি, রাস্তা প্রতিনিয়ত নির্মাণ সামগ্রী রেখে বাঁধা দেয়ার চেষ্টা করেই যাচ্ছে।

জুয়েলের সাথে অন্যায় কাজের সহযোগী হিসেবে যুক্ত হয়েছ, লোকাল পাতি নেতা যার নাম রুবেল, জানা যায় সে আবার সোয়ারেজ প্রকল্পের লোকাল কন্ট্রাক্টর, ধারণা করা হচ্ছে তার আসকারা পেয়ে জুয়েল আরো ব্যাপোরোয়া আচরণ করছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জুয়েল প্রতিপক্ষের চলাচল এর জন্য পাঁচ লাখ টাকা চাদা দাবি করে। তবে পরবর্তীতে সে বিষয়ে তার অস্বীকারও করে।

এর সাথে স্থানীয় আরো কিছু কুচক্রী মহল জড়িত যারা মূল রাস্তাটিকেও চসিকের উন্নয়ন কার্যক্রম করতেও বাধা দিয়ে আসছে অথচ এই ক্ষুদ্র রাস্তাটি দিয়েই কবরস্থানে যেতে হয়।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে ঐ এলাকার স্থানীয় একজন জানান মনছুরাবাদ পশ্চিম পাড়া এলাকায় মির্জা বাড়ি কবর স্থানটিতে এই এলাকার মানুষ মরলে কবরের খাটিয়া পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া মুশকিল, এই খানের বিল্ডিং গুলো যে যার মত নির্মাণ করেছে কেউ সিডিএর প্লান নিয়ে করেছে বলে মনে হয় না। জুয়েলও তার মন যা চায় তাই করছে, কে বাঁধা দিবে স্বাধ্যই বা কার।

হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্পকে জনবান্ধব না করে জন দুর্ভোগ এর কারণ চট্টগ্রাম ওয়াসার সুয়ারেজ কর্তৃপক্ষকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে একদল সন্ত্রাসী গ্রুপ, তারা কোথাও কোথাও এক বা কোথাও বহু। আইনের আওতায় এনে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা না করলে তাদের দৌরাত্ম কমানো যাবেনা বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

রাস্তায় বাঁধা প্রদান সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চাইলে সিএমপির এক সহকারী পুলিশ কমিশনার জানায় সরকারি কাজে বাধা প্রদানের কোন অভিযোগ পেলে আমরা ছাড় দিব না। সুয়ারেজ প্রকল্প যেহেতু একটি সরকারি প্রকল্প সে প্রকল্পের কাজে কেউ বাঁধা দিলে, যথাযথ কর্তৃপক্ষ আমাদের কাছে সংবাদ প্রেরণ করলে অবশ্যই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রকল্প পরিচাল আরিফুল ইসলাম বলেন ” এ ধরনের কিছু কিছু ব্যক্তি রয়েছে যাদের কাজই হল এসব করে বেড়ানো, তবে চিন্তার কিছু নেই আমরা প্রতিটি বাড়িকে সোয়ারেজ প্রকল্পের আওতায় আনব, যেখানে পাইপলাইন বসানো যায় সেখানেই আমরা এ কার্যক্রম পরিচালনা করব। আর এসব দুষ্ট প্রকৃতির লোক যদি গায়ের জোরে বাঁধা দেয় তাহলে আমাদের ম্যাজিস্ট্রেট আছে, পুলিশ আছে যদি প্রয়োজন পড়ে অবশ্যই আমরা ব্যবস্থা নেব। কোন সন্ত্রাসীকে আমরা প্রশ্রয় দিবোনা।

এদিকে সারোয়ার আলম জুয়েল সরকারি কাজে বাধা এবং হুমকি দিয়ে সিআরপিসির ৩৩৯, ৩৪৯, ৩৫০, ৩৭৭, ৪০৩, ৪২৫, ৪৬৩, ১০৭, ১২০ক, ১৯১ এর স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে বলে মন্তব্য করেন একজন আইনজীবী।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

পাইকগাছায় অবৈধ জাল জব্দ; পোনা নদীতে অবমুক্ত

ওয়াসা সুয়ারেজ পাইপ লাইন কর্মীদের কাজে বাঁধা, রক্তের বন্যা বয়ে দেয়ার হুমকি

আপডেট সময় : 02:32:07 pm, Sunday, 23 November 2025

 

চট্টগ্রাম ব্যুরো:

সুয়ারেজ লাইন চট্টগ্রাম ওয়াসার একটি পাইলট প্রকল্প যেখানে চট্টগ্রাম শহরের প্রত্যেকটা বাড়ির মলমূত্র এবং ময়লা পানি একটি নির্দিষ্ট স্থানে স্থানান্তর করে চট্টগ্রাম শহরকে একটি স্বাস্থ্য-কর নগরী উপহার দেয়াই চট্টগ্রাম ওয়াসার অন্যতম লক্ষ্য বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।

নগরীর মনছুরাবাদ এলাকার পশ্চিম পাড়া নামক এলাকায় সুয়ারেজ প্রকল্পের কাজ করতে গিয়ে বাঁধার সম্মুখীন হন স্থানীয় প্রকল্প কাজের লোকজন। সারোয়ার আলম জুয়েল নামে এক ব্যক্তি এমন হুমকি দিয়েছে বলে জানান প্রকল্প বাস্তবায়নে কাজ করা লোকজন।
বিষয়টি প্রকল্প পরিচালক বরাবর জানানো হলে তিনি বিষয়টি তদন্ত করার জন্য একজন ইঞ্জিনিয়ার সহ প্রায় ৬ জনের একটি টিম বিষয়টি সরেজমিনে পরিদর্শন করেন।

পরিদর্শন করা অবস্থায় হুমকী প্রদানকারি জুয়েলকে মুঠোফোনে কল দিয়ে, হুমকির দেয়ার কারণ জানতে চাইলে তিনি দ্বায়িত্বরত ওয়াসার এক কর্মকর্তাকে বলেন, এটি তার(জুয়েল) এর ব্যক্তিগত রাস্তা। অথচ কাগজপত্র করে নথী পত্র ইত্যাদি যাচাই করে জানা যায় এটি একটি এজমালি রাস্তা বা চলাচল পথ হিসেবে ২০১২ সালের কোর্টের একটি আদেশে স্পষ্ট উল্লেখ আছে। ওয়াসার প্রকল্পের লোকজন কোর্টের আদেশের কথা উল্লেখ করলে,” সন্ত্রাসী জুয়েল প্রতি বলে ” কোর্টকে বিষয়টি আমাকে এখানে এসে বুঝিয়ে দিতে বলেন”। এই রাস্তা ব্যক্তিগত রাস্তা সুতরাং এখানে কোন সরকারি কাজ কর্ম চলতে দিব না। ” পরে প্রকল্পের লোকজনকে সে(সন্ত্রাসী) আরো বলে এই চলাচল রাস্তা নিয়ে বিরোধ চলমান। সে এটাও দাবি যে ” সে প্রকল্প পরিচালকে সহ স্থানীয় কয়েকজন ইন্জিনিয়াকেও বিষয়টি অবগত করেছে, তবে জানতে চাইলে প্রকল্প পরিচালক বিষয়টি মিথ্যা বলে উল্লেখ করেছেন।

উল্লেখ্য ২০০৯ সালে চলাচল রাস্তাটি নিজের ক্রয়কৃত সম্পত্তি দাবি করে ১৪৫ ধারায় মামলা করে জুয়েল এর মাতা বর্তমানে মৃত। পরে আদালত থানা এবং সহকারী ভূমি অফিসের তদন্ত প্রতিবেদনের নথী এবং সরেজমিনে পর্যবেক্ষণ এর আদলে ২০১২ সালে একটি আদেশ দেয়। সে দীর্ঘ এক যুগ পার করার পরও রাস্তাটি নিজের জমি বলে দাবি, রাস্তা প্রতিনিয়ত নির্মাণ সামগ্রী রেখে বাঁধা দেয়ার চেষ্টা করেই যাচ্ছে।

জুয়েলের সাথে অন্যায় কাজের সহযোগী হিসেবে যুক্ত হয়েছ, লোকাল পাতি নেতা যার নাম রুবেল, জানা যায় সে আবার সোয়ারেজ প্রকল্পের লোকাল কন্ট্রাক্টর, ধারণা করা হচ্ছে তার আসকারা পেয়ে জুয়েল আরো ব্যাপোরোয়া আচরণ করছে।

পুলিশ সূত্রে জানা যায়, জুয়েল প্রতিপক্ষের চলাচল এর জন্য পাঁচ লাখ টাকা চাদা দাবি করে। তবে পরবর্তীতে সে বিষয়ে তার অস্বীকারও করে।

এর সাথে স্থানীয় আরো কিছু কুচক্রী মহল জড়িত যারা মূল রাস্তাটিকেও চসিকের উন্নয়ন কার্যক্রম করতেও বাধা দিয়ে আসছে অথচ এই ক্ষুদ্র রাস্তাটি দিয়েই কবরস্থানে যেতে হয়।

নাম প্রকাশ না করা শর্তে ঐ এলাকার স্থানীয় একজন জানান মনছুরাবাদ পশ্চিম পাড়া এলাকায় মির্জা বাড়ি কবর স্থানটিতে এই এলাকার মানুষ মরলে কবরের খাটিয়া পর্যন্ত নিয়ে যাওয়া মুশকিল, এই খানের বিল্ডিং গুলো যে যার মত নির্মাণ করেছে কেউ সিডিএর প্লান নিয়ে করেছে বলে মনে হয় না। জুয়েলও তার মন যা চায় তাই করছে, কে বাঁধা দিবে স্বাধ্যই বা কার।

হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্পকে জনবান্ধব না করে জন দুর্ভোগ এর কারণ চট্টগ্রাম ওয়াসার সুয়ারেজ কর্তৃপক্ষকে প্রশ্নবিদ্ধ করছে একদল সন্ত্রাসী গ্রুপ, তারা কোথাও কোথাও এক বা কোথাও বহু। আইনের আওতায় এনে কঠিন শাস্তির ব্যবস্থা না করলে তাদের দৌরাত্ম কমানো যাবেনা বলে মনে করেন স্থানীয়রা।

রাস্তায় বাঁধা প্রদান সংক্রান্ত বিষয়ে জানতে চাইলে সিএমপির এক সহকারী পুলিশ কমিশনার জানায় সরকারি কাজে বাধা প্রদানের কোন অভিযোগ পেলে আমরা ছাড় দিব না। সুয়ারেজ প্রকল্প যেহেতু একটি সরকারি প্রকল্প সে প্রকল্পের কাজে কেউ বাঁধা দিলে, যথাযথ কর্তৃপক্ষ আমাদের কাছে সংবাদ প্রেরণ করলে অবশ্যই আইন অনুযায়ী ব্যবস্থা নেয়া হবে।

প্রকল্প পরিচাল আরিফুল ইসলাম বলেন ” এ ধরনের কিছু কিছু ব্যক্তি রয়েছে যাদের কাজই হল এসব করে বেড়ানো, তবে চিন্তার কিছু নেই আমরা প্রতিটি বাড়িকে সোয়ারেজ প্রকল্পের আওতায় আনব, যেখানে পাইপলাইন বসানো যায় সেখানেই আমরা এ কার্যক্রম পরিচালনা করব। আর এসব দুষ্ট প্রকৃতির লোক যদি গায়ের জোরে বাঁধা দেয় তাহলে আমাদের ম্যাজিস্ট্রেট আছে, পুলিশ আছে যদি প্রয়োজন পড়ে অবশ্যই আমরা ব্যবস্থা নেব। কোন সন্ত্রাসীকে আমরা প্রশ্রয় দিবোনা।

এদিকে সারোয়ার আলম জুয়েল সরকারি কাজে বাধা এবং হুমকি দিয়ে সিআরপিসির ৩৩৯, ৩৪৯, ৩৫০, ৩৭৭, ৪০৩, ৪২৫, ৪৬৩, ১০৭, ১২০ক, ১৯১ এর স্পষ্ট লঙ্ঘন এবং শাস্তিযোগ্য অপরাধ করেছে বলে মন্তব্য করেন একজন আইনজীবী।