Dhaka , Friday, 8 May 2026
নিবন্ধন নাম্বারঃ ১১০, সিরিয়াল নাম্বারঃ ১৫৪, কোড নাম্বারঃ ৯২
শিরোনাম ::
চবির ঐতিহ্যবাহী আলাওল হলের নতুন প্রভোস্ট অধ্যাপক জামালুল আকবর চৌধুরী দুর্গাপুরে ‘মুসলিম হজ ট্যুরস’-এর হজযাত্রীদের বিশেষ প্রশিক্ষণ ও উপহার প্রদান সম্ভাবনাময় সীমান্ত বাণিজ্য কেন্দ্র বাস্তবায়নে দ্রুত কেন্দ্রীয় সিদ্ধান্তের দাবি সম্পূর্ণ কুতুবপুর ইউনিয়নকে সিটি করপোরেশনে অন্তর্ভুক্তির দাবিতে স্মারকলিপি ও অবস্থান কর্মসূচি ফতুল্লায় পুলিশের অভিযানে বিপুল দেশীয় অস্ত্র উদ্ধার, গ্রেফতার ১ মহেশখালীতে কোস্ট গার্ডের অভিযানে অস্ত্র ও গুলাবারুদসহ ৪ জলদস্যু আটক চট্টগ্রামে জাতীয় নাগরিক পার্টি-এনসিপিতে বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রায় দেড় হাজার মানুষের বিশাল যোগদান চট্টগ্রাম জেলার নবনিযুক্ত পুলিশ সুপার হিসেবে মোঃ মাসুদ আলম বিপিএম’র দায়িত্বভার গ্রহণ রূপগঞ্জে খাল পুনঃখননের দাবিতে কৃষক-গ্রামবাসীর মানববন্ধন ও বিক্ষোভ লালমনিরহাট সীমান্তে ১৫ বিজিবির অভিযানে মাদকসহ নারী কারবারি আটক রংপুর বিভাগের দুই জেলায় র‍্যাবের মাদকবিরোধী অভিযান: ৯৪ কেজি গাঁজা ও ইয়াবাসহ গ্রেফতার ৩ ইসরাইলি বোমা হামলায় লেবাননে- নিহত দিপালীর লাশ নিজ বাড়ীতে- জানাজা শেষে দাফন সম্পন্ন। লক্ষ্মীপুরে বজ্রপাতে কোরআনে হাফেজার মৃত্যু সৌদি আরবে নিহত দুর্গাপুরের শ্রমিক আল আমিনের মরদেহ দেশে আনতে উদ্যোগ নিলেন ডেপুটি স্পিকার পাইকগাছায় খালে অবৈধ নেট পাটা অপসারণে প্রশাসনের অভিযান চট্টগ্রামের কর্মমুখী শিক্ষার মান উন্নয়নে কসোভোর সাথে কাজ করতে চান চসিক মেয়র ডা. শাহাদাত এসডিএফ-এ চরম অস্থিরতা: চেয়ারম্যান ও এমডির পদত্যাগ দাবিতে কর্মকর্তাদের কর্মবিরতি শেরপুরের ঝিনাইগাতীতে বনখেকুদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ সমাবেশ রামুর খুনিয়া পালংয়ের মাদককারবারী আরিফ চট্টগ্রাম শহরে ইয়াবাসহ আটক পাঁচবিবির নবাগত ইউএনওর মতবিনিময় সভা অনুষ্ঠিত পানি উন্নয়ন বোর্ডের ক্যানেল অপরিষ্কার ও খাল ভরাটের কারণে রূপগঞ্জে জলাবদ্ধতায় ভোগান্তিতে সাধারণ মানুষ ও টেক্সটাইল মালিক। কুড়িগ্রাম সীমান্তে ১৫ বিজিবি’র বড় সাফল্য: জব্দকৃত প্যান্ট পিসের বাজারমূল্য ৩০ লাখ টাকা কালীগঞ্জ ও তারাগঞ্জে পরিবেশ অধিদপ্তরের অভিযান: পরিবেশ বিধ্বংসী ইটভাটায় র‍্যাবের হানা রূপগঞ্জে নিরাপদ খাদ্য রপ্তানির লক্ষ্যে পার্টনার কংগ্রেস অনুষ্ঠিত ঝালকাঠি সদরে হাম-রুবেলার প্রাদুর্ভাব: চিকিৎসা নিয়েছে ৭৩, বাড়ছে নতুন ভর্তি স্মার্টফোনে জুয়া খেলায় যুবকের জেল-জরিমানা দুর্গাপুরে ধান পাহাড়া দিয়ে বাড়ি ফেরা হলো না যুবকের, হাতি কেড়ে নিল প্রাণ মহেশখালীতে অস্ত্র ও গোলাবারুদসহ জমির বাহিনীর প্রধান জলদস্যু জমিরকে আটক করেছে কোস্ট গার্ড চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মাসিক কল্যাণ সভা অনুষ্ঠিত চট্টগ্রাম মেট্রোপলিটন পুলিশের মাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা অনুষ্ঠিত

জগন্নাথপুরে সমিল, কাঠ ও ফার্ণিচার ব্যবসায়ীদের দুর্দিন

  • Reporter Name
  • আপডেট সময় : 10:39:46 pm, Thursday, 10 March 2022
  • 284 বার পড়া হয়েছে

জগন্নাথপুরে সমিল, কাঠ ও ফার্ণিচার ব্যবসায়ীদের দুর্দিন

 

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি।।

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে দেশের নামকরা বিভিন্ন কোম্পানীর তৈরি ও স্টিলের ফার্ণিচার মাল বাজার দখল করে নিয়েছে। যে কারণে বেশ কয়েক বছর ধরে সমিল, কাঠ ও ফার্ণিচার ব্যবসায়ীদের দুর্দিন চলছে। এর মধ্যে অনেকে লোকসান গুণতে গুণতে ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছেন। বাকিরা নিজেদের দীর্ঘদিনের সুনাম ধরে রাখতে গিয়ে কোন রকমে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিযোগিতার বাজারে ঠিকে থাকতে গিয়ে স্থানীয় কমদামি কাঠ মালের কদর বেড়েছে। আগের মতো বিভিন্ন দেশ থেকে সেগুন, চামল সহ দামি গাছের গোল বা কাঠ আমদানি করা হয় না। কারণ অধিকাংশ ক্রেতারা এখন আর দামি ফার্ণিচার কিনতে চান না। ক্রেতারা এখন বিভিন্ন কোম্পানীর তৈরি করা ও স্টিলের ফার্ণিচারের দিকে ঝুঁকে পড়েছেন। তাই প্রতিযোগিতার বাজারে ঠিকে থাকতে গিয়ে কমদামি কাঠ মাল দিয়ে ফার্ণিচার বানানো হয়ে থাকে।
সরেজমিনে জগন্নাথপুর পৌর শহরের নামকরা লাকি সমিলের মালিক মনোরঞ্জন চন্দ সবুজ সহ অনেক সমিল ব্যবসায়ীরা জানান, সমিল ব্যবসায়ী, কাঠ ব্যবসায়ী, ফার্ণিচার ব্যবসায়ী ও গাছ সংগ্রহকারী ব্যবসায়ীরা এক সুতায় গাঁথা। এক সময় জগন্নাথপুরে ব্যবসা ভালো ছিল। বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হতো সেগুন, চামল সহ দামি গাছের গোল বা কাঠ। তবে বিগত কয়েক বছর ধরে বাজার দখলে নিয়েছে বিভিন্ন কোম্পানীর তৈরি করা ফার্ণিচার। এর পর থেকে আমাদের ব্যবসার দুর্দিন চলছে। তারা আরো জানান, জগন্নাথপুর উপজেলায় প্রায় ১৫ থেকে ২০টি সমিল আছে। এর মধ্যে কয়েকটি সমিল লোকসান গুণতে গুণতে বন্ধ হয়ে গেছে। আমরা কোন রকমে ঠিকে আছি। প্রতিযোগিতার বাজারে ঠিকে থাকতে গিয়ে স্থানীয় আম, কদম, রেন্ট্রি সহ বিভিন্ন কমদামি কাঠ ব্যবহার করা হচ্ছে। এখন আর জগন্নাথপুরে সেগুন সহ দামি কাঠ আমদানি করা হয় না।
কাঠ ব্যবসায়ী শ্রীবাস দাস সহ অনেকে জানান, বিগত কয়েক বছর ধরে কাঠের ব্যবসা একেবারেই মন্দা হয়ে গেছে। দামি কাঠ আমদানি করা তো দুরের কথা, কমদামি কাঠই বিক্রি হচ্ছে না। এখন শুধু দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সুনাম ধরে রাখতে কোন রকমে ব্যবসা করছি।
ফার্ণিচার ব্যবসায়ী হেলিম মিয়া সহ অনেকে জানান, এখন রেডি মালে বাজার সয়লাব হয়ে গেছে। তাদের সাথে ঠিকে থাকতে গিয়ে বাধ্য হয়ে কমদামি কাঠ দিয়ে ফার্ণিচার বানাতে হচ্ছে। গাছ ব্যবসায়ী আবদুল মুকিত সহ অনেকে বলেন, আমরা বিভিন্ন গ্রামে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে গাছ কিনে সমিলে দেই। সমিল থেকে কাঠ বানিয়ে অথবা গোলে বিক্রি করা হয়। তারা আরো জানান, এখন বিদেশি দামি গাছ বা কাঠ আনার প্রয়োজন নেই। কারণ স্থানীয় গাছের দাম অনেক বেড়ে গেছে। এক সময় যে গাছ দিয়ে মানুষ লাকড়ি বানাতো, এখন সেই গাছ দিয়ে কাঠ হচ্ছে।

আপনার মতামত লিখুন

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল ও অন্যান্য তথ্য সঞ্চয় করে রাখুন

জনপ্রিয় সংবাদ

চবির ঐতিহ্যবাহী আলাওল হলের নতুন প্রভোস্ট অধ্যাপক জামালুল আকবর চৌধুরী

জগন্নাথপুরে সমিল, কাঠ ও ফার্ণিচার ব্যবসায়ীদের দুর্দিন

আপডেট সময় : 10:39:46 pm, Thursday, 10 March 2022

 

জগন্নাথপুর (সুনামগঞ্জ) প্রতিনিধি।।

সুনামগঞ্জের জগন্নাথপুরে দেশের নামকরা বিভিন্ন কোম্পানীর তৈরি ও স্টিলের ফার্ণিচার মাল বাজার দখল করে নিয়েছে। যে কারণে বেশ কয়েক বছর ধরে সমিল, কাঠ ও ফার্ণিচার ব্যবসায়ীদের দুর্দিন চলছে। এর মধ্যে অনেকে লোকসান গুণতে গুণতে ব্যবসা ছেড়ে দিয়েছেন। বাকিরা নিজেদের দীর্ঘদিনের সুনাম ধরে রাখতে গিয়ে কোন রকমে ব্যবসা চালিয়ে যাচ্ছেন। প্রতিযোগিতার বাজারে ঠিকে থাকতে গিয়ে স্থানীয় কমদামি কাঠ মালের কদর বেড়েছে। আগের মতো বিভিন্ন দেশ থেকে সেগুন, চামল সহ দামি গাছের গোল বা কাঠ আমদানি করা হয় না। কারণ অধিকাংশ ক্রেতারা এখন আর দামি ফার্ণিচার কিনতে চান না। ক্রেতারা এখন বিভিন্ন কোম্পানীর তৈরি করা ও স্টিলের ফার্ণিচারের দিকে ঝুঁকে পড়েছেন। তাই প্রতিযোগিতার বাজারে ঠিকে থাকতে গিয়ে কমদামি কাঠ মাল দিয়ে ফার্ণিচার বানানো হয়ে থাকে।
সরেজমিনে জগন্নাথপুর পৌর শহরের নামকরা লাকি সমিলের মালিক মনোরঞ্জন চন্দ সবুজ সহ অনেক সমিল ব্যবসায়ীরা জানান, সমিল ব্যবসায়ী, কাঠ ব্যবসায়ী, ফার্ণিচার ব্যবসায়ী ও গাছ সংগ্রহকারী ব্যবসায়ীরা এক সুতায় গাঁথা। এক সময় জগন্নাথপুরে ব্যবসা ভালো ছিল। বিভিন্ন দেশ থেকে আমদানি করা হতো সেগুন, চামল সহ দামি গাছের গোল বা কাঠ। তবে বিগত কয়েক বছর ধরে বাজার দখলে নিয়েছে বিভিন্ন কোম্পানীর তৈরি করা ফার্ণিচার। এর পর থেকে আমাদের ব্যবসার দুর্দিন চলছে। তারা আরো জানান, জগন্নাথপুর উপজেলায় প্রায় ১৫ থেকে ২০টি সমিল আছে। এর মধ্যে কয়েকটি সমিল লোকসান গুণতে গুণতে বন্ধ হয়ে গেছে। আমরা কোন রকমে ঠিকে আছি। প্রতিযোগিতার বাজারে ঠিকে থাকতে গিয়ে স্থানীয় আম, কদম, রেন্ট্রি সহ বিভিন্ন কমদামি কাঠ ব্যবহার করা হচ্ছে। এখন আর জগন্নাথপুরে সেগুন সহ দামি কাঠ আমদানি করা হয় না।
কাঠ ব্যবসায়ী শ্রীবাস দাস সহ অনেকে জানান, বিগত কয়েক বছর ধরে কাঠের ব্যবসা একেবারেই মন্দা হয়ে গেছে। দামি কাঠ আমদানি করা তো দুরের কথা, কমদামি কাঠই বিক্রি হচ্ছে না। এখন শুধু দীর্ঘদিনের ব্যবসায়িক সুনাম ধরে রাখতে কোন রকমে ব্যবসা করছি।
ফার্ণিচার ব্যবসায়ী হেলিম মিয়া সহ অনেকে জানান, এখন রেডি মালে বাজার সয়লাব হয়ে গেছে। তাদের সাথে ঠিকে থাকতে গিয়ে বাধ্য হয়ে কমদামি কাঠ দিয়ে ফার্ণিচার বানাতে হচ্ছে। গাছ ব্যবসায়ী আবদুল মুকিত সহ অনেকে বলেন, আমরা বিভিন্ন গ্রামে মানুষের বাড়ি বাড়ি গিয়ে গাছ কিনে সমিলে দেই। সমিল থেকে কাঠ বানিয়ে অথবা গোলে বিক্রি করা হয়। তারা আরো জানান, এখন বিদেশি দামি গাছ বা কাঠ আনার প্রয়োজন নেই। কারণ স্থানীয় গাছের দাম অনেক বেড়ে গেছে। এক সময় যে গাছ দিয়ে মানুষ লাকড়ি বানাতো, এখন সেই গাছ দিয়ে কাঠ হচ্ছে।